সমাধান
সমাধান
💼
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল

BCS Preliminary · ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ের "ভূগোল" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ৪১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

‘ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট’ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কানাডা
  2. পশ্চিম আফ্রিকা

  3. নর্থ আমেরিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

The Great Victoria Desert দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিতি একটি মরুভূমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অস্ট্রেলিয়া
‘ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট’ বা এর পুরো নাম গ্রেট ভিক্টোরিয়া ডেজার্ট (Great Victoria Desert) হলো অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি। এটি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিশাল অংশজুড়ে বিস্তৃত।
এই মরুভূমির নামকরণ করা হয়েছিল ব্রিটেনের রাণী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে, যিনি ১৮৩৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিলেন।
কানাডা এবং নর্থ আমেরিকা শীতল আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। অন্যদিকে, পশ্চিম আফ্রিকায় বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি সাহারা অবস্থিত, কিন্তু সেখানে ভিক্টোরিয়া ডেজার্ট নেই।
2

উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু প্রবাহিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘড়ির কাটার বিপরীতে
  2. ঘড়ির কাটার দিকে
  3. সোজা
  4. কোনটাই সঠিক নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু প্রবাহিত হয় ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে। দক্ষিণ গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু প্রবাহিত হয় ঘড়ির কাটার দিকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘড়ির কাটার বিপরীতে
পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় হলো একটি নিম্নচাপ কেন্দ্র (Low Pressure System)। এখানে বাতাস কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়।
যখন বাতাস নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয় এবং কোরিওলিস বলের প্রভাবে ডান দিকে বেঁকে যায়, তখন উত্তর গোলার্ধে ঘূর্ণনটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে বা বামাবর্তে (Counter-clockwise) হয়।
এর বিপরীতে, উত্তর গোলার্ধে উচ্চচাপ বলয়ে (Anti-cyclone) বাতাস ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রবাহিত হয়।
3

কোনটি নবায়নযোগ্য সম্পদ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. চুনাপাথর
  3. বায়ু
  4. কয়লা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সেগুলোকে নবায়নযোগ্য সম্পদ বলে। যেমন: বায়ু, সূর্যালোক, নদীস্রোত, সমুদ্রস্রোত ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বায়ু
বায়ু হলো একটি নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Resource)। নবায়নযোগ্য সম্পদ বলতে সেই প্রাকৃতিক সম্পদকে বোঝায়, যা ব্যবহারের ফলে সহজে নিঃশেষ হয় না এবং প্রকৃতিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে পুনরায় পূরণ বা উৎপাদিত হয়।
বায়ুশক্তি (Wind Power) হলো প্রকৃতির একটি অফুরন্ত উৎস, যা মানুষ যত ব্যবহার করুক না কেন, তা ফুরিয়ে যায় না। একই ক্যাটাগরির অন্যান্য সম্পদ হলো সৌরশক্তি, জলবিদ্যুৎ, এবং ভূতাপীয় শক্তি
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং চুনাপাথর হলো অনবায়নযোগ্য সম্পদ (Non-Renewable Resource)। কারণ এগুলো একবার ব্যবহার করলে তা নিঃশেষ হয়ে যায় এবং প্রকৃতিতে পুনরায় সৃষ্টি হতে লক্ষ লক্ষ বছর সময় লাগে।
4

একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত অঞ্চলসমূহকে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তার নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোপ্লিথ
  2. আইসোহাইট
  3. আইসোহ্যালাইন
  4. আইসোথার্ম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে আইসোহাইট (Isohyet) বা সমবর্ষণ রেখা বলে। অর্থাৎ যেসব স্থানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সমান, মানচিত্রে সেসব স্থানকে এ রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়। এ রেখাগুলো সমোষ্ণরেখার মত আঁকাবাঁকা হয়। এরূপ মানচিত্রে দেখবার সময় মনে রাখতে হবে যে এক রেখা হতে অপর রেখা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হঠাৎ কমে বা বেড়ে যায় না, তা ধীরে ধীরে কমে বা বাড়ে। সমবায়ুমণ্ডলীয় চাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোবার এবং সমতাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয় আইসোথার্ম। অন্যদিকে সমুদ্রের বিভিন্ন স্থানের সম লবণাক্ততা নির্দেশ করতে মানচিত্রে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোহ্যালাইন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোহাইট (Isohyet)
আইসো (Iso) একটি গ্রিক উপসর্গ যার অর্থ হলো ‘সমান’ বা ‘একই’। আর ‘hyet’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘hyetos’ থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো বৃষ্টিপাত।
অতএব, যে কাল্পনিক রেখা মানচিত্রের ওপর দিয়ে একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলগুলোকে যুক্ত করে, তাকে আইসোহাইট (Isohyet) বলা হয়।
এটি আবহাওয়ার মানচিত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
আইসোথার্ম (Isotherm): এই রেখাটি একই তাপমাত্রা (Temperature) নির্দেশক অঞ্চলসমূহকে যুক্ত করে।
আইসোহ্যালাইন (Isohaline): এই রেখাটি সমুদ্রের পানির একই লবণাক্ততা (Salinity) নির্দেশ করে।
আইসোপ্লিথ (Isopleth): এটি একটি সাধারণ টার্ম যা যেকোনো ভৌগোলিক বা পরিসংখ্যানগত মানচিত্রে সমান পরিমাণ বিতরণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, তবে বৃষ্টিপাতের জন্য সুনির্দিষ্ট শব্দ হলো আইসোহাইট
5

নিচের কোনটি সত্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী
  2. গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
  3. থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
  4. সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় মরুভূমি। যা চীন ও মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশ জুড়ে রয়েছে। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। এর আয়তন ৯৫ লক্ষ ৯৬ হাজার বর্গ কি.মি.। বাকি তিনটি অপশন সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
কারণ এই তথ্যটি সত্য নয়
গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম এবং পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি। এটি মূলত চীন (China) এবং মঙ্গোলিয়ার (Mongolia) বিশাল অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
সুতরাং, গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত—এই তথ্যটি ভুল।
অন্যান্য তথ্যগুলো সঠিক:
১. ইরাবতী নদী মায়ানমারের প্রধান নদী এবং দেশটির জীবনরেখা হিসেবে পরিচিত।
২. থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে (রাজস্থান) অবস্থিত এবং এটি Great Indian Desert নামেও পরিচিত।
৩. সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জানুয়ারি
  2. ফেব্রুয়ারি
  3. ডিসেম্বর
  4. মে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জানুয়ারি মাসে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের অধিক নিকটবর্তী থাকে। তাই দক্ষিণ গোলার্ধে জানুয়ারি উষ্ণতম মাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জানুয়ারি। পৃথিবীর কক্ষপথের ঘূর্ণনের কারণে যখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল চলে, ঠিক সেই সময়েই দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল শুরু হয়।
সূর্য যখন মকরক্রান্তি রেখার (Tropic of Capricorn) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় (যা সাধারণত ২১শে বা ২২শে ডিসেম্বরের আশেপাশে ঘটে), তখন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং গ্রীষ্ম শুরু হয়।
তবে জলভাগ ও স্থলভাগের তাপীয় জড়তার (Thermal Lag) কারণে সূর্য সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রদানের পরেও কিছুটা সময় ধরে আবহাওয়া গরম থাকে। এই তাপ সঞ্চয়ের কারণে উষ্ণতা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায় সাধারণত এক মাস পরে, অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে।
ডিসেম্বর মাসে গ্রীষ্ম শুরু হলেও তাপমাত্রা পিক করে জানুয়ারি মাসে। তাই এটিই দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণতম মাস।
7

মার্বেল কোন ধরনের শিলা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. মিশ্র শিলা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আগ্নেয় ও পাললিক এ উভয় প্রকার শিলায় তাপ, চাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এর খনিজ উপাদান ও বুনটের পরিবর্তন হয়ে যে নতুন শিলার সৃষ্টি হয় তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। যেমনঃ নিস (গ্রানাইট থেকে সৃষ্টি হয়), মার্বেল (চুনাপাথর বা ডোলোমাইট থেকে)। উল্লেখ্য যে গঠন প্রণালি অনুসারে শিলা ৩ প্রকার। ১. আগ্নেয় শিলা, ২. পাললিক শিলা, ৩. রূপান্তরিত শিলা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rock)
মার্বেল হলো মূলত চুনাপাথর (Limestone) বা ডলোমাইট শিলার পরিবর্তিত রূপ। দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচণ্ড তাপ (Heat)চাপের (Pressure) ফলে এই পাললিক শিলা রূপান্তরিত হয়ে মার্বেলে পরিণত হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ আগ্নেয় শিলা সরাসরি ম্যাগমা থেকে তৈরি হয় (যেমন: গ্রানাইট), এবং পাললিক শিলা নদী বা বায়ু দ্বারা বাহিত পলল জমে স্তরে স্তরে গঠিত হয় (যেমন: বেলেপাথর)। মার্বেলের জন্ম পাললিক শিলা থেকে হলেও এটি নিজে রূপান্তরিত শিলা।
8

মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিরাস
  2. নিম্বাস
  3. কিউম্যুলাস

  4. স্ট্রেটাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উচ্চতা অনুসারে মেঘকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যথা- (১) উঁচু মেঘ (High cloud), (২) মধ্যম উঁচু মেঘ (Medium high) ও (৩) নিচু মেঘ (Low cloud)। আবার মেঘের আকৃতি ও চেহারা অনুযায়ী এদের সিরাস, কিউম্যুলাস ও স্ট্রেটাস - এ তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা করা যায়। পালক বা আঁশের ন্যায় মেঘকে সিরাস, ভেজা তুলার স্তূপের ন্যায় প্রায় গোলাকার মেঘকে কিউম্যুলাস এবং স্তরে স্তরে সজ্জিত মেঘকে স্ট্রেটাস বলে। এছাড়া নিম্বাস (Nimbus) নামে বৈশিষ্ট্যবিহীন কালো বর্ণের মেঘও দেখা যায়।

ব্যাখ্যা

মেঘ প্রধানত তাদের উচ্চতা অনুযায়ী তিনটি মূল শ্রেণিতে বিভক্ত: উচ্চ উচ্চতার (High), মধ্যম উচ্চতার (Medium) এবং নিম্ন উচ্চতার (Low)। এছাড়াও কিছু মেঘের উল্লম্ব বিকাশ বা ভার্টিক্যাল এক্সটেনশন (Vertical Extension) থাকে, যা সব স্তরে বিস্তৃত হয়।
সাধারণত, মধ্যম উচ্চতার মেঘের ক্ষেত্রে অল্টোকিউম্যুলাস (Altocumulus) এবং অল্টোস্ট্রেটাস (Altostratus) নামগুলো ব্যবহৃত হয়। এদের উচ্চতা ২ কিমি থেকে ৭ কিমি পর্যন্ত হয়।
এখানে অপশনগুলোতে সরাসরি অল্টোকিউম্যুলাস না থাকায়, প্রশ্নটি ভুলভাবে তৈরি হয়েছে বলে মনে করা যায়। কিন্তু বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক ক্লাসিফিকেশন নিম্নরূপ:
১. সিরাস (Cirrus): এটি উচ্চ উচ্চতার মেঘ (৬ কিমি-এর উপরে)।
২. স্ট্রেটাস (Stratus): এটি নিম্ন উচ্চতার মেঘ (২ কিমি-এর নিচে)।
৩. কিউম্যুলাস (Cumulus): এই মেঘটি ভূমির কাছাকাছি তৈরি হলেও এর উল্লম্ব বিকাশ (Vertical Development) অনেক বেশি হতে পারে, যা একে মধ্যম স্তরে নিয়ে যায়। তাই অন্য সুস্পষ্ট ভুল বিকল্পগুলোর তুলনায় কিউম্যুলাস মেঘটিকেই মধ্যম বা উল্লম্ব প্রকৃতির মেঘ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে কিউম্যুলাস (Cumulus) সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে (যদিও আদর্শ উত্তর অল্টোকিউম্যুলাস)।
9

‘বেঙ্গল ফ্যান’- ভূমিরূপটি কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মধুপুর গড়ে
  2. বঙ্গোপসাগরে
  3. হাওর অঞ্চলে
  4. টারশিয়ারি পাহাড়ে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সর্বশেষ বরফ যুগের চূড়ান্ত পর্যায়ে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার উপকূলরেখার অবস্থান সুস্পষ্টভাবে জানা যায়নি। এটি ধরে নেয়া হয় যে, বেঙ্গল ফ্যান বর্তমান উপকূলরেখার দক্ষিণে ছিলো, কিন্তু বঙ্গোপসাগরের একটি সংকীর্ণ অংশ সম্ভবত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড থেকে সিলেট অববাহিকার দিকে বর্ধিত ছিলো। প্রায় ১৪,০০০ বছর পূর্বে সমুদ্র সমতলের দ্রুত উত্থান উপকূল রেখাকে এখনকার অবস্থানের তুলনায় দেশের ভিতরের দিকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঠেলে দেয়। প্রায় ৭,০০০ বছর আগে উন্মুক্ত প্লাইসটোসিন ভূদৃশ্যের মধ্যে কর্তিত উপত্যকাগুলো থেকে উচ্চ নির্গমন ক্ষমতাসম্পন্ন নদী বাহিত বালি দ্বারা মোহনা দ্রুতই ভরাট হয়ে যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্গোপসাগরে
‘বেঙ্গল ফ্যান’ হলো পৃথিবীর বৃহত্তম গভীর সমুদ্রের পাললিক ফ্যান (Submarine Fan) বা ব-দ্বীপ।
এটি মূলত গঙ্গা (পদ্মা) এবং ব্রহ্মপুত্র (যমুনা) নদীদ্বয় কর্তৃক বাহিত বিপুল পরিমাণ পলি ও কাদার সঞ্চয়ের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছে। এই পাললিক সঞ্চয় উপকূল থেকে সাগরের গভীরে প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে ফ্যানের (পাখার) মতো আকার ধারণ করেছে।
এটি একটি সামুদ্রিক ভূমিরূপ হওয়ায়, স্থলভাগের অংশ যেমন— মধুপুর গড়, হাওর অঞ্চল বা টারশিয়ারি পাহাড়ে এর অবস্থিতি সম্ভব নয়।
10

ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ওজোন স্তর (Ozone layer) হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে। এই স্তর থাকে প্রধানতঃ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে কমবেশি ২০-৩০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। এই স্তরের পুরুত্ব স্থানভেদে এবং মৌসুমভেদে কমবেশি হয়। বায়ুমণ্ডলে ওজোনের প্রায় ৯০ শতাংশ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের মধ্যে পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্ট্রাটোমণ্ডল
বায়ুমণ্ডলের যে স্তরটিতে মূলত ওজোন গ্যাস (O₃) ঘনীভূত হয়ে একটি আবরণ তৈরি করে, তাকে ওজোন স্তর (Ozone Layer) বলে। এই স্তরটি পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরেই থাকে।
ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) শোষণ করে পৃথিবীকে সুরক্ষা দেয়।
অন্যান্য স্তর ভুল হওয়ার কারণ:
ট্রপোমণ্ডল: এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর (ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ কিমি পর্যন্ত)। এখানে মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় সহ সব ধরনের আবহাওয়াগত পরিবর্তন ঘটে।
মেসোমণ্ডল: স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরে অবস্থিত এই স্তরে তাপমাত্রা খুব দ্রুত হ্রাস পায়। এখানে উল্কাপিণ্ড জ্বলে ছাই হয়ে যায়।
তাপমণ্ডল: এটি বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর। এখানে তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি এবং একে আয়নোমণ্ডল নামেও ডাকা হয়, যেখানে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গ্রীষ্ম, বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
  2. শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
  3. গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
  4. বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত ও গ্রীষ্ম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম হলো গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে ঋতুর স্বাভাবিক ক্রম হলো গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
বাংলা সনের প্রথম মাস বৈশাখ থেকে এই অনুক্রম শুরু হয় এবং প্রতিটি ঋতু বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী দুটি মাস নিয়ে গঠিত।
সঠিক অনুক্রমটি হলো:
১. গ্রীষ্ম (বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ)
২. বর্ষা (আষাঢ়, শ্রাবণ)
৩. শরৎ (ভাদ্র, আশ্বিন)
৪. হেমন্ত (কার্তিক, অগ্রহায়ণ)
৫. শীত (পৌষ, মাঘ)
৬. বসন্ত (ফাল্গুন, চৈত্র)
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, শুধুমাত্র অপশন (৩) গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত সঠিক কালানুক্রম রক্ষা করেছে।
12

কোন বনাঞ্চল প্রতিনিয়ত লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পার্বত্য বন
  2. শালবন
  3. মধুপুর বন
  4. ম্যানগ্রোভ বন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবন বিশ্বে একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন যা ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিত। এটি প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য হিসেবেও মনোনীত হয়। এটি প্রতিনিয়ত সাগরের জোয়ার-ভাটায় লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ম্যানগ্রোভ বন। ম্যানগ্রোভ বন হলো সেই ধরনের বন, যা সমুদ্র তীরবর্তী বা উপকূলীয় অঞ্চলের জোয়ার-ভাটা প্লাবিত কর্দমাক্ত ভূমিতে জন্মায়।
এই বনাঞ্চলের মাটি লবণাক্ত এবং অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। এখানকার উদ্ভিদগুলি (যেমন: সুন্দরী, গেওয়া) লবণাক্ততা সহ্য করার জন্য বিশেষ অভিযোজিত হয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন হলো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
অন্যদিকে, পার্বত্য বন (পার্বত্য চট্টগ্রাম) ও শালবন/মধুপুর বন (টাঙ্গাইল, গাজীপুর) সাধারণত উঁচু ভূমি ও স্বাদু পানির এলাকায় অবস্থিত, যা কখনোই লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয় না।
13

‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি দেশের নাম

  2. ম্যানগ্রোভ বন
  3. একটি দ্বীপ
  4. সাবমেরিন ক্যানিয়ন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে সামান্য দক্ষিণে অবস্থিত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা গঙ্গাখাত। এটি বঙ্গোপসাগরের গভীরতম খাত। এর গভীরতা প্রায় ৯০০ মিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাবমেরিন ক্যানিয়ন। এই ভৌগোলিক প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘সোয়াজ অব নো গ্রাউন্ড’ (Swatch of No Ground) হলো বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত একটি গভীর সমুদ্রখাত বা ক্যানিয়ন। এর গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার (৪,০০০ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে।
এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সাবমেরিন ক্যানিয়নগুলির মধ্যে একটি। মূলত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর বিপুল পরিমাণ পলল সমুদ্রে বয়ে যাওয়ার সময় এই বিশেষ ভৌগোলিক গঠনের সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। এটি কোনো ম্যানগ্রোভ বন বা দ্বীপ নয়, বরং সমুদ্রের নিচে অবস্থিত একটি খাঁজ বা গিরিখাত।
14

নিচের কোনটি পাললিক শিলা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মার্বেল
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. নিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কয়লা
পাললিক শিলা (Sedimentary Rock) গঠিত হয় পুরোনো শিলা, খনিজ ও জৈব বস্তুর (যেমন: উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ) ক্ষয়প্রাপ্ত অংশ বা পলি সঞ্চিত হয়ে। এই পলি বা বর্জ্য জমাট বেঁধে, চাপ ও তাপে কঠিন শিলা সৃষ্টি করে।
কয়লা (Coal) হলো এক ধরণের জৈব পাললিক শিলা। কোটি কোটি বছর আগে মৃত উদ্ভিদের দেহাবশেষ মাটিতে চাপা পড়ে, উচ্চ চাপ ও তাপের কারণে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি কঠিন কার্বনে (কয়লায়) পরিণত হয়।
ভুল উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা:
১. গ্রানাইট হলো আগ্নেয় শিলা (Igneous Rock), যা ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা শীতল হয়ে গঠিত হয়।
২. মার্বেলনিস হলো রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rock), যা পূর্বের আগ্নেয় বা পাললিক শিলা উচ্চ তাপ ও চাপের ফলে পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয়।
15

নিচের কোনটি বৃহৎ স্কেল মানচিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১: ১০,০০০
  2. ১: ১০০,০০০
  3. ১:১০০০,০০০
  4. ১: ২৫০০,০০০

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্কেলের পার্থক্য অনুসারে মানচিত্র ২ প্রকার যথা- ১. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র ও ২. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র। যখন বৃহৎ স্কেলে ক্ষুদ্র এলাকাকে অনেক বড় করে দেখানো হয় তখন তাকে বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র বলে। এ বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রে বিভিন্ন ভূসম্পত্তি, কৃষি ক্ষেত্র, বাড়িঘর, দালানকোঠা, নদ-নদী, বন-জঙ্গল, পরিবহন পথ, শহর, বন্দর ইত্যাদির সীমানা অঙ্কিত থাকে। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন স্কেলে মানচিত্র তৈরী করে। সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রিটিশ স্কেল ১ : ২৫, ০০০ থেকে ১ : ১০০০০০। আমেরিকাতে এই মানচিত্র স্কেল ১ : ৬২, ৫০০ থেকে ১ : ১২৫, ০০০ বাংলাদেশ ব্রিটিশ স্কেল অনুসরণ করে। উপরোক্ত অপশন – এর ক্ষেত্রে ১: ১০,০০০ অপশনটিই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১: ১০,০০০
মানচিত্রের স্কেল (Scale) হলো মানচিত্রে প্রদর্শিত দূরত্ব এবং ভূমিতে প্রকৃত দূরত্বের অনুপাত। এই অনুপাতকে প্রতিনিধিত্বমূলক ভগ্নাংশ (Representative Fraction - RF) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
মানচিত্রের স্কেল নির্ধারণের প্রধান নিয়ম হলো: এই ভগ্নাংশের হর (Denominator) যত ছোট হয়, মানচিত্রের স্কেল তত বৃহৎ হয়। বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রে একটি ছোট এলাকাকে অনেক বেশি বিস্তারিতভাবে দেখানো যায়।
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে, ১০,০০০ সংখ্যাটি সবচেয়ে ছোট হর। তাই, ১: ১০,০০০ অনুপাতটি একটি বৃহৎ স্কেল মানচিত্র নির্দেশ করে।
অন্যদিকে, ১: ২৫,০০,০০০ হলো ক্ষুদ্রতম স্কেলের মানচিত্র, যা একটি বিশাল এলাকা (যেমন একটি দেশ বা মহাদেশ) কম বিস্তারিতভাবে দেখায়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোথার্ম
  2. আইসোবার
  3. আইসোহাইট
  4. আইসোহেলাইন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে আইসোহাইট (Isohyet) বা সমবর্ষণ রেখা বলে। সমবায়ুমণ্ডলীয় চাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোবার এবং সমতাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয় আইসোথার্ম। অন্যদিক সমুদ্রের বিভিন্ন স্থানের সম লবণাক্ততা নির্দেশ করতে মানচিত্রে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোহেলাইন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোহাইট (Isohyet)
ভূগোল ও আবহাওয়াবিজ্ঞানে 'আইসো-' উপসর্গটি সমান (Equal) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এবং 'Hyet' শব্দটি বৃষ্টিপাত (Rainfall) সংক্রান্ত।
সুতরাং, যে রেখা দ্বারা পৃথিবীর মানচিত্রে সমান বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলো যুক্ত করা হয়, তাকে আইসোহাইট রেখা বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ধারণার সাথে সম্পর্কিত:
১. আইসোথার্ম (Isotherm): এটি সমান তাপমাত্রা-যুক্ত স্থানসমূহকে যোগ করে। (Therm = Temperature)
২. আইসোবার (Isobar): এটি সমান বায়ুচাপ-যুক্ত স্থানসমূহকে যোগ করে। (Bar = Pressure)
৩. আইসোহেলাইন (Isohaline): এটি সমান লবণাক্ততা-যুক্ত স্থানসমূহকে যোগ করে।
17

ঢাকা থেকে হংকং হয়ে প্লেন নিউইয়র্ক যাওয়ার সময় দিনের সময় কালকে অপেক্ষাকৃত ছোট মনে হয়, কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পৃথিবী পশ্চিম দিকে ঘুরছে বলে
  2. পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে বলে
  3. এক্ষেত্রে এসব ঘূর্ণনের কোন প্রভাব নেই
  4. অন্য কোন কারণ আছে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পৃথিবী সূর্যের চারদিকে সর্বদা ঘূর্ণায়মান। পৃথিবীর এই ঘূর্ণনের ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সময়ের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়, তাই ঢাকা থেকে হংকং হয়ে প্লেন নিউইয়র্ক যাওয়ার সময় দিনের সময় কালকে ছোট মনে হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে বলে (যদিও ব্যাখ্যাগতভাবে সঠিক শব্দটি হলো পৃথিবীর আবর্তন বা ঘূর্ণন)।
দিনের সময়কাল অপেক্ষাকৃত ছোট বা বড় মনে হওয়ার মূল কারণ হলো প্লেন যখন দ্রুতগতিতে দ্রাঘিমা রেখা (Longitudes) অতিক্রম করে। প্রতিটি দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করার সাথে সাথে সময় অঞ্চলের (Time Zone) পরিবর্তন ঘটে।
পৃথিবী তার অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ক্রমাগত ঘুরছে (আবর্তন গতি)। এই ঘূর্ণনের ফলেই দিন ও রাতের সৃষ্টি হয় এবং সময়ের তারতম্য ঘটে।
যখন কোনো বিমান পূর্ব দিকে ভ্রমণ করে (যেমন: নিউ ইয়র্ক থেকে ঢাকা/হংকং), তখন বিমানটি পৃথিবীর ঘূর্ণনের দিকে চলে। ফলে যাত্রী দ্রুত সময়ের সাথে এগিয়ে যায় এবং স্থানীয় সময় দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় দিনের সময়কাল অপেক্ষাকৃত ছোট মনে হয় (কারণ কিছু ঘন্টা স্কিপ হয়ে যায়)।
অন্যদিকে, যখন বিমান পশ্চিম দিকে ভ্রমণ করে (যেমন: ঢাকা থেকে নিউ ইয়র্ক), তখন বিমান পৃথিবীর ঘূর্ণনের বিপরীত দিকে যায়। ফলে যাত্রী ক্রমাগত সময় লাভ করে (একই ঘন্টা বা দিন রিপিট হয়) এবং দিনের সময়কাল অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ মনে হয়।
প্রশ্নটির যাত্রা পথ (ঢাকা -> হংকং -> নিউ ইয়র্ক) পশ্চিমমুখী হওয়ায় দিন দীর্ঘ মনে হওয়ার কথা। যেহেতু প্রশ্নে 'ছোট মনে হয়' বলা হয়েছে, এটি নির্দেশ করে যে হয় প্রশ্নটি ভুল বা পরীক্ষক 'পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে বলে' (অর্থাৎ পৃথিবীর গতি বিদ্যমান)—এই সাধারণ ধারণাকেই সময়ের তারতম্যের কারণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন, যেখানে আবর্তন গতিই মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
18

ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ গঠিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টারশিয়ারী যুগে
  2. প্লাইস্টোসিন যুগে
  3. কোয়াটারনারী যুগে
  4. সাম্প্রতিক কালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বা প্রাচীন ভূমিরূপ হলো দক্ষিণ–পূর্ব এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি। টারশিয়ারী যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছিল। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ ছাড়াও ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়ি ভূমি টারশিয়ারী যুগের ভূমিরূপের অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: টারশিয়ারী যুগে
ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের ভূমিরূপকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: ১. টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ, ২. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানসমূহ এবং ৩. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমিসমূহ।
এই তিনটি ভূমিরূপের মধ্যে টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহই (Tertiary Hills) হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ
এই অঞ্চলের পাহাড়গুলো প্রায় ৬.৫ কোটি বছর আগে (Tertiary Era) হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টির সময় গঠিত হয়েছিল। প্রধানত এই অঞ্চলটি দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত।
প্লাইস্টোসিন যুগ হলো এর পরের স্তর, যা প্রায় ২৫,০০০ বছর আগে গঠিত হয়েছিল এবং কোয়াটারনারী যুগ/সাম্প্রতিক কাল হলো দেশের সর্বাপেক্ষা নতুন এবং বিস্তৃত ভূমিরূপ।
19

‘পলল পাখা’ জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নদীর নিম্ন অববাহিকায়
  2. নদীর উৎপত্তিস্থলে
  3. পাহাড়ের পাদদেশে
  4. নদী মোহনায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পাহাড় বা পর্বতের পাদদেশ ধরে সমভূমির দিকে নদীর প্রবাহের সময় প্রস্তরখণ্ড, নুড়ি, বালি প্রভৃতি জমা হয়ে যে হাতপাখা আকৃতির ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে পলল ব্যজনী বা পলল পাখা (Alluvial Fan) বলে। হিমালয়ের পাদদেশে এরূপ অনেক পলল পাখা দেখা যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাহাড়ের পাদদেশে
পলল পাখা (Alluvial Fan) হলো নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত এক ধরনের ভূমিরূপ। যখন কোনো নদী বা পার্বত্য স্রোতধারা অত্যন্ত খাড়া ঢালযুক্ত পাহাড় বা উচ্চভূমি থেকে হঠাৎ করে সমতল ভূমির পাদদেশে নেমে আসে, তখন স্রোতের গতিবেগ মারাত্মকভাবে কমে যায়।
গতি কমে যাওয়ার কারণে নদী বহন করে আনা নুড়ি, পাথর, বালি এবং পলি সমতল ভূমিতে হাতপাখার মতো বা শঙ্কু আকৃতিতে জমা করতে শুরু করে। এই সঞ্চয়জাত ভূমিরূপকেই পলল পাখা বলা হয়। এটি সবসময় পাহাড়ের পাদদেশেই গঠিত হয়।
নদীর নিম্ন অববাহিকায় বা নদী মোহনায় মূলত বদ্বীপ (Delta) এবং প্লাবনভূমি (Floodplain) গঠিত হয়, যেখানে সঞ্চয়ের মাত্রা অনেক বেশি এবং পলির কণা সূক্ষ্ম হয়।
20

নিচের কোন উদ্ভিদ কেবল ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে দেখা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খেজুর পাম
  2. সাগু পাম
  3. নিপা পাম
  4. তাল পাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Nipa fruticans সাধারণভাবে Nipa palm নামে পরিচিত। বাংলায় একে গোলপাতা বলে। গোলপাতা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের একটি অন্যতম প্রধান উদ্ভিদ। এছাড়াও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে আরো যে উদ্ভিদগুলো পাওয়া যায় তাদের মধ্যে রয়েছে গেওয়া, কেওড়া, গরান, আমুর, বাইন, পশুর ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিপা পাম (Nipa Palm)। এটি বাংলাদেশে সাধারণত গোলপাতা নামে পরিচিত।
নিপা পাম একমাত্র পাম প্রজাতি যা কেবল ম্যানগ্রোভ জলাভূমিতে (Brackish/Saline water) জোয়ার-ভাটা প্লাবিত এলাকায় জন্মায়। এটি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের, বিশেষ করে সুন্দরবনের, একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যমূলক উদ্ভিদ
অন্যান্য পাম জাতীয় উদ্ভিদ যেমন— খেজুর পাম, সাগু পাম বা তাল পাম ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের বাইরে সাধারণ সমতল ভূমি বা শুষ্ক জলবায়ুতেও প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। তাই তারা 'কেবল' ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির শতকরা কতভাগ জল ভূগর্ভে ধারণ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2.05%
  2. 0.68%
  3. 0.01%
  4. 0.00%

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ০.৬৮%
পৃথিবীর মোট জলরাশির (বারিমণ্ডল) প্রায় ৯৭ শতাংশই হলো সমুদ্রের লবণাক্ত জল। বাকি ৩ শতাংশ হলো পানীয় জল বা মিষ্টি জল (Fresh Water)
এই ৩% মিষ্টি জলের বণ্টন নিম্নরূপ:
১. মেরু অঞ্চল ও হিমবাহে (Ice Caps/Glaciers) জমা আছে: প্রায় ২.০৫% (মোট জলরাশির)।
২. ভূগর্ভস্থ জল (Groundwater) হিসেবে ধারণ করে: প্রায় ০.৬৮% (মোট জলরাশির)।
৩. নদী, হ্রদ ও বায়ুমণ্ডলে রয়েছে: প্রায় ০.০২% এরও কম।
তাই, ভূগর্ভস্থ জল মোট জলরাশির ০.৬৮% ধারণ করে, যা পানীয় জলের অন্যতম প্রধান উৎস।
অপশন ২.০৫% হলো বরফের টুপি ও হিমবাহের পরিমাণ, তাই এটি ভুল।
22

সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাগ-মার্ক
  2. ফুটমার্ক
  3. GIS
  4. কোয়ার্ডবেট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সুন্দরবনে কয়েকটি পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত বাঘ গণনা করা হয়েছে। তবে সর্বশেষ পদ্ধতিটি ছিল ক্যামেরা ট্র্যাকিং পদ্ধতি। ২৬ জুলাই ২০১৫ প্রকাশিত বাঘ গণনার ঐ জরিপের ফলাফলে বলা হয় সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে ১০৬টি বাঘ রয়েছে। এর পূর্বে ২০০৪-০৫ সালে পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে সুন্দরবনের বাঘ জরিপে বলা হয় সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে ৪৩০টি বাঘ আছে। ২০১৮-১৯ সালে বাঘের সংখ্যা ছিলো ১১১টি এবং ২০২১ সালে ১৩৪টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাগ-মার্ক (Pug-Mark)
ঐতিহাসিকভাবে সুন্দরবনে বাঘ গণনার জন্য যে পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হতো, তা হলো পাগ-মার্ক পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বনের ভেজা মাটিতে বাঘের পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক (Pug Mark) সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করা হতো।
বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি বাঘের পায়ের ছাপকে (যেমন মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট) স্বতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করে মোট বাঘের সংখ্যা অনুমান করতেন। এটি অপেক্ষাকৃত কম ব্যয়বহুল কিন্তু কম নির্ভুল একটি পদ্ধতি ছিল।
আধুনিক কালে বাঘ গণনার জন্য ক্যামেরা ট্র্যাপিং (Camera Trapping) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা পাগ-মার্কের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং নির্ভুল।
23

‘শুভলং’ ঝরনা কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. মৌলভীবাজার
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শুভলং ঝরনা বা জলপ্রপাতটি রাঙামাটি সদরের বালুখালি ইউনিয়নে অবস্থিত। বাকলাই জলপ্রপাত বান্দরবানের থানচিতে; মাধবকুণ্ড ও হামহাম জলপ্রপাতদ্বয় যথাক্রমে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাঙামাটি
‘শুভলং’ ঝরনা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত প্রাকৃতিক জলপ্রপাত। এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদ (Kaptai Lake)-এর কাছেই অবস্থিত।
এটি সাধারণত বৃষ্টির জল দ্বারা পুষ্ট একটি পাহাড়ি ঝরনা। শুষ্ক মৌসুমে এর জলপ্রবাহ কমে গেলেও, বর্ষাকালে এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং এটি রাঙামাটির অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।
24

প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি

  3. বান্দরবান
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়া সন্নিকটে প্রায় ২৫২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ বিস্তৃত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বান্দরবান। প্রান্তিক হ্রদ (Prantik Lake) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলা বান্দরবান-এর অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।
এটি বান্দরবান সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আলী কদম উপজেলা রোডের পাশে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলাধার (Artificial Reservoir)। এই হ্রদটি সবুজ পাহাড় ও ঘন বন দ্বারা পরিবেষ্টিত, যা এটিকে অত্যন্ত মনোরম করে তুলেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ রাঙামাটিতে বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ (বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ) এবং খাগড়াছড়িতে আলুটিলা গুহারিছাং ঝর্ণা অবস্থিত। সিলেট অঞ্চলে সাধারণত হাওর বা টিলাভূমি দেখা যায়।
25

ম্যানগ্রোভ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কেওড়া বন
  2. উপকূলীয় বন
  3. শালবন
  4. চিরহরিৎ বন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ম্যানগ্রোভ বন হলো, যে বন সমুদ্রের জোয়ারের নোনা পানিতে সাময়িক নিমজ্জিত থাকে। সহজভাবে বলতে গেলে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হলো সমুদ্র উপকূলবর্তী বন, যেখানে জোয়ারের সময় পানি উঠে এবং ভাটার সময় পানি নেমে যায়। ‍উল্লেখ্য, পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হলো সুন্দরবন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপকূলীয় বন
ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বন হলো মূলত উপকূলীয় বা জোয়ার-ভাটার বন। এই বনগুলি সমুদ্রের উপকূলবর্তী অঞ্চলে, বিশেষত নদী মোহনা বা ব-দ্বীপ এলাকায় জন্মায়।
ম্যানগ্রোভ বনের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এখানকার উদ্ভিদরা লবণাক্ত জল ও কাদার মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত (Adapted)। তাই একে লবণাক্ত জলের সহনশীল বন বলা হয়।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
শালবন: এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের আর্দ্র পত্রঝরা বন (Deciduous forest), যা উপকূল থেকে দূরে এবং কম লবণাক্ত মাটিতে জন্মায় (যেমন ভাওয়াল-মধুপুর অঞ্চলে)।
কেওড়া বন: কেওড়া হলো ম্যানগ্রোভ বনের একটি পরিচিত উদ্ভিদ প্রজাতি (Sonneratia apetala)। এটি বনের সংজ্ঞা বা প্রকারভেদ নয়।
চিরহরিৎ বন: যদিও ম্যানগ্রোভ সাধারণত চিরহরিৎ (Evergreen) প্রকৃতির হয়, কিন্তু এর অবস্থানগত ও অভিযোজনগত প্রধান পরিচয় হলো উপকূলীয় বন
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

নিম্নে উল্লেখিত ভূমিরূপসমূহের মধ্যে কোনটি হিমবাহের ক্ষয় কার্যের দ্বারা গঠিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পার্শ্ব গ্রাবরেখা
  2. শৈলশিরা
  3. ভি-আকৃতির উপত্যকা
  4. ইউ-আকৃতির উপত্যকা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হিমবাহের ঘর্ষণ, আঁচড়ান, উৎপাটন প্রভৃতি ক্রিয়ার ফলে যে উপত্যকার সৃষ্টি হয়, তাকে হৈমবাহিক উপত্যকা বলে। পর্বত অঞ্চলে এরূপ উপত্যকার ভেতর দিয়ে হিমবাহ প্রবাহিত হওয়ার সময় ঘর্ষণে ঐ উপত্যকা ক্ষয় হয়ে ইংরেজি ‘ইউ’ (U) অক্ষরের মতো হয়। আর এজন্য একে ‘ইউ’ আকৃতির উপত্যকাও বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইউ-আকৃতির উপত্যকা
যখন কোনো হিমবাহ (Glacier) পূর্বে গঠিত ভি-আকৃতির নদী উপত্যকার (V-shaped valley) উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন বরফের ঘর্ষণ ও উৎপাটিত করার ক্ষমতাজনিত কারণে উপত্যকার পার্শ্বদেশ ও তলদেশ চওড়া ও গভীর হয়ে ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো আকৃতি ধারণ করে।
এটি হিমবাহের ক্ষয় কার্যের দ্বারা গঠিত অন্যতম প্রধান ভূমিরূপ।
অন্যদিকে, পার্শ্ব গ্রাবরেখা (Lateral Moraine) হলো হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের (Deposition) ফলে গঠিত একটি ভূমিরূপ।
ভি-আকৃতির উপত্যকা (V-shaped valley) সাধারণত নদীর ক্ষয় কার্যের ফলে গঠিত হয়, হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে নয়।
27

কীসের স্রোতে নদীখাত গভীর হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমুদ্রস্রোত
  2. নদীস্রোত
  3. বানের স্রোত
  4. জোয়ার-ভাটার স্রোত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নদীখাত হলো প্রবাহিত পানির শক্তির ফলে গঠিত একটি সরু বা চওড়া, গভীর বা অগভীর প্রাকৃতিক সুষম ঢালু যার মধ্য দিয়ে ধীর বা প্রবলবেগে পানি প্রবাহিত হয়। জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে এই নদীখাত গভীর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জোয়ার-ভাটার স্রোত
নদী সাধারণত নিম্ন অববাহিকায় বা মোহনার কাছে গিয়ে সমুদ্রে মিলিত হয়। এই অংশে জোয়ার-ভাটার স্রোত (Tidal Current) অত্যন্ত শক্তিশালী হয়।
জোয়ারের সময় জল যখন নদীখাতে প্রবেশ করে এবং ভাটার সময় জল যখন প্রবল বেগে আবার সমুদ্রে ফিরে যায়, তখন এই তীব্র আসা-যাওয়ার স্রোত নদীর তলদেশের পলি ও বালিরাশিকে (Sediment) ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
এই প্রক্রিয়াকে জোয়ারীয় ক্ষয় (Tidal Scour) বলা হয়, যা মূলত উল্লম্ব ক্ষয় (Vertical Erosion) ঘটিয়ে নদীখাতকে বিশেষভাবে গভীর করে তোলে।
সাধারণ নদীস্রোত মূলত নদীর পার্শ্বক্ষয় (Lateral Erosion) বা পলি বহন করে, কিন্তু গভীরতা বৃদ্ধিতে জোয়ার-ভাটার স্রোতের শক্তিই প্রধান ভূমিকা রাখে।
28

প্রবল জোয়ারের কারণ, যখন –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
  2. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
  3. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
  4. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আরও প্রবল হয়। ঐদিন চন্দ্র ও সূর্যের দিকে পূর্ণিমার দিন অপেক্ষাও জোয়ার বেশি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
যখন সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী এক সরলরেখায় (Syzygy) অবস্থান করে, তখন এদের সম্মিলিত মহাকর্ষীয় বল সর্বোচ্চ হয়। এই সর্বোচ্চ আকর্ষণের ফলেই জলের স্তর সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায় এবং একে প্রবল জোয়ার বা ভরা কটাল (Spring Tide) বলা হয়।
এই পরিস্থিতি বছরে দুবার হয়— অমাবস্যা তিথিতে (সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর একই পাশে) এবং পূর্ণিমা তিথিতে (সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর বিপরীত পাশে)।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ:
১. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করলে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ পরস্পরকে প্রতিহত করে, ফলে সৃষ্টি হয় মরা জোয়ার (Neap Tide) বা ক্ষীণ জোয়ার।
29

কোথায় দিন রাত্রি সর্বত্র সমান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. দক্ষিণ গোলার্ধে
  3. নিরক্ষরেখায়
  4. উত্তর গোলার্ধে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিন রাত্রি সমান থাকে। ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যের দিকে এবং উত্তর গোলার্ধে সূর্যের বিপরীত দিকে থাকায় উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে ছোট এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয়। জুন মাসে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের বিপরীত দিকে থাকায় উত্তর গোলার্ধে বড় দিন ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ছোট দিন বড় রাত পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু নিরক্ষরেখায় অবস্থিত অঞ্চলসমূহ সূর্য থেকে সবসময় সমদূরত্বে থাকায় এই সকল অঞ্চলসমূহে দিন রাত্রি সবর্দা সমান হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নিরক্ষরেখায় (Equator)।
কারণ নিরক্ষরেখা হলো পৃথিবীর ঠিক মাঝ বরাবর অঙ্কিত একটি কাল্পনিক রেখা। যখন পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর ঘোরে, তখন সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখার উপর সারা বছর লম্বভাবে বা কাছাকাছি লম্বভাবে আপতিত হয়।
যেহেতু নিরক্ষরেখা আলোকরশ্মি রেখা (Circle of Illumination)-এর সঙ্গে সর্বদা সমকোণে থাকে, তাই দিন-রাত্রির বিভাজন রেখাটি নিরক্ষরেখাকে সব সময় সমান দুটি অংশে বিভক্ত করে।
এর ফলে নিরক্ষরেখা অঞ্চলে সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ ঘণ্টা করে সমান থাকে।
অন্যদিকে, মেরু অঞ্চলে দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য ৬ মাস করে হয় এবং অন্যান্য গোলার্ধগুলোতে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দিনের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন হয়।
30

মকরক্রান্তি রেখা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৩৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ

  2. ২৩৩০′ উত্তর অক্ষাংশ

  3. ২৩৩০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ

  4. ২৩৩০′ পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মকরক্রান্তি রেখা বা Tropic of capricorn হলো দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি অক্ষরেখা, যার উপর সূর্য দক্ষিণায়নের সময় (২১ ডিসেম্বর) লম্বভাবে কিরণ দেয়। মকরক্রান্তি রেখা সর্বদক্ষিণে অবস্থিত। মকরক্রান্তি রেখাটি ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ। মকরক্রান্তি রেখাকে ইংরেজিতে Tropic of Capricorn বলা হয়।
এটি বিষুব রেখা (Equator) থেকে দক্ষিণে অবস্থিত একটি কাল্পনিক অক্ষাংশ রেখা। এটি সেই দক্ষিণতম অক্ষাংশ, যেখানে ডিসেম্বর মাসের দক্ষিণায়নকালে (শীতকালীন অয়নকাল) সূর্যকে ঠিক মাথার ওপরে দেখা যায়।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, ২৩°৩০′ উত্তর অক্ষাংশ হলো কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)। এটি বিষুব রেখার উত্তরে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
দ্রাঘিমাংশ (পূর্ব বা পশ্চিম) রেখাগুলো উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত হলেও তারা পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণের অবস্থান (অক্ষাংশ) পরিমাপ করে না।
সুতরাং, মকরক্রান্তি রেখা সর্বদা দক্ষিণ গোলার্ধের সাথে সম্পর্কিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে বলে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোধূলি
  2. গুরুবৃত্ত
  3. ঊষা
  4. ছায়াবৃত্ত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে ছায়াবৃত্ত বলে। সূর্য সকালে দিগন্তের উপরে উঠার আগে এবং সন্ধ্যায় দিগন্তের নিচে নেমে যাবার পর কিছুক্ষণ বিক্ষিপ্ত সৌরকিরণে আকাশে আলো থাকে। এ সময়কে যথাক্রমে ঊষা ও গোধূলি বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ছায়াবৃত্ত
ভূপৃষ্ঠের যে কাল্পনিক রেখাটি পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থিত এবং যা পৃথিবীকে সৌরদীপ্ত (Day)অন্ধকারাচ্ছন্ন (Night)—এই দুই ভাগে বিভক্ত করে, তাকেই ছায়াবৃত্ত (Circle of Illumination) বা সন্ধিরেখা বলা হয়।
এই রেখাটি সর্বদা পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে যায় না।
অন্যান্য অপশনগুলো এই সংজ্ঞার সাথে সম্পর্কিত নয়:
গোধূলি ও ঊষা: এই দুটি হলো সময়কাল। সূর্য ডোবার পর এবং সূর্য ওঠার আগের ক্ষণস্থায়ী সময়ের আলোর অবস্থাকে বোঝায়, কোনো ভৌগোলিক রেখাকে নয়।
গুরুবৃত্ত: এটি হলো পৃথিবীর উপর অঙ্কিত এমন বৃত্ত যার কেন্দ্র পৃথিবীর কেন্দ্রের সাথে এক। যেমন—নিরক্ষরেখা। এটি দিন-রাত্রির সীমারেখা নয়।
32

গ্রিনিচ মান সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য কত ঘণ্টা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ছয় ঘণ্টা
  2. আট ঘণ্টা
  3. দশ ঘণ্টা
  4. পাঁচ ঘণ্টা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের অবস্থান ৯০° দ্রাঘিমা রেখায় এবং গ্রিনিচের অবস্থান ০° দ্রাঘিমায় হওয়ায় উভয়ের মধ্যে ৯০° অর্থাৎ (৪×৯০) ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান রয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান গ্রিনিচ মান মন্দিরের পূর্ব দিকে হওয়ায় বাংলাদেশের স্থানীয় সময়= গ্রিনিচ মান +৬ ঘণ্টা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ছয় ঘণ্টা। গ্রিনিচ মান সময় (GMT) থেকে বাংলাদেশের প্রমাণ সময় (BST) ৬ ঘণ্টা এগিয়ে
গ্রিনিচ মান সময় (GMT) নির্ধারিত হয় পৃথিবীর ০° (শূন্য ডিগ্রি) দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী।
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় নির্ধারণের জন্য ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ব্যবহার করা হয়।
আমরা জানি, পৃথিবী তার অক্ষের ওপর ৩৬০° ঘুরতে ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। অর্থাৎ প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় ২৪imes৬০/৩৬০=২৪ imes ৬০ / ৩৬০ = ৪ মিনিট।
অতএব, গ্রিনিচ (০°) এবং বাংলাদেশের (৯০°) মধ্যে সময়ের পার্থক্য হলো: ৯০imes=৩৬০৯০ imes ৪ = ৩৬০ মিনিট।
৩৬০ মিনিট মানে ৬ ঘণ্টা (৩৬০/৬০=৩৬০ / ৬০ = ৬)। যেহেতু বাংলাদেশ গ্রিনিচের পূর্বে অবস্থিত, তাই বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা অগ্রগামী
অন্যান্য অপশন (আট ঘণ্টা, দশ ঘণ্টা, পাঁচ ঘণ্টা) ভুল, কারণ এই মানগুলো ভৌগোলিক দ্রাঘিমাংশের হিসাব অনুযায়ী সঠিক নয়।
33

ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কি বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ছায়াবৃত্ত
  2. গুরুবৃত্ত
  3. ঊষা
  4. গোধূলি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে পৃথিবীর একদিকে রাত এবং অপর দিকে দিন হয়। অর্থাৎ পৃথিবীর একদিক আলোকিত থাকে এবং অপর দিক অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। পৃথিবীর এ আলোকিত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সীমারেখাকে ছায়াবৃত্ত বলে। প্রভাতের কিছুক্ষণ পূর্বে যে ক্ষীণ আলো দেখতে পাওয়া যায় তাকে ঊষা বলে এবং সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে বলা হয় গোধূলি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ছায়াবৃত্ত (Circle of Illumination)
ছায়াবৃত্ত হলো পৃথিবীর পৃষ্ঠের উপর একটি কাল্পনিক রেখা, যা পৃথিবীর সৌরদীপ্ত অংশ (Day) এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশ (Night) কে পৃথক করে। এই রেখার কারণেই পৃথিবীর এক অংশে দিন এবং অন্য অংশে রাত অনুভূত হয়।
পৃথিবী তার অক্ষের উপর ঘোরার সময় এই ছায়াবৃত্তের অবস্থানও প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হয়, ফলে দিন-রাতের আবর্তন ঘটে।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
গুরুবৃত্ত (Great Circle): এটি পৃথিবীর কেন্দ্রগামী বৃহত্তম বৃত্ত (যেমন নিরক্ষরেখা), যা পৃথিবীকে দুটি সমান গোলার্ধে ভাগ করে। এর সাথে আলো-আঁধারের সংযোগস্থলের সম্পর্ক নেই।
ঊষা (Dawn) ও গোধূলি (Twilight): এগুলো কোনো সংযোগস্থল নয়, বরং সূর্যের উদয় বা অস্তের ঠিক আগে ও পরের সময়কালকে বোঝায়। ঊষা হলো ভোরের আলো ফুটতে শুরু করার সময় এবং গোধূলি হলো সূর্যাস্তের পর আলোর আভা মিলিয়ে যাওয়ার সময়।
34

সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  2. সমুদ্রের পানিতে তাপ পরিচালনা
  3. সমু্দ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
  4. সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সমুদ্র স্রোতের কারণগুলো হচ্ছে বায়ু প্রবাহ, উষ্ণতার তারতম্য, লবণাক্ততার তারতম্য, বাষ্পীভবনের তারতম্য, ঘভীরতার তারতম্য, পৃথিবীর আবর্তন এবং মূলভাগের অবস্থান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: বায়ু প্রবাহের প্রভাব
সমুদ্রের উপরিভাগের স্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (Planetary or Permanent Winds)। নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের জলরাশিকে ধাক্কা দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যায়, যা সমুদ্র স্রোত সৃষ্টি করে।
উদাহরণস্বরূপ, বাণিজ্য বায়ু (Trade Winds) নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্রোত সৃষ্টি করে এবং পশ্চিমা বায়ু (Westerlies) মধ্য অক্ষাংশে স্রোত সৃষ্টি করে। তাই সমুদ্র স্রোতের উৎপত্তির অন্যতম প্রধান কারণ হলো বায়ু প্রবাহের প্রভাব
যদিও সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য (লবণাক্ততা ও তাপমাত্রার কারণে সৃষ্ট) গভীর সমুদ্র স্রোত (Thermohaline Circulation) সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ, কিন্তু সামগ্রিক সমুদ্র স্রোত ব্যবস্থার প্রধান চালিকা শক্তিগুলোর মধ্যে বায়ুপ্রবাহকে সাধারণত প্রধান ধরা হয়।
35

রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগ দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
  2. রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
  3. কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
  4. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উপগ্রহের সাহায্যে অতিশাব্দিক তরঙ্গ বা আল্ট্রা সাউন্ড ওয়েভের মাধ্যমে কোনো বস্তুকে স্ক্যান করে যে সংকেত পাওয়া যায় তা ব্যবহার বস্তুর অবস্থান তথ্য ও অন্যান্য উপাত্ত বস্তুর সংস্পর্শ ছাড়াই সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া কে রিমোট সেন্সিং বলে। এই প্রক্রিয়ায় উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডল অবলোকন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
রিমোট সেন্সিং (Remote Sensing) বা দূর অনুধাবন বলতে সাধারণত এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়, যেখানে কোনো বস্তু বা অঞ্চলের সাথে সরাসরি ভৌত যোগাযোগ স্থাপন না করে, দূর থেকে সেন্সর (Sensor)-এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
এই প্রক্রিয়ায় মূলত উপগ্রহ (Satellite) বা বিমান ব্যবহৃত হয় তথ্য সংগ্রহের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। সেন্সরগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত বা বিকিরিত হওয়া শক্তি (সাধারণত তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ) পরিমাপ করে ছবি বা উপাত্ত তৈরি করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: 'রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগ দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ' অনেক ক্ষেত্রেই টেলিযোগাযোগ হতে পারে, যা সুনির্দিষ্টভাবে রিমোট সেন্সিং নয়। আর 'কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাগতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন' হলো জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astrophysics)-এর অংশ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে
  2. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
  3. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
  4. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরল রেখায় এলে পৃথিবীর উপর প্রবল আকর্ষণ অনুভূত হওয়ার ফলে যে প্রবল জোয়ার হয় তাকে তেজ কটাল বলে। ফলে এ দুই সময়ে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে উঠে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
এই ধরনের প্রবল জোয়ারকে ভরা কোটাল বা Spring Tide বলা হয়। যখন সূর্য, পৃথিবী এবং চন্দ্র একই সরল রেখায় (Straight Line) অবস্থান করে, তখন সূর্য ও চন্দ্রের সম্মিলিত মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বল পৃথিবীর জলরাশির উপর সর্বাধিক ক্রিয়া করে।
এর ফলে অন্যান্য সময়ের তুলনায় জোয়ারের তীব্রতা সর্বোচ্চ হয়। এই সরলরৈখিক অবস্থানকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় সিজিজি (Syzygy) বলা হয়।
ভরা কোটাল সাধারণত অমাবস্যা (New Moon)পূর্ণিমা (Full Moon) তিথিতে সংঘটিত হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন: সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ (Right Angle) করে থাকলে মহাকর্ষীয় শক্তি পরস্পরকে আংশিক প্রশমিত করে, ফলে জোয়ারের তীব্রতা সর্বনিম্ন হয়। একে মরা কোটাল বা Neap Tide বলা হয়।
37

গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. সাড়ে ৫ ঘণ্টা
  3. সাড়ে ৬ ঘণ্টা
  4. ৫ ঘণ্টা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গ্রিনিচ মানমন্দির লন্ডনে অবস্থিত শহর। বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮°১' - ৯২°৪১' দ্রাঘিমায় হওয়ায় এর স্থানীয় সময় গ্রিনিচ সময় থেকে ৪ × ৯০ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা আগে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৬ ঘণ্টা
সময় গণনার মূল ভিত্তি হলো গ্রিনিচের 00^\circ দ্রাঘিমাংশ, যা মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) নামে পরিচিত।
পৃথিবী 360360^\circ ঘোরার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। এই হিসাবে, প্রতি 11^\circ দ্রাঘিমাংশের পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট
বাংলাদেশ তার প্রমাণ সময় হিসেবে 9090^\circ পূর্ব দ্রাঘিমাংশকে ব্যবহার করে। যেহেতু এটি গ্রিনিচ থেকে পূর্ব দিকে অবস্থিত, তাই সময় এগিয়ে থাকবে।
গণনা: সময়ের পার্থক্য (মিনিটে) = 90×490^\circ \times 4 মিনিট = 360360 মিনিট।
ঘণ্টায় রূপান্তর: 360360 মিনিট ÷60\div 60 = ৬ ঘণ্টা
সুতরাং, গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে।
অন্যান্য অপশনগুলো (সাড়ে ৫ ঘণ্টা, সাড়ে ৬ ঘণ্টা) ভুল কারণ তারা যথাক্রমে 82.582.5^\circ এবং 97.597.5^\circ দ্রাঘিমাংশের সময়কে নির্দেশ করে।
38
ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫^\circ। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে—
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সকাল ০৯:০০ টা
  2. বিকাল ০৩:০০ টা
  3. সন্ধ্যা ০৬:০০ টা
  4. রাত ০৯:০০ টা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বিকাল ০৩:০০ টা

আমরা জানি, প্রতি ১^\circ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় মিনিট।
এখানে দ্রাঘিমার পার্থক্য = ৪৫^\circ
সুতরাং, সময়ের পার্থক্য = ৪৫×=১৮০৪৫ \times ৪ = ১৮০ মিনিট = ঘণ্টা।
যেহেতু স্থানটি ঢাকার পূর্বদিকে অবস্থিত, তাই সময় ঢাকার সময়ের চেয়ে বেশি হবে।
নির্ণেয় সময় = দুপুর ১২:০০ টা + ৩ ঘণ্টা = বিকাল ০৩:০০ টা

ব্যাখ্যা

পূর্বে গেলে সময় বাড়ে (+), পশ্চিমে গেলে সময় কমে (-)।
39
প্রতি ৩০° দ্রাঘিমার স্থানান্তরে সময়ের ব্যবধান কত মিনিট হয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫ মিনিট
  2. ৩০ মিনিট
  3. ৬০ মিনিট
  4. ১২০ মিনিট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ১২০ মিনিট

ব্যাখ্যা: পৃথিবী তার নিজ অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় বা ১,৪৪০ মিনিটে ৩৬০° ঘোরে।

সুতরাং, ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য = 1440360=4\frac{1440}{360} = 4 মিনিট।

অতএব, ৩০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য = 30×4=12030 \times 4 = 120 মিনিট বা ২ ঘণ্টা।

ব্যাখ্যা

দ্রাঘিমারেখার পার্থক্যের কারণে স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয়।
পূর্ব দিকে গেলে সময় বাড়ে এবং পশ্চিম দিকে গেলে সময় কমে।
40
হিমালয় পর্বতমালার উদ্ভব কোন দুটি টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষে হয়েছে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউরেশিয়ান ও আফ্রিকান
  2. ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান
  3. আমেরিকান ও ইউরেশিয়ান
  4. প্যাসিফিক ও ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান

ব্যাখ্যা: হিমালয় একটি ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountain)। ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট-এর সংঘর্ষের ফলে টেথিস সাগরের তলদেশ উত্থিত হয়ে হিমালয় পর্বতমালার সৃষ্টি হয়েছে। এই সংঘর্ষ এখনও চলমান থাকায় হিমালয়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ।

ব্যাখ্যা

ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেটটি উত্তর দিকে সরে গিয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটকে ধাক্কা দিচ্ছে।
এই সংঘর্ষের ফলে নেপাল, ভারত ও পাকিস্তান অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি থাকে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41
একটি দেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫-২০%
  2. ২০-২৫%
  3. ৩০-৩৫%
  4. ৩৫-৪০%

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ২০-২৫%

একটি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে মোট আয়তনের অন্তত ২৫% (বা ২০-২৫%) বনভূমি থাকা প্রয়োজন। বনভূমি প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় অপরিহার্য।

ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গবেষণা ও পরিবেশবিষয়ক সংস্থাসমূহের মতে, একটি দেশের পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে মোট ভূখণ্ডের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা বাঞ্ছনীয়।
অপশনে '২০-২৫%' রেঞ্জটি গ্রহণযোগ্য মানদণ্ডের সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ৪১টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-এর অন্যান্য অধ্যায়

কেন BCS Preliminary-এর জন্য “ভূগোল” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অংশে “ভূগোল” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"ভূগোল" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষায় ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ের "ভূগোল" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।