সমাধান
সমাধান
💼
সাধারণ জ্ঞান (Primary)

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক

Primary Assistant Teacher · সাধারণ জ্ঞান (Primary) — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান (Primary) বিষয়ের "বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ১৫০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় বাংলা ভাষা বিশ্বের কততম প্রধান ভাষা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষষ্ঠ
  2. সপ্তম
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় বর্তমানে বাংলা ভাষা বিশ্বের ৬ষ্ঠ প্রধান ভাষা। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ কথা বলেন এই ভাষায়। মাতৃভাষা হিসেবে ইংরেজির অবস্থান তৃতীয়। মাতৃভাষা হিসেবে বিশ্ব - ভাষা তালিকায় বাংলার অবস্থান পঞ্চম এবং বহুল ব্যবহৃত ভাষা হিসেবে এর অবস্থান সপ্তম। ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত বাংলায় কথা বলেন ২২ কোটির বেশি মানুষ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ষষ্ঠ
ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় (Total Speakers/Users) বাংলা ভাষা বর্তমানে বিশ্বের ৬ষ্ঠ প্রধান ভাষা। প্রায় ২২ কোটিরও বেশি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন।
পরীক্ষায় Ranking সংক্রান্ত প্রশ্নগুলি বেশ বিভ্রান্তিকর হতে পারে, তাই ব্যবহৃত Metric সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক:
১. মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা (Total Users/Speakers): ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ)
২. মাতৃভাষা হিসেবে (Native Speakers): পঞ্চম (৫ম)
৩. বহুল ব্যবহৃত ভাষা হিসেবে (Widely Used): সপ্তম (৭ম)
2

টর্নেডো শব্দটি এসেছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Toonida
  2. Tunioda
  3. Tonada
  4. Tornada

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মূলতঃ কিউমুলোনিম্বাস (ক্ষেত্রবিশেষে কিউমুলাস) মেঘ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফানেল বা হাতির শুঁড়ের মত বায়ুস্তম্ভের আকারে সৃষ্ট ভূপৃষ্ঠের উপরে প্রচন্ডবেগে ঘূর্ণায়মান চলনশীল ঝড়কে টর্নেডো (Tornedo) বলে । 'Tornedo' শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ শব্দ 'Tornada' থেকে, যার অর্থ বজ্রসম্পন্ন ঝড় ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Tornada
টর্নেডো (Tornedo) হলো ভূপৃষ্ঠের উপরে সৃষ্টি হওয়া প্রচন্ডবেগে ঘূর্ণায়মান এক প্রকার চলনশীল ঝড়, যা ফানেল বা হাতির শুঁড়ের মতো বায়ুস্তম্ভের আকারে দেখা যায়।
এই 'Tornedo' শব্দটি মূলতঃ স্প্যানিশ ভাষা থেকে উদ্ভূত। স্প্যানিশ শব্দ 'Tornada'-এর অর্থ হলো 'বজ্রসম্পন্ন ঝড়' (Thunderstorm)।
সুতরাং, উৎস শব্দ হলো Tornada
3

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ কত সালে প্রবর্তন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2013
  2. 2010
  3. 2011
  4. 2012

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘চলো, সবাই স্কুলে যাই’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ৯ জানুয়ারি ২০১১ থেকে শুরু হয়েছে  'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ - ২০১১ মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং মনুষ্যত্ব বিকাশে শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। আর প্রাথমিক শিক্ষাই হচ্ছে সকল শিক্ষার মূল ভিত্তি।এ উপলব্ধি থেকেই "চলো, সবাই স্কুলে যাই" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা ও প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে ৯ জানুয়ারি ২০১১ থেকে শুরু হয়েছে  'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ - ২০১১।'

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২০১১ সাল।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ প্রথম প্রবর্তন করা হয় ৯ জানুয়ারি ২০১১ সালে।
এর প্রধান লক্ষ্য ছিল মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
এই সপ্তাহের প্রথম প্রতিপাদ্য ছিল: 'চলো, সবাই স্কুলে যাই'
4

বাংলাদেশে বর্তমানে কততম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষষ্ঠ
  2. সপ্তম
  3. অষ্টম
  4. নবম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার খসড়ায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে রাজস্ব আদায়ের হার মোট জিডিপির ১৪ শতাংশে উন্নীত করা হবে। যেটি বর্তমানে জিডিপির ১০ শতাংশের ঘরে রয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে'।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো অষ্টম। বাংলাদেশে বর্তমানে (২০২৪ সাল) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (Eighth Five-Year Plan) বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
এই পরিকল্পনার সময়কাল হলো জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত। এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হলো কোভিড-১৯ মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাব সামলে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া।
5

নিচের কোন জেলাগুচ্ছ সুন্দরবন সংলগ্ন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পিরোজপুর, মাদারীপুর ও বাগেরহাট
  2. সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
  3. বাগেরহাট, নড়াইল ও ঝিনাইদহ
  4. বরিশাল, খুলনা ও সাতক্ষীরা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলির অন্যতম। পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার (৬২%) রয়েছে বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ (৩৮%) রয়েছে ভারতের মধ্যে।   সুন্দরবন সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য   অবস্থান খুলনা বিভাগ, বাংলাদেশপশ্চিমবঙ্গ , ভারত নিকটবর্তী শহর খুলনা, কলকাতা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, কাকদ্বীপ, ও ক্যানিং স্থানাঙ্ক ২১°৫৭′ উত্তর ৮৯°০৫′ পূর্ব আয়তন ১,৩৯,৫০০ হেক্টর (৩,৪৫,০০০ একর) স্থাপিত 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (খ) সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
সুন্দরবন মূলত বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে অবস্থিত একটি ম্যানগ্রোভ বনভূমি। এই বনভূমিটি বাংলাদেশের মোট পাঁচটি জেলা জুড়ে বিস্তৃত।
সরাসরি সুন্দরবন সংলগ্ন যে তিনটি জেলা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত, তা হলো খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট। তাই এটিই সবচেয়ে সঠিক গুচ্ছ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ (ক) মাদারীপুর, (গ) নড়াইল ও ঝিনাইদহ এবং (ঘ) বরিশাল জেলা সরাসরি সুন্দরবনের সাথে সংলগ্ন নয়
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

UNESCO কত সালে একুশে ফেব্রুয়ারি কে আন্তর্জাতিক মাত্রভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1997
  2. 1999
  3. 2000
  4. 2001

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক বাঙালির অমর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা হলে আমাদের সেই চেতনাই বিশ্বে প্রসারিত হয়। জাতিসংঘের ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, এ দিবস '১৯৫২ সালের একুশে ফ্রেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাংলাদেশের মানুষের অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের স্বীকৃতি'।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৯৯৯ সাল।
ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত তাদের সাধারণ পরিষদের ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (International Mother Language Day) হিসেবে ঘোষণা করে।
এই ঘোষণার মাধ্যমে ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে বাঙালির আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।
7

ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে কবে বাংলাদেশের ইলিশ সনদপ্রাপ্ত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ আগস্ট ২০১৭
  2. ২৭ জানুয়ারি ২০১৯
  3. ১৭ জুন ২০২১
  4. ১৭ নভেম্বর ২০১৬

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বর্তমানে জিআই পন্যের সংখ্যা ১৭ টি. সর্বশেষ সন্দেশ

ব্যাখ্যা

ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হলো এমন পণ্য যার বিশেষ খ্যাতি, গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্য তার ভৌগোলিক উৎপত্তিস্থলের কারণে নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে GI পণ্য হিসেবে সনদ দেওয়া হয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT) কর্তৃক।
সঠিক উত্তর হলো ১৭ আগস্ট ২০১৭। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ইলিশের স্বত্বাধিকার ও বিশেষ সুনাম নিশ্চিত করা হয়।
8

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ এর সমাধিস্থল কোন জেলায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. ফরিদপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ এর সমাধিস্থল - রাঙ্গামাটি মুন্সি আব্দুর রউফ (৮ মে ১৯৪৩ - ২০ এপ্রিল ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাঁদের অন্যতম। তিনি ১৯৬৩ সালের ৮ মে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে যোগদান করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি নিয়মিত পদাতিক সৈন্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের বুড়িঘাট গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল (মতান্তরে ২০ এপ্রিল) তিনি মর্টার শেলের আঘাতে শহীদ হন। তাঁকে রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে একটি টিলার ওপর সমাহিত করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জন্ম ৮ মে ১৯৪৩সালামতপুর, ফরিদপুর মৃত্যু ৮ এপ্রিল ১৯৭১ (বয়স ২৭)বুড়িঘাট, মহালছড়ি, রাঙ্গামাটি আনুগত্য বাংলাদেশ কার্যকাল ৮ মে ১৯৬৩ - ৮ এপ্রিল ১৯৭১ পদমর্যাদা ল্যান্স নায়েক ইউনিট পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস যুদ্ধ/সংগ্রাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পুরস্কার বীরশ্রেষ্ঠ সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রাঙ্গামাটি। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল (মতান্তরে ৮ এপ্রিল)
পার্বত্য চট্টগ্রামের বুড়িঘাট গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে শহীদ হন।
তাঁর সমাধিস্থল রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে একটি টিলার ওপর অবস্থিত।
অন্যান্য অপশন যেমন ফরিদপুর হলো তাঁর জন্মস্থান, কিন্তু সমাধিস্থল নয়। খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম কাছাকাছি জেলা হলেও সঠিক স্থান নয়।
9

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্পিকার
  2. জাতীয় সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন কে? বর্ণনাঃ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচার পতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন
রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং তার হাতেই বিচার বিভাগের প্রধানকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বা জাতীয় সংসদ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন।
10

কত তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
  3. ১৭ জানুয়ারি ১৯৬৮
  4. ৫ জানুয়ারি ১৯৬৯

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯। ১৯৬৯ সালে  শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’  উপাধি লাভ করেন । কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়। উপাধি ঘোষণা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এ সভায় রাখা বক্তৃতায় শেখ মুজিব ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগার দফা দাবির পক্ষে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
১৯৬৯ সালের এই দিনে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি প্রদান করা হয়।
তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ডাকসু সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমেদ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখো জনতার এক সমাবেশে এই উপাধি ঘোষণা করেন।
এই উপাধিটি তৎকালীন গণ-অভ্যুত্থান (১৯৬৯) চলাকালীন সময়ে শেখ মুজিবের প্রতি জনমানুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ছিল।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফার ২য় দফাটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য
  2. মুদ্রা বা অর্থ
  3. রাজস্ব
  4. কেন্দ্রীয় সরকার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবিসমূহ প্রস্তাব - ১ : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে; প্রস্তাব - ২ : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: কেন্দ্রীয় (ফেডারেল) সরকারের ক্ষমতা কেবল মাত্র দু'টি ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে - যথা, দেশরক্ষা ও বৈদেশিক নীতি। অবশিষ্ট সকল বিষয়ে অঙ্গ - রাষ্ট্রগুলির ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ। প্রস্তাব - ৩ : মুদ্রা বা অর্থ - সম্বন্ধীয় ক্ষমতা: মুদ্রার ব্যাপারে নিম্নলিখিত দু'টির যে কোন একটি প্রস্তাব গ্রহণ করা চলতে পারেঃ - (ক) সমগ্র দেশের জন্যে দু'টি পৃথক, অথচ অবাধে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু থাকবে। অথবা (খ) বর্তমান নিয়মে সমগ্র দেশের জন্যে কেবল মাত্র একটি মুদ্রাই চালু থাকতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে শাসনতন্ত্রে এমন ফলপ্রসূ ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে করে পূর্ব - পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচারের পথ বন্ধ হয়। এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক ব্যাংকিং রিজার্ভেরও পত্তন করতে হবে এবং পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক আর্থিক বা অর্থবিষয়ক নীতি প্রবর্তন করতে হবে। প্রস্তাব - ৪ : রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা: ফেডারেশনের অঙ্গরাজ্যগুলির কর বা শুল্ক ধার্যের ব্যাপারে সার্বভৌম ক্ষমতা থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনরূপ কর ধার্যের ক্ষমতা থাকবে না। তবে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য অঙ্গ - রাষ্ট্রীয় রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাপ্য হবে। অঙ্গরাষ্ট্রগুলির সবরকমের করের শতকরা একই হারে আদায়কৃত অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিল গঠিত হবে। প্রস্তাব - ৫ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: (ক) ফেডারেশনভুক্ত প্রতিটি রাজ্যের বহির্বাণিজ্যের পৃথক পৃথক হিসাব রক্ষা করতে হবে। (খ) বহির্বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা অঙ্গরাজ্যগুলির এখতিয়ারাধীন থাকবে। (গ) কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা সমান হারে অথবা সর্বসম্মত কোন হারে অঙ্গরাষ্ট্রগুলিই মিটাবে। (ঘ) অঙ্গ - রাষ্ট্রগুলির মধ্যে দেশজ দ্রব্য চলাচলের ক্ষেত্রে শুল্ক বা করজাতীয় কোন রকম বাধা - নিষেধ থাকবে না। (ঙ) শাসনতন্ত্রে অঙ্গরাষ্ট্রগুলিকে বিদেশে নিজ নিজ বাণিজ্যিক প্রতিনিধি প্রেরণ এবং স্ব - স্বার্থে বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা দিতে হবে। প্রস্তাব - ৬ : আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও শাসনতন্ত্র রক্ষার জন্য শাসনতন্ত্রে অঙ্গ - রাষ্ট্রগুলিকে স্বীয় কর্তৃত্বাধীনে আধা সামরিক বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন ও রাখার ক্ষমতা দিতে হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কেন্দ্রীয় সরকার
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত ৬ দফার ২য় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়।
এই দফায় বলা হয়েছিল যে, ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সরকারের ক্ষমতা কেবল মাত্র দুটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে— যথা: দেশরক্ষা (Defence) এবং বৈদেশিক নীতি (Foreign Policy)।
অবশিষ্ট সকল বিষয়ে অঙ্গ-রাষ্ট্রগুলির (প্রদেশগুলির) ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ
12

নিচের কোন গুচ্ছটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আশ্রয়ন ও শিক্ষা সহায়তা
  2. ত্রাণ ও পুনর্বাসন
  3. নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা
  4. মেট্রোরেল ও রূপপুর প্রকল্প

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দশটি বিশেষ উদ্যোগ হলোঃ একটি বাড়ি এটি খামার আশ্রয়ণ প্রকল্প ডিজিটাল বাংলাদেশ  শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি  নারীর ক্ষমতায়ন ঘরের ঘরের বিদ্যুৎ কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি  বিনিয়োগ বিকাশ  পরিবেশ সুরক্ষা।

ব্যাখ্যা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি বিশেষ উদ্যোগ (Ten Special Initiatives) হলো বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।
এই উদ্যোগগুলোর মধ্যে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত দুটি হলো: আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি
সুতরাং, বিকল্পগুলোর মধ্যে আশ্রয়ন ও শিক্ষা সহায়তা গুচ্ছটি সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশন যেমন— মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু ইত্যাদি মেগা প্রকল্প হলেও এগুলো সরাসরি 'দশটি উদ্যোগের' শিরোনামের অন্তর্ভুক্ত নয়।
13

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) তে অভীষ্ট কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 30
  2. 17
  3. 19
  4. 23

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) তে ১৭টি অভীষ্ট।  টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) এর লক্ষ্যগুলো হলোঃ ১. দারিদ্র্য নির্মূল; ২. ক্ষুধামুক্তি; ৩. সুস্বাস্থ্য; ৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা; ৫. লিঙ্গ সমতা; ৬. বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন; ৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি; ৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি; ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো; ১০. বৈষম্য হ্রাস; ১১. টেকসই শহর ও জনগণ; ১২. পরিমিত ভোগ; ১৩. জলবায়ুবিষয়ক পদক্ষেপ; ১৪. পানির নিচে প্রাণ; ১৫. স্থলভাগের জীবন; ১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার এবং ১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭টি
এসডিজি (SDG) বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা হলো জাতিসংঘের নির্ধারিত একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, যা ২০১৫ সালে শুরু হয়ে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলবে।
এই উন্নয়ন এজেন্ডার মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সকল প্রকার দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করে একটি টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য মোট ১৭টি অভীষ্ট (Goals) নির্ধারণ করা হয়েছে।
14

এসডিজি (SDG) এর কোন অভীষ্টটি প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4
  2. 5
  3. 6
  4. 7

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বা বৈশ্বিক লক্ষ্যগুলি হলো ১৭টি আন্তঃসংযুক্ত বৈশ্বিক লক্ষ্যগুলির একটি সংগ্রহ যা "সকলের জন‍্য একটি ভালো এবং আরও টেকসই ভবিষ্যৎ অর্জনের পরিকল্পনা হিসাবে তৈরি করা হয়েছে। জাতিসংঘ লক্ষ্যগুলো প্রণয়ন করেছে এবং “টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা” হিসেবে লক্ষ্যগুলোকে প্রচার করেছে। এসব লক্ষ্য সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা  - কে প্রতিস্থাপন করেছে, যা ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। SDGs - এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । ১৭টি এসডিজি হলো: ১. দারিদ্র্য বিলোপ ; ২. ক্ষুধা মুক্তি ; ৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ ; ৪. মানসম্মত শিক্ষা; ৫. লিঙ্গ সমতা ; ৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ; ৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি ; ৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ; ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো; ১০.অসমতার হ্রাস; ১১. টেকসই নগর ও জনপদ ; ১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন ; ১৩. জলবায়ু কার্যক্রম ; ১৪. জলজ জীবন ; ১৫. স্থলজ জীবন ; ১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান ; ১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অভীষ্ট
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) হলো বিশ্বব্যাপী গৃহীত ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার সমষ্টি, যা ২০১৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে ৪র্থ অভীষ্ট (Goal 4) সরাসরি শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত।
অভীষ্ট ৪-এর মূল লক্ষ্য হলো: 'সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টি করা।' প্রাথমিক শিক্ষা এই লক্ষ্যের মূল ভিত্তি।
অন্যান্য অপশনগুলো হলো:
অভীষ্ট ৫: লিঙ্গ সমতা
অভীষ্ট ৬: নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন
অভীষ্ট ৭: সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি।
15

জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব অটিস্টিক সচেতনতা দিবস পালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ মে
  2. ২ এপ্রিল
  3. ৪ এপ্রিল
  4. ২ মে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দিবস যা প্রতিবছর ২রা এপ্রিল পালিত হয়। এই দিনটিতে জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে তার সদস্য দেশগুলিকে অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণে উৎসাহিত করে। দিবসটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক "৬২/১৯৯ ধারা অনুযায়ী মনোনয়ন লাভ করে। "বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস" প্রস্তাবটি ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হয়েছিল এবং সেটি গৃহীত হয়েছিল একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২ এপ্রিল
জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস (World Autism Awareness Day) প্রতি বছর ২ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়।
এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের অধিকার ও সম্মান নিশ্চিত করা।
২০০৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক এই দিবসটি মনোনয়ন লাভ করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

BIMSTEC এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যাংকক
  2. থিম্পু
  3. ঢাকা
  4. দিল্লী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থণৈতিক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলো থেকে পূর্ণ সুবিধা ভোগ করার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ৬ জুন গঠিত হয়। বিমস্টেক নামের অর্থনৈতিক সংস্থাটি । শুরুতে বিমসটেকের ( BIMSTEC) পূর্ণরুপ Bangladesh, India, Myanmar , Sri Lanika, Thailand , Economic Co - operation থাকলেও বর্তমানে এর পূর্ণরুপ হলো Bay of Bengal Initiative for Multi - Sectoral Technical and Economic Co - operation. বিমসটেকের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র হলো ৭টি। প্রতিষ্ঠার শুরুতে এটির সদর দপ্তর না থাকলেও ২০১৪ সালে ঢাকায় এর সদর দপ্তর স্থাপতি হয়। আরো কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সিরডাপ, আইসিডিডিআরবি, আন্তর্জাতিক পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ঢাকা
BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation) হলো বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বহুমাত্রিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
এই সংস্থাটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন গঠিত হলেও, এর স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর ২০১৪ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় স্থাপন করা হয়
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সংস্থা ও এর সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
17

কোন অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মধ্যপ্রাচ্য
  2. দূরপ্রাচ্য
  3. আমেরিকা
  4. দক্ষিণ এশিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নিম্নচাপের কারণে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বিশেষ। সাধারণভাবে এই জাতীয় ঘূর্ণিঝড়কে সাধারণভাবে বলা হয় সাইক্লোন (Cyclone)। গ্রিক kyklos শব্দের অর্থ হলো বৃ্ত্ত। এই শব্দটি থেকে উৎপন্ন শব্দ হলো kykloun। এর অর্থ হলো - আবর্তিত হওয়া। এই শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয়েছে kyklōma । এই শব্দের অর্থ হলো - চক্র বা কুণ্ডলিত। ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ - ভারতীয় আবহাওয়াবিদ হেনরী পিডিংটন তাঁর সামুদ্রিক দুর্যোগ বিষয়ক গ্রন্থ, The Sailor's Horn - book for the Law of Storms - এতে Cyclone শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। উল্লেখ্য বাংলায় সাইক্লোন শব্দটি গৃহীত হয়েছে ইংরেজি থেকে। আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলের তীব্র ঘূর্ণিঝড়কে হারিকেন নামে চিহ্নিত করা হয়। এই মহাসাগর দুটিতে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড় - এর গতিবেগ যখন ঘণ্টায় ১১৭ কি.মি. - এর বেশি হয়, তখন এই ঝড়কে হারিকেন নামে অভিহিত করা হয়। এই নামটি গ্রহণ করা হয়েছে− আমেরিকার মায়া - সংস্কৃতিতে বর্ণিত দেবতা হুরাকান - এর নামানুসারে। উল্লেখ্য, মায়া পৌরাণিক কাহিনীতে হুরাকান হলো ঝড়ের দেবতা।  আঞ্চলিকতার বিচারে হারিকেনকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগ ২টি হলো− আটলান্টিক মহাসাগরীয় হারিকেন এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় হারিকেন। আটলান্টিক মহাসাগরীয় হারিকেন : আমেরিকা মহাদেশ সংলগ্ন আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপন্ন হারিকেন।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি বিশ্ব ভূগোল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কিত। সাধারণত, ক্রান্তীয় অঞ্চলে সৃষ্ট তীব্র ঘূর্ণিঝড়কে তার উৎপত্তিস্থল বা গতিপথ অনুযায়ী বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।
যে ঘূর্ণিঝড়গুলো আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হয়ে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ বা ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়, সেগুলোকে হ্যারিকেন (Hurricane) নামে অভিহিত করা হয়।
সঠিক উত্তর হলো আমেরিকা (মহাদেশ বা তৎসংলগ্ন অঞ্চল)। এই নামটি আমেরিকার মায়া সংস্কৃতিতে বর্ণিত ঝড়ের দেবতা ‘হুরাকান’ এর নাম থেকে এসেছে।
18

পানিতে কোন রাসায়নিক উপাদানের আধিক্যে শ্যাওলা জন্মে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সালফেট ও নাইট্রেট
  2. ফসফেট ও নাইট্রোজেন
  3. পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম
  4. ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফসফেট ও নাইট্রোজেন রাসায়নিক উপাদানের আধিক্যে পানিতে শ্যাওলা জন্মে।

ব্যাখ্যা

পানিতে শ্যাওলা বা শৈবাল জন্মানোর প্রক্রিয়াটিকে ইউট্রোফিকেশন (Eutrophication) বলা হয়।
এই প্রক্রিয়া মূলত দুটি প্রধান পুষ্টি উপাদানের আধিক্যের কারণে ঘটে: ফসফেট (Phosphate) এবং নাইট্রোজেন (Nitrogen)
কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত সার, ডিটারজেন্ট এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার বর্জ্য পদার্থের মাধ্যমে এই উপাদানগুলো জলাশয়ে প্রবেশ করে। এই অতিরিক্ত পুষ্টির কারণে শৈবালের দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটে, যার ফলে জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ফসফেট ও নাইট্রোজেন
19

বুদ্ধাঙ্ক (IQ) এর পরিমাপ অনুযায়ী প্রতিভাবানদের বুদ্ধাঙ্ক মাত্রা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IQ>90
  2. IQ>100
  3. IQ>130
  4. IQ>150

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বুদ্ধ্যঙ্ক বুদ্ধ্যঙ্ক বা আইকিউ (ইংরেজি: Intelligence quotient বা IQ), বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করতে পরিকল্পিত বিভিন্ন প্রমিত পরীক্ষার একসঙ্গে প্রাপ্ত ফলাফল। ইংরেজি আইকিউ শব্দটি মূলত মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম স্টার্ন কর্তৃক উদ্ভাবিত জার্মান শব্দ Intelligenz - Quotient থেকে নেয়া হয়েছে।   বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষার পূর্বসূরী ঐতিহাসিকভাবে, বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষা প্রণয়ন করার আগেও, দৈনন্দিন জীবনে তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে বুদ্ধিমত্তা শ্রেণীতে শ্রেণীবদ্ধ করার প্রচেষ্টা ছিল। আচরণগত পর্যবেক্ষণের অন্যান্য রূপগুলি প্রাথমিকভাবে বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষার স্কোরের ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধকরণ যাচাই করা এখনও গুরুত্বপূর্ণ। টেস্টিং রুমের বাইরে আচরণের পর্যবেক্ষণ দ্বারা বুদ্ধিমত্তা শ্রেণিবিন্যাস এবং বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষা দ্বারা শ্রেণিবিন্যাস একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবহৃত "বুদ্ধিমত্তা" এর সংজ্ঞা এবং নির্ভরযোগ্যতা এবং শ্রেণীবিভাগ পদ্ধতিতে অনুমানের ত্রুটির উপর নির্ভর করে ।

ব্যাখ্যা

বুদ্ধাঙ্ক বা IQ (Intelligence Quotient) হলো কোনো ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মানদণ্ড।
সাধারণত, এই স্কেলে গড় (Average) বুদ্ধিমত্তা হলো IQ ১০০
যেসব ব্যক্তি ব্যতিক্রমী বুদ্ধিমত্তার অধিকারী এবং যাদের 'প্রতিভাবান' (Gifted) ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়, তাদের বুদ্ধাঙ্ক অবশ্যই ১৩০ বা তার বেশি হতে হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো IQ>130
20

Oncology relates to _____-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. law
  2. medicine
  3. ecology
  4. environment

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক্যান্সারবিজ্ঞান বা অর্বুদবিজ্ঞান (ইংরেজি: oncology) হচ্ছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি শাখা, যা ক্যান্সারের প্রতিরোধ, নির্ণয় ও পর্যবেক্ষণ, এবং চিকিৎসা নিয়ে কাজ করে। যেসকল চিকিৎসক অনকোলজি নিয়ে কাজ করেন, তাঁদেরকে অনকোলজিস্ট (ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ) বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো medicine (চিকিৎসা বিজ্ঞান)।
Oncology (অনকোলজি) হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যা ক্যান্সার বা অর্বুদ রোগের উৎপত্তি, নির্ণয়, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা নিয়ে কাজ করে।
যিনি এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, তাঁকে অনকোলজিস্ট বলা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন— law (আইন), ecology (বাস্তুসংস্থান) এবং environment (পরিবেশ)— চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

A stage of short sightedness_____

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Myopia
  2. Autopsy
  3. Maternity
  4. Abortion

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ক্ষীণদৃষ্টি আ দৃষ্টি স্বল্পতার অবস্থাক বলে Myopia . Maternity - মাতৃত্ব , abortion - গভৃপাত/ব্যর্থতা; ‍autopsy - ময়নাতদন্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Myopia
ক্ষীণদৃষ্টি বা দৃষ্টি স্বল্পতাকে ইংরেজিতে Myopia বলা হয়। এটি এমন একটি দৃষ্টিগত ত্রুটি, যেখানে অক্ষিগোলক লম্বা হয়ে যাওয়ার কারণে বা কর্নিয়া অতিরিক্ত বাঁকা হওয়ার কারণে দূরের বস্তু ঝাপসা দেখায়। এক্ষেত্রে আলো রেটিনার সামনে ফোকাস হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে:
Autopsy: ময়নাতদন্ত (Post-mortem examination)।
Maternity: মাতৃত্ব সম্পর্কিত।
Abortion: গর্ভপাত/ব্যর্থতা।
22

নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদার বাড়িটি এখন কী নামে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উত্তরা গণভবন
  2. উত্তরবঙ্গ সংসদ ভবন
  3. গণভবন
  4. বঙ্গভবন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ি বা উত্তরা গণভবন আঠারো শতকে নির্মিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান। এটি বাংলাদেশের নাটোর শহরে অবস্থিত। নাটোর শহর থেকে প্রায় ২.৪ কিমি দূরে প্রাসাদটি অবস্থিত। বর্তমানে এটি উত্তরা গণভবন বা উত্তরাঞ্চলের গভর্মেন্ট হাউস নামে পরিচিত

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উত্তরা গণভবন
নাটোরের দিঘাপতিয়া জমিদার বাড়িটি মূলত দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। এটি আঠারো শতকে নির্মিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান ছিল।
স্বাধীনতার পর, ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটিকে উত্তরা গণভবন হিসেবে ঘোষণা করেন। বর্তমানে এটি রাষ্ট্রপতির উত্তরাঞ্চলের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন: গণভবন (প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন) এবং বঙ্গভবন (রাষ্ট্রপতির প্রধান বাসভবন) ঢাকায় অবস্থিত এবং এই প্রাসাদের বর্তমান নাম নয়।
23

বাংলাদেশে সর্বশেষ আদমশুমারি হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2008
  2. 2022
  3. 2014
  4. 2015

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার   গণনার  লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত দেশের ষষ্ঠ জাতীয় আদমশুমারি।এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল আদমশুমারি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত এক সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণা জেলায় বন্যা থাকায় ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল। তবে উক্ত আদমশুমারিতে সংগৃহীত তথ্যের মানদণ্ড হিসেবে ১৫ জুন ২০২২ তারিখটি ব্যবহৃত হয়। দশ বছর পর পর আদমশুমারি হওয়ার ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালের পর ২০২১ সালে এই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারী, সিলেটে বন্যা এবং সরঞ্জামের অভাবের কারণে সৃষ্ট জটিলতার ফলে এই আদমশুমারি বিলম্বিত হয়।ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক ফলাফল ২৭ জুলাই ২০২২ তারিখে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২০২২ সাল।
বাংলাদেশে সর্বশেষ বা ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে। আদমশুমারি শব্দটি এখন জনশুমারি (Census) নামে পরিচিত।
এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি, যা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
পূর্বের ধারা অনুযায়ী ২০১১ সালের পর ২০২১ সালে এটি হওয়ার কথা থাকলেও, কোভিড-১৯ মহামারি এবং অন্যান্য কারণে তা বিলম্বিত হয়ে ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
24

‘বৈসাবি’ কোন অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীর উৎসব?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. পার্বত্য চট্টোগ্রাম
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যুগ যুগ ধরে আনন্দ উৎসবের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী প্রধান এ উৎসব উদযাপন করে আসছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ - গোষ্ঠী। উৎসবটিকে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর 'বৈসুক', মারমা সম্প্রদায়ের 'সাংগ্রাই' এবং চাকমাদের 'বিজু' আদ্যক্ষর মিলিয়ে সংক্ষেপে এই উৎসবকে 'বৈসাবি' বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পার্বত্য চট্টোগ্রাম
‘বৈসাবি’ হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান তিনটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর (চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা) ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ উৎসবের সম্মিলিত নাম।
এই নামটি তিনটি উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে গঠিত: ত্রিপুরাদের 'বৈসুক' (বৈ), মারমাদের 'সাংগ্রাই' (সা) এবং চাকমাদের 'বিজু' (বি)। এই তিন আদ্যক্ষর মিলিয়ে সংক্ষেপে এই উৎসবকে 'বৈসাবি' বলা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাইরে (যেমন ময়মনসিংহ, রংপুর বা সিলেট) এই নামে কোনো বৃহৎ সম্মিলিত উৎসব পালিত হয় না।
25

সম্প্রতি ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশে কনসার্ট কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্ত রাজ্য
  3. নিউইয়র্ক
  4. আবি ধাবি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে আগামী ৬ মে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট। সুরের ঝংকারে সেদিন গর্জে উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তােলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিতে সেদিন আয়ােজিত হয় কনসার্ট ফর বাংলাদেশ। প্রায় ৪০ হাজার দর্শকের সামনে সেদিন লাল - সবুজের সমর্থনে কনসার্টে পারফর্ম করেন বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, জর্জ হ্যারিসন, বিলি প্রিস্টন ও রবিশঙ্করের মতাে তারকারা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউইয়র্ক
সম্প্রতি স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) এবং মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে ৬ মে ২০২২ তারিখে এই ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশে কনসার্ট’ অনুষ্ঠিত হয়।
এর মূল ভেন্যু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ঐতিহাসিক ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন
এখানেই ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিখ্যাত ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

শিশুর সহায়তা হট লাইন নম্বরটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 3331
  2. 1090
  3. 1098
  4. 999

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুবিধাবঞ্চিত নির্যাতিত ও বিপদাপন্ন শিশুদের ২৪ ঘণ্টা জরুরি সহায়তা সেবা দিতে ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮।

ব্যাখ্যা

শিশুদের ২৪ ঘণ্টা জরুরি সহায়তা, আইনি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশে ব্যবহৃত হটলাইন নম্বরটি হলো ১০৯৮। এটি চাইল্ড হেল্পলাইন বাংলাদেশ নামে পরিচিত।
এই সেবাটি সুবিধাবঞ্চিত, নির্যাতিত ও বিপদাপন্ন শিশুদের সাহায্যার্থে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় কাজ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হটলাইন হলেও ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়: ৯৯৯ (জাতীয় জরুরি সেবা - পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস), ৩৩৩ (সরকারি তথ্য ও ডিজিটাল সেবা)।
27

বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা মেয়াদ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০২০- ২০২৫
  2. ২০২২- ২০২৫
  3. ২০২৫- ২০৩০
  4. ২০২১- ২০৪১

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা - ২০৪১ উপস্থাপন করা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে। কিছু পরিসংখ্যান হালনাগাদ করে এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে মার্চে। আগামী ২০ বছরের জন্য পরিকল্পনাটি তৈরি করা হবে।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনাটি দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে, সেটিই হলো প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (Perspective Plan)
এই পরিকল্পনাটি ‘রূপকল্প ২০৪১’ (Vision 2041) নামেও পরিচিত এবং এর সময়সীমা হলো মোট ২০ বছর।
সঠিক সময়কালটি হলো ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।
28

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2010
  2. 2011
  3. 2009
  4. 2012

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের সংকট কমাতে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়। ওই বছর সরকার ২৯৬ কোটি ৭ লাখ টাকার পাঠ্যপুস্তক প্রদানের উদ্যোগ নেয় এবং ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি এটি প্রথম উদ্বোধন করেন। একদিনে বিশাল সংখ্যক বই সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ২৬ কোটি ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭১০ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়। ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিশুর শতকরা হার ছিল ৬১ ভাগ, বর্তমানে তা উন্নীত হয়েছে শতকরা ৯৭.৭ ভাগে। বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূূূূমিকা পালন করেছে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের বছর জানতে চেয়েছে, বিতরণের উদ্বোধন বছর নয়।
শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের সংকট মোকাবিলা এবং ঝরে পড়া রোধের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ, বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয় পরের বছর ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি। তাই নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের বছর হল ২০০৯
29

শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্য নীচের কোন গুচ্ছটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উদ্ভাবন ও বিজ্ঞান
  2. ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন
  3. তথ্য যোগযোগ ও প্রযুক্তি
  4. পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুশীলন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের প্রাণ। তাকে ঘিরেই পঠন - পাঠন প্রক্রিয়া আবর্তিত হয়। তাই তার দায়িত্ব - কর্ত্যবও অনেক। এসব দায়িত্ব কিছু ব্যক্তিগত কিছু প্রতিষ্ঠান - প্রশাসন কেন্দ্রিক ও কিছু শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক।

ব্যাখ্যা

শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শিক্ষকের পেশাগত উৎকর্ষতা।
পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুশীলন গুচ্ছটি সরাসরি শিক্ষকের যোগ্যতা, বিষয়বস্তু সম্পর্কে গভীর জ্ঞান এবং শ্রেণি কার্যক্রমে সেই জ্ঞান সফলভাবে প্রয়োগের সামর্থ্যকে নির্দেশ করে।
একজন শিক্ষকের যদি পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা না থাকে, তবে উদ্ভাবন (Innovation) বা প্রযুক্তি (ICT) ব্যবহার করেও তিনি কার্যকর শিক্ষণ নিশ্চিত করতে পারবেন না।
তাই, অন্যান্য বিকল্পগুলি (উদ্ভাবন, ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি) শিক্ষকের কাজের সহায়ক হলেও, শিক্ষকের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে পেশাগত জ্ঞানই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
30

বঙ্গবন্ধুকে ‘ রাজনীতির নান্দনিক বলেছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. শেখ হাসিনা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাংস্কৃতির উপর একটি আলাদা টান রয়েছিল। তার জীবন ও কর্মে থেকে দেখা যায় শিল্প ও সংস্কৃতির উপর তার বিশেষ ভূমিকা ও অবদানে রয়েছে। তাছাড়া তার ব্যক্তি জীবন নিয়েও অনেক শত শত বই উপন্যাস নাটক গান ও চলচ্চিত্র রচিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন আমি বাঙালি বাংলা আমার দেশ বাংলা আমার সংস্কৃতি। এজন্য শেখ হাসিনা তাকে রাজনীতির নান্দনিক শিল্পী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এবং নিউজউইক তাকে রাজনীতির কবি হিসেবে অবহিত করেছেন।

ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার লড়াই হিসেবে দেখেননি, তিনি এটিকে বাংলার সংস্কৃতি, শিল্প ও মানুষের মুক্তির সাথে যুক্ত করেছিলেন।
তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, বাগ্মিতা এবং চারিত্রিক মাধুর্যের কারণেই তার কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ‘ রাজনীতির নান্দনিক শিল্পী’ উপাধিটি প্রদান করেন।
এটি মূলত বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার ব্যক্তিগত ও গভীর শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

ন্যাটোতে যোগ দেওয়া ইস্যুতে রাশিয়া সম্প্রতি কোন দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Finland
  2. Denmark
  3. Poland
  4. Sweden

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেয়ার পরিকল্পনা করে ফিনল্যান্ড । ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদানের ঘোষণা রাশিয়া ক্ষুদ্ধ হয়ে ‘প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে। ১৪ মে, ২০২২ সালে রুশ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাও।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Finland (ফিনল্যান্ড)
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে, ফিনল্যান্ড নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে (NATO) যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়। রাশিয়া এটিকে নিজেদের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হিসেবে দেখে।
প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে, রুশ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাও ইউনিটি (RAO Unity) ২০২২ সালের ১৪ মে ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
এটি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
32

২০৩১ সালে বাংলাদেশে ও ভারতে কততম ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 13
  2. 14
  3. 15
  4. 16

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে বাংলাদেশ। ২০২৪ থেকে ২০৩১ সালের ছেলেদের বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বাগতিকদের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫তম। ২০৩১ সালে ভারতে ও বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে যে ওয়ানডে বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে, সেটি হবে এই টুর্নামেন্টের ১৫তম (Fifteenth) আসর।

ওয়ানডে বিশ্বকাপ সাধারণত প্রতি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।
সর্বশেষ ২০২৩ সালে ভারতে ১৩তম ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে ১৪তম আসর (দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায়)।
তাই ২০৩১ সালে, ১৫তম আসরটি বাংলাদেশ ও ভারতে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
33

‘উইকিপিডিয়া’ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উন্মুক্ত সফটওয়্যার
  2. ডেটাবেইজ
  3. মুক্ত বিশ্বকোষ
  4. স্মার্ট ফোন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উইকিপিডিয়া (উচ্চারণ: ˌwiːkiˈpiːdiə বা ˌwɪkɨˈpiːdiə) হচ্ছে একটি বহুভাষিক, ওয়েবভিত্তিক, মুক্ত বিষয়বস্তুবিশিষ্ট বিশ্বকোষ প্রকল্প। “Wikipedia” (উইকিপিডিয়া) শব্দটি এসেছে “Wiki” (উইকি), যার অর্থ সহায়তামূলক কাজের দ্বারা তৈরি ওয়েবসাইট এবং “Encyclopedia” (বিশ্বকোষ) শব্দ দুটি থেকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুক্ত বিশ্বকোষ
উইকিপিডিয়া (Wikipedia) হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অনলাইন বিশ্বকোষ (Encyclopedia)। এটি একটি বহুভাষিক, ওয়েবভিত্তিক এবং মুক্ত বিষয়বস্তুবিশিষ্ট (Free Content) প্রকল্প।
শব্দটি এসেছে 'Wiki' (উইকি, যার অর্থ দ্রুত বা সহায়তামূলক কাজের দ্বারা তৈরি) এবং 'Encyclopedia' (বিশ্বকোষ) এই দুটি শব্দ থেকে। এটি জ্ঞানের ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে, যেখানে যে কেউ অবদান রাখতে পারে। তাই এটি শুধু সফটওয়্যার বা ডেটাবেইজ নয়, বরং একটি বিশ্বকোষ।
34

কোন দেশ কত উন্নত, তা বোঝা যায় কোনটি বিবেচনা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দেশের ভৌগোলিক অবস্থান
  2. দেশের আয়তন
  3. মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার
  4. দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মাথাপিছু বিদ্যুৎশক্তির ব্যবহার
একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে কতটা অগ্রসর বা উন্নত, তা পরিমাপের জন্য মাথাপিছু শক্তি ব্যবহার (Per Capita Energy Consumption) একটি প্রধান সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
উন্নত দেশগুলিতে শিল্প, পরিবহন এবং গৃহস্থালির কাজে বিদ্যুতের ব্যবহার অনেক বেশি হয়। মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি মানেই জনগণের উন্নত জীবনযাত্রার মান ও শক্তিশালী শিল্পায়নকে নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন দেশের আয়তন বা প্রাকৃতিক সম্পদ দেশের সম্ভাব্যতা নির্দেশ করে, কিন্তু সরাসরি উন্নয়নের মাত্রা বোঝায় না (যদি না সেই সম্পদ ব্যবহৃত হয়)।
35

নিচের কোনটি ‘ সুনীল’ অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বনজ সম্পদ
  2. খনিজ সম্পদ
  3. মৎস্য সম্পদ
  4. সমুদ্র সম্পদ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সুনীল অর্থনীতি বা Blue Economy অর্থনীতির এমন একটি বিষয় যেখানে একটি দেশের সামুদ্রিক পরিবেশ কিংবা সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষন নিয়ে আলোচনা করা হয়। সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু - ইকোনমি হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি। সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমুদ্র সম্পদ
সুনীল অর্থনীতি (Blue Economy) হলো সমুদ্রের সম্পদনির্ভর একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। এর মূল লক্ষ্য হলো—সাগরের বিশাল জলরাশি এবং এর তলদেশে থাকা মৎস্য, খনিজ, শক্তি (যেমন: গ্যাস) সহ সকল প্রকার সম্পদকে টেকসইভাবে ব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করা।
এই অর্থনীতিতে শুধু সম্পদ উত্তোলন নয়, বরং সামুদ্রিক পরিবেশের সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

শ্রীলঙ্কার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রনিল বিক্রমাসিংহে
  2. গোতাবায়া রাপাপক্ষে
  3. মাহিন্দা রাজাপক্ষে
  4. দিনেশ গুনাবর্ধনে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Hon Dinesh Gunawardena was sworn-in as the 15th Prime Minister of the Democratic Socialist Republic of Sri Lanka on 22.7.22.He is also currently the Minister of Public Administration, Home Affairs, Provincial Councils & Local Government, a Member of Parliament, and Leader of the MEP which is in alliance with SLPP. (27-09-2023)Source: Prime Minister's Office of Sri Lanka

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো দিনেশ গুনাবর্ধনে
তিনি ২০২২ সালের ২২ জুলাই তারিখে শ্রীলঙ্কার ১৫তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে তাকে এই পদে নিয়োগ দেন। দিনেশ গুনাবর্ধনে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের জন্য পরিচিত এবং তিনি শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল SLPP-এর জোটভুক্ত MEP দলের নেতা।
অপশনগুলোতে থাকা মাহিন্দা রাজাপক্ষে এবং রনিল বিক্রমাসিংহে উভয়েই এর আগে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, এবং গোতাবায়া রাজাপক্ষে ছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট।
37

কত বছরের গড় আবহাওয়াকে কোনো অঞ্চলের জলবায়ু বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩০-৪০
  2. ২০-৩৫
  3. ১০-২০
  4. ২০-৩০

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জলবায়ু (climate) : কোনো নির্দিষ্ট স্থানের দীর্ঘ সময়ের, সাধারণত ৩০ এর বেশি বা অধিক বছরের আবহাওয়ার বিভিন্ন অবস্থার গড়পড়তা হিসাবকে জলবায়ু বলে। সাধারণত বৃহৎ এলাকাজুড়ে জলবায়ু নির্ণীত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩০-৪০ বছর
জলবায়ু (Climate) হলো কোনো একটি অঞ্চলের আবহাওয়ার দীর্ঘদিনের, অর্থাৎ গড়পড়তা ৩০ বা তারও বেশি বছরের সামগ্রিক অবস্থা।
অপরদিকে, আবহাওয়া (Weather) হলো কোনো স্থানের বায়ু, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ইত্যাদির দৈনিক বা স্বল্প সময়ের অবস্থা। এই দীর্ঘ সময়ের গড় হিসাব ছাড়া কোনো অঞ্চলের প্রকৃত জলবায়ু নির্ণয় করা সম্ভব নয়, তাই সর্বনিম্ন ৩০ বছরকে স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়।
38

কাগজবিহীন প্রতিষ্ঠান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যাংক
  2. ই- অফিস
  3. কল সেন্টার
  4. কাস্টমার কেয়ার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ই - অফিস হলো প্রচলিত অফিস ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অনলাইলে কাগজবিহীন কার্যক্রম পরিচালনা করা। ই - অফিস কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি বেসরকারি অফিসে কাগের পতি, দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুততম সময়ে মধ্যে কাঙ্খিত সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ই-অফিস
ই-অফিস হলো এমন একটি অফিস ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যেখানে প্রচলিত অফিসের কাগজভিত্তিক (Paper-based) ফাইল ও নথিপত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
এর মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি দাপ্তরিক কাজগুলো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে (অনলাইনে) পরিচালনা করা হয়।
ই-অফিস ব্যবহারের ফলে কাজের গতি, স্বচ্ছতাজবাবদিহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
39

SMS এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Short Message Server
  2. Short Message System
  3. Short Message Service
  4. Short Multimedia Service

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Short Message Service
SMS হলো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছোট টেক্সট মেসেজ আদান-প্রদানের একটি প্রযুক্তি। এটিকে সাধারণত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মেসেজিং করার সবচেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে গণ্য করা হয়।
মনে রাখবেন, শেষ 'S' দ্বারা 'System' বা 'Server' বোঝায় না, বরং 'Service' বোঝানো হয়।
40

নিচের কোনটি ঋণাত্মক কাজের উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমতল পথে হাঁটা
  2. গাছ থেকে নিচে নামা
  3. একটি দেয়ালকে ধাক্কা দেওয়া
  4. সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বল প্রয়োগ করার ফলে যদি বন্তু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় বা বলের দিকে সরণের ঋণাত্মক উপাংশ থাকে, তাহলে তাকে বলের বিরুদ্ধে কাজ বলে। বলের বিরুদ্ধে কাজ ঋণাত্মক । পাহাড় বা সিড়ি দিয়ে উপরে উঠার সময় ঋণাত্মক কাজ হয়।

ব্যাখ্যা

পদার্থবিজ্ঞানের ধারণা অনুযায়ী, কাজ হলো বল এবং বলের দিকে সরণের গুণফল। কাজ তিন প্রকার: ধনাত্মক, ঋণাত্মক ও শূন্য
কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করার ফলে যদি বস্তুটি বলের বিপরীত দিকে সরে যায় বা বলের দিকে সরণের ঋণাত্মক উপাংশ থাকে, তবে সেই কাজকে ঋণাত্মক কাজ (Negative Work) বলা হয়।
সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠার সময়, আমরা মূলত অভিকর্ষজ বলের (মাধ্যাকর্ষণ বল) বিরুদ্ধে কাজ করি। অভিকর্ষজ বল সবসময় বস্তুকে নিচের দিকে টানে, কিন্তু সরণ ঘটে উপরের দিকে। যেহেতু বল ও সরণের দিক পরস্পরের বিপরীত (180180^\circ কোণ), তাই অভিকর্ষজ বল দ্বারা কৃত কাজ ঋণাত্মক হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠা
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

BMI এর পূর্ণরূপ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Best Medicine of Integration
  2. Ballistic Missile Initiative
  3. Body Mass Index
  4. Bill Measurement Index

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

BMI এর পূর্ণরূপ হলো Body Mass Index (বডি মাস ইনডেক্স)।
এটি হলো দেহের উচ্চতার সাপেক্ষে ওজনের একটি পরিমাপক সূচক, যা কোনো ব্যক্তি কম ওজনের, স্বাভাবিক ওজনের, অতিরিক্ত ওজনের নাকি স্থূলতার শিকার, তা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংক্রান্ত আলোচনায় এই শব্দটি বহুল প্রচলিত এবং নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
42

কোন সালে প্রভাতফেরীতে সর্বপ্রথম ‘একুশের গান’ আমার ভাইয়ের রক্তে—

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1954
  2. 1964
  3. 1962
  4. 1952

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর কবিতা 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' ১৯৫৩ সালে রচিত হলেও সুরারোপিত হয়ে এ গান গাওয়া হয়েছে ১৯৫৪ সালের প্রভাতফেরিতে এবং এরপর থেকে নিয়মিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৫৪ সাল।
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর বিখ্যাত কবিতা 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' রচিত হয় ১৯৫৩ সালে। যদিও কবিতাটি ১৯৫৩ সালেই প্রথম সুরারোপিত হয়েছিল (আব্দুল লতিফ কর্তৃক), কিন্তু সেই সুরটি প্রভাতফেরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
বর্তমানে প্রচলিত ও জনপ্রিয় সুরটি প্রদান করেন আলতাফ মাহমুদ। ১৯৫৪ সালের প্রভাতফেরিতেই আলতাফ মাহমুদের সুরারোপিত গানটি প্রথমবার গাওয়া হয় এবং এরপর থেকে এটি নিয়মিতভাবে গাওয়া হয়ে আসছে।
43

শেখ রাসেলকে নিয়ে শেখ হাসিনার লেখা বই কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আমাদের ছোট রাসেল সোনা
  2. মমতা মাখা একটি নাম রাসেল
  3. রাসেলের দিনগুলি
  4. আমাদের ছোট রাজকুমার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আমাদের ছোট রাসেল সোনা শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জীবন কাহিনীর ওপর লেখা বই। ২০১৯ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। এটি লিখেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আমাদের ছোট রাসেল সোনা
এই বইটি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ছোট ভাই শেখ রাসেলকে নিয়ে লিখেছেন।
বইটিতে শেখ রাসেলকে নিয়ে তার শৈশব ও পারিবারিক স্মৃতিগুলো তুলে ধরা হয়েছে, যা বাংলাদেশের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে (বিশেষ করে প্রাইমারি ও বিসিএস) খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন।
44

শিশুর ভাষা শিক্ষার প্রথম মাধ্যম কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাবা
  2. আত্মীয়-স্বজন
  3. শিক্ষক
  4. মা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শিশুর ভাষা শিক্ষার প্রথম মাধ্যম 'মা'। মা শিশুর যেসব খাদ্যের প্রতি ঝোঁক সৃষ্টি করবেন, শিশুর খাদ্যাভ্যাস ও আচরণে তার প্রভাব লক্ষ করা যায়। মাই প্রথম শিশুকে ঘুম পাড়ায়। পরবর্তী সময়ে শিশু বর্ণশিক্ষা, শব্দ শিক্ষা, ছড়া শিক্ষা মা'ই প্রথম দিয়ে থাকেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মা। শিশুর ভাষা শিক্ষার প্রাথমিক পর্ব শুরু হয় পরিবারের মাধ্যমে, এবং এই পরিবারের মধ্যে মা হলেন প্রথম ও প্রধান মাধ্যম।
মা শিশুকে খাবার খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো এবং অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের সময় সবচেয়ে বেশি স্নেহ ও যোগাযোগের মাধ্যমে ভাষা ব্যবহার করেন।
শিশুরা প্রথমত অনুকরণের মাধ্যমে ভাষা শেখে। মায়ের কাছ থেকে শোনা শব্দ, উচ্চারণ এবং সুর শিশু প্রথম অনুকরণ করে, তাই মা-কেই শিশুর প্রথম ভাষা শিক্ষিকা বলা হয়।
45

The study of plants________.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Biology
  2. Plantation
  3. Biography
  4. Botany

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উদ্ভিদবিদ্যা জীববিদ্যার একটি শাখা । উদ্ভিদ সম্পৰ্কীয় বিজ্ঞানই হল উদ্ভিদবিজ্ঞান বা উদ্ভিদবিদ্যা । ব্যাপক অর্থে যে বিদ্যা আমাদের সমস্ত প্রকার উদ্ভিদের আকার, গঠন, প্রকৃতি, শ্বসন, পুষ্টি, রেচন, বৃদ্ধি, জনন, বাসস্থান ইত্যাদি বিস্তারিত ভাবে জ্ঞানার্জনে সাহায্য করে তাকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বা উদ্ভিদবিদ্যা বলে । ‘Botany’  শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Botane’ (plant) থেকে উদ্ভব হয়েছে, যার অর্থ গাছপালা বা উদ্ভিদ ।উদ্ভিদবিজ্ঞানউদ্ভিদবিদ্যার শাখা (Branches of Botany)মূল বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে উদ্ভিদবিজ্ঞানকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা –বিশুদ্ধ বা মৌলিক উদ্ভিদবিজ্ঞান (Pure or Basic Botany), ফলিত উদ্ভিদবিজ্ঞান (Applied Botany) এবংবিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞান (Special Botany) ।বিশুদ্ধ উদ্ভিদবিদ্যা (Pure Botany)উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের গঠন, প্রকৃতি, জৈবনিক প্রক্রিয়াসমূহ, জীবনবৃত্তান্ত, অভিযােজন প্রভূতি তত্ত্বগত দিক সম্পর্কে আলােচনা করা হয়, তাকে মৌলিক উদ্ভিদবিদ্যা বা বিশুদ্ধ উদ্ভিদবিদ্যা বলে ।বিশুদ্ধ উদ্ভিদবিজ্ঞানের শাখাগুলি নিম্নরূপ :(অঙ্গসংস্থান ((orphology ) : এই শাখায় উদ্ভিদের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে আলােচনা করা হয়।কোশতত্ত্ব (Cytology) :  এই শাখায় উদ্ভিদকোশের বিভিন্ন অংশের পরাণু গঠন, কার্যাবলি, কোশবিভাজন ইত্যাদি সম্পর্কে আলােচিত হয় ।কলাতত্ত্ব (Histology) : এই শাখায় উদ্ভিদকলার আণুবীক্ষণিক গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।শারীরবিদ্যা (Physiology) : এই শাখায় উদ্ভিদ অঙ্গের বিভিন্ন জৈবিক ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে আলােচনা করা হয়, যেমন — সালােকসংশ্লেষ, শ্বসন ইত্যাদি ।পুষ্টিতত্ত্ব (Nutrition) : এই শাখায় উদ্ভিদের পুষ্টি সম্পর্কে আলােচিত হয় ।ভ্রূণতত্ত্ব (Embryology) : এই শাখায় উদ্ভিদ ভ্রূণের উৎপত্তি, গঠন ও বিকাশ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।বংশগতিবিদ্যা (Genetics) : এই শাখায় উদ্ভিদের বংশগতি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।বাস্তুসংস্থান (Ecology) : এই শাখায় উদ্ভিদের বাসস্থান, পরিবেশের ওপর প্রভাব এবং অন্যান্য জীবের সঙ্গে আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে আলােচনা করা হয় ।ভূ – উদ্ভিদবিদ্যা (Biogeography) : এই শাখায় উদ্ভিদের ভৌগােলিক বিস্তার সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।প্রত্ন – উদ্ভিদবিদ্যা (Palaeobotany) : এই শাখায় উদ্ভিদের জীবাশ্ম সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।উদ্ভিদ ট্যাক্সোনোমি (Phyto – taxonomy) : এই শাখায় উদ্ভিদের নামকরণ, শ্রেণিবিভাগ, শনাক্তকরণ ইত্যাদি আলােচনা করা হয় ।উদ্ভিদ – রসায়নবিদ্যা (Phyto – chemistry) : এই শাখায় উদ্ভিদকোশের বিভিন্ন রাসায়নিক গঠন, বিপাক ইত্যাদি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।উদ্ভিদ – পদার্থবিদ্যা (Phyto – physics) : এই শাখায় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের পারমাণবিক আকার ও গঠন সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।উদ্ভিদ – গণিতবিদ্যা (Phyto – mathematics) : এই শাখায় উদ্ভিদের নানাবিধ জৈবনিক ক্রিয়াকলাপের হার ও সম্পর্ক নির্ণয়, জন্ম – মৃত্যুর আনুপাতিক হার নির্ণয় ইত্যাদি আলােচনা করা হয় ।সিস্টেমেটিক বটানি (Systematic botany) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের এই শাখায় উদ্ভিদ জগতের বিভিন্ন গােষ্ঠীর মধ্যকার নানারকম সম্পর্ক নির্ণয় সম্পর্কে আলােচনা, পর্যালােচনা ও গবেষণা করা হয় । ফলিত উদ্ভিদ বিজ্ঞান (Applied Botany)উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উপকারী উদ্ভিদদের সংরক্ষণ এবং ক্ষতিকর উদ্ভিদদের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানলাভ করা হয়, তাকে ফলিত উদ্ভিদবিজ্ঞান বলে ।ফলিত উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শাখাগুলি নিম্নরূপ :কৃষিবিজ্ঞান (Agriculture) : উদ্ভিদবিজ্ঞানের এই শাখায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।উদ্ভিদ প্রজননবিদ্যা (Plant breeding) : এই শাখায় কৃত্রিম উপায়ে উদ্ভিদের প্রজনন ঘটিয়ে উন্নততর বীজ ও উদ্ভিদ সৃষ্টির প্রচেষ্টা করা হয় ।উদ্ভিদ রােগতত্ত্ব (Plant pathology) : উদ্ভিদের বিভিন্ন রােগের কারণ, রােগলক্ষণ ও তাদের প্রতিকার সম্পর্কে আলােচনা করা এই শাখার প্রধান উদ্দেশ্য ।বনবিদ্যা (Forestry) : এই শাখায় বন্য উদ্ভিদের সংরক্ষণ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।উদ্যানবিদ্যা (Horticulture) : এই শাখায় নতুন বাগান নির্মাণ এবং পুরাতন বাগান সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে আলােচনা করা হয় ।ভেষজবিদ্যা (Pharmacy) : এই শাখায় ওষুধ সৃষ্টিকারী উদ্ভিদের সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতি সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।অর্থকরী উদ্ভিদবিজ্ঞান (Economic botany) : এই শাখায় বিভিন্ন ধরনের অর্থকরী উদ্ভিদদের চাষ ও উপযােগিতা সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।বিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞান (Special Botany)বিশেষ বিশেষ উদ্ভিদদের ওপর ভিত্তি করে উদ্ভিদবিজ্ঞানের যেসব শাখা গড়ে উঠেছে তাদের বিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞান বলে। বিশেষ উদ্ভিদবিজ্ঞানের শাখাগুলি নিম্নরূপ :ভাইরােলজি (Virology) : এই শাখায় বিভিন্ন রকমের ভাইরাস সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।ব্যাকটেরিওলজি (Bacteriology) : এই শাখায় বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।ফাইকোলজি (Phycology) : এই শাখায় বিভিন্ন শৈবাল সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।মাইকোলজি (Mycology) : এই শাখায় বিভিন্ন ছত্রাক সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।ব্রায়ােলজি (Bryology) : এই শাখায় বিভিন্ন মস জাতীয় উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।টেরিডােলজি (Pteridology) : এই শাখায় বিভিন্ন ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।জিমনােম্পার্ম (Gymnosperm) : এই শাখায় ব‍্যক্তবীজী উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।অ‍্যানজিওম্পার্ম (Angiosperm) : এই শাখায় গুপ্তবীজী উদ্ভিদ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Botany (বটানি)Botany শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘Botane’ থেকে এসেছে, যার অর্থ গাছপালা বা উদ্ভিদ।
বিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের আকার, গঠন, প্রকৃতি, জৈবনিক প্রক্রিয়া, শ্বসন, পুষ্টি এবং শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করা হয়, তাকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বা উদ্ভিদবিদ্যা (Botany) বলে।
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
Biology (জীববিজ্ঞান): এটি জীবন সম্পর্কিত সামগ্রিক বিজ্ঞান, যার মধ্যে উদ্ভিদ (Botany) এবং প্রাণী (Zoology) উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।
Plantation (প্ল্যান্টেশন): এর অর্থ হলো বৃক্ষরোপণ বা চারা রোপণ করা। এটি কোনো অধ্যয়ন বা বিজ্ঞান নয়।
Biography (বায়োগ্রাফি): এর অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির জীবনের বিবরণ বা জীবনী।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

মুক্তিযুদ্ধকালে জর্জ হ্যারিসন আয়োজিত কনসার্টের নাম কি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কনসার্ট ১৯৭১
  2. কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
  3. কান্ট্রি কনসার্ট
  4. লিবারেশন কনসার্ট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ (বা বাঙলা দেশ, দেশের পূর্ববানান অনুসারে) ছিল ১ আগস্ট ১৯৭১ সালের রবিবার ২.৩০ এবং ৮.০০ অপরাহ্নে নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে প্রায় ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত, সাবেক বিটল্‌স সঙ্গীতদলের লিড গিটারবাদক জর্জ হ্যারিসন এবং ভারতীয় সেতারবাদক রবিশঙ্কর

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কনসার্ট ফর বাংলাদেশ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন (১৯৭১ সালের ১ আগস্ট) পূর্ব বাংলার শরণার্থীদের সাহায্যের জন্য জনমত গঠন এবং তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আমেরিকার নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে এই কনসার্টটি আয়োজন করা হয়।
বিখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলসের সদস্য জর্জ হ্যারিসন এবং ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর এই ঐতিহাসিক ইভেন্টের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন।
47

৭৫ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিচের কোন চলচ্চিত্রটির ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
  2. চিরঞ্জীব মুজিব
  3. মুজিব একটি জাতির রূপকার
  4. ছিটমহল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

৭৫ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ (Mujib: The Making of a Nation) সিনেমাটির ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।ফ্রান্সে কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৫তম আসরের তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টায় ভারতীয় প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই বায়োপিকের ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞানবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কিত।
২০২২ সালে ফ্রান্সের কানে অনুষ্ঠিত ৭৫ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ (Mujib: The Making of a Nation)-এর ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়।
এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি বায়োপিক।
48

‘স্টপ জেনোসাইড’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আগরতলা মামলা
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. গণ অভ্যুত্থান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্টপ জেনোসাইড (গণহত্যা বন্ধ কর) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। শহীদ বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মুক্তিযুদ্ধ
‘স্টপ জেনোসাইড’ (Stop Genocide) হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি কালজয়ী প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
এটি নির্মাণ করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মাত্র ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন, যার মূল বিষয়বস্তু ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা ও বর্বরতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা।
49

“বাউল গানকে” হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি বলে স্বীকৃতি দিয়েছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউনেস্কো
  2. ইউনিসেফ
  3. ইউএনডিপি
  4. ইউএনএফপিএ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের ৪টি অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আছে। যথা - বাউল সংগীত, জামদানি, পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা ও শীতলপাটির বয়ন পদ্ধতি। এরমধ্যে বাউল সংগীতকে UNESCO মানবতার ধারক হিসেবে আখ্যা দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইউনেস্কো (UNESCO)
জাতিসংঘের এই বিশেষায়িত সংস্থাটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি (Cultural) নিয়ে কাজ করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

ইউনেস্কো ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে ‘মানবতার অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা’ (Representative List of the Intangible Cultural Heritage of Humanity)-এ অন্তর্ভুক্ত করে স্বীকৃতি দেয়।
50

স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংবাদ পরিক্রমা
  2. বজ্রসাহস
  3. চরমপাঠ
  4. চরমপত্র

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চরমপত্র হলো এম আর আখতার মুকুল রচিত ও উপস্থাপিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। চরমপত্র অনুষ্ঠানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু হওয়ার দিন ২৫শে মার্চ থেকে শুরু করে ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার দিন পর্যন্ত প্রতিদিন প্রচারিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চরমপত্র। এটি স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান ছিল।
চরমপত্র মূলত একটি কথিকা (feature/commentary) অনুষ্ঠান ছিল, যা এম আর আখতার মুকুল কর্তৃক রচিত ও উপস্থাপিত হতো।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই অনুষ্ঠানটি স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। এটি রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় পাক-হানাদার বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয় ছিল।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হবে কত তারিখ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৫ জুন ২০২২
  2. ৩০ জুন ২০২২
  3. ০১ জুলাই ২০২২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ২০২২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পদ্মা সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি জানিয়েছে, পদ্মা সেতু যান চলাচলের উপযোগী হতে ২০২২ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত লেগে যাবে। ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৫ জুন ২০২২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২২ সালের ২৫ জুন দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো, পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন।
52

’ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা” – এর স্থপতি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. অখিল পাল
  3. মর্তুজা বশীর
  4. মৃণাল হক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্য দেখা যায় একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তার সামনে একটি সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ। পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’।ঢাকার পরিবাগে নির্মাণ করা হয়েছে একুশের এ ভাস্কর্যটি। এটির নকশা করেছেন শিল্পী মৃণাল হক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মৃণাল হক
‘ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’ ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত ভাষা আন্দোলনের চেতনা নির্ভর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য। এই ভাস্কর্যটিতে একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, যা ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং ভাষা রক্ষার সংগ্রামকে তুলে ধরে।
খ্যাতিমান শিল্পী মৃণাল হক এই ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ করেছেন।
53

নিচের কোন সূচকটি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানের পরিমাপক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পঠন ও গণিতের দক্ষতা
  2. ছেলে ও মেয়ে শিশুর অনুপাত
  3. বিদ্যালয় উপস্থিতির হার
  4. অসমর্থ্য শিক্ষার্থীদের অভিযোজন উপকরণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অসমর্থ্য শিক্ষার্থীদের অভিযোজন উপকরণ সূচকটি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানের পরিমাপক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অসমর্থ্য শিক্ষার্থীদের অভিযোজন উপকরণ
প্রাথমিক শিক্ষার 'গুণগত মান' (Quality) পরিমাপের ক্ষেত্রে শুধু শিক্ষার্থীদের ফলাফল (যেমন: পঠন ও গণিতের দক্ষতা) দেখাই যথেষ্ট নয়। বরং শিক্ষা প্রদানের পদ্ধতি, পরিবেশ এবং অন্তর্ভুক্তি (Inclusion) নিশ্চিত করা হয়েছে কিনা—তা দেখা জরুরি।
যে শিক্ষাব্যবস্থা অসমর্থ্য বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উপকরণ ও সুবিধা (Adaptation materials) প্রদান করে, সেটি শিক্ষায় সমতা ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করে। এটিই সামগ্রিকভাবে শিক্ষার গুণগত মানকে উন্নত করে এবং এর অন্যতম প্রধান পরিমাপক হিসেবে বিবেচিত হয়।
54

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে 'RTC' এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Round Table conference
  2. Royel Technical Commitee
  3. Rawalpindi Technical committee
  4. Road and Transport Corporation

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাতই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত এক ঐতিহাসিক ভাষণ। তিনি উক্ত ভাষণ বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে শেষ করেন। উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।

ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে RTC শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়। এর পূর্ণরূপ হলো Round Table Conference
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান যে গোলটেবিল বৈঠকের প্রস্তাব করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণে সেই বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে শর্ত আরোপ করেন।
বঙ্গবন্ধু স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, জনগণের ওপর নির্যাতন বন্ধ, সামরিক আইন প্রত্যাহার ও অন্যান্য শর্ত পূরণ না হলে তিনি এই Round Table Conference-এ যোগ দেবেন না।
55

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত উড়াল পথে মেট্রোরেলের দূরত্ব কত কি.মি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 25
  2. 25.1
  3. 20.1
  4. 20.5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন ৬ (MRT Line-6) কে নির্বাচন করা হয়।

ব্যাখ্যা

মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম এবং মূল লাইনের নাম হলো এমআরটি লাইন-৬ (MRT Line-6)
এই লাইনের মোট দৈর্ঘ্য উত্তরা (দিয়াবাড়ী) থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১ কিলোমিটার। এটিই বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম উড়াল মেট্রোরেল।
উল্লেখ্য, বর্তমানে এই লাইনটি সম্প্রসারণ করে কমলাপুর পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে, তখন এর মোট দৈর্ঘ্য হবে ২২.১২ কিলোমিটার
56

শেখ মুজিবুর রহমানকে কত সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1971
  2. 1952
  3. 1966
  4. 1969

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯। ১৯৬৯ - ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়। উপাধি ঘোষণা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এ সভায় রাখা বক্তৃতায় শেখ মুজিব ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগার দফা দাবির পক্ষে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৯ সাল।
শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিটি দেওয়া হয় ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর (২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে।
এই সভার সভাপতি ও তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ লাখো জনতার উপস্থিতিতে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেন।
এটি উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল।
57

সকল ক্ষেত্রে সঠিক কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন সৃজনশীল ও মেধাবী নেতৃত্ব। প্রয়োজন সৃষ্টিশীল মেধাবী মানুষ। কথাটি বলেছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. শেখ হাসিনা

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শেখ হাসিনা
এই উক্তিটি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র। তিনি প্রায়শই দেশের রূপকল্প-২০৪১ (Vision 2041)স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
উক্তিটির মূল ফোকাস হলো—দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে মেধাবী ও সৃষ্টিশীল মানুষের অপরিহার্যতা। এটি তাঁর সরকারের নীতিগত ও দূরদর্শী স্লোগানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
58

নিচের কোনটি জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোনার বাংলা
  2. বাংলামতি
  3. ব্রি বঙ্গবন্ধু-১০০
  4. ব্রি-৪৪

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দুই হাজার তের সালে প্রথম ব্রি-৬২ নামে জিংক সমৃদ্ধ একটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের ঘোষণা দেন ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানীরা। এরপর একে একে আসে ব্রি-৬৪, ব্রি-৭২, ব্রি-৭৪, ব্রি-৮৪ এবং ব্রি-১০০। দেশে এখন এই মোট ছয় জাতের জিংক সমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন হচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ব্রি বঙ্গবন্ধু-১০০ (BRRI Dhan 100)।
এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত।
জিংক মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। জনস্বাস্থ্যে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই ধরনের ধান উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য।
59

পৃথিবীর প্রধান ধান উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. বাংলাদেশ
  3. ভারত
  4. চীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন। দেশটি বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০% ধান উৎপাদন করে, যার পরিমাণ ১৪.৮৫ কোটি টন। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত। দেশটি মোট ১১.৬৪ কোটি টন ধান উৎপাদন করে। বিশ্বে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ তৃতীয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চীন। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, বিশ্বব্যাপী ধান উৎপাদনে চীন শীর্ষে অবস্থান করে।
চীন বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০% ধান উৎপাদন করে।
এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আমাদের দেশ বাংলাদেশ
এ ধরনের অর্থনৈতিক ও কৃষিভিত্তিক র‍্যাংকিং প্রাইমারি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
60

পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌরপর্দা হিসেবে অভিহিত করা হয় কোন স্তরকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  2. আয়োনোস্ফিয়ার
  3. ট্রপোস্ফিয়ার
  4. ওজোনস্ফিয়ার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে 20 থেকে 30 কিলোমিটার উচ্চতায় ওজোন গ্যাসের ঘনত্ব বেশি থাকায় এই স্তরকে ওজোন স্তর বলে। ওজোন গ্যাস সূর্য থেকে আগত জীবের পক্ষে ক্ষতিকারক রশ্মি গুলিকে শোষণ করে পৃথিবীর জীবকে রক্ষা করে। এই কারণে ওজোন স্তরকে “প্রাকৃতিক সৌরপর্দা” বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ওজোনস্ফিয়ার বা ওজোন স্তর
বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার উচ্চতায় ওজোন গ্যাসের একটি ঘন আস্তরণ থাকে। এটিকে ওজোন স্তর বলা হয়।
এই স্তরটি সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মিগুলিকে (UV Rays) শোষণ করে পৃথিবীতে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।
জীবজগতকে এই মারাত্মক রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব (যেমন: ত্বকের ক্যান্সার) থেকে রক্ষা করার জন্যই এটিকে “পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌরপর্দা” বা “পৃথিবীর ছাতা” হিসেবে অভিহিত করা হয়।
61

কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো প্রিন্টার কী হিসেবে কাজ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাব
  2. রিসোর্স
  3. সার্ভার
  4. অ্যাডস্টার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইথারনেট হাব একাধিক টুইস্টেড পেয়ার বা ফাইবার অপটিক ইথারনেট যন্ত্রসমূহকে সংযোগকারী যন্ত্র।সাধারণত তারযুক্ত নেটওয়ার্কে থাকা অনেকগুলো আইসিটি যন্ত্র তথা কম্পিউটার, প্রিন্টার, ইত্যাদিকে একসঙ্গে যুক্ত করতে হাব ব্যবহৃত হয়।হাব একসঙ্গে অনেক যন্ত্রকে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রিসোর্স (Resource)
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে, যে কোনো হার্ডওয়্যার (যেমন প্রিন্টার, স্ক্যানার, হার্ডডিস্ক) বা সফটওয়্যার (যেমন ফাইল, ডেটাবেস) যা ব্যবহারকারী বা অন্য কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারে বা শেয়ার করতে পারে, তাকে রিসোর্স বলা হয়।
প্রিন্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা প্রিন্টিং সেবা প্রদান করে। যখন এটি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নেটওয়ার্কে অন্যদের ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ হয়, তখন এটি একটি নেটওয়ার্ক রিসোর্স হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
হাব (Hub): এটি একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক ডিভাইসকে সংযুক্ত করে।
সার্ভার (Server): এটি এমন একটি শক্তিশালী কম্পিউটার যা নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্টদের রিসোর্স বা সেবা প্রদান করে।
62

GPS এর পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. General Pointing System
  2. Global Processing System
  3. Global Positioning System
  4. General Positioning System

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জিপিএস এর পূর্ণরূপ বা সম্পূর্ণ নাম হলো “Global positioning system”. বাংলাতে যদি বলা হয় তাহলে “গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম” বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Global Positioning System। এটি একটি মহাকাশ-ভিত্তিক নেভিগেশন সিস্টেম।
GPS এর মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে অবস্থিত বস্তু বা ব্যক্তির অবস্থান নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়। এটি প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের দ্বারা পরিচালিত একটি ব্যবস্থা।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: Processing, Pointing) ভুল, কারণ GPS সিস্টেমটি মূলত Positioning (অবস্থান নির্ণয়)-এর সাথে সম্পর্কিত।
63

একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কোনটি কাজ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মনিটর
  2. টাচ্ স্ক্রিন
  3. কি বোর্ড
  4. মাদার বোর্ড

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো টাচ্ স্ক্রিন (Touch Screen)
টাচ্ স্ক্রিন একইসঙ্গে ইনপুট (Input) এবং আউটপুট (Output) ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
এটি আউটপুট ডিভাইস, কারণ এটি তথ্য প্রদর্শন করে।
এটি ইনপুট ডিভাইস, কারণ ব্যবহারকারী টাচ করে বা স্পর্শ করার মাধ্যমে নির্দেশ বা ডেটা সিস্টেমে প্রদান করতে পারে।
অন্যান্য অপশনগুলো শুধুমাত্র ইনপুট (যেমন: কি বোর্ড) বা শুধুমাত্র আউটপুট (যেমন: মনিটর) ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
64

‘সিএনজি’ পাম্প থেকে গাড়িতে যে গ্যাস পূর্ণ করা হয় তা মূলত: —

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইট্রোজেন
  2. আর্গন
  3. মিথেন
  4. প্রোপেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

CNG = Compressed Natural Gas অর্থাৎ ঘনীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস। সিএনজি হলো আসলে মিথেন গ্যাস ।কারণ বাংলাদেশে পাওয়া প্রাকৃতিক গ্যাসের শতকরা ৯৯% বিশুদ্ধ মিথেন। আমরা রাস্তায় যেসব যানবাহনগুলোকে সিএনজি ডাকি সেগুলো আসলে সিএনজি চালিত যান। LPG = Liquid Petroleum Gas অর্থাৎ তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস। এটি হলো পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া ১ম অংশ যেটা ৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিম্নে পৃথক করা হয়। এর ব্যবহার রান্না ছাড়াও বিভিন্ন কাজে প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্নে ব্যবহার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মিথেন
সিএনজি (CNG)-এর পূর্ণরূপ হলো Compressed Natural Gas বা ঘনীভূত প্রাকৃতিক গ্যাস।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (CH4CH_4)। এই গ্যাসের শতকরা প্রায় 90% থেকে 99% হলো বিশুদ্ধ মিথেন। তাই সিএনজি পাম্পে যানবাহনে যে গ্যাস ভরা হয়, তা মূলত মিথেন গ্যাস।
প্রোপেন সাধারণত এলপিজি (LPG) অর্থাৎ তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের প্রধান উপাদান (বিউটেনের সাথে মিশ্রিত অবস্থায়) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা রান্নার কাজে বেশি ব্যবহার করা হয়।
65

ভালো কোলেস্টেরল নিচের কোনটিকে বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এমডিএল
  2. টিডিএল
  3. এলডিএল (LDL)
  4. এইচডিএল (HDL)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হাই ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন (এইচডিএল) কোলেস্টেরল শরীরের পক্ষে ভাল। এইচডিএল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে শরীর সুস্থ রাখে। তাই শরীরে এইচডিএল সঠিক মাত্রা বজায় রাখা জরুরি। খাদ্যতালিকায় এব‌ং জীবনযাত্রায় কোন পরিবর্তনগুলি আনলেই আমরা রক্তে এইচডিএল মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পারি?

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো এইচডিএল (HDL)। এইচডিএল-এর পূর্ণরূপ হলো হাই ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন (High-Density Lipoprotein), যার অর্থ উচ্চ ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন
এটি রক্তনালী এবং ধমনী থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সংগ্রহ করে যকৃতে (Liver) ফেরত পাঠায়, যেখানে তা শরীর থেকে অপসারিত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এইচডিএল হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে, তাই একে ‘ভালো কোলেস্টেরল’ বলা হয়।
অন্যদিকে, এলডিএল (LDL) বা লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন হলো ‘খারাপ কোলেস্টেরল’। এটি রক্তনালীর দেওয়ালে জমতে শুরু করলে এথেরোস্ক্লেরোসিস (ধমনীর কাঠিন্য) সৃষ্টি হয়, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।
66

এক খন্ড ‘প্লাটিনাম ও ইরিডিয়ামের তৈরি রড’ এর দৈর্ঘ্য এক মিটার হিসেবে স্বীকৃত। এটি কোন মিউজিয়ামে রক্ষিত আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিকাগো আর্ট মিউজিয়াম
  2. প্যারিস মিউজিয়াম
  3. ব্রিটিশ মিউজিয়াম
  4. কায়রো মিউজিয়াম

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো প্যারিস মিউজিয়াম
আসলে, এই প্রমাণ রডটি প্যারিসের কাছে স্যাভ্রেস (Sèvres) নামক স্থানে অবস্থিত International Bureau of Weights and Measures (BIPM)-এ রাখা আছে। এই BIPM মিউজিয়ামটি প্যারিসের আওতাধীন।
এই প্লাটিনাম (৯০%) ও ইরিডিয়ামের (১০%) সংকর ধাতুর তৈরি রডটিই দীর্ঘদিন ধরে এক মিটারের আন্তর্জাতিক প্রমাণ দৈর্ঘ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতো। যদিও বর্তমানে আলোর গতিবেগ দ্বারা মিটারের সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়, কিন্তু মূল রেফারেন্স রডটি এখানে সুরক্ষিত আছে।
67

এক নটিকেল মাইল সমান কত ফুট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5080
  2. 6080
  3. 7080
  4. 4080

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নটিক্যাল মাইল থেকে ফুট রূপান্তর কনভার্টার একটি প্রয়োজনীয় দৈর্ঘ্য রূপান্তর ক্যালকুলেটর যা নটিক্যাল মাইল একক থেকে ফুট এককে রূপান্তর করতে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, কথায়, এক নটিক্যাল মাইল সমান ছয় হাজার ছিয়াত্তর দশমিক এক দুই ফুট l গাণিতিক বাক্যে রূপান্তর, ১ নটিক্যাল মাইল = ৬০৭৬.১২ ফুট ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৬,০৮০ ফুট। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে এর সঠিক মান হলো ৬,০৭৬.১২ ফুট, কিন্তু নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে হিসাবের সুবিধার্থে সাধারণত ৬,০৮০ ফুট (নিকটতম পূর্ণসংখ্যায়) গ্রহণ করা হয়।
নটিক্যাল মাইল (Nautical Mile) হলো দূরত্ব পরিমাপের একটি বিশেষ একক, যা মূলত সামুদ্রিক (Maritime) এবং বিমান চালনা (Aviation) পথে ব্যবহৃত হয়। এই এককটি সাধারণ মাইলের (Statute Mile) চেয়ে বড়।
সাধারণ মাইল (Statute Mile) হলো ৫২৮০ ফুট, যা স্থলভাগে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু নটিক্যাল মাইল মহাকর্ষ এবং পৃথিবীর দ্রাঘিমাংশের ভিত্তিতে তৈরি বলে এর মান ভিন্ন।
68

ল্যাটিন ভাষায় ‘সেন্টি’ অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সহস্রাংশ
  2. পঞ্চমাংশ
  3. দশমাংশ
  4. শতাংশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Centi is a prefix in the metric system that denotes a factor of one hundredth. It comes from the Latin word “centum” which means “hundred”

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো শতাংশ (Option D)।
'সেন্টি' (Centi) শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘Centum’ থেকে, যার অর্থ একশো বা শত (Hundred)
মেট্রিক পদ্ধতিতে, 'সেন্টি' উপসর্গটি হলো 10210^{-2} এর গুণিতক, অর্থাৎ ১০০ ভাগের ১ ভাগ বা শতাংশ। যেমন: ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার (যা আসলে ১ মিটারের ১০০\frac{১}{১০০} অংশ)।
অন্যান্য অপশনগুলো হলো: সহস্রাংশ অর্থ হলো মিলি (10310^{-3}), দশমাংশ অর্থ হলো ডেসি (10110^{-1})।
69

১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ কে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেলাল মোহাম্মদ
  2. এম এ আজিজ
  3. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
  4. এম. আর. আখতার মুকুল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এম. আর. আখতার মুকুলের রচনায় এবং উপস্থাপনায় প্রচারিত স্বধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান চরমপত্র। ২৫ মে, ১৯৭১ – ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ পর্যন্ত চরমপত্র প্রচারিত হতো। অনুষ্ঠাটির দৈর্ঘ্য ছিল ৮-১০ মিনিট। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত এই অনুষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা দানের জন্য রচিত ও পরিবেশিত হত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো এম. আর. আখতার মুকুল
তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর রচয়িতা, পরিচালক এবং উপস্থাপক ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। অনুষ্ঠানটি মূলত হাস্যরস এবং ব্যঙ্গাত্মক ঢঙে পরিবেশিত হতো, যা পাকিস্তানি বাহিনীর উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করত।
70

কে, কোথায় প্রথম ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাহোরে
  2. মিজানুর রহমান চৌধুরী, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, রেসকোর্স ময়দানে
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ধানমন্ডি ৩২ নং বাড়িতে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি পেশ করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশিত হয়। ১৩ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ছয় দফা অনুমোদিত হয়। ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালের লাহোরে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ৬ দফা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাহোরে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক জাতীয় সম্মেলনে প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন।
লাহোরে প্রস্তাব পেশ করার পর, একই বছরের ২৩শে মার্চ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই ছয় দফাই পরবর্তীতে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
71

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Leonid Brezhnev
  2. Mikhail Gorbachev
  3. Nikita Khrushev
  4. Nikolai Podgorny

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের পর সবচেয়ে বড়ো মিত্র শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় রাশিয়া। এই সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলো নিকোলাই পদগর্নি (Nikolai Podgorny) । আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন ।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে (১৯৭১) সোভিয়েত ইউনিয়ন (তৎকালীন রাশিয়া) ভারতের পর আমাদের সবচেয়ে বড়ো মিত্র শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।
এই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান (President/Chairman of the Presidium of the Supreme Soviet) ছিলেন নিকোলাই পদগর্নি (Nikolai Podgorny)
যদিও লিওনিদ ব্রেজনেভ (Leonid Brezhnev) ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির মহাসচিব এবং কার্যত তিনিই ছিলেন সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা, তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পদগর্নির নামই বেশি উচ্চারিত হয়।
মিখাইল গর্বাচেভ অনেক পরের নেতা (সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা) এবং নিকিতা ক্রুশ্চেভ কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের সময়কার নেতা ছিলেন। তাই এই দুটি উত্তর ভুল।
72

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিচারপতি এম এন হুদা
  2. বিচারপতি এ বি সিদ্দীক
  3. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  4. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইয়াহিয়া খানের সামরিক শাসনামলে ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৬৭ আসন এবং প্রাদেশিক পরিষদে ২৯৮ আসনে বিজয় লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।

ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনটি ছিল তৎকালীন পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র সাধারণ নির্বাচন। এটি অনুষ্ঠিত হয় ইয়াাহিয়া খানের সামরিক শাসনামলে
এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় প্রতিফলিত হলেও ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল কারণগুলোর অন্যতম।
এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ)।
73

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি আসন লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৮০টি
  2. ২২৩টি
  3. ১৭১টি
  4. ২৯৮টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি (আওয়ামীলীগ-১৪৩, কৃষক শ্রমিক পার্টি-৪৮, নেজামে ইসলাম-১৯ এবং গণতন্ত্রী পার্টি-১৩টি) এবং মুসলিম লীগ ৯টি আসন লাভ করে, পরবর্তীতে স্বতন্ত্র সদস্যের ৮ জন যুক্তফ্রন্টে এবং ১ জন মুসলিমলীগে যোগদান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২২৩টি। ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন ইতিহাসে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন নামে পরিচিত।
যুক্তফ্রন্ট ছিল চারটি প্রধান বিরোধী দল—আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম এবং গণতন্ত্রী দল—এর একটি জোট।
মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট বিশাল ব্যবধানে ২২৩টি আসন লাভ করে এবং শাসক দল মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন পায়। এটি ছিল পূর্ব বাংলার জনগণের প্রতি মুসলিম লীগের শাসনের প্রতি অনাস্থার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ।
74

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বর্তমানে মোট কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৪৫ জন
  2. ৩৫০ জন
  3. ৩৫৫ জন
  4. ৩০০ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৩৫০ জন
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এই সদস্যদের বিভাজনটি নিম্নরূপ:
১. ৩০০ জন সদস্য: এরা দেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
২. ৫০ জন সদস্য: এই আসনগুলো শুধুমাত্র নারীদের জন্য সংরক্ষিত এবং নির্বাচিত ৩০০ জন সদস্যের ভোটে পরোক্ষভাবে এই সদস্যরা নির্বাচিত হন।
অতএব, মোট সদস্য সংখ্যা হলো: ৩00 (নির্বাচিত) + ৫০ (সংরক্ষিত) = ৩৫০ জন
75

কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জতীয় ত্যথ কমশিন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৭টি। যথা: নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক এবং নিয়ন্ত্রক এর কার্যালয়, বাংলাদেশ পাবলিক সর্ভিস কমিশন বা সরকারী কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
যে সকল প্রতিষ্ঠান বা পদ সরাসরি বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা (Articles) অনুযায়ী গঠিত, সেগুলোকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলা হয়। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General – CAG) এর কার্যালয় সংবিধানের অষ্টম ভাগে (অনুচ্ছেদ ১২৭-১৩২) গঠিত।
অন্যান্য অপশন যেমন— জাতীয় তথ্য কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হলো বিধিবদ্ধ সংস্থা (Statutory Bodies), যা সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সরাসরি সংবিধান দ্বারা নয়।
76

‘The Spirit of Islam’ বইটির লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ আমির আলী
  2. হাজী মুহম্মদ মহসীন
  3. বেগম রোকেয়া
  4. মওলানা আবুল কালাম আজাদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সৈয়দ আমীর আলী একজন ভারতীয় মুসলিম আইনবিজ্ঞ যিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন। তিনি নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তার আরেকটি বিখ্যাত বই: A Short History of the Saracens।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ আমির আলী। তিনি ছিলেন ভারতীয় মুসলিম আইনজ্ঞ, ইতিহাসবিদ এবং সমাজ সংস্কারক।
'The Spirit of Islam' (১৮৯১) গ্রন্থটি ইসলাম ধর্মের মানবিক ও প্রগতিশীল দিকগুলো তুলে ধরে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে ইসলামের অবস্থান বোঝাতে এই বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভ করেন এবং তিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন।
77

১৯৭১ সালে ঢাকা শহরে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. জেনারেল জিয়াউর রহমান
  4. জেনারেল টিক্কা খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Operation Search Light’ এ ঢাকা মহানগরী ও এর আশপাশ এলাকায় নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবরার। আর ঢাকা ব্যাতীত সমগ্র পূর্ব বাংলার দায়িত্ব দেওয়া হয় মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজাকে। আর এই কুখ্যাত মিশনের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন কুখ্যাত খুনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ ছিল ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিচালিত গণহত্যা ও সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডারদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. সার্বিক দায়িত্ব/প্রধান পরিকল্পনাকারী: লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
২. ঢাকা মহানগরী ও আশপাশের এলাকা: মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী (এবং ব্রিগেডিয়ার আবরার)।
৩. ঢাকা ব্যতীত সমগ্র পূর্ব বাংলা: মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
যেহেতু প্রশ্নে সুনির্দিষ্টভাবে ‘ঢাকা শহরে’ পরিচালনার কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হলেন জেনারেল রাও ফরমান আলী
78

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ বার
  2. ৮ বার
  3. ৫ বার
  4. ৯ বার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদি প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি চতুর্থ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৮ বার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম ১৯৮৬ সালের ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ, তিনি ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় মোট ৮ বার এই আসন লাভ করেন।
যেহেতু প্রশ্নটি বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রনেতা সম্পর্কিত, তাই পরীক্ষার্থীদের জন্য সর্বশেষ তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। পুরোনো প্রশ্নে ৭১ বার উল্লেখ থাকলেও, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর সঠিক সংখ্যাটি ৮ বার।
অন্যান্য অপশন (৭, ৫ বা ৯ বার) ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক নয়।
79

বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. সম্রাট আকবর
  3. শায়েস্তা খান
  4. শেখ হাসিনা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৫৮৪ খ্রিস্ট্রাব্দের ১০ মার্চ বা ১১ মার্চ বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের দিন ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ (হিজরি ৯৬৩ সন) থেকে। বাংলাদেশে ১৯৮৯ সাল থেকে নববর্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ২০১৬ সালে UNESCO মঙ্গল শোভাযাত্রাকে মানবতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সম্রাট আকবর
বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ মূলত কৃষিভিত্তিক কাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে প্রবর্তন করা হয়। সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে এই বর্ষপঞ্জি চালু করেন।
তিনি তার সভাসদ ফতেহ উল্লাহ সিরাজীকে দিয়ে প্রচলিত হিজরি চান্দ্র সন ও সৌর সনের মধ্যে সামঞ্জস্য এনে এই নতুন সনের হিসাব তৈরি করান, যা ফসলি সন নামেও পরিচিত ছিল।
80

‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী
  4. তারেক মাসুদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী। এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের ওপরে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রের তালিকার মধ্যে অন্যতম। চলচ্চিত্রটি ১৫ আগস্টের ঘটনা সম্পর্কিত। ‘আমরা ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের গীতিকারও তিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’ হলো আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্যচিত্র (Documentary).
এই প্রামাণ্যচিত্রটি মূলত ১৭৫৭ সালের পলাশীর বিপর্যয় থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম শোকাবহ ঘটনা ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫-এর পটভূমিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও ট্র্যাজেডি তুলে ধরে।
81

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট মোট কতটি অভীষ্ট নিয়ে প্রণীত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ২১টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Sustainable Development Goal (SDGs) (২০১৬ – ২০৩০) মূলত MDGs (২০০০-২০১৫) এর বর্ধিত রূপ। এর অভীষ্ট লক্ষ্য ১৭টি, সূচক ২৪৭টি ও ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭টি
জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা SDGs (Sustainable Development Goals)-এর মোট ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি পূর্ববর্তী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDGs)-এর সময়কাল (২০০০-২০১৫) শেষ হওয়ার পর ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রণীত হয়েছে।
এই অভীষ্টগুলির মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ সংরক্ষণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
82

২১শে ফেব্রুয়ারিকে কোন সংগঠন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. UNEP
  4. UNICEF

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ বাংলা তারিখ ছিল ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ ফাল্গুন বৃহস্পতিবার। ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১০ সালের ৬৫তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সিদ্ধান্ত মতে, প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করবে জাতিসংঘ। UNESCO এর ৩০ তম অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইউনেস্কো (UNESCO)
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত তাদের ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
এই স্বীকৃতির মাধ্যমেই বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের এই দিনটি বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রতীক হিসেবে মর্যাদা লাভ করে।
83

BRICS প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. New Development Bank
  2. Newly Development Bank
  3. BRICS Development Bank
  4. Developing Bank

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্ব রাজনীতির এবং অর্থনীতির উদীয়মান পাঁচ শক্তি রাশিয়া, চীন, ব্রাজিল, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা মিলে BRICS গঠন করে। ১৫ জুলাই, ২০১৪ BRICS সম্মেলনে NEW Development Bank (NDB) ব্যাংক গঠিত হয়। এর মূলধন ১০০ বিলিয়ন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো New Development Bank (NDB)
BRICS হলো বিশ্ব অর্থনীতির উদীয়মান পাঁচটি দেশের জোট—ব্রাজিল (Brazil), রাশিয়া (Russia), ভারত (India), চীন (China) ও দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)
এই জোটটি আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থায় পশ্চিমা প্রভাবিত সংস্থাগুলোর বিকল্প হিসেবে ২০১৪ সালে নিজস্ব ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে, যার নাম দেওয়া হয় নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank)
84

ঢাকাতে ২৪ মে দুপুর ১২টার সময় লন্ডনে সময় হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৪ মে রাত ১২টা
  2. ২৫ মে রাত ১২টা
  3. ২৪ মে সকাল ৬টা
  4. ২৪ মে সন্ধ্যা ৬টা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের অদূরে অবস্থিত গ্রিনিচের (০° দ্রাঘিমার) স্থানীয় সময়কে সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশের ঠিক মাঝখান দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে। প্রতি ১ ডিগ্রির জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট। অতএব ৯০° x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা। তাই ঢাকাতে ২৪ মে দুপুর ১২ টার সময় লন্ডনে সময় হবে ২৪ মে সকাল ৬ টা।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত দ্রাঘিমা (Longitude) অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য নির্ণয়ের সূত্র থেকে এসেছে।
আমাদের মনে রাখতে হবে যে, পৃথিবীর সময় গণনার মূল কেন্দ্র হলো লন্ডনের অদূরে অবস্থিত গ্রিনিচ (০° দ্রাঘিমা)। এটিই হলো আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় (GMT)।
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে 9090^\circ পূর্ব দ্রাঘিমা অনুযায়ী।
সময় পার্থক্যের নিয়ম হলো: প্রতি 11^\circ দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট
অতএব, ঢাকা ও লন্ডনের সময়ের পার্থক্য: 90×490^\circ \times 4 মিনিট = 360360 মিনিট বা ৬ ঘণ্টা
যেহেতু ঢাকা (পূর্ব দিকে) গ্রিনিচের পূর্বে অবস্থিত, তাই ঢাকার সময় গ্রিনিচের সময়ের চেয়ে ৬ ঘণ্টা অগ্রগামী
যদি ঢাকাতে দুপুর ১২টা হয়, তবে লন্ডন (পেছনে) ৬ ঘণ্টা পিছিয়ে থাকবে।
দুপুর ১২টা - ৬ ঘণ্টা = সকাল ৬টা। তারিখ একই থাকবে (২৪ মে)।
85

ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় যান্ত্রিকশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শব্দ ও তাপশক্তি
  2. চুম্বকশক্তি
  3. শব্দশক্তি
  4. তাপশক্তি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

হাত দিয়ে শরীরের অন্য কোনো অংশ ঘষলে গরম অনুভূত হয়। এতে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। বাশি বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। দোলনার ক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি স্থিতি ও গতিশক্তিতে রূপান্তরিত ঘটে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত শক্তির রূপান্তর (Energy Transformation) ধারণা থেকে এসেছে। ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার প্রক্রিয়াটি একটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যেখানে গতিশক্তি ব্যবহার করে কাজ করা হয়।
যখন ঢেঁকির মাধ্যমে ধানে জোরে আঘাত করা হয়, তখন প্রধানত দুটি শক্তি উৎপন্ন হয়:
১. তাপশক্তি: আঘাত বা ঘর্ষণের কারণে শক্তি ক্ষয় হয় এবং বস্তু উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এটি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
২. শব্দশক্তি: আঘাতের ফলে তীব্র শব্দ উৎপন্ন হয়।
তাই, ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় যান্ত্রিক শক্তি শব্দ ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
86

কম্পিউটারের মেমোরি বা স্মৃতিভান্ডারের ধারণ ক্ষমতা প্রকাশের একক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাইট
  2. DPI
  3. পিক্সেল
  4. হার্জ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলে। একে বাইট কিলোবাইট, মেগাবইট, গিগাবাইট ইত্যাদি দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

ব্যাখ্যা

কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসে তথ্য ও ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরি ধারণক্ষমতা বলা হয়।
এই ধারণক্ষমতা প্রকাশের মৌলিক ও বহুল ব্যবহৃত একক হলো বাইট (Byte)
ধারণক্ষমতার অন্যান্য বৃহত্তর এককগুলো হলো কিলোবাইট (KB), মেগাবাইট (MB), গিগাবাইট (GB), টেরাবাইট (TB) ইত্যাদি।
DPI (Dots Per Inch): এটি প্রিন্টিং বা স্ক্রিনের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
পিক্সেল: এটি ডিজিটাল ছবির ক্ষুদ্রতম একক, যা ধারণক্ষমতা নয়।
হার্জ (Hertz): এটি মূলত কম্পাঙ্ক (ফ্রিকোয়েন্সি) বা প্রসেসরের গতি পরিমাপের একক।
87

বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষুব অঞ্চলে
  2. মেরু অঞ্চলে
  3. পাহাড়ের ওপর
  4. পৃথিবীর কেন্দ্রে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্থানভেদে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তারতম্যের কারণে বস্তুর ওজন পরিবর্তিত হয়। মেরু অঞ্চলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজন বেশি হয়। চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ওজনের 1/6 অংশ। তবে বস্তুর ভর সর্বত্রই অপরিবর্তিত থাকে। পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেরু অঞ্চলে
বস্তুর ওজন নির্ভর করে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির (অভিকর্ষজ ত্বরণ, gg) ওপর। ওজনের সূত্র হলো W=mgW = mg (যেখানে mm হলো ভর এবং gg হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ)।
পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়; এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চ্যাপ্টা এবং বিষুব অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত। ফলে, মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব (ব্যাসার্ধ) সবচেয়ে কম
যেহেতু gg এর মান দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক, তাই পৃথিবীর যে স্থানে দূরত্ব কম (অর্থাৎ মেরু অঞ্চল) সেখানে gg এর মান সবচেয়ে বেশি হয়।
এর ফলস্বরূপ, বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয় এবং বিষুব অঞ্চলে সবচেয়ে কম হয়।
88

‘পলাশীর যুদ্ধ’ সংঘটিত হয় ১৭৫৭ সালের -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২ জুন
  2. ২৩ জুন
  3. ২৪ জুন
  4. ২১ জুন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির। পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত হলেও ভারতবর্ষে প্রকৃত ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত ঘটে ১৭৬৪ সালে সংঘটিত বক্সারের যুদ্ধের মাধ্যমে ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৩ জুন। ‘পলাশীর যুদ্ধ’ (Battle of Plassey) ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত হয়েছিল।
এই যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার (যিনি বাংলার স্বাধীনতার প্রতীক) সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির (নেতৃত্বে রবার্ট ক্লাইভ) যুদ্ধ হয়। এই পরাজয়ের ফলেই বাংলায় তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়, যদিও নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতাই ছিল মূল কারণ।
89

১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের আসন কতটি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬৭

  2. ১৬৯

  3. ১৬৩

  4. ১৬৫

  5. ১৬১

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৬৯টি
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পটভূমির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিল ৩১৩টি
এর মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) জন্য আসন বরাদ্দ ছিল ১৬৯টি (১৬২টি সরাসরি নির্বাচিত এবং ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন)।
এই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন পেয়েছিল এবং একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। অন্য অপশনগুলোতে দেওয়া সংখ্যাগুলি সঠিক নয়, কারণ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ মোট আসন ছিল ১৬৯।
90

আমেরিকান ম্যাগাজিন নিউজ উইকে ‘Poet of Politics’ বা রাজনীতির কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্ধিরা গান্ধীকে
  2. সুভাষ বসুকে
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
  4. মহাত্মা গান্ধীকে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২৫ মার্চ, ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণার পর পাকিস্তানি সেনাদের হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হলে ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ মার্কিন ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’ তাদের প্রচ্ছদে বঙ্গবন্ধুকে পোয়েট অব পলিটিক্স, আখ্যায়িত করে নিবন্ধন প্রকাশ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর যখন বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রেফতার করে, তখন আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’ একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
সেই প্রতিবেদনে তারা বঙ্গবন্ধুকে ‘Poet of Politics’ বা ‘রাজনীতির কবি’ উপাধি দেয়।
এই উপাধিটি বিশেষত তাঁর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কাব্যিক উপস্থাপনার জন্য দেওয়া হয়েছিল।
91

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাননীয় স্পিকার
  2. মাননীয় চিপ হুইপ
  3. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
  4. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন এবং জাতীয় সংসদে ভাষণ প্রদান করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহামান্য রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের যেকোনো অধিবেশন আহ্বান (ডাকা), স্থগিত এবং সমাপ্ত করার একমাত্র সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে রাষ্ট্রপতির হাতে।
রাষ্ট্রপতি সংসদের অংশ হলেও তিনি সরাসরি সংসদের সদস্য নন। তিনি সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করেন। স্পিকার শুধুমাত্র অধিবেশন পরিচালনা করেন, আর প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।
92

রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র কোন জেলায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাবনা
  2. রাজশাহী
  3. খুলনা
  4. নাটোর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার অন্তর্গত পাকশী ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি ২০২৩ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালু করবে এবং ২০২৪ সালে পুরোপুরি চালু হবে। উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২৪০০ মেগাওয়াট। রাশিয়ার রোসাটম স্টেট এটোমিক এনার্জি কর্পোরেশন এটি নির্মাণ করছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাবনা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার অন্তর্গত পাকশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হওয়ায় এর অবস্থান ও প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
93

বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ‘ছয় দফা’ ঘোষিত হয় কবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
  2. ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  4. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন। একে বাংলার ম্যাগনাকার্টা বলা হয়। ছয় দফার মূল উদ্দেশ্য ছিল পূর্ণ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা । এর প্রথম দফা, লাহোর প্রস্তাবভিত্তিক সংসদীয় ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠা। ৭ জুন ‘ছয় দফা’ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে পেশ করেন।
ছয় দফা মূলত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের জন্য পূর্ণ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছিল এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার 'ম্যাগনাকার্টা' বা মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত।
94

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের বিরোধিতা করেছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোন দুইটি স্থায়ী রাষ্ট্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাজ্য ও চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  3. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া ও ফ্রান্স

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহায্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তার সপ্তম নৌবহরের ‘টাস্ক কোর্স-৭৪’ বঙ্গোপসাগরে প্রেরণ করে। বাংলাদেশের ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদন করলে চীন ভেটো প্রদান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এই দুইটি রাষ্ট্র সরাসরি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে।
যুক্তরাষ্ট্র (USA): ডিসেম্বর মাসে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য তাদের সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরে পাঠায়, যা ছিল মুক্তিযুদ্ধের জন্য একটি বড় হুমকি।
চীন (China): তারা তখন পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল এবং পাকিস্তানকে অস্ত্র ও কূটনৈতিক সমর্থন দেয়। চীন এমনকি পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদনে ভেটো প্রদান করেছিল।
95

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার খবর প্রথম বহির্বিশ্বে প্রচার কোন সাংবাদিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মতিউর রহমান
  2. সাইমন ড্রিং
  3. এম আর আকতার মুকুল
  4. এলেন গিন্সবার্গ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২৬ মার্চ সরকার পূর্বপাকিস্তান থেকে সকল বিদেশী সাংবাদিক বের করে দেয়। সাইমন ড্রিং হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে লুকিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ প্রতক্ষ্য করে ২৭ মার্চ, ট্যাংকস ক্র্যাস রিভোল্ট ইন পাকিস্তান শিরোনাম প্রতিবেদন পাঠিয়ে দেন ব্রিটিশ টেলিগ্রাফ পত্রিকায় যা ৩০ মার্চ প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সাইমন ড্রিং। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার একজন তরুণ সাংবাদিক।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন গণহত্যা শুরু করে, তখন সরকার পূর্ব পাকিস্তান থেকে সকল বিদেশী সাংবাদিককে বের করে দিলেও সাইমন ড্রিং হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে (তৎকালীন রূপসী বাংলা/বর্তমান ইন্টারকন্টিনেন্টাল) লুকিয়ে থাকেন।
তিনি ২৭ মার্চ গণহত্যার প্রত্যক্ষ বিবরণ সংগ্রহ করে 'Tanks Crash Revolt in Pakistan' শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রেরণ করেন, যা ৩০ মার্চ, ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বের কাছে পাকিস্তানি বর্বরতার খবর প্রথম পৌঁছে দেয়।
96

মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. এম. মনসুর আলী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারে ৫ জন প্রধান মন্ত্রী ছিলেন। এই সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম. মনসুর আলী
তাঁর পূর্ণ মন্ত্রীর পদবি ছিল: অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী
অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম: তিনি ছিলেন উপ-রাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি
তাজউদ্দীন আহমদ: তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী
এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান: তিনি ছিলেন স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী
97

বাংলাদেশের একমাত্র স্যাটেলাইটটি কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জার্মানি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ একটি ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ। বাংলাদেশ পৃথিবীর ৫৭ তম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশ। স্যাটেলাইটটি প্রস্তুত করে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস এবং উৎক্ষেপণকারী স্পেস এক্সের ফ্যালকন-৯ রকেট। যুক্তরাষ্ট্রের কেপ কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ১১ মে, ২০১৮(বাংলাদেশ সময় ১২ মে, রাত ২:১৪ মিনিটে) সালে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করা হয় ২০১৮ সালের ১১ মে (বাংলাদেশ সময় ১২ মে)।
স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণকারী সংস্থা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস এক্স (SpaceX)।
উৎক্ষেপণের স্থান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ কেনেডি স্পেস সেন্টার। তাই উৎক্ষেপণকারী দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র
মনে রাখবেন, স্যাটেলাইটটি প্রস্তুত করেছিল ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস, কিন্তু উৎক্ষেপণ (Launch) করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
98

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯০৫
  2. ১৯১১
  3. ১৯২০
  4. ১৯২১

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯১৩ সালে নাথান কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। ১লা জুলাই, ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাকালীন হল ৩ টি; শহীদুল্লাহ হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ও জগন্নাথ হল। লীলা নাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯২১ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে ঢাবি) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১লা জুলাই, ১৯২১ সালে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ছিল মূলত বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) এবং তা রদ (১৯১১) হওয়ার পর পূর্ব বাংলার মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ব্রিটিশ সরকারের একটি ক্ষতিপূরণমূলক উদ্যোগ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৩ সালে নাথান কমিশন গঠিত হয় এবং এর সুপারিশের ভিত্তিতেই এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২০ সালের ২৩ মার্চ ভারতীয় বিধানসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়, যার ফলশ্রুতিতে ১৯২১ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
99

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা কতটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৮টি
  2. ১৭টি
  3. ১৮টি
  4. ২৭টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১ নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে ‘ম্যাসট্রিচট চুক্তির’ মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ব্রেক্সিট ইস্যুতে ৩১ জানুয়ারি ২০২০ ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করলে এর সদস্য সংখ্যা হয় ২৭ ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৭টি
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU) প্রতিষ্ঠার সময় সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি। পরবর্তীতে সদস্য সংখ্যা বেড়ে ২৮টি হয়।
কিন্তু ৩১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে যুক্তরাজ্য (ব্রিটেন) আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করে। এই প্রক্রিয়াটি ব্রেক্সিট (Brexit) নামে পরিচিত।
যুক্তরাজ্য বেরিয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (EU) সদস্য সংখ্যা হলো ২৭টি
100

পৃথিবীর কোন দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান সবচেয়ে উন্নত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কানাডা
  2. ফিনল্যান্ড
  3. ইংল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফিনল্যান্ড উত্তর ইউরোপের একটি দেশ। যা হাজার হ্রদের দেশ হিসেবে পরিচিত। দেশটির রাজধানী হেলসিংকি এবং মুদ্রা ইউরো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ফিনল্যান্ড। আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন এবং বিভিন্ন গবেষণা অনুসারে, ফিনল্যান্ডের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত ও মানসম্মত হিসেবে বিবেচিত।
ফিনল্যান্ডের এই সাফল্যের মূল কারণ হলো— শিক্ষার্থীদের উপর পরীক্ষার চাপ কম দেওয়া, খেলার মাধ্যমে শেখার সুযোগ তৈরি করা এবং শিক্ষকদের উচ্চ মর্যাদা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
শিক্ষার্থীরা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত স্কুলে থাকে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত অত্যন্ত কম।
অন্যান্য উন্নত দেশ যেমন কানাডা বা যুক্তরাষ্ট্রও ভালো, কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষার সার্বজনীন মানের ক্ষেত্রে ফিনল্যান্ড এগিয়ে।
101

কোন দেশটির সাথে সমুদ্রসীমা নেই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বর্তমানে পৃথিবীতে ৪৯টি ভূবেষ্টিত দেশ রয়েছে যাদের কোন সমুদ্রসীমা নাই। আফগানিস্তান, ভুটান, লাওস, কাজাখস্তান, দক্ষিণ, সুদান, উগান্ডা, হাঙ্গের, মঙ্গোলিয়া ও সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশের কোন সমুদ্রসীমা নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নেপাল। যে সকল দেশের চতুর্দিকে শুধু স্থলভাগ এবং কোনো জলপথ বা সমুদ্রের সাথে সরাসরি সংযোগ নেই, তাদের ভূবেষ্টিত দেশ (Landlocked Country) বলা হয়।

নেপাল হলো দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ যা সম্পূর্ণরূপে চীন (তিব্বত) এবং ভারত দ্বারা পরিবেষ্টিত। তাই এর কোনো সমুদ্রসীমা নেই।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ (বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী), ভারত (ভারত মহাসাগর) এবং পাকিস্তান (আরব সাগর/ভারত মহাসাগর)—এই তিনটি দেশেরই বিস্তীর্ণ সমুদ্রসীমা বা উপকূল রয়েছে।
102

স্কাউটের প্রতিষ্ঠাতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল
  2. লর্ড মুরিং
  3. লর্ড স্টিফেন
  4. লর্ড কার্জন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্বব্যাপী যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে ১৯০৭ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল স্কাউট প্রতিষ্ঠা করেন।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল (Lord Baden-Powell)।
তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ছিলেন।
বিশ্বব্যাপী যুবকদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯০৭ সালে তিনি স্কাউটিং আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন।
অন্যান্য অপশন যেমন লর্ড কার্জন, লর্ড স্টিফেন বা লর্ড মুরিং কেউই স্কাউটের প্রতিষ্ঠাতা নন; লর্ড কার্জন ছিলেন ভারতে ব্রিটিশ ভাইসরয়।
103

জোয়ারভাটার প্রধান কারণ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পৃথিবীর আকর্ষণ
  2. চাঁদের আকর্ষণ
  3. বায়ুপ্রবাহ
  4. সূর্যের আকর্ষণ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোনো একটি নির্দিষ্টি স্থানে সাধারণত দিনে দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা হয়ে থাকে। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে একটি সময়ে মুখ্য জোয়ার হওয়ার ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট পরে সেখানে গৌণ জোয়ার হয় এবং মুখ্য জোয়ারের ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট পর সেখানে আবার মুখ্য জোয়ার হয়। তাই প্রত্যেক স্থানে জোয়ারের ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাটা হয়।

ব্যাখ্যা

জোয়ারভাটা হলো পৃথিবীর জলরাশির স্ফীতি (জোয়ার) এবং নেমে যাওয়া (ভাটা)। এর প্রধান কারণ হলো মহাকর্ষ বল।
সূর্য পৃথিবীর চেয়ে অনেক বড় হলেও, এটি পৃথিবী থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। অন্যদিকে, চাঁদ সূর্য অপেক্ষা অনেক ছোট হলেও, পৃথিবীর অনেক কাছাকাছি অবস্থান করে।
মহাকর্ষ বল দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক হওয়ায়, চাঁদের আকর্ষণ বলের প্রভাব সূর্যের আকর্ষণ বলের প্রভাবের চেয়ে প্রায় ২.২ গুণ বেশি হয়।
তাই জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ হিসেবে চাঁদের আকর্ষণ বলকেই ধরা হয়।
104

পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনকারী দলের নেতা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফরিদুল আলম
  2. মাকসুদুল আলম
  3. শহীদুল আলম
  4. মোঃ জলিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ড. মাকসুদুল আলম পেঁপে, রাবার, ছত্রাক ও পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মাকসুদুল আলম
খ্যাতনামা জিনোমিক বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম বাংলাদেশের পাটের জীবনরহস্য (Genome Sequence) উন্মোচনকারী দলের প্রধান ছিলেন।
২০১০ সালে এই বিশাল বৈজ্ঞানিক সাফল্য অর্জিত হয়, যা বাংলাদেশের কৃষি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি যুগান্তকারী অর্জন হিসেবে বিবেচিত।
105

কোন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রস্বেদন
  2. অভিস্রবণ
  3. সালোকসংশ্লেষণ
  4. শ্বসন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

উদ্ভিদ যে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের শক্তি, জল এবং বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে নিজেদের খাদ্য (শর্করা) তৈরি করে, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা Photosynthesis বলে।
এই প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের পাতার ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জকের উপস্থিতিতে ঘটে। এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
প্রস্বেদন: উদ্ভিদের অপ্রয়োজনীয় জল বাষ্পাকারে ত্যাগ করার প্রক্রিয়া।
অভিস্রবণ: অর্ধভেদ্য পর্দার মাধ্যমে তরল পদার্থের কম ঘনত্ব থেকে বেশি ঘনত্বের দিকে যাওয়া।
শ্বসন: উদ্ভিদ বা প্রাণী খাদ্য থেকে শক্তি নির্গত করার প্রক্রিয়া (খাদ্য গ্রহণ নয়, খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপাদন)।
106

খাওয়ার লবণের সংকেত কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. CaCl2_{2}
  2. NaCO3_{3}
  3. NaCl
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

খাবার লবণ এর নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড। এর সংকেত NaCl.

ব্যাখ্যা

খাবার লবণ বা সাধারণ লবণের (Common Salt) রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড
এর সংকেত হলো NaCl
এটি সোডিয়াম (Na) এবং ক্লোরিন (Cl) উপাদান দিয়ে গঠিত এবং এটি মানবদেহের জন্য অপরিহার্য।
107

পানির স্ফুটনাঙ্ক কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  2. ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  3. ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  4. ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বাভাবিক বায়ুচাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয় তাকে স্ফুটনাঙ্ক বলে। স্বাভাবিক চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 373.15 K বা 100°C।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
স্ফুটনাঙ্ক (Boiling Point) হলো সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, যেখানে স্বাভাবিক বায়ুচাপে কোনো তরল পদার্থ দ্রুত বাষ্পে (গ্যাসে) পরিণত হতে শুরু করে।
বিজ্ঞান অনুসারে, স্বাভাবিক চাপে (১ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ) পানির স্ফুটনাঙ্ক হলো 100°C100°C। আন্তর্জাতিকভাবে এটি একটি ধ্রুবক মান।
অন্যান্য অপশন যেমন, 100°F100°F (ফারেনহাইট) বা 80°C80°C পানির স্বাভাবিক স্ফুটনাঙ্কের মান নয়।
108

ঢাকার ‘ধোলাইখাল’ কে খনন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইসলাম খান
  2. ঈশা খান
  3. শায়েস্তা খান
  4. পরিবিবি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে সুবেদার ইসলাম খান ১৬০৮–১৬১০ সালে ধোলাই খাল খনন করেন। ঢাকা শহরকে সুরক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধার জন্য খালটি খনন করা হয় ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইসলাম খান
মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে (১৬০৮–১৬১০) সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ঢাকার এই গুরুত্বপূর্ণ খালটি খনন করেন।
মূলত ঢাকা শহরকে বন্যা ও বহিরাগত আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং শহরের ভেতরে অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ধোলাই খাল খনন করা হয়েছিল।
অন্যান্য বিকল্প (ঈশা খান, শায়েস্তা খান, পরিবিবি) মুঘল আমলের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলেও ধোলাই খাল খননের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন।
109

প্রতিবছর কোন তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ মার্চ
  2. ২ ফেব্রুয়ারি
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ১ মে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১১ জুলাই পালন করা হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস যা জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত একটি দিবস এবং বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালিত হয় ২ ফেব্রুয়ারি। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১লা মে মহান মে দিবস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২ ফেব্রুয়ারি। এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
এই দিবস পালনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের জনসংখ্যা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
অপশনগুলোতে থাকা অন্য গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো হলো: ৮ মার্চ (আন্তর্জাতিক নারী দিবস), ২১ ফেব্রুয়ারি (আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস) এবং ১ মে (মহান মে দিবস/আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস)।
110

মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  3. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

মুজিবনগর সরকার ছিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার, যা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত হয়েছিল।
এই সরকারের অর্থমন্ত্রী (Finance Minister) ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। তাঁর পুরো পোর্টফোলিও ছিল অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
বাকি অপশনগুলোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন:
তাজউদ্দীন আহমদ: প্রধানমন্ত্রী (এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী)।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম: উপরাষ্ট্রপতি এবং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
এ এইচ এম কামারুজ্জামান: স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী।
111

মাৎস্যন্যায় কোন আমলে দেখা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন শাসন আমলে
  2. মোগল শাসন আমলে
  3. পাল তাম্র শাসন আমলে
  4. খিলজি শাসন আমলে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শশাঙ্কের পর দীর্ঘদিন বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিল না। সামন্ত রাজারা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কামনায় অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে থাকেন। এ অরাজকতাপূর্ণ সময়কে (৭ম-৮ম শতক) পাল তাম্র শাসনে ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাল তাম্র শাসন আমলে। যদিও মাৎস্যন্যায় হলো পাল বংশ প্রতিষ্ঠার পূর্ববর্তী সময়ের অরাজকতা, কিন্তু এই শব্দটি আবিষ্কৃত বা লিপিবদ্ধ হয়েছিল পাল রাজাদের জারি করা তাম্র শাসন বা শিলালিপিতে।
মাৎস্যন্যায় বলতে বোঝায় চরম অরাজকতার সময়, যেখানে সমাজের প্রভাবশালীরা দুর্বলদের শোষণ করত, ঠিক যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে।
বাংলায় শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (৭ম শতক) দীর্ঘ প্রায় একশো বছর (৭ম-৮ম শতক) যোগ্য শাসক না থাকায় সামন্ত রাজারা নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই শুরু করে। এই বিশৃঙ্খল ও আইনহীন সময়কেই 'মাৎস্যন্যায়' বলা হয়।
112

স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ২ জন
  4. ৬ জন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মহিলা ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম (২নং সেক্টর) ও তারামন বিবি (১১নং সেক্টর)। অন্যতম মহিলা মুক্তিযোদ্ধা খাসিয়া নৃগোষ্ঠীভুক্ত সিলেটের কাঁকন বিবি (৫ নং সেক্টর)‘মুক্তিবেটি’ নামে পরিচিত। ১৯৯৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করার ঘোষণা দেন। কিন্তু তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়নি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২ জন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকারিভাবে (গেজেট অনুযায়ী) মোট দুইজন মহিলাকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
তারা হলেন: ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম এবং তারামন বিবি
মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি-কেও বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করার ঘোষণা দেওয়া হলেও, এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত না হওয়ায় সরকারি নথিপত্রে এই সংখ্যা ২ জনই থাকে। প্রাইমারি ও অন্যান্য সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় ২ জনই উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
113

কোন খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সুলতানি শাসনের অবসান হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫২৬
  2. ১৫২৪
  3. ১৫২৭
  4. ১৫২৩

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের নিকট দিল্লির লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহীম লোদীর পরাজয়ের মাধ্যমে দিল্লির সালতানাতের পতন ঘটে এবং ভারতবর্ষে মোঘল শাসনের সূচনা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ। এই বছরই দিল্লির সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে।

কারণ, ১৫২৬ সালের পানিপথের প্রথম যুদ্ধে মুঘল সম্রাট বাবর দিল্লির লোদী বংশের শেষ সুলতান ইব্রাহীম লোদীকে পরাজিত করেন।

এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই ভারতে দীর্ঘদিনের সুলতানি শাসনের সমাপ্তি ঘটে এবং মোঘল শাসনের সূচনা হয়।
114

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের কতটি আসন পায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬৭
  2. ১৬২
  3. ২৯৮
  4. ৩০০

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে মোট ৩১৩টি আসনের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল ১৬৯টি। ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৬৭টি
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এই নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে (National Assembly) মোট আসন ছিল ৩১৩টি। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য সংরক্ষিত ছিল ১৬৯টি আসন।
আওয়ামী লীগ ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে জয়লাভ করে এবং একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এই ঐতিহাসিক জয়ই স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করে তোলে।
115

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছাড়িয়ে দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বজাত্যবোধ
  2. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  3. দ্বিজাতিতত্ত্ব
  4. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন। ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদান করা হয় ।

ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার জনগণের প্রথম সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিদ্রোহ।
এই আন্দোলনের মাধ্যমেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক দ্বিজাতিতত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র (পাকিস্তান) থেকে পূর্ব বাংলার মানুষ নিজেদের ভাষাগত পরিচয়ের ভিত্তিতে আলাদা করতে শুরু করে।
ভাষা ও সংস্কৃতিভিত্তিক এই স্বতন্ত্র চেতনা থেকেই ধীরে ধীরে বাঙালি জাতীয়তাবাদের জন্ম হয়, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল।
যদিও অসাম্প্রদায়িক মনোভাব এর একটি ফল ছিল, কিন্তু ভাবাদর্শগতভাবে এর প্রধান অর্জন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠা।
116

কে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর নীল নকশা তৈরি করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইয়াহিয়া
  2. ভুট্টো
  3. টিক্কা খান
  4. মো: আলী জিন্নাহ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭১ সালের ১৮ মার্চ টিক্কা খান ও রাও ফরমান আলী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ এর নীল নক্শা তৈরি করেন। আর ২৫শে মার্চ রাত গণহত্যার জন্য বেছে নেওয়া হয়। সার্বিকভাবে এ পরিকল্পনার তত্ত্বাবধায়ন করেন গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান।

ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বর্বর পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যার সামরিক অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন সার্চলাইট’।
এই জঘন্যতম নীল নকশাটি তৈরি করেছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
সার্বিকভাবে এই পরিকল্পনার তত্ত্বাবধান এবং মাঠ পর্যায়ে এর বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্বে ছিলেন টিক্কা খান, তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে তিনিই সঠিক উত্তর।
117

বাংলাদেশের কোন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম ‘আচিক খুসিক’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাঁওতাল
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. মারমা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো গারো। বাংলাদেশের গারো নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম আচিক খুসিক
গারোরা মূলত ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, শেরপুর, নেত্রকোণা এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
গারোরা নিজেদের আচিক মান্দি (পাহাড়ের মানুষ) নামে অভিহিত করে এবং তাদের ভাষাকেই আচিক খুসিক বলে।
গারোদের ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে ওয়ানগালা (Wanggala) প্রধান, যা তারা ফসল তোলার পর পালন করে।
118

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবুল মনসুর আহম্মেদ
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. কাজী নজরুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রকাশিত হয় ১৮ জুন, ২০১২। এখানে বঙ্গবন্ধুর ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক ও পারিবারিক জীবন স্থান পেয়েছে, যা তিনি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে সেন্ট্রাল জেলে থাকা অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন কিন্তু শেষ করতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুর আরও দুটি গ্রন্হ- কারাগারের রোজনামচা (২০১৭), আমার দেখা নয়াচীন (২০২০)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শেখ মুজিবুর রহমান
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (The Unfinished Memoirs) হলো স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
তিনি এটি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন, যা তার জীবনের ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি তুলে ধরে। এটি ২০১২ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
119

বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি
  2. সম্রাট বাবর
  3. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  4. আলাউদ্দিন খিলজি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মুহম্মদ ঘুরির সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবেকের অনুমতিক্রমে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ সালে বাংলার শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন। তিনি দিনাজপুরের দেবকোটে বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি। তিনি ছিলেন মুহম্মদ ঘুরির সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবেকের অনুমোদিত একজন যোদ্ধা।
তিনি ১২০৪ বা ১২০৫ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা সেন বংশের লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমেই প্রথম বাংলায় দীর্ঘস্থায়ী মুসলিম শাসনের সূচনা হয়।
120

নিচের কোনটি প্রবাল দ্বীপ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহেশখালী
  2. মনপুরা
  3. সেন্টমার্টিন
  4. কুতুবদিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ। টেকনাফ সমুদ্র উপকূল হতে ৩৫ কি.মি. দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত দ্বীপটির আয়তন মাত্র ৮ বর্গ কি.মি.। এর অন্য নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। মহেশখালি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ বাতিঘর সমৃদ্ধ দ্বীপ হলো কুতুবদিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সেন্টমার্টিন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ
প্রবাল হলো সামুদ্রিক জীবদেহ থেকে সৃষ্ট ক্যালসিয়াম কার্বনেটের কঠিন কাঠামো, যা জমাট বেঁধে দ্বীপ তৈরি করে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের আশেপাশে এই ধরণের প্রবাল এবং পাথর প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
সেন্টমার্টিন দ্বীপটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি. দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
উল্লেখ্য, মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ এবং কুতুবদিয়া হলো বিখ্যাত বাতিঘর সমৃদ্ধ দ্বীপ।
121

কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইসরায়েল
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ভারত
  4. যুক্তরাজ্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিভিন্ন পদমর্যাদার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ১ম মহিলাঃ পৃথিবীর প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট – ইসাবেলা পেরন (আর্জেন্টিনা)। মুসলিম বিশ্বে – মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (ইন্দোনেশিয়া)। প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী – শ্রীমাভো বন্দরনায়েক (শ্রীলঙ্কা)। মুসলিম বিশ্বে – বেনজীর ভুট্টো (পাকিস্তান)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শ্রীলঙ্কা
বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বন্দরনায়েক (Sirimavo Bandaranaike)।
তিনি ১৯৬০ সালে শ্রীলঙ্কার (তৎকালীন সিলন) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি মোট তিনবার এই পদে আসীন হন।
122

‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্কটল্যান্ড
  2. মায়ামী
  3. লন্ডন
  4. ম্যানচেস্টার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড হলো লন্ডনের নামকরা পুলিশ বাহিনী। খাতা-কলমে নিউ স্কটল্যান্ড নামে পরিচিত এ পুলিশ বাহিনীর অবস্থান ওয়েস্ট মিনস্টারে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২৯ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো লন্ডন
স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড (Scotland Yard) হলো যুক্তরাজ্যের লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তর। এটি ১৮২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিশ্বজুড়ে এটি অত্যন্ত পরিচিত একটি পুলিশ বাহিনী এবং তদন্ত সংস্থার নাম। যদিও এর নামের সাথে 'স্কটল্যান্ড' শব্দটি আছে, কিন্তু এর অবস্থান গ্রেটার লন্ডন এলাকায়, স্কটল্যান্ডে নয়।
123

কত সালে পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত কোন বিষয়কে ইউনেস্কো World International Heritage Register -এ তালিকাভুক্ত করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৫
  2. ২০১৭
  3. ২০১৬
  4. ২০১৮

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Memory of the world চালু হয় ১৯৯২ সালে । ২০১৭ সালে ইউনেস্কোর International Memory of the world Register এ পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত মোট ৪২৭টি ডকুমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করেন। যার মধ্যে ৭ মার্চের ভাষণকে (তালিকায় ৭৭তম) ৩০ অক্টোবর ২০১৭ স্বীকৃতি দেয়। এর মাধ্যমে ১৯৯২ সালে এ কর্মসূচি চালুর পর থেকে বিগত ২৬ বছরের ইতিহাস UNESCO কোন অলিখিত ভাষণকে প্রমাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দানের যাত্রা শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১৭
২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো (UNESCO) কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘Memory of the World International Register’-এ তালিকাভুক্ত করা হয়।
প্রশ্নটি বিশেষভাবে করা হয়েছে কারণ, এই ভাষণটি ছিল পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত। এটি ছিল প্রথম অলিখিত ডকুমেন্ট যা UNESCO এই ঐতিহ্য তালিকায় স্থান দেয়। এর মাধ্যমে ১৯৯২ সালে এ কর্মসূচি চালুর পর একটি নতুন ইতিহাসের সৃষ্টি হয়।
124

কবে জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের মূল দলিল সাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯০ সালের ২৬ মে
  2. ১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি
  3. ১৯৯০ সালের ২৬ আগস্ট
  4. ১৯৯০ সালের ২৬ নভেম্বর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ‘শিশু অধিকার সনদ’ গৃহীত হয়। ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট বিশ্বের প্রথম যে ২২টি দেশ এ সনদে স্বাক্ষর করে তার মধ্যে বাংলাদেশ ছিল অন্যতম একটি দেশ।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ (UNCRC) হলো শিশুদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি চুক্তি। এই সনদটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর গৃহীত হয়।
সনদটি গৃহীত হওয়ার পর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বাক্ষরের জন্য এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি তারিখে। এই তারিখ থেকে স্বাক্ষর প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এতে স্বাক্ষর করা শুরু করে।
125

সৌরজগতে গ্রহ কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৫৪০ সালে কোপার্নিকাস সর্বপ্রথম সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন। ২০০৬ সালে IAU (International Astronomical Union) কর্তৃক প্লুটো গ্রহের মর্যাদা বাতিলের পর বর্তমানে সৌরজগতের গ্রহ ৮টি যথা : বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন। মোট উপগ্রহ আছে ১৭৩টি যার মধ্যে পৃথিবীর ১টি (চাঁদ), মঙ্গলের ২টি (ডিমোস ও ফিবোস), বৃহস্পতির ৬৭টি এবং শনির ৬২টি উল্লেখযোগ্য । বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৮টি
একসময় সৌরজগতে ৯টি গ্রহ ছিল (প্লুটোসহ)। কিন্তু ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) সর্বসম্মতভাবে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) হিসেবে ঘোষণা করে।
বর্তমানে সৌরজগতের ৮টি গ্রহ হলো: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন
126

কচুরিপানা পানিতে ভাসে কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাণ্ড ফাঁপা বলে
  2. পাতা হালকা বলে
  3. পানির ঘনত্ব বেশি বলে
  4. শিকড় শক্ত বলে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কচুরিপানা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশের দৃষ্টিনন্দন জলজ বিরুৎ। উনিশ শতকের শেষার্ধে ব্রাজিল থেকে বাংলাদেশে আসে। কচুরিপানার বৃত্ত ও পাতার মধ্যে অনেক বায়ুকুঠুরি থাকে যে কারণে তা পানিতে ভাসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাণ্ড ফাঁপা বলে
আসলে কচুরিপানার কাণ্ড এবং পাতার গোড়ার দিকে থাকা পত্রবৃন্তের (Petiole) ভেতরে অসংখ্য ক্ষুদ্র বায়ুকুঠুরি (Air Chambers) থাকে। এই গঠন তাকে ভাসতে সাহায্য করে।
এই বায়ুকুঠুরিগুলো বাতাসে পূর্ণ থাকার কারণে কচুরিপানার সামগ্রিক ঘনত্ব (Density) পানির ঘনত্বের চেয়ে অনেক কমে যায়।
বিজ্ঞানের আর্কিমিডিসের সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তুর ঘনত্ব যখন তরলের ঘনত্বের চেয়ে কম হয়, তখন বস্তুটি সেই তরলের উপর ভেসে থাকে। কাণ্ড ফাঁপা বা স্পঞ্জি হওয়ার কারণেই কচুরিপানা সহজে পানিতে ভাসতে পারে।
127

কত মেগাবাইটে ১ গিগাবাইট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 292^9
  2. 2102^{10}
  3. 2112^{11}
  4. 2122^{12}

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের এককগুলো সাধারণত বাইনারি (Binary) পদ্ধতিতে হিসাব করা হয়, যেখানে ভিত্তি হলো ২ (Two)।
কম্পিউটারে স্টোরেজ বা মেমোরি ইউনিটের প্রতি পরবর্তী বড় ধাপে যাওয়ার জন্য ১০২৪ গুণ করতে হয়। এই ১০২৪ সংখ্যাটি হলো 2102^{10} (২ এর দশম শক্তি)।
আমরা জানি: ১ গিগাবাইট (GB) এর চেয়ে ছোট একক হলো মেগাবাইট (MB)।
সুতরাং, ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
যেহেতু 1024=2101024 = 2^{10}, তাই সঠিক উত্তর হলো 2102^{10}
128

সাপের বিষে কী থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লেড মনোস্কাইড
  2. ফ্লোরিক এসিড
  3. জিঙ্ক সালফাইড
  4. কপার সালফাইড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সাপের বিষে জিঙ্ক সালফাইড (ZnS) নামক রাসায়নিক যৌগ পাওয়া যায়। সাপের বিষ মূলত একধরনের লালা (Slavia) জাতীয় পদার্থ, যাতে বিভিন্ন টক্সিক পদার্থ থাকে। যেমনঃ নিউরেটিক্সিন। সাপে কাটার পর এন্টিভেনাম ব্যবহার করে তা নিষ্ক্রিয় করা হয়।

ব্যাখ্যা

সাপের বিষ (Venom) হলো মূলত একধরনের অত্যন্ত জটিল প্রোটিন মিশ্রণ যা সাপের লালাগ্রন্থি (Salivary Glands) থেকে উৎপন্ন হয়। এই বিষে বহু প্রকারের এনজাইম এবং টক্সিক প্রোটিন থাকে।
তবে পরীক্ষার জন্য যখন নির্দিষ্ট রাসায়নিক যৌগের নাম জানতে চাওয়া হয়, তখন উত্তর হিসেবে জিঙ্ক সালফাইড (ZnS) উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
বিষে থাকা প্রধান ক্ষতিকারক উপাদানগুলো হলো: নিউরেটিক্সিন (যা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে) এবং হেমোটক্সিন (যা রক্তকণিকা নষ্ট করে)।
129

‘বাগেরহাটের মিঠাপুকুর’ কে খনন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  2. সুলতান নুসরত শাহ
  3. সম্রাট হুমায়ুন
  4. সুজাউদ্দীন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আলাউদ্দিন শাহের মৃত্যুর পর সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ বাংলার সুলতান হন। তিনি বাগেরহাটের মিঠাপুকুর, গৌড়ের বড় মসজিদ ও কদম রসুল মসজিদ নির্মাণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সুলতান নুসরত শাহ। তিনি ছিলেন বাংলার হোসেন শাহী বংশের একজন অন্যতম সফল শাসক।
পিতা আলাউদ্দীন হোসেন শাহের মৃত্যুর পর তিনি ১৫১৯ সালে বাংলার সুলতান হন।
সুলতান নুসরত শাহ বাংলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণ করেন। এর মধ্যে বাগেরহাটের মিঠাপুকুর ছাড়াও গৌড়ের বিখ্যাত বড় সোনা মসজিদ এবং কদম রসুল মসজিদ অন্যতম। এটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন যা নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
130

বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাউদ্দিন খিলজি
  2. সম্রাট বাবর
  3. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  4. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুহম্মদ ঘুরির সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবেকের অনুমতিক্রমে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ সালে বাংলার শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন। তিনি দিনাজপুরের দেবকোটে বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। ১২০৬ সালে দেবকোটে বখতিয়ার খলজি মারা যান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি
তিনি ছিলেন তুর্কি বীর এবং মুহম্মদ ঘুরির একজন সেনাপতি।
বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলার (তৎকালীন নদীয়া) শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমে বাংলায় সেন বংশের শাসনের অবসান ঘটে এবং মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (আলাউদ্দিন খিলজি, সম্রাট বাবর) পরবর্তী সময়ে ভারতের শাসক ছিলেন, কিন্তু বাংলায় প্রথম মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটে বখতিয়ার খিলজির হাতে।
131

‘বাংলায় স্বাধীন সুলতান’ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. নবাব আলীবর্দি খাঁ
  3. ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি
  4. নবাব সিরাজউদ্দৌলা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দিল্লির সুলতানগণ ১৩৩৮-১৫৩৮ এই দুইশত বছর বাংলাকে তাদের অধিকারে রাখতে পারেনি। ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁয়ের শাসন ক্ষমতা দখল ও স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তার সময় মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন। বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন আলাউদ্দিন হুসাইন শাহ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলা থাকলেও, ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁওয়ের শাসন ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনভাবে শাসন শুরু করেন। এর মাধ্যমেই বাংলায় প্রায় দুইশত বছরের (১৩৩৮-১৫৩৮) স্বাধীন সুলতানি শাসনের গোড়াপত্তন হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: নবাব আলীবর্দি খাঁ এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা স্বাধীন সুলতানি আমলের পরবর্তী নবাবী আমলের শাসক। ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠা করেন, কিন্তু তিনি দিল্লির অধীনেই ছিলেন, স্বাধীন সুলতান ছিলেন না।
132

মাৎস্যন্যায় কোন শাসন আমলে দেখা দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাল তাম্র শাসন আমলে
  2. খিলজি শাসন আমলে
  3. সেন শাসন আমলে
  4. মোগল শাসন আমলে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শশাঙ্কের পর দীর্ঘদিন বাংলায় কোনো শাসক ছিল না। সামন্ত রাজারা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় একে অপরের সাথে দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকতেন, এ অরাজকতাপূর্ণ সময় (৭ম - ৮ম শতক) কে পাল তাম্র শাসনে আখ্যায়িত করা হয় যাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাল তাম্র শাসন আমলে
মাৎস্যন্যায় হলো মূলত বাংলার ইতিহাসের এক অরাজক সময়কাল। এই শব্দটি দ্বারা দুর্বল শাসকের অভাবে সৃষ্ট এমন পরিস্থিতি বোঝায়, যেখানে 'বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে'—অর্থাৎ, সবল ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দুর্বলদের উপর অত্যাচার করে।
প্রাচীন বাংলার রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (খ্রিস্টীয় ৭ম শতকের শেষ থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি) বাংলায় কোনো কেন্দ্রীয় শক্তিশালী শাসক ছিল না। সামন্ত রাজারা নিজেদের মধ্যে ক্ষমতা দখলের জন্য দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকতেন।
এই অরাজক অবস্থাটি পাল বংশের প্রতিষ্ঠার ঠিক আগে বিদ্যমান ছিল এবং এই সময়ের বিবরণ পাল তাম্র শাসনে পাওয়া যায়।
133

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে কে প্রথম প্রচার করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেজর জিয়াউর রহমান
  2. আব্দুল কাশেম সন্দ্বীপ
  3. মেজর রফিকুল ইসলাম
  4. এম এ হান্নান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেস এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ২৬ মার্চ ১৯৭১ দুপুরে আব্দুল হান্নান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র হতে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি প্রচার করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো এম এ হান্নান
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত শেষে (অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এই ঘোষণাটি চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম প্রচার করেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান। তিনি ২৬ মার্চ ১৯৭১ দুপুরে এটি পাঠ করেন।
উল্লেখ্য, মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ২৭ মার্চ এই ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন। পরীক্ষায় 'প্রথম প্রচারক' জানতে চাইলে অবশ্যই এম এ হান্নানকে চিহ্নিত করতে হবে।
134

বাংলাদেশের কোন নৃগোষ্ঠীর উৎসব ‘সাংগ্রাই’।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. মারমা
  4. চাকমা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মারমা
সাংগ্রাই হলো বাংলাদেশের মারমা নৃগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব। এটি মূলত তাদের বর্ষবরণ বা নববর্ষের উৎসব।
এই উৎসবটি সাধারণত বাংলা নববর্ষের (পয়লা বৈশাখ) সময় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে পালিত হয়। সাংগ্রাই উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো জলকেলি বা পানিখেলার মাধ্যমে পুরাতন বছরের সব দুঃখ, গ্লানি ধুয়ে ফেলা।
135

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোনো ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্বিজাতিতত্ত্ব
  2. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
  3. স্বজাত্যবোধ
  4. বাঙালি জাতীয়তাবাদ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন। ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদান করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাঙালি জাতীয়তাবাদ
১৯৪৭ সালের দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান সৃষ্টি হলেও, ভাষা ও সংস্কৃতির দিক থেকে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য ছিল।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে এই উপলব্ধি এনে দেয় যে, ভাষাভিত্তিক পরিচয়ের ভিত্তিতেই তাদের আলাদা জাতীয় সত্তা বা বাঙালি জাতীয়তাবাদ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
এই বাঙালি জাতীয়তাবাদই পরবর্তীকালে ৬-দফা আন্দোলন ও চূড়ান্তভাবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
136

বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ জুন
  2. ১৯ জুন
  3. ২০ জুন
  4. ৫ জুন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৫ জুন
বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) প্রতি বছর ৫ জুন তারিখে পালিত হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৭২ সালে এই দিনটি উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৯৭৪ সাল থেকে এটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
137

কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ইসরায়েল
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. ভারত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রথম মহিলা: • পৃথিবীর প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট – ইসাবেলা পেরন (আর্জেন্টিনা) • মুসলিম বিশ্বে প্রেসিডেন্ট – মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (ইন্দোনেশিয়া)। • প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী – শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে (শ্রীলঙ্কা)। • মুসলিম বিশ্বে প্রধানমন্ত্রী – বেনজির ভুট্টো (পাকিস্তান)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শ্রীলঙ্কা। বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রীলঙ্কার নেত্রী শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
তিনি ১৯৬০ সালে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। এটি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
অন্যান্য অপশনগুলো (ভারত, ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য) পরবর্তীকালে মহিলা প্রধানমন্ত্রী পেলেও, শ্রীলঙ্কাই বিশ্বের প্রথম। (যেমন: ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, ইসরায়েলের গোল্ডা মেয়ার এবং যুক্তরাজ্যের মার্গারেট থ্যাচার)।
138

মহেঞ্জোদারোতে পাওয়া গেছে কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শস্যাগার
  2. রত্নভাণ্ডার
  3. গ্রন্থাগার
  4. গোসলখানা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মূল সিন্ধুনদের তীরে এক বর্গমাইল এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছিল মহেঞ্জোদারো নগরী। ১৯২২ সালে পাকিস্তানের লারকানা জেলার মাটি খুঁড়ে আবিষ্কার করা হয় মহেঞ্জোদারো নগরীর ধ্বংসাবশেষ। নগর স্থাপত্য কৌশলের অনন্য নিদর্শন হিসাবে এখানে পাওয়া যায় –আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, স্নানাগার, শস্যভাণ্ডার অন্যতম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শস্যাগার। এটি সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
মহেঞ্জোদারো (Mohenjo-Daro) হলো সিন্ধু সভ্যতার (Indus Valley Civilization) একটি প্রধান কেন্দ্র। ১৯২২ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়। নগর স্থাপত্য কৌশলের দিক থেকে এই নগরী ছিল অসাধারণ।
এই স্থানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বৃহৎ শস্যভাণ্ডার (Granary) এবং একটি সুবিশাল স্নানাগার (Great Bath) এর ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। শস্যাগারটি প্রমাণ করে যে তৎকালীন অর্থনীতি ছিল সুসংগঠিত এবং খাদ্য মজুত করার উন্নত ব্যবস্থা ছিল।
139

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ এর খেলোয়াড় ‘উইলিয়ামসন’ কোন দেশের খেলোয়াড়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইংল্যান্ড
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. সাউথ আফ্রিকা
  4. ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯’ (১২তম)- সেরা খেলোয়াড় অর্থাৎ ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট পুরষ্কার পেয়েছেন কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড) ও ফাইনালে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)। প্রথম বারের মত শিরোপা জিতেছেন ইংল্যান্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নিউজিল্যান্ড
প্রশ্নোক্ত খেলোয়াড়টি হলেন কেন উইলিয়ামসন (Kane Williamson)। তিনি ছিলেন আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ এ নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়ক
টুর্নামেন্টে ব্যাট ও নেতৃত্ব দিয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ২০১৯ বিশ্বকাপে ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট (সেরা খেলোয়াড়) পুরস্কারে ভূষিত হন।
140

এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইয়াংসিকিয়াং
  2. হোয়াংহো
  3. ইউফ্রেটিস
  4. ব্রহ্মপুত্র

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এশিয়ার দীর্ঘতম নদী হলো ইয়াংসিকিয়াং। এটি চীনের সম্পূর্ণভাবে প্রবাহিত একটি নদী।
ইয়াংসিকিয়াং নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
অপশনগুলোর মধ্যে হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম এবং বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম নদী। ইউফ্রেটিস ও ব্রহ্মপুত্র দৈর্ঘ্য ও গুরুত্বে ইয়াংসিকিয়াং থেকে অনেক পিছিয়ে।
সাধারণ জ্ঞানের এই ধরনের ভৌগোলিক প্রশ্ন প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।
141

‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ম্যানচেষ্টার
  2. স্কটল্যান্ড
  3. মায়ার্মী
  4. লন্ডন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ যুক্তরাজ্যের একটি পুলিশ গোয়েন্দা সংস্থা। UK এর অন্য গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে MI 16, MI 15 উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লন্ডন
‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ (Scotland Yard) হলো লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ সার্ভিসের (MPS) সদর দপ্তরের একটি জনপ্রিয় নাম। তারা বৃহত্তর লন্ডনের পুলিশিংয়ের কাজ করে থাকে (সিটি অফ লন্ডন বাদে)।
এটি বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত পুলিশ সংস্থা হিসেবে পরিচিত এবং মূলত গোয়েন্দা কার্যক্রম ও ফৌজদারি তদন্তের জন্য বিখ্যাত।
142

আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেগ
  2. প্যারিস
  3. জেনেভা
  4. আমস্টারডাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নেদারল্যান্ডের ‘দি হেগ’ শহরে অবস্থিত জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচারালয় যা ১৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত এবং তাদের মেয়াদকাল ৯ বছর হলেও এর সভাপতির মেয়াদকাল ৩ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হেগ। আন্তর্জাতিক বিচারালয় (International Court of Justice - ICJ) জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। এটি নেদারল্যান্ডের শহর 'দি হেগ'-এর পিস প্যালেসে (Peace Palace) অবস্থিত।
এটি বিশ্বের একমাত্র প্রধান জাতিসংঘ সংস্থা যার সদর দপ্তর নিউইয়র্ক সিটির বাইরে অবস্থিত।
প্যারিস, জেনেভা, আমস্টারডাম গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও, প্যারিসে UNESCO, জেনেভায় WHO এবং আমস্টারডামে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নেই।
143

নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাংহাই
  2. ওয়াশিংটন
  3. দিল্লি
  4. মস্কো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্রিকসভুক্ত ৫টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) উদীয়মান অর্থনীতির দেশের উদ্যোগে ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) বিকল্প হিসেবে New Development Bank (NDB) গঠিত হয় । NDB এর প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল ৫ বছর । বর্তমান প্রেসিডেন্ট Mr. Marcos Troyjo (Brazil)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সাংহাই
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) হলো BRICS জোটভুক্ত দেশগুলোর (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো অবকাঠামো এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অর্থায়ন করা।
ব্যাংকটির সদর দপ্তর চীনের বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাই শহরে অবস্থিত।
144

জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে কত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫
  2. ১৭
  3. ২৪

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০১৫ সালে শেষ হওয়া MDG র বর্ধিত রূপ SDG, এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। যেখানে মোট ১৭টি অভীষ্ট লক্ষ্য, ১৬৯টি উদ্দেশ্য ও ২৪১টি সূচক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একে এজেন্ডা-২০৩০' নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (Sustainable Development Goals - SDG) অর্জনের জন্য নির্ধারিত সময়কাল হলো ১৫ বছর
এই কর্মসূচিটি পূর্বের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDG)-এর পর শুরু হয় এবং এর মেয়াদকাল ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত।
সময়কালের হিসাবটি হলো: $২০৩০ - ২০১৬ = ১৫ বছর। এই কর্মসূচিকে 'এজেন্ডা-২০৩০' নামে অভিহিত করা হয়, যা সময়কাল মনে রাখার জন্য একটি বড় সূত্র।
145

রূপান্তরিত মূল কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কচু
  2. ওলকপি
  3. আদা
  4. মিষ্টি আলু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

রূপান্তরিত মূল: মুলা, গাজর শালগম, সন্ধ্যামালতি। রূপান্তরিত কাণ্ড: আদা, হলুদ, আলু, পেঁয়াজ, রসুন ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মিষ্টি আলু। মিষ্টি আলু হলো খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য পরিবর্তিত এক প্রকার স্থানিক মূল (Adventitious Root)।
উদ্ভিদের মূল মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত হলে তাকে রূপান্তরিত মূল বলা হয়। মূলের পর্ব, পর্বমধ্য বা শল্কপত্র থাকে না।
অন্যদিকে, কচু, আদা, এবং ওলকপি হলো পরিবর্তিত কাণ্ডের উদাহরণ। এদের পর্ব ও পর্বমধ্য থাকে।
146

প্রোটিনের অভাবে মানুষের কী রোগ হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কোয়াশিয়রকর
  2. বেরিবেরি
  3. রিকেট
  4. ডিপথেরিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আমিষ কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন এবং সালফারের সমন্বয়ে গঠিত। আমিষের অভাবে শিশুদের কোয়াশিয়রকর এবং মেরাসমাস রোগ হয়। আর বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কোয়াশিয়রকর। এটি প্রোটিনের অভাবজনিত প্রধান রোগ।
প্রোটিন মানবদেহের বৃদ্ধি ও কোষ গঠনে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। যখন খাদ্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রোটিনের অভাব ঘটে, তখন শিশুদের মধ্যে কোয়াশিয়রকর রোগ দেখা দেয়। এর ফলে শিশুদের হাত-পা ফুলে যায় (এডিমা), বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়।
প্রোটিন ও ক্যালরি উভয়ের অভাবে যে রোগ হয়, তার নাম মেরাসমাস। এটিও পরীক্ষায় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশন: বেরিবেরি হয় ভিটামিন B1 (থায়ামিন) এর অভাবে এবং রিকেট হয় ভিটামিন D এর অভাবে। ডিপথেরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ।
147

নিচের কোন ভিটামিন পানিতে দ্রবণীয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিটামিন সি ও বি
  2. ভিটামিন এ
  3. ভিটামিন ডি
  4. ভিটামিন ই

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় জৈব পদার্থগুলোকে খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন বলে। পোল্যান্ডের বিজ্ঞানী ক্যাসিমির ফাঙ্ক ভিটামিন আবিষ্কার করে। ভিটামিন দুই প্রকার: ক. তেলে/চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: A, D, E, K. খ. পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: B complex, C.

ব্যাখ্যা

ভিটামিনকে দ্রবণীয়তার ভিত্তিতে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
১. চর্বিতে দ্রবণীয় (Fat-Soluble): এগুলি হলো ভিটামিন A, D, E, K। এই ভিটামিনগুলি চর্বির সাথে মিশে শরীরে শোষিত হয়।
২. পানিতে দ্রবণীয় (Water-Soluble): এগুলি হলো ভিটামিন B কমপ্লেক্সভিটামিন C। এই ভিটামিনগুলি শরীরে সঞ্চিত না হয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়।
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ভিটামিন সি ও বি হলো পানিতে দ্রবণীয়। অন্যদিকে, A, D, E হলো চর্বিতে দ্রবণীয়।
148

অসমাপ্ত ‘অদ্ভূতসাগর’ গ্রন্হটি কে সমাপ্ত করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. আলাউদ্দিন খিলজি
  4. সম্রাট আকবর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বল্লাল সেন ছিলেন সেন বংশের সর্বপ্রথম সার্বভৌম বা স্বাধীন রাজা বিজয় সেনের পুত্র। তিনি কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য রচনা– ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর এবং অদ্ভুতসাগর। অবশ্য “অদ্ভুতসাগর” গ্রন্হের অসমাপ্ত অংশ তার পুত্র লক্ষ্মণ সেন সমাপ্ত করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লক্ষ্মণ সেন
‘অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থটির মূল রচয়িতা ছিলেন সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা বল্লাল সেন। কিন্তু তিনি এই বিশাল গ্রন্থটি সম্পূর্ণ করার আগেই মৃত্যুবরণ করেন।
ফলে, গ্রন্থটির অসমাপ্ত অংশ বা শেষভাগ সমাপ্ত করেন তাঁর পুত্র লক্ষ্মণ সেন। ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্নে লেখকের শুরু করা এবং উত্তরসূরির সমাপ্ত করার এই ধরনের তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য বিকল্প: বল্লাল সেন ছিলেন গ্রন্থের প্রারম্ভিক লেখক, কিন্তু সমাপ্তকারী নন। আলাউদ্দিন খিলজি এবং সম্রাট আকবর ভারতের মধ্যযুগের শাসক, তাদের সাথে সেন বংশের সাহিত্যকর্মের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
149

বাংলাদেশের কোন নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব সোহরাই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. মারমা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সাঁওতাল। সোহরাই হলো সাঁওতাল নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব।
এই উৎসবটি সাধারণত ফসল তোলার পরে পৌষ মাসে (ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি) পাঁচ দিন ধরে অনুষ্ঠিত হয়।
সোহরাই উৎসবটি মূলত 'গবাদি পশু পূজা' হিসেবে পরিচিত। এই সময় সাঁওতালরা তাদের প্রধান দেবতা 'মারাংবুরু' এবং গ্রাম দেবতা 'জাহের এরা' এর পূজা করে থাকে।
150

কবে বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অঙ্গীকার নেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯০০ সালের ৩ মে
  2. ১৯৯০ সালের ৩ আগষ্ট
  3. ১৯০০ সালের ৩ জুলাই
  4. ১৯৯০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯১টি রাষ্ট্র কর্তৃক অনুসমর্থিত হয়ে ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে ‘জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ’ গৃহীত হয়। এই সনদে ৩ আগস্ট ১৯৯০ তারিখে বাংলাদেশসহ ২২টি রাষ্ট্র স্বাক্ষর করে।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত 'শিশু অধিকার সনদ' (Convention on the Rights of the Child - CRC) বাস্তবায়নে অঙ্গীকার নেওয়া বলতে মূলত সনদে স্বাক্ষর করার তারিখকে বোঝানো হয়।
জাতিসংঘে ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর তারিখে শিশু অধিকার সনদ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
বাংলাদেশসহ মোট ২২টি দেশ ৩ আগস্ট ১৯৯০ তারিখে এই সনদে স্বাক্ষর করে এবং বাস্তবায়ন করার অঙ্গীকার করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট
বাকি বিকল্পগুলোতে সাল বা মাস ভুল দেওয়া আছে।

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ১৫০টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে (মোট ২,৩৫৩টির মধ্যে)। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

কেন Primary Assistant Teacher-এর জন্য “বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান (Primary) অংশে “বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান (Primary) বিষয়ের "বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।