সমাধান
সমাধান
💼
বাংলা (Primary)

সাহিত্য

Primary Assistant Teacher · বাংলা (Primary) — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা (Primary) বিষয়ের "সাহিত্য" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ১৫০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মদনমোহন তর্কালংকার
  2. কালিপ্রসন্ন সিংহ
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. অক্ষয়কুমার দত্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটির দুটির রচিয়তা মদনমোহন তর্কালঙ্কার । কবিতার নাম 'আমার পণ' । ছাত্রাবস্থায় তিনি 'রসতরঙ্গিণী' , 'বাসবদত্তা' কাব্যগন্থ রচনা করেন। তার অন্যতম সাহিত্যকর্ম 'শিশুশিক্ষা' নামক শিশুতোষ কবিতা। তার অপর একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা হলো 'পাখি সব করে রব' রাতি পোহইল ' ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মদনমোহন তর্কালংকার
এই পঙতিগুলি তাঁর রচিত অন্যতম জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা 'আমার পণ' (My Vow) থেকে নেওয়া হয়েছে।
মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি ও শিক্ষাবিদ, যিনি প্রধানত শিশুদের নৈতিক শিক্ষাদানের জন্য সাহিত্য রচনা করতেন।
2

"রূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়’ কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রূপসী ডিঙা
  2. রূপসী বাংলা
  3. রূপসা নদী
  4. গ্রামবাংলার নদী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পাতা:রুপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশেকুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল - ছায়ায়;হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসেজলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে;হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে;হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে;রূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালেডিঙা বায়;—রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়েদেখিবে ধবল বক: আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে–

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রূপসা নদী
প্রদত্ত চরণটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই কবিতায় কবি বারবার বাংলার প্রকৃতি, নদী ও মাঠের কথা বলেছেন। রূপসা একটি নদীর নাম যা খুলনার বিখ্যাত নদীবন্দর এলাকা। কবি এখানে সরাসরি এই নদীটির ঘোলা জলের কথাই বলেছেন, যেখানে কিশোর ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়।
অন্যান্য অপশনগুলো (রূপসী বাংলা, রূপসী ডিঙা) প্রসঙ্গক্রমে এলেও, ‘রূপসার’ শব্দটি দিয়ে সরাসরি রূপসা নদীকেই বোঝানো হয়েছে।
3

‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে’- উক্তিটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুনীর চৌধরী
  2. হুমায়ন আজাদ
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. স্বর্ণকুমারী দেবী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি - 'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।' মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি 'শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।' মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি - 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মীর মশাররফ হোসেন
এই কালজয়ী উক্তিটি হলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের
তিনি দেখিয়েছেন, মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের মৌলিক কর্তব্য। এই উক্তিটি ভাষা ও জাতিসত্তা গঠনে মাতৃভাষার গুরুত্বকে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে তুলে ধরে।
4

কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গল্প কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ্মাগোখরা
  2. পদ্মপুরাণ
  3. পদ্মাবর্তী
  4. পদ্মরাগ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গল্প পদ্মাগোখরা   কাজী নজরুল কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী এবং অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জন্ম নেয়া এই কবি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। নিম্নে তার রচিত সাহিত্য কর্মের একটি তালিকা দেয়া হলঃ কবিতা গ্রন্থ প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু অগ্নিবীণা কার্তিক ১৩২৯ বঙ্গাব্দ ২৫শে অক্টোবর ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা আছে। কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর - ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত - ইল - আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’। এছাড়া গ্রন্থটির সর্বাগ্রে বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ - কে উৎসর্গ করে লেখা একটি উৎসর্গ কবিতাও আছে। সাম্যবাদী পৌষ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ২০শে ডিসেম্বর ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ বইটিতে মোট ১১ টি কবিতা রয়েছে । সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে । ঝিঙে ফুল চৈত্র ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ১৪ই এপ্রিল ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ ছোটদের কবিতা সিন্ধু হিন্দোল ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা রয়েছে। চক্রবাক ভাদ্র ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ, ১২ই আগস্ট ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ এই কাব্যে নজরুল বেদনার ছবি তুুুলে ধরেছেন; এতে রয়েছে প্রেমের অনুুুভূতি এবং অতীত সুুখের স্মৃতিচারণা। নতুন চাঁদ চৈত্র ১৩৫১ বঙ্গাব্দ মার্চ ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ। এতে রয়েছে নজরুলের ১৯টি কবিতা। মরুভাস্কর ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ হজরত মোহাম্মদ সঃ এর জীবনী নিয়ে চারটি সর্গে ১৮ টি খণ্ড - কবিতা নিয়ে এই কাব্যগ্রন্থ। নজরুল ইসলাম: ইসলামী কবিতা   ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ নজরুল ইসলামের ইসলামী কবিতা সংকলন   কবিতা ও গান গ্রন্থ প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু দোলন - চাঁপা আশ্বিন ১৩৩০ বঙ্গাব্দ অক্টোবর ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ প্রথম সংস্করণ এই কাব্যগ্রন্থে ১৯টি কবিতা ছিল। সূচিপত্রের আগে মুখবন্ধরূপে সংযোজিত কবিতা "আজ সৃষ্টি - সুখের উল্লাসে" ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ) জ্যৈষ্ঠ মাসের কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থের পরবর্তী সংস্করণে ৫০ টি কবিতা সংকলিত হয়। বিষের বাঁশি শ্রাবণ ১৩৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই আগস্ট ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে ২৭ টি কবিতা রয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত ৫টি গ্রন্থের মধ্যে এটি অন্যতম। ভাঙ্গার গান শ্রাবণ ১৩৩১ বঙ্গাব্দ আগস্ট ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ বিদ্রোহাত্মক কাব্যগ্রন্থ। ১১ নভেম্বর ১৯২৪ তারিখে তৎকালীন বঙ্গীয় সরকার গ্রন্থটি বাজেয়াফত করে ও নিষিদ্ধ করে। ব্রিটিশ সরকার কখনো এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেননি। চিত্তনামা শ্রাবণ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ আগস্ট ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ   ছায়ানট আশ্বিন ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ২১শে সেপ্টেম্বর ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ এতে রয়েছে নজরুলের ৫০টি কবিতা। পুবের হাওয়া মাঘ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ৩০শে জানুয়ারি ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ   সর্বহারা আশ্বিন ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ ২৫শে অক্টোবর ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ সর্বহারা কাব্যগ্রন্থে ১০ টি কবিতা রয়েছে ফণী - মনসা শ্রাবণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ ২৯শে জুলাই ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ জিঞ্জীর কাব্যগ্রন্থে ১৬টি কবিতা রয়েছে সঞ্চিতা আশ্বিন ১৩৩৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ই অক্টোবর ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ আটাত্তরটি কবিতা ও সতেরোটি গান মিলে একটি কাব্য - সংকলন। জিঞ্জীর কার্তিক ১৩৩৫ বঙ্গাব্দ, । ১৫ই নভেম্বর ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ   সন্ধ্যা ভাদ্র ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ ১২ই আগস্ট ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ ২৪টি কবিতা আর গান নিয়েই এই গ্রন্থ। বাংলাদেশের রণসংগীত “চল চল চল, উর্ধ গগণে বাঝে মাদল” এই বই থেকে নেয়া হয়েছে। প্রলয় শিখা অগ্রহায়ণ ১৩৩৭ বঙ্গাব্দ আগস্ট ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ   নির্ঝর মাঘ ১৩৪৫ বঙ্গাব্দ ২৩শে জানুয়ারি ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে মোট কবিতার সংখ্যা ২৫টি। নজরুল ইসলামের নির্ঝর বইকে অনেক সমালোচকের কাছে একটি ভাগ্যবিড়ম্বিত বই বলে মনে হয়েছে। সঞ্চয়ন ১৩৬২ বঙ্গাব্দ ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ   শেষ সওগাত বৈশাখ ১৩৬৫ বঙ্গাব্দ ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ   ঝড় মাঘ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ জানুয়ারি ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ এতে রয়েছে নজরুলের ২৪টি কবিতা।   সংগীত মূল নিবন্ধ: নজরুলগীতি বুলবুল (গান) ১৯২৮ সন্ধ্যা (গান) ১৯২৯ চোখের চাতক (গান) ১৯২৯ নজরুল গীতিকা (গান সংগ্রহ) ১৯৩০ নজরুল স্বরলিপি (স্বরলিপি) ১৯৩১ চন্দ্রবিন্দু (গান) ১৯৩১ সুরসাকী (গান) ১৯৩২ বনগীতি (গান) ১৯৩১ জুলফিকার (গান) ১৯৩১ গুল বাগিচা (গান) ১৯৩৩ গীতি শতদল (গান) ১৯৩৪ সুর মুকুর (স্বরলিপি) ১৯৩৪ গানের মালা (গান) ১৯৩৪ স্বরলিপি (স্বরলিপি) ১৯৪৯ বুলবুল দ্বিতীয় ভাগ (গান) ১৯৫২ রাঙ্গা জবা (শ্যামা সংগীত) ১৯৬৬ গল্পগ্রন্থ গ্রন্থ প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু ব্যথার দান ফাল্গুন ১৩২৮ বঙ্গাব্দ ১লা মার্চ ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এই গ্রন্থের গল্পগুলোর ভাষা আবেগাশ্রয়ী, বক্তব্য নরনারীর প্রেমকেন্দ্রিক। রিক্তের বেদন পৌষ ১৩৩১ বঙ্গাব্দ ১২ই জানুয়ারি ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ মোট ৮টি গল্প আছে এতে। উল্লেখযোগ্য - রাক্ষুসী শিউলি মালা কার্তিক ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ ১৬ই অক্টোবর ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে মোট ৪টি গল্প আছে। উল্লেখযোগ্য - পদ্ম - গোখরো, জিনের বাদ্‌শা হক সাহেবের হাসির গল্প     হাসির গল্প সাপুড়ে     আখ্যান   উপন্যাস উপন্যাস প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু বাঁধন হারা শ্রাবণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ, আগস্ট ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ এটি একটি পত্রোপন্যাস। বাঁধন হারা নজরুল রচিত প্রথম উপন্যাস। করাচিতে থাকাকালীন তিনি 'বাঁধন হারা' উপন্যাস রচনা শুরু করেন। মৃত্যুক্ষুধা মাঘ ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ জানুয়ারি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ লেখক এতে তুলে ধরেছেন তৎকালিন দারিদ্র্য, ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে সপরিবার মেজ - বৌয়ের মুসলিম থেকে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ। নারী জীবনের দুবির্ষহ অন্ধকার এবং সমাজের বাস্তবচিত্র এই উপন্যাসে তুলে ধরা হয়। কুহেলিকা শ্রাবণ ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ ২১শে জুলাই ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ। ই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে নজরুলের রাজনৈতিক আদর্শ ও মতবাদ প্রতিফলিত হয়েছে।     নাটক ঝিলিমিলি (নাট্যগ্রন্থ) ১৯৩০ আলেয়া (গীতিনাট্য) ১৯৩১ পুতুলের বিয়ে (কিশোর নাটক) ১৯৩৩ মধুমালা (গীতিনাট্য) ১৯৬০ ঝড় (কিশোর কাব্য - নাটক) ১৯৬০ পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (কিশোর কাব্য - নাটক) ১৯৬৪ প্রবন্ধ এবং নিবন্ধ যুগবানী ১৯২২ ঝিঙ্গে ফুল ১৯২৬ দুর্দিনের যাত্রী ১৯২৬ রুদ্র মঙ্গল ১৯২৭ ধূমকেতু ১৯৬১ রাজবন্দির জবানবন্দি অনুবাদ এবং বিবিধ রাজবন্দীর জবানবন্দী (প্রবন্ধ) ১৯২৩ দিওয়ানে হাফিজ (অনুবাদ) ১৯৩০ কাব্যে আমপারা (অনুবাদ) ১৯৩৩ মক্তব সাহিত্য (মক্তবের পাঠ্যবই) ১৯৩৫ রুবাইয়াৎ - ই - ওমর খৈয়াম (অনুবাদ) ১৯৫৮ নজরুল রচনাবলী (ভলিউম ১ - ৪,বাংলা একাডেমী)১৯৯৩ সঙ্গীত গ্রন্থাবলী নজরুল সঙ্গীতের স্বরলিপি গ্রন্থের প্রচ্ছদ চিত্র। নজরুল নিজেই স্বরলিপি করেছিলেন। বুলবুল (১ম খন্ড - ১৯২৮, ২য় খন্ড - ১৯৫২) চোখের চাতক (১৯২৯) চন্দ্রবিন্দু (১৯৪৬) নজরুল গীতিকা (১৯৩০) নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) সুরসাকী (১৯৩১) জুলফিকার (১৯৩২) বনগীতি (১৯৩২) গুলবাগিচা (১৯৩৩) গীতিশতদল (১৯৩৪) সুরলিপি (১৯৩৪) সুর - মুকুর (১৯৩৪) গানের মালা (১৯৩৪) সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পদ্মাগোখরা। এটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
এই গল্পটি নজরুলের তৃতীয় গল্পগ্রন্থ 'শিউলি মালা' (প্রকাশ: ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দ)-এর অন্তর্ভুক্ত। 'শিউলি মালা' গ্রন্থে মোট চারটি গল্প আছে, যার মধ্যে 'পদ্ম-গোখরো' এবং 'জিনের বাদ্‌শা' অন্যতম।
বাকি বিকল্পগুলি ভিন্ন লেখকের বা ভিন্ন ধরনের সাহিত্যকর্ম:
পদ্মপুরাণ: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম।
পদ্মাবর্তী: এটি আলাওল রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
পদ্মরাগ: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
5

‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লালন শাহ
  2. হাসন রাজা
  3. পাগলা কানন
  4. রাধারমণ দত্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাউলসাধক লালন সাঁই রচিত কয়েকটি জনপ্রিয় গান - 'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' ,  খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' , 'বাড়ির কাছে আরশী নগর' 'আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে', 'সময় গেলে সাধন হবে না'।অন্যদিকে মরমি কবি হাসন রাজার কয়েকটি জনপ্রিয় গান - 'লোকে বলে বলেরে' বাউলা কে বানাইলো রে ',  'সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো'। পাগলা কানাই ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বিমূলক ও আধ্যাত্মিক গানে পারদর্শী এবং রাধারমণ দত্ত হলেন ধামাইল গানের প্রবক্তা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: লালন শাহ। ‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানটি বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের (বা লালন শাহ) রচনা।
তাঁর গানগুলোতে দেহতত্ত্ব, পরমতত্ত্বআধ্যাত্মিক ভাবধারা প্রকাশ পেয়েছে। লালন সাঁই ছিলেন একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, হাসন রাজা মরমী গানের জন্য, পাগলা কানাই প্রতিদ্বন্দ্বিমূলক গানে এবং রাধারমণ দত্ত ধামাইল গানের প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শঙ্খ ঘোষ
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. শওকত আলী
  4. মমতাজউদ্দিন আহমেদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আমার দেখা নয়াচীন ' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি বঙ্গবন্ধু রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে। আমার দেখা নয়া চীন আমার দেখা নয়া চীন বইয়ের প্রচ্ছদ লেখক শেখ মুজিবুর রহমান দেশ  বাংলাদেশ ভাষা বাংলা বিষয় ইতিহাস, ভ্রমণ ধরন আত্মজীবনী প্রকাশক বাংলা একাডেমী প্রকাশনার তারিখ ২রা ফেব্রুয়ারি ২০২০ পূর্ববর্তী বই কারাগারের রোজনামচা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শেখ মুজিবুর রহমান
‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। এটি ১৯৫২ সালে তার গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ।
বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বইটি প্রকাশ করে। এটি ভ্রমণ ও ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
7

‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তোর কারণে’- গানটির গীতিকার-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ ওয়াহিদ
  2. কিরণ রায়
  3. শাহ আব্দুল করিম
  4. কাঙ্গালিনী সুফিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্নোল্লিখিত গানটির গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান। 'আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে' কাঙ্গালিনী সুফিয়ার বিখ্যাত 'পরানের বান্ধববে - বুড়ি হইলাম তোর কারণে' কিংবা ডলি সায়ন্তিনীর কণ্ঠে 'কোন বা পথে নিতাইগঞ্জ যাই'সহ অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগীতির গীতিকার তিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো শেখ ওয়াহিদ
‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তোর কারণে’ এটি একটি বহুল জনপ্রিয় লোকগীতি। গানটির গীতিকার হলেন শেখ ওয়াহিদুর রহমান, যিনি শেখ ওয়াহিদ নামেই পরিচিত।
অনেক পরীক্ষার্থীই এই গানটির শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়ার নাম শুনে তাকে গীতিকার ভেবে ভুল করেন। মনে রাখবেন, কাঙ্গালিনী সুফিয়া হলেন এই গানের অন্যতম বিখ্যাত শিল্পী, কিন্তু গীতিকার হলেন শেখ ওয়াহিদ
8

‘অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে’ – এখানে ‘ছায়া’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জন্মভূমির প্রকৃতি
  2. গাছের ছায়া
  3. জন্মভূমির আশ্রয়
  4. মায়ের কোল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর দেশপ্রেমমূলখ ‘জন্মভূমি’ কবিতার ‘অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে’ পঙক্তির ‘ছায়া’ বলতে নিজ জন্মভূমিতে আশ্রয় পাওয়ার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জন্মভূমির আশ্রয়
উদ্ধৃত পঙক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জন্মভূমি’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি একটি গভীর দেশাত্মবোধক কবিতা।
এখানে 'ছায়া' শব্দটি আক্ষরিক অর্থে গাছের ছায়া বোঝায়নি, বরং জন্মভূমির শান্তি, নিরাপত্তা এবং চূড়ান্ত আশ্রয় (Refuge) পাওয়ার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে জন্মভূমির আশ্রয়েই তাঁর মন ও শরীর শান্ত হয়।
9

‘আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি’ কে বলেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। প্রশ্নে উল্লেখিত উদ্ধৃতিটি ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর। এটি জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা সম্পর্কে তার বক্তব্যের অংশবিশেষ। 'আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি'। এটি কোন আদর্শের কথা নয় বরং বাস্তব কথা। মা প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ রেখে দিয়েছেন যে মালা - তিলক টিকিটে কিংবা টুপি - লুঙ্গি এবং দাড়িতে ঢাকবার জো - টি নেই। তার এ দুঃসাহসিক উক্তি বাঙালির জাতীয় চেতনা শাণিত করনের পাশাপাশি পূর্ববাংলার রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন পথ প্রশস্ত হয়।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে উল্লিখিত বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন বিশ্ববিখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
তাঁর এই উক্তিটি বাঙালির জাতীয় চেতনা শাণিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই উক্তির মাধ্যমে তিনি স্পষ্টভাবে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, ধর্মীয় পরিচয়ের (হিন্দু বা মুসলিম) চেয়ে ভাষাগত পরিচয় বা বাঙালি জাতীয়তাবোধ অনেক বেশি মৌলিক ও সত্য। এই চেতনা ভাষা আন্দোলনের পথ প্রশস্ত করেছিল।
10

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম কোথা থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেপালের রাজদরবার
  2. ভারতের গ্রন্থাগার
  3. শ্রীলঙ্কার গ্রন্থাগার
  4. চীনের রাজদরবার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের পাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ'। ‘চর্যাপদ’ হলো গানের সংকলন । মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থশালা তথা নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে ‘চর্যাপদ’ আবিস্কার করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নেপালের রাজদরবার বা নেপালের রাজগ্রন্থশালা
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন, যা মূলত গান ও পদের সংকলন।
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে নেপালের রয়েল লাইব্রেরি বা রাজগ্রন্থশালা থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
বাকি বিকল্পগুলি (ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন) ভুল, কারণ আবিষ্কারের স্থান ছিল নেপাল।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

’শোন একটি মুজিবরের থেকে’ গানটির গীতিকার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অংশমান রায়
  2. আপেল মাহমুদ
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৩/১৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে ‘আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রে প্রথম বাজানো হয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উদ্দীপনামূলক গান ’ শোন একটি মুজিবুবের থেকে ।’ গানটির গীতিকার ছিলেন গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার এবং সরকার ও শিল্পী ছিলেন অংশুমান রায়।

ব্যাখ্যা

’শোন একটি মুজিবরের থেকে’ গানটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্দীপনামূলক সংগীত।
গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ও আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্র থেকে প্রচার করে বাঙালি শ্রোতাদের অনুপ্রেরণা জোগানো হয়েছিল।
12

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের লেখক -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. রফিক আজাদ
  3. শেখ হাসিনা
  4. শেখ মুজিবুর রহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শেখ মুজিবুর রহমান
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (The Unfinished Memoirs) হলো স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
এই গ্রন্থে তিনি তার জন্ম থেকে শুরু করে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি তুলে ধরেছেন। এটি বাঙালির ইতিহাস ও রাজনৈতিক সংগ্রামের এক অনন্য দলিল
13

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয় সংগীতের সুর নিয়েছেন কোন গানের সুর থেকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাউল
  2. মুশিদি
  3. ভাটিয়ালি
  4. ভাওয়াইয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গাঁথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বাউল
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' গানটির সুর নেওয়া হয়েছে বাউল গান থেকে।
নির্দিষ্টভাবে, এই সুরটি নেওয়া হয়েছে বাউল গায়ক গগন হরকরার গাওয়া গান 'আমি কোথায় পাব তারে'-এর সুর থেকে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই সুরটিকে কিছুটা পরিবর্তন করে জাতীয় সংগীতে ব্যবহার করেন। তাই মূল উৎস হিসেবে বাউল ঘরানাটিই সঠিক।
মুশিদি, ভাটিয়ালি ও ভাওয়াইয়া হলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় লোকসংগীতের অন্য ধারা, কিন্তু জাতীয় সংগীতের সুরের উৎস বাউল গান।
14

২০২২ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কততম জন্মদিন পালন করা হলো?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 125
  2. 126
  3. 123
  4. 124

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সঙ্গীতকার। তার মাত্র ২৩ বৎসরের সাহিত্যিক জীবনে সৃষ্টির যে প্রাচুর্য তা তুলনারহিত। সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করলেও তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি।

ব্যাখ্যা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মসাল হলো ১৮৯৯ সালের ২৪ মে
কততম জন্মদিন পালন করা হলো তা বের করার জন্য বর্তমান সাল থেকে জন্মসাল বিয়োগ করে তার সাথে ১ যোগ করতে হয়।
সূত্র: (বর্তমান বছর – জন্ম বছর) + ১।
২০২২ সালে পালিত জন্মদিন: (২০২২১৮৯৯)+=১২৩+=<strong>১২৪তম</strong>(২০২২ - ১৮৯৯) + ১ = ১২৩ + ১ = <strong>১২৪তম</strong>।
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো ১২৪
15

‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শামসুর রাহমান
  4. জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৩ মে বিশ্বকে নবজাতকের জন্য বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৪৭ সালের এই দিনে কলকাতার যাদবপুর ১১৯ লাউডন স্ট্রিটের রেড এন্ড কিওর হোমে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বহু কাব্যগ্রন্থ লিখে গেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সুকান্ত ভট্টাচার্য। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা।
সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কিশোর কবি বলা হয়। তার কবিতায় মূলত সামাজিক বৈষম্য, নিপীড়ন এবং ভবিষ্যতের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্ধৃত লাইনটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ এর অন্তর্গত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘পাছে লোকে কিছু বলে’ কবিতা পাঠকের মনে কোন আচরণের উদ্রেক ঘটায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংকোচ
  2. পরোপকারিতা
  3. সাহসিকতা
  4. ভয়হীনতা

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সংকোচ
‘পাছে লোকে কিছু বলে’ কবিতাটি লিখেছেন কামিনী রায়। এই কবিতার মূলভাব হলো সমাজে ভালো কাজ করতে গিয়ে বা কোনো মহৎ উদ্দেশ্য সাধনে আমরা সর্বদা মানুষের নিন্দা বা সমালোচনার ভয়ে পিছিয়ে আসি, অর্থাৎ মনে সংকোচ (Hesitation/Inhibition) সৃষ্টি হয়।
কবি এই সংকোচ বা জড়তাকে দূর করে নির্ভয়ে নিজের কাজ করে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। সুতরাং, কবিতাটি যে আচরণের চিত্র তুলে ধরে, তা হলো সংকোচ
17

‘একাত্তরের দিনগুলি’ কার রচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাসান আজিজুল হক
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. জাহানারা ইমাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক স্মৃতিকথা "একাত্তরের দিনগুলি" এর রচয়িতা শহিদ জননী জাহানারা ইমাম। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের প্রতিদিনের কাহিনি বর্ণিত আছে।একাত্তরের ডায়েরি - সুফিয়া কামাল

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো জাহানারা ইমাম
‘একাত্তরের দিনগুলি’ হলো শহিদ জননী জাহানারা ইমাম রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা (ডায়েরি)
এই গ্রন্থে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে তার পরিবারের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘটনা এবং তার সন্তান শাফি ইমাম রুমির (গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা) আত্মদানের মর্মস্পর্শী বর্ণনা দিয়েছেন।
18

“সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই”- চরণটির রচয়িতা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বৃন্দাবন দাস
  2. চন্ডীদাস
  3. গোবিন্দ দাস
  4. মুকুন্দ দাস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’। বাংলার মধ্যযুগের এক কবি বড়ু চণ্ডীদাস উচ্চারণ করেছিলেন মানব-ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক বাণী।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত চরণটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ মানবিক উক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এই অমর মানবিক বাণীটির রচয়িতা হলেন বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি চণ্ডীদাস। এটি মূলত 'সহজিয়া' ভাবনার প্রকাশ।
মনে রাখা জরুরি, এই উক্তিটি একাধিক চণ্ডীদাস (যেমন: বড়ু চণ্ডীদাস, দীন চণ্ডীদাস) এর মধ্যে বড়ু চণ্ডীদাস-এর নামেই বেশি পরিচিত, যদিও অনেকে এটিকে চণ্ডীদাস সমস্যার অংশ মনে করেন। তবে পরীক্ষায় উত্তর সবসময় চণ্ডীদাস হবে।
19

একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের ‘কখন’ আসবে কবি’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. শামসুর রাহমান
  4. ফরহাদ মজহার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো কবি- নির্মলেন্দু গুণ একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়েলক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছেভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি?’

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত লাইনটি হলো, "একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের ‘কখন’ আসবে কবি’?”
এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’-এর অংশ।
এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা হলেন নির্মলেন্দু গুণ
কবিতাটি মূলত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপটে লেখা।
20

‘দেশে বিদেশে’-এর লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. ফররুখ আহমেদ
  4. শওকত আলী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘সৈয়দ মুজতবা আলী’ রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’। তাঁর রচিত আরও কিছু বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় গ্রন্হ – শব্নম, পঞ্চতন্ত্র, চাচা কাহিনী, অবিশ্বাস্য, চুনি মেম প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ মুজতবা আলী
‘দেশে বিদেশে’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। ১৯২৭ সালে তিনি আফগানিস্তানের কাবুলে শিক্ষকতা করতে যান এবং সেখানে কাটানো অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই গ্রন্থটি রচনা করেন।
বাংলা সাহিত্যে রম্য রচনার (Humorous writing) জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

‘বেলা অবেলা কালবেলা’র লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুকান্ত ভট্টচার্য
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. সিকান্দার আবু জাফর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

“রূপসী বাংলার কবি, ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি” নামেই পরিচিত জীবনানন্দ দাশ। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে – বেলা অবেলা কালবেলা, রূপসী বাংলা; বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, সাতটি তারার তিমির।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জীবনানন্দ দাশ। ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক কবি, যিনি 'রূপসী বাংলার কবি' নামে পরিচিত।
তাঁর কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নির্জনতা, ধূসরতা এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি হিসেবে গণ্য হন।
22

‘জোক’ গল্পের রচয়িতা:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আল মাহমুদ
  2. আবু ইসহাক
  3. শাহেদ আলী
  4. শওকত আলী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: আবু ইসহাক
‘জোক’ (Jok) গল্পটি খ্যাতিমান সাহিত্যিক আবু ইসহাকের লেখা। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় ছোটগল্প।
আবু ইসহাক মূলত গ্রামীণ জীবনের বাস্তবতা, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং আর্থ-সামাজিক দুর্দশা নিয়ে লেখালেখির জন্য পরিচিত। তাঁর লেখায় গভীর জীবনবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।
অন্যান্য অপশনে থাকা আল মাহমুদ, শাহেদ আলী এবং শওকত আলী প্রত্যেকেই বিখ্যাত সাহিত্যিক হলেও, ‘জোক’ গল্পের রচয়িতা হিসেবে আবু ইসহাক-ই সঠিক।
23

“এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি” পংক্তির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শামসুল হক
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. নজরুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই কালজয়ী পংক্তিটি (লাইনটি) লিখেছেন কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য
পংক্তিটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ এর অন্তর্গত।
সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন প্রগতিশীল ও গণমুখী চেতনার কবি। তাঁর কবিতায় শোষণমুক্ত সমাজ এবং শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রবল আশাবাদ ও বিদ্রোহের সুর ধ্বনিত হয়েছে, যা এই পংক্তিতে সুস্পষ্ট।
24

তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. অক্ষয়কুমার দত্ত
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. প্যারীচাঁদ মিত্র

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: অক্ষয়কুমার দত্ত
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ১৮৪৩ সালে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ববোধিনী সভা-এর মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়।
অক্ষয়কুমার দত্ত ১৮৪৩ সালে পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব নেন এবং ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছর এটি সম্পাদনা করেন।
এই পত্রিকাটি ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং বাংলা গদ্যে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদ প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
25

‘শাহনামা’ গ্রন্হটি কার রচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাওল
  2. শাহ মুহম্মদ সগীর
  3. ফেরদৌসী
  4. বাহরাম খা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

‘শাহনামা’ একটি বিশাল মহাকাব্য যা পারস্যের (বর্তমান ইরান) জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত। এই বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন পারস্যের মহাকবি আবুল কাসেম ফেরদৌসী
এটি প্রায় ৬০,০০০ এর বেশি শ্লোকে রচিত এবং পারস্যের পৌরাণিক কাহিনি ও রাজাদের ইতিহাস বর্ণনা করে।
অন্যান্য কবিরা যেমন—আলাওল, শাহ মুহম্মদ সগীর, বাহরাম খা—এঁরা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের কবি।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

‘একেই কি বলে সভ্যতা’ গ্রন্হটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. টেকচাঁদ ঠাকুর
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মাইকেল সমধুসূদন দত্ত রচিত ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ প্রহসনে তৎকালীন নব্যবঙ্গীয় সম্প্রদায়ের সুরাপান এবং ইংরেজ অনুকরণের প্রতি ব্যঙ্গ করা হয়েছে। মধুসূদন দত্তের আরেকটি প্রহসন হলো- ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’। মীর মোশারফ হোসেনের কিছু প্রহসনঃ এর উপায় কি?, ভাই ভাই এইত চাই, ফাঁস কাগজ, একি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত
‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন (Farce) বা হাস্যরসাত্মক নাটক।
এই প্রহসনে তিনি তৎকালীন নব-বঙ্গীয় সমাজের বিলাসবহুল জীবন, সুরাপান এবং ইংরেজদের অন্ধ অনুকরণের প্রতি তীব্র ব্যঙ্গ করেছেন।
বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর মধ্যে মধুসূদন দত্তের প্রহসন দুটি অত্যন্ত জরুরি।
27

“আবার আসিব ফিরে” কবিতাটি জীবনানন্দ দাশ এর কোন কাব্যগ্রন্হ থেকে নেওয়া হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধূসর পাণ্ডলিপি
  2. রূপসী বাংলা
  3. ঝরা পালক
  4. বনলতা সেন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘আবার আসিব ফিরে’ বিখ্যাত কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যভুক্ত। ‘নির্জন স্বাক্ষর’ নামে একটি বিখ্যাত কবিতা ধূসর পাণ্ডলিপি কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রূপসী বাংলা
জীবনানন্দ দাশের ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ থেকে সংকলিত। এটি মূলত একটি প্রকৃতির বন্দনা মূলক কবিতা, যেখানে কবি ধানসিঁড়ি নদী, শালিক, এবং বাংলার সবুজ প্রকৃতির মাঝে পুনরায় ফিরে আসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন।
মনে রাখবেন, জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যকর্মে রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি প্রকৃতির প্রতি তাঁর গভীরতম ভালোবাসা প্রকাশ করে।
28

সৈয়দ শামসুল হকের লেখা নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিসির আলী
  2. সুবচন নির্বাসনে
  3. রক্তাক্ত প্রান্তর
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সৈয়দ শামসুল হক সাহিত্যের সকল শাখায় পদচারণার জন্য ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসাবে পরিচিত। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক। এছাড়াও তার আরও কিছু নাটক- গণনায়ক, নূরলদীনের সারাজীবন, এখানে এখন, ঈর্ষা নারীগণ, যুদ্ধ এবং যোদ্ধা। মিসির আলী → হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট চরিত্র। সুবচন নির্বাসনে (নাটক) → আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, রক্তাক্ত প্রান্তর (নাটক) → মুনির চৌধুরী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
সৈয়দ শামসুল হক সাহিত্যের সকল শাখায় সমানভাবে পদচারণা করেছেন, তাই তাকে ‘সব্যসাচী লেখক’ বলা হয়।
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ হলো মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্য নাটক (Poetic Drama)। এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের রচনা/চরিত্র:
(ক) মিসির আলী: এটি কোনো নাটক নয়, এটি হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় চরিত্র।
(খ) সুবচন নির্বাসনে: নাটকটি লিখেছেন আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
(গ) রক্তাক্ত প্রান্তর: নাটকটি লিখেছেন মুনীর চৌধুরী
29

লোকসাহিত্য কাকে বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া ইত্যাদিকে
  2. গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে
  3. গ্রামীণ নরনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে
  4. লোক সাধারণের কল্যাণে দেবতার স্তুতিমূলক রচনাকে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

লোকসাহিত্য বলতে জনসাধারণের মুখে মুখে প্রচলিত গাঁথা, কাহিনি, গান, ছড়া, প্রবাদ ইত্যাদি বোঝানো হয়। সাধারণত কোনো সম্প্রদায় বা জনগোষ্ঠীর অলিখিত সাহিত্যই লোকসাহিত্য। অর্থাৎ জাতীয় সংস্কৃতির যে সকল সাহিত্য গুণসম্পন্ন সৃষ্টি প্রধানত মৌখিক ধারা অনুসরণ করে অগ্রসর হয় তাকে লোকসাহিত্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া ইত্যাদিকে
লোকসাহিত্য হলো মূলত সেই সাহিত্য যা কোনো লিখিত দলিল অনুসরণ না করে মৌখিক ধারায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয়। এই সাহিত্যের রচয়িতা সাধারণত অজ্ঞাত থাকেন এবং এটি একটি নির্দিষ্ট জনসমষ্টির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।
এর প্রধান উপাদানগুলির মধ্যে রয়েছে গাঁথা, কাহিনি, গান, ছড়া, প্রবাদ-প্রবচন, ধাঁধা ইত্যাদি। প্রথম অপশনটি লোকসাহিত্যের এই প্রধান বৈশিষ্ট্য ও উপাদানগুলোকে সঠিকভাবে তুলে ধরেছে।
30

কোনটি জহির রায়হান রচিত উপন্যাস নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেষ বিকেলের মেয়ে
  2. তৃষ্ণা
  3. নিষ্কৃতি
  4. কয়েকটি মৃত্যু

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জহির রায়াহানের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- শেষ বিকেলের মেয়ে, কয়েকটি মৃত্যু, তৃষ্ণা, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী প্রভৃতি। ‘নিষ্কৃতি’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নিষ্কৃতি
কারণ, এটি জহির রায়হানের রচিত উপন্যাস নয়। নিষ্কৃতি উপন্যাসটি লিখেছেন বাংলা সাহিত্যের অমর কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
অন্যদিকে, শেষ বিকেলের মেয়ে, তৃষ্ণা এবং কয়েকটি মৃত্যু—এই তিনটিই জহির রায়হান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

‘নীল লোহিত’ কার ছদ্মনাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  2. রাজশেখর বসু
  3. সমর সেন
  4. সমরেশ মজুমদার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাঙালি বিখ্যাত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম → নীললোহিত। এছাড়া তাঁর আরও কিছু ছদ্মনাম সনাতন পাঠক, নীল উপাধ্যায়, প্রভৃতি। তিনি অসংখ্য কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস, নাট্যগ্রন্থ রচনা করেছেন। রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম পরশুরাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ছদ্মনাম (Pseudonym) হলো লেখকের আসল নাম গোপন রেখে ব্যবহৃত বিকল্প নাম।
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের বিখ্যাত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মূলত ‘নীল লোহিত’ ছদ্মনামে তাঁর লেখাগুলি প্রকাশ করতেন। তাঁর বিভিন্ন লেখায় নীল লোহিত চরিত্রটি বিশেষভাবে পরিচিত।
তাঁর অন্যান্য ছদ্মনামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সনাতন পাঠক এবং নীল উপাধ্যায়
32

‘অনিল বাগচীর একদিন’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. সেলিনা হোসেন
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. সৈয়দ শামসুল হক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘অনিল বাগচীর একদিন’ উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ। এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এই উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হুমায়ূন আহমেদ
‘অনিল বাগচীর একদিন’ হলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও স্পর্শকাতর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অনিল বাগচীর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে।
33

‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. সুফিয়া কামাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: দিবারাত্রির কাব্য, পুতুলনাচের ইতিকথা, পদ্মানদীর মাঝি, শহরবাসের ইতিকথা, স্বাধীনতার স্বাদ, ইতিকথার পরের কথা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক।
তাঁর রচিত 'দিবারাত্রির কাব্য' (১৯৩৫) একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে লেখকের সমাজ বিশ্লেষণ ও মানব মনের জটিলতা দক্ষতার সাথে উঠে এসেছে।
34

কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতি বিজরিত ময়মনসিংহের স্থানটির নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কামারপুর
  2. গোপালপুর
  3. দরিরামপুর
  4. জগদীশপুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯১৪ সালে কাজী রফিকউদ্দিন নামে আসানসোল থানার একজন দারোগা নিজের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার সিমলা গ্রামে কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে গিয়ে ত্রিশাল বাজারের নিকটবর্তী দরিরামপুর স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দেন। যদিও তিনি ঐ বছরের ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পরেই কাউকে কিছু না বলে সিমলা ত্যাগ করে রাণীগঞ্জে প্রত্যাবর্তন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দরিরামপুর
কাজী নজরুল ইসলাম কৈশোরে ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল বাজারের নিকটবর্তী সিমলা গ্রামে এসেছিলেন।
স্থানীয় দারোগা কাজী রফিকউদ্দিন তাকে ত্রিশাল বাজারের নিকটবর্তী দরিরামপুর হাই স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দেন। এই অল্প সময়ের স্মৃতি বিজড়িত স্থান হিসেবে দরিরামপুর বিখ্যাত।
35

‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’– কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জসীম উদ্দীন
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আলোচ্য লাইনটি জীবনানন্দ দাশের লেখা। চরণটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ থেকে নেয়া হয়েছে তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ: রূপসী বাংলা, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

এই অমর পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা।
এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই চরণের মাধ্যমে কবি বাংলার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে পৃথিবীর অন্য সকল সৌন্দর্য অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করেছেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

‘এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি’ পঙ্কক্তিটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উক্ত চরণটির রচয়িতা সুকান্ত ভট্টাচার্য। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ গুলোর মধ্যে অন্যতম: ঘুম নেই, পূর্বাভাস, হরতাল, অভিমান প্রভৃতি তিনি মাত্র ২০ বছর ৬ মাস জীবিত ছিলেন। তাকে কিশোর কবি বলা হয়।

ব্যাখ্যা

উক্ত বিখ্যাত পঙক্তিটি লিখেছেন বিপ্লবী চেতনার কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য
তাঁর কবিতায় মূলত শিশু, কিশোর ও তারুণ্যের স্বপ্ন এবং অধিকারের কথা প্রাধান্য পেয়েছে। এই চরণটিতে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শোষণমুক্ত ও বাসযোগ্য পৃথিবী নির্মাণ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, যা তাঁর সমাজতান্ত্রিক আদর্শের পরিচায়ক।
সুকান্ত ভট্টাচার্যকে প্রধানত কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত করা হয়। তিনি মাত্র ২০ বছর জীবিত ছিলেন (১৯২৬-১৯৪৭)।
37

‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাসের উপজীব্য বিষয় কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গভঙ্গ
  2. তেভাগা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ভাষা আন্দোলন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘আগুনের পরশমনি’ হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুক্তিযুদ্ধ
‘আগুনের পরশমণি’ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি তাঁর রচিত প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস (প্রকাশকাল: ১৯৮৬)।
এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এখানে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকার একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ভয়াবহ দিনযাপন ও সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
38

‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’-উক্তিটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. চণ্ডীদাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

“সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই” – এই অমর উক্তিটি করেছেন মধ্যযুগের বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা চণ্ডীদাস। তাঁর রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলি যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়কে সীমাহীন রসমাধুর্যে পরিপূর্ণ করে তুলেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: চণ্ডীদাস
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’– এই বিখ্যাত মানবতাবাদী উক্তিটি মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসের। এটি বাংলা সাহিত্যে মানবধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে।
চণ্ডীদাস ছিলেন বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি। তার পদে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার আড়ালে মানুষের জয়গান ফুটে উঠেছে।
উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আধুনিক যুগের সাহিত্যিক এবং উক্তিটি তাঁদের রচনাশৈলীর চেয়ে চণ্ডীদাসের দার্শনিকতার সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
39

“এ জগতে হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভুরি ভুরি/রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি” – চরণদ্বয় রবীন্দ্রনাথের কোন কবিতার অংশ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দেবতার গ্রাস
  2. পুরাতন ভৃত্য
  3. নিষ্ফল উপহার
  4. দুই বিঘা জমি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চরণদ্বয় রবীন্দ্রনাথের “দুই বিঘা জমি” কবিতার অংশ। কবিতাটি রবীন্দ্র রচিত বিখ্যাত ‘কথা ও কাহিনী’ কাব্যগ্রন্হ থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি একটি কাহিনি-কবিতা। গীতাঞ্জলি, খেয়া, গীতালি, পূরবী, শেষ লেখা রবীন্দ্রনাথের অসংখ্য কাব্যগ্রন্হের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত চরণদ্বয় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত “দুই বিঘা জমি” কবিতার অংশ।
এই চরণগুলিতে কবি ধনীদের (রাজা/ভূরি ভুরি যার আছে) দ্বারা দরিদ্রের (কাঙালের) সম্পদ শোষণের নির্মম সত্য তুলে ধরেছেন। রাজার হস্ত বলতে এখানে ধনী জমিদার বা শোষক শ্রেণীকে বোঝানো হয়েছে, যারা গরিব উপেনের শেষ সম্বল দুই বিঘা জমিও কেড়ে নেয়।
কবিতাটি রবীন্দ্র রচিত বিখ্যাত ‘কথা ও কাহিনী’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া একটি কাহিনি-কবিতা, যেখানে উপেনের দারিদ্র্য ও সমাজের অবিচার প্রতিফলিত হয়েছে।
40

বাংলা সাহিত্যে কাকে ‘ছন্দের জাদুকর’ বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. শামসুর রাহমান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যে সত্যেন্দ্রনাথ দ্ত্ত ছন্দের যাদুকর নামে পরিচিত। আরও কিছু উপাধি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – বিশ্বকবি। শামসুর রাহমান – নাগরিক কবি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। তাঁকে বাংলা সাহিত্যে ‘ছন্দের জাদুকর’ বা ‘ছন্দোময় কবি’ বলা হয়।
ছন্দের জাদুকর বলার প্রধান কারণ হলো, তিনি বাংলা কবিতার ছন্দ নিয়ে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন এবং আরবি, ফারসি, ফরাসি, গ্রিক ইত্যাদি বিভিন্ন বিদেশি ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন। তাঁর হাতেই বাংলা ছন্দ পূর্ণতা পায়।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন বিশ্বকবি এবং প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

লোকসাহিত্য কাকে বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লোক সাধারণের কল্যাণে দেবতার স্তুতিমূলক রচনাকে
  2. গ্রামের অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকদের সৃষ্ট রচনাকে
  3. লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া ইত্যাদিকে
  4. গ্রামীণ নর নারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

লোকসাহিত্য বলতে জনসাধারণের মুখে মুখে প্রচলিত গাথা, কাহিনি, গান, ছড়া, প্রবাদ ইত্যাদি বিষয়কে বোঝানো হয়। সাধারণত কোনো সম্প্রদায় বা জনগোষ্ঠীর অলিখিত সাহিত্যই লোকসাহিত্য। অর্থাৎ জাতীয় সংস্কৃতির যে সকল সাহিত্য গুণসম্পন্ন সৃষ্টি প্রধানত মৌখিক ধারা অনুসরণ করে অগ্রসর হয় তাকে লোকসাহিত্য হিসেবে অভিহিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (৩)। লোকসাহিত্য হলো কোনো একটি জনগোষ্ঠীর বা সম্প্রদায়ের অলিখিত সাহিত্য। এটি মূলত মৌখিক ধারা অনুসরণ করে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে প্রচলিত হয়।
যে সকল কাহিনি, গান, ছড়া, প্রবাদ, প্রবচন, এবং গাথা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত থাকে, সেগুলোকে সম্মিলিতভাবে লোকসাহিত্য বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো লোকসাহিত্যের কিছু অংশ হতে পারে (যেমন: অপশন ২), কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক সংজ্ঞা হলো লোকের মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্য।
42

‘চাষাভূষার কাব্য’ কার সাহিত্যকর্ম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. বেগম সুফিয়া কামাল
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. নির্মলেন্দু গুণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘চাষাভূষার’ কাব্য নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ : মুজিব – লেনিন ইন্দিরা, প্রেমাংশুর রক্ত চাই, না প্রেমিক না বিপ্লবী, বাংলার মাটি বাংলার জল, দূর হ দুঃশাসন প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নির্মলেন্দু গুণ
‘চাষাভূষার কাব্য’ হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
নির্মলেন্দু গুণ প্রধানত প্রেম, রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত। তাঁর কবিতায় বিপ্লবী চেতনা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়।
43

কোন দুটি রচনা একই শ্রেণির?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গীতাঞ্জলী ও অগ্নিবীণা
  2. ডাকঘর ও অগ্নিবীণা
  3. নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু
  4. লালসালু ও বলাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘গীতাঞ্জলি’ এবং কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘অগ্নিবীণা’ উভয়ই কাব্যগ্রন্হ। ‘নীলদর্পণ’ নাটক ও ‘বিষাদসিন্ধু’ উপন্যাসের লেখক যথাক্রমে : দীনবন্ধু মিত্র ও মীর মশাররফ হোসেন। ‘লালসালু’ উপন্যাস ও ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্হের রচয়িতা যথাক্রমে : সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘ডাকঘর’ রবীন্দ্রনাথের নাটক ও ‘অগ্নিবীনা’ কাজী নজরুলের কাব্যগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো গীতাঞ্জলী ও অগ্নিবীণা
কারণ: গীতাঞ্জলি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত) এবং অগ্নিবীণা (কাজী নজরুল ইসলাম রচিত) উভয়ই হলো কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার সংকলন। একই সাহিত্যশ্রেণির (Genre) হওয়ার কারণেই এদেরকে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন শ্রেণির রচনা:
১. নীলদর্পণ (দীনবন্ধু মিত্র) একটি নাটক, কিন্তু বিষাদ-সিন্ধু (মীর মশাররফ হোসেন) একটি উপন্যাস
২. ডাকঘর (রবীন্দ্রনাথ) একটি নাটক, কিন্তু অগ্নিবীণা একটি কাব্যগ্রন্থ
৩. লালসালু (সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ) একটি উপন্যাস, কিন্তু বলাকা (রবীন্দ্রনাথ) একটি কাব্যগ্রন্থ
44

বাংলা ভাষার প্রথম মুসলমান কবির নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শাহ মুহম্মদ সগীর
  2. ভারতচন্দ্র রায়
  3. শামসুর রাহমান
  4. কবি কঙ্ক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাভাষার প্রথম মুসলিম কবির নাম শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন। তিনি আনুমানিক ১৩-১৪ শতকের কবি।

ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম কবি হলেন শাহ মুহম্মদ সগীর
তিনি আনুমানিক ১৩-১৪ শতকের কবি এবং গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন যুগের কবিদের নির্দেশ করে: ভারতচন্দ্র রায় ছিলেন মঙ্গলকাব্যের শেষ প্রভাবশালী কবি এবং মধ্যযুগের শেষ দিকে তার আবির্ভাব। শামসুর রাহমান আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি।
45

বাংলা ভাষার মধ্যযুগ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1201 থেকে 1500 খ্রিস্টাব্দ
  2. 600 থেকে 1500 খ্রিস্টাব্দ।
  3. 1201 থেকে 1800 খ্রিস্টাব্দ
  4. 800 থেকে 1000 খ্রিস্টাব্দ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা ভাষাকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন: প্রাচীন যুগ (৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ), মধ্যযুগ (১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ) এবং আধুনিক যুগ (১৮০১ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত)। মধ্যযুগের (১২০১ - ১৩৫০) পর্যন্ত সময়কে অন্ধকার যুগ বলে।

ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এই বিভাজনটি হলো:
১. প্রাচীন যুগ: ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ।
২. মধ্যযুগ: ১২০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ। এটিই সঠিক উত্তর।
৩. আধুনিক যুগ: ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

‘মহাপৃথিবী’ কাব্যগ্রন্থ কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফররুখ আহমদ
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. জসীমউদ্দীন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, রূপসী বাংলা, বেলা অবেলা কালবেলা। ‘কবিতার কথা’ তার রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জীবনানন্দ দাশ
‘মহাপৃথিবী’ জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
জীবনানন্দ দাশ ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং তিরিশের দশকের পঞ্চপাণ্ডবদের মধ্যে একজন। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, নির্জনতা এবং বিষণ্ণতার সুর প্রধান।
47

‘অক্টোপাস’ উপন্যাসের লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেগম সুফিয়া কামাল
  2. শামসুর রাহমান
  3. আল মাহমুদ
  4. আবুল হাসান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শামসুর রাহমান ৪টি উপন্যাস রচনা করেছেন। যথা→ অক্টোপাস, অদ্ভুত আঁধার এক, নিয়ত মন্তাজ, এলো সে অবেলায়। তবে শামসুর রাহমান কবি হিসেবেই অধিক খ্যাত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শামসুর রাহমান
শামসুর রাহমান মূলত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত হলেও তিনি মোট ৪টি উপন্যাস রচনা করেছেন।
তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো: অক্টোপাস, অদ্ভুত আঁধার এক, নিয়ত মন্তাজ এবং এলো সে অবেলায়।
অন্যান্য অপশনে থাকা বেগম সুফিয়া কামাল (কবি ও সমাজসেবী), আল মাহমুদ (কবি) এবং আবুল হাসান (কবি) প্রত্যেকেই মূলত কবিতার জন্য বিখ্যাত।
48

‘নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা’- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আব্দুল হাকিম
  2. অতুলপ্রসাদ সেন
  3. রামনিধি গুপ্ত
  4. শেখ ফজলুল করিম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উক্ত চরণটির রচয়িতা নিধুগুপ্ত। তাঁর প্রকৃত নাম ‘রামনিধি গুপ্ত’। উক্ত চরণটি তাঁকে অমর করে রেখেছে। তাঁকে নিধুবাবু বলেও ডাকা হয়।

ব্যাখ্যা

উদ্ধৃত চরণটি— ‘নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা’—এর রচয়িতা হলেন রামনিধি গুপ্ত
রামনিধি গুপ্ত ১৮ শতকের শেষ ভাগ এবং ১৯ শতকের গোড়ার দিকের একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি, সংগীতজ্ঞ ও গীতিকার।
তিনি নিধুবাবু নামেই বেশি পরিচিত। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটায় এবং এটি বাঙালি সাহিত্য ও সংগীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
49

কোনটি সঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস)
  2. গোরা (নাট্যগ্রন্থ)
  3. বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থে)
  4. পথের দাবী (উপন্যাস)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘একাত্তরের দিনগুলি’ (১৯৮৬) জাহানারার ইমামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিচারনমূলক গ্রন্থ।‘গোরা’ (১৯০১) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক উপন্যাস। ‘বিদ্রোহী’ (১৯২২) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্হের দ্বিতীয় কবিতা। ‘পথের দাবী’ (১৯২৬) শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয় ১৯২৬ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (ঘ) পথের দাবী (উপন্যাস)। এটি বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
১. একাত্তরের দিনগুলি: এটি উপন্যাস নয়, বরং লেখিকা জাহানারা ইমামের রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ
২. গোরা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি উপন্যাস, কোনো নাট্যগ্রন্থ নয়।
৩. বিদ্রোহী: এটি একটি কবিতা। এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-এর অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা মাত্র, এটি নিজে কাব্যগ্রন্থ নয়।
50

‘সুরঞ্জনা ওইখানে যেও নাকো তুমি’ কোন কবি এ কথা বলেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কামিনী রায়
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এ চরণটি কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত চরণ যা ‘আকাশনীলা’ কবিতার অংশবিশেষ। কবিতাটি কবির ‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত। রূপসী বাংলা, বেলা অবেলা কালবেলা, বনলতা সেন, ঝরা পালক তাঁর কাব্যগ্রন্হ গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জীবনানন্দ দাশ। এই বহুল প্রচলিত চরণটি তাঁর রচিত।
এটি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কবিতা ‘আকাশনীলা’-এর অংশবিশেষ।
কবিতাটি তাঁর ‘সাতটি তারার তিমির’ নামক কাব্যগ্রন্থে সংকলিত। জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি প্রকৃতি, প্রেম ও বিষণ্ণতার চিত্রায়ণে সিদ্ধহস্ত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

‘ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ’ কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. সুকুমার সেন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ’ রচনা করেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। তিনি বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবেচেয়ে আলোচিত গ্রন্হ – অরিজিন এন্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
‘ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ’ গ্রন্থটি বাংলা ব্যাকরণ এবং ভাষাতত্ত্বের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন একজন বিশ্ববিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত ও গবেষক, যিনি বাংলা ভাষার গঠন ও ইতিহাস নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করেছেন।
52

‘কালান্তর’ শীর্ষক প্রবন্ধ গ্রন্হের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপধ্যায়
  2. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘কালান্তর’ (১৯৩৭) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনে রচিত একটি রাজনৈতিক প্রবন্ধগ্রন্হ। ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের রাজনৈতিক সমস্যাসমূহ রবীন্দ্রনাথ এ প্রবন্ধগ্রন্হে আলোকপাত করেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘কালান্তর’ (প্রকাশকাল: ১৯৩৭) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ
এটি মূলত ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের রাজনৈতিক সমস্যা, সমাজনীতি এবং বৃহত্তর মানব সমাজের সংকট নিয়ে রচিত তাঁর শেষ জীবনের রাজনৈতিক প্রবন্ধের সংকলন
অন্যান্য অপশনে উল্লিখিত সাহিত্যিক, যেমন প্রমথ চৌধুরী (বীরবল ছদ্মনাম) বা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রবন্ধ লিখলেও ‘কালান্তর’ শুধুমাত্র রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি।
53

‘অপর্ণা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের নায়িকা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিসর্জন
  2. চিত্রাঙ্গদা
  3. রক্তকরবী
  4. রাজা ও রাণী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ত্রিপুরা রাজ্যের রাজপরিবারের দ্বন্দ্ব নিয়ে ‘রাজর্ষি’ (১২৯৩ বঙ্গাব্দ) উপন্যাস রচনা করেন। এই উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ‘বিসর্জন’ (১২৯৭ বঙ্গাব্দ) নাট্যকাব্য রচনা করেন। ‘বিসর্জন’ নাটকের চরিত্র: অপর্ণা, জয়সিংহ, রঘুপতি, গুণবতী, গোবিন্দমাণিক্য প্রমুখ। এই নাটকের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়: মানব প্রণীতআচার বিধির নৃশংসতার (বিশেষ করে বলিপ্রথা) বিরুদ্ধে মানবচিত্তের বেদনার্ত প্রতিবাদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বিসর্জন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘বিসর্জন’ (১২৯৭ বঙ্গাব্দ) হলো একটি বিখ্যাত নাট্যকাব্য, যা মূলত ত্রিপুরা রাজ্যের রাজপরিবারের দ্বন্দ্ব নিয়ে লেখা তাঁর ‘রাজর্ষি’ উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে রচিত।
এই নাটকের প্রধান নারী চরিত্র হলেন অপর্ণা। অপর্ণা মানবপ্রেম এবং বলিপ্রথার মতো নিষ্ঠুর আচার-বিধির বিরুদ্ধে বেদনার্ত প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছেন।
অন্যান্য অপশনের প্রধান নারী চরিত্রগুলি হলো: নন্দিনী (রক্তকরবী), চিত্রাঙ্গদা (চিত্রাঙ্গদা) এবং সুদর্শনা (রাজা)।
54

কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৃত্যুক্ষুধা
  2. ব্যথারদান
  3. কুহেলিকা
  4. বাঁধনহারা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস-বাঁধনহারা। এই উপন্যাসটি কাজী নজরুল রচিত একটি পত্রোপন্যাস। কাজী নজরুলের দুটি বিখ্যাত উপন্যাস মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ব্যথার দান কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গল্পগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বাঁধনহারা। এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম উপন্যাস
এই উপন্যাসটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত পত্রোপন্যাস (চিঠিপত্রের মাধ্যমে রচিত উপন্যাস) হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য বিকল্পগুলির মধ্যে মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা তাঁর আরও দুটি বিখ্যাত উপন্যাস, কিন্তু প্রথম নয়।
অন্যদিকে, ব্যথার দান হলো কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্হ, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
55

‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রশীদ করীম
  2. শওকত ওসমান
  3. জহির রায়হান
  4. শহীদুল্লাহ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘উত্তম পুরুষ’ রশীদ করীম রচিত প্রথম উপন্যাস। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে: আমার যতো গ্লানি, প্রসন্ন পাষাণ প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রশীদ করীম
‘উত্তম পুরুষ’ (১৯৬১) উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ঔপন্যাসিক রশীদ করীম। এটি তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস। এই উপন্যাসে তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জীবনের জটিলতা এবং তাদের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তুলেছেন।
56

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাহান্নম হইতে বিদায়
  2. জননী
  3. কর্ণফুলি
  4. সূর্যদীঘল বাড়ী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ শওকত ওসমানের বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। জননী, ক্রীতদাসের হাসি, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য, চৌরসন্ধি প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জাহান্নম হইতে বিদায়
এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উপন্যাসটিতে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানুষের দুর্দশা চিত্রিত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ লেখকের কাজ হলেও সেগুলো সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। যেমন: জননী (শওকত ওসমানের সামাজিক উপন্যাস), সূর্যদীঘল বাড়ী (আবু ইসহাক রচিত গ্রামীণ পটভূমির কালজয়ী উপন্যাস)।
57

বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবর
  2. শর্মিষ্ঠা
  3. ভদ্রার্জুন
  4. নীল দর্পণ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক- ভদ্রার্জুন। এর নাট্যকার তারাচরণ শিকদার। নাটকটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক হলো 'ভদ্রার্জুন'। এর রচয়িতা ছিলেন তারাচরণ শিকদার
এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। যদিও 'কীর্তিবিলাস' (যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত) নাটকটিও একই বছর প্রকাশিত হয়, তবে অধিকাংশ গবেষক 'ভদ্রার্জুন'-কেই প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ নাটক হলেও প্রথম নয়। যেমন: 'নীল দর্পণ' (দীনবন্ধু মিত্র) প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে এবং 'শর্মিষ্ঠা' (মাইকেল মধুসূদন দত্ত) প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে।
58

ঐতিহাসিক নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নূরজাহান
  2. রাবণবধ
  3. সধবার একাদশী
  4. ডাকঘর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটক: সাজাহান, নূরজাহান, তারাবাঈ, মেবার পতন, প্রতাপসিংহ, দুর্গাদাস, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল বিজয় প্রভৃতি । ‘সধবার একাদশী, বিয়ে পাগলা বুড়ো’ দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন। ‘ডাকঘর’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রূপক নাটক। ‘রাবণবধ’ গিরিশচন্দ্র ঘোষের একটি পৌরাণিক নাটক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো নূরজাহান
এটি বিখ্যাত নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (D.L. Roy) রচিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহাসিক নাটক।
ঐতিহাসিক নাটক বলতে এমন নাটককে বোঝায়, যার মূল কাহিনি ও চরিত্রাবলি ইতিহাসের সত্য ঘটনার ওপর প্রতিষ্ঠিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ধারার রচনা: ‘সধবার একাদশী’ হলো দীনবন্ধু মিত্রের রচিত বিখ্যাত প্রহসন। ‘ডাকঘর’ হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রূপক-সাংকেতিক নাটক। এবং ‘রাবণবধ’ হলো গিরিশচন্দ্র ঘোষের রচিত একটি পৌরাণিক নাটক।
59

‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসের লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আহসান হাবীব
  2. সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
  3. শওকত ওসমান
  4. আবুল ফজল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘ক্রীতদাসের হাসি’ (১৯৬২) শওকত ওসমানের রূপকধর্মী উপন্যাস। তৎকালীন পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে এ উপন্যাস রচিত হয়েছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শওকত ওসমান
‘ক্রীতদাসের হাসি’ (প্রকাশকাল: ১৯৬২) হলো শওকত ওসমানের রচিত একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস
এই উপন্যাসের পটভূমি ঐতিহাসিক হলেও, এটি মূলত তৎকালীন পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের একনায়কতন্ত্র ও শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে লেখা হয়েছিল। এই বিষয়টি পরীক্ষায় প্রায়ই জিজ্ঞেস করা হয়।
60

‘অপরাজিত’ উপন্যাসের লেখক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. শহীদুল্লাহ কায়সার
  4. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অপরাজিত। তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- পথের পাঁচালী, আরণ্যক, অশনি সংকেত প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
‘অপরাজিত’ হলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
এটি তাঁর পূর্ববর্তী বিখ্যাত উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’-র পরবর্তী অংশ, যেখানে প্রধান চরিত্র অপুর জীবন ও মনস্তত্ত্বের বিকাশ দেখানো হয়েছে।
61

‘কবর’ কবিতায় কতটি পঙক্তি রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩টি
  2. ৯৬টি
  3. ১০২টি
  4. ১১৮টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘কবর’ কবিতায় ১১৮টি পঙক্তি রয়েছে। এটি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কবিতা যা রাখালী কাব্যগ্রন্হের অন্তর্ভুক্ত। জসীমউদ্দীন রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্হ- নক্শী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, বালুচর, ধানক্ষেত প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১১৮টি
‘কবর’ কবিতাটি পল্লী কবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা। এই কবিতায় মোট ১১৬টি চরণ বা ১১৮টি পঙক্তি রয়েছে।
এটি মূলত ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’-তে (১৯২৭) অন্তর্ভুক্ত হয়।
এই কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু হলো নানী-দাদার করুণ ভালোবাসার মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের শোক ও স্মৃতিচারণ।
62

জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনি কাব্য কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নকশী কাঁথার মাঠ
  2. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  3. সকিনা
  4. রাখালী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পল্লিকবি জসীমউদ্দীন – এর শ্রেষ্ঠ কাহিনিকাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ (১৯২৯)। প্রচলিত পল্লীগীতিকার চেয়ে ব্যতিক্রমী এ রচনাটিতে তিনি কাহিনির আবর্তনে অসম্ভব দক্ষতার পরিচয় দেন। এ কাব্যের ইংরেজি নাম Field of the Embroidery Quilt; এর অনুবাদক EM Milford.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নকশী কাঁথার মাঠ
পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত শ্রেষ্ঠ কাহিনি কাব্য হলো 'নকশী কাঁথার মাঠ'। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো রূপাই এবং সাজু। জসীমউদ্দীন গ্রামীণ জীবনের প্রেম, বিরহ ও দুঃখ-সুখকে এই কাব্যের মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছেন, যা এটিকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ করেছে।
63

‘দৃষ্টিহীন’ কার ছদ্মনাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্যারিচাঁদ মিত্র
  2. মধুসূদন দত্ত
  3. মধুসূদন মজুমদার
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মধুসূদন মজুমদার
'দৃষ্টিহীন' ছদ্মনামটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত লেখকের, যা প্রায়শই সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হয়। এই ধরনের ছদ্মনাম ও উপাধিগুলো মুখস্থ রাখা খুবই জরুরি।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ, যেমন: প্যারিচাঁদ মিত্র-এর ছদ্মনাম হলো টেকচাঁদ ঠাকুর
64

জসীমউদ্দীনের নাটক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেদের মেয়ে
  2. রাখালী
  3. মাটির কান্না
  4. বোবা কাহিনী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জসীমউদ্দীনের নাটক বেদের মেয়ে। তাঁর রচিত একমাত্র উপন্যাস বোবা কাহিনী ‘রাখালী’ ও ‘মাটির কান্না’ তাঁর কাব্যগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেদের মেয়ে
এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত বিখ্যাত নাটক। জসীমউদ্দীনের লেখা এটিই বহুল পরিচিত একটি নাটক, যা পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলোর সাহিত্যকর্মের ধরন ভিন্ন:
রাখালী এবং মাটির কান্না জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। 'রাখালী' তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
বোবা কাহিনী হলো জসীমউদ্দীনের রচিত একমাত্র উপন্যাস
65

‘প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আহসান হাবীব
  2. মহাদেব সাহা
  3. আলাউদ্দীন আল আজাদ
  4. শামসুর রাহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শামসুর রাহমানের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে, বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে, বন্দী শিবির থেকে প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শামসুর রাহমান
‘প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে’ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
তিনি প্রধানত নাগরিক জীবন, প্রেম, এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কাব্য রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। এই ধরনের বিখ্যাত সাহিত্যিকদের গ্রন্থগুলো প্রাইমারি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ
66

ঈশ্বরচন্দ্রকে কোন প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসাগর উপাধি দান করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রেসিডেন্সি কলেজ
  2. বিদ্যাসাগর কলেজ
  3. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. সংস্কৃত কলেজ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘বাংলা গদ্যের জনক’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজ থেকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি পান ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংস্কৃত কলেজ
ঈশ্বরচন্দ্র ১৮২৯ থেকে ১৮৪১ সাল পর্যন্ত সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়ন করেন। তাঁর গভীর জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও অসামান্য শিক্ষাগত যোগ্যতায় মুগ্ধ হয়ে ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই তাঁকে ‘বিদ্যাসাগর’ (জ্ঞানের সাগর) উপাধি দান করে।
প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বা বিদ্যাসাগর কলেজ (যা তাঁর মৃত্যুর পরে প্রতিষ্ঠিত) কেউই তাঁকে এই উপাধি দেননি।
67

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোবিন্দলাল ও রোহিনী
  2. সুরেশ ও অচলা
  3. মধুসূদন ও কুমুদিনী
  4. নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র- গোবিন্দলাল ও রোহিনী। এ উপন্যাসে রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। এটি একটি সামাজিক উপন্যাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গোবিন্দলাল ও রোহিনী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের মূল কাহিনিটি প্রধানত গোবিন্দলাল, তার স্ত্রী ভ্রমর এবং বিধবা রোহিনীর জটিল ত্রিভুজ প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
বিভ্রান্তি দূরীকরণ:
অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী হলো বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের চরিত্র।
আর মধুসূদন ও কুমুদিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘যোগাযোগ’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
68

‘ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ কোন কাব্যের উপজীব্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিলরুবা – আব্দুল কাদির
  2. সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ
  3. নূরনামা – আব্দুল হাকিম
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইসলামি রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ এর কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’র উপজীব্য ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। এ কাব্যের প্রধান কবিতার কয়েকটি- পাঞ্জেরি, লাশ, সিন্দাবাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ
কবি ফররুখ আহমদ তাঁর ‘সাত সাগরের মাঝি’ (প্রকাশ: ১৯৪৪) কাব্যে ইসলামের হারানো গৌরব, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে উপজীব্য করে মুসলিম সমাজকে নবজাগরণের (রেনেসাঁ) জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
এজন্য ফররুখ আহমদকে ইসলামি রেনেসাঁর কবি বলা হয়।
69

‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাটক
  2. কাব্য
  3. ছোটগল্প
  4. উপন্যাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘কাশবনের কন্যা’ শামসুদ্দীন আবুল কালামের বিখ্যাত উপন্যাস। তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাস হচ্ছে- কাঞ্চনমালা, সমুদ্রবাসর, নবান্ন, যার সাথে যার, জীবনকাব্য প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো উপন্যাস
‘কাশবনের কন্যা’ হলো বিখ্যাত সাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি জনপ্রিয় আঞ্চলিক উপন্যাস
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কালের গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের মধ্যে তিনি অন্যতম, যিনি গ্রামীণ পটভূমি ও মানুষের জীবনযাত্রা তার উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন।
70

বাংলা ভাষায় প্রথম সাময়িকপত্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিকদর্শন
  2. বঙ্গদর্শন
  3. তত্ত্ববোধিনী
  4. সংবাদ প্রভাকর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্র দিকদর্শন’ (১৮১৮); এর সম্পাদক জন ক্লার্ক মার্শম্যানের তত্ত্বাবধানে ‘শ্রীরামপুর মিশন প্রেস’ থেকে সাময়িকপত্রটি প্রকাশিত হয় ।

ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো দিকদর্শন
এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। এর প্রকাশক ছিলেন শ্রীরামপুর মিশন প্রেস এবং এটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত হয়েছিল।
এটি প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে প্রথম সাময়িকপত্রের ইতিহাস শুরু হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলিও গুরুত্বপূর্ণ:
সংবাদ প্রভাকর: এটি প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা (১৮৩৯ সালে দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত)।
বঙ্গদর্শন: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
তত্ত্ববোধিনী: ১৮৪৩ সালে অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
71

‘সবুজপত্র’ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাটক
  2. উপন্যাস
  3. সাময়িকপত্র
  4. গদ্য সংকলন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সবুজপত্র বাংলা ভাষায় অন্যতম প্রধান সাময়িকপত্র। এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। ইংরেজি ১৯১৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা চলিত রীতি চালু করে। এতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখাও প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সাময়িকপত্র। সবুজপত্র (Sabujpatra) ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি পত্রিকা।
এটি কোনো একক গ্রন্থ (যেমন নাটক বা উপন্যাস) ছিল না, বরং এটি ছিল একটি মাসিক সাময়িকপত্র (Periodical)।
এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষা (Standard Colloquial style) প্রচলনের মাধ্যমে বাংলা গদ্যের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল।
এর সম্পাদক ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী
72

কোনটি কবি ভারতচন্দ্রের উপাধি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রায়গুণাকর
  2. কবিকণ্ঠহার
  3. কবিকঙ্কন
  4. কবিরঞ্জন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতচন্দ্রকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি প্রদান করেন নদীয়ার মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রায়গুণাকর
কবি ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি। তাঁর রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'অন্নদামঙ্গল'
এই ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ নদীয়ার মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে 'রায়গুণাকর' উপাধি প্রদান করেন।
রায়গুণাকর অর্থ হলো 'গুণীর মধ্যে রত্ন'।
অন্যান্য উপাধিগুলো অন্য বিখ্যাত কবিদের দেওয়া হয়েছিল।
73

জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটির পটভূমিকা হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ
  2. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
  3. একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন
  4. এর কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘আরেক ফাল্গুন’ একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এটি। জহির রায়হানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী, শেষ বিকেলের মেয়ে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন
জহির রায়হান রচিত ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটি মূলত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
এই উপন্যাসে আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোর চিত্র এবং সংগ্রামী মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। নাম থেকেই বোঝা যায়, ফাল্গুন মাসের সঙ্গে এই আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
74

‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসের নায়ক –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইমাম হাসান
  2. সীমার
  3. এজিদ
  4. ইমাম হোসেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মীর মশাররফ হোসেন মহরমের বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনি অবলম্বনে ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাস রচনা করেন। উল্লেখযোগ্য চরিত্র : ইমাম হোসেন, এজিদ, সীমার, জায়েদা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ইমাম হোসেন
‘বিষাদ সিন্ধু’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা রচনা করেন মীর মশাররফ হোসেন
এটি কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজিক ঘটনা অবলম্বনে রচিত। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ও প্রধান নায়ক হলেন হযরত ইমাম হোসেন (রা:)।
অন্যান্য চরিত্র, যেমন—এজিদ (খলনায়ক) বা সীমার (হত্যা কারী) হলো উপন্যাসের পার্শ্বচরিত্র বা নেতিবাচক চরিত্র।
75

বিদ্রোহী বালিকা বধূ ‘জমিলা’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অপুর সংসার
  2. লালসালু
  3. গাভী বৃত্তান্ত
  4. চাঁদের অমাবস্যা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র বিখ্যাত ‘লালসালু’ উপন্যাসে ধর্মের নামে মানুষকে শোষণের চিত্র ফুটে উঠেছে। মজিদ, জমিলা, রহিমা, খালেক ব্যাপারী, আক্কাস উল্লেখযোগ্য চরিত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লালসালু
জমিলা চরিত্রটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত কালজয়ী উপন্যাস ‘লালসালু’-এর প্রধান চরিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।
লালসালু উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো: ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে শোষণ ও ভণ্ডামি। এই উপন্যাসে মজিদ নামক ভণ্ড পীরের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে জমিলা তার শোষণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী ভূমিকা পালন করে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র: মজিদ, রহিমা (প্রথম স্ত্রী), খালেক ব্যাপারী, আক্কাস
76

কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?1

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুরঙ্গ
  2. চতুর্দশ
  3. চতুষ্কোণ
  4. চতুষ্পাঠী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘চতুরঙ্গ’ (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এছাড়া রবীন্দ্রনাথের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : চোখের বালি, ঘরে বাইরে, শেষের কবিতা, চার অধ্যায়, গোরা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চতুরঙ্গ
এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস
রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবেন, চতুরঙ্গ হলো তাঁর সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক ধারার একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
77

জসীমউদ্দীনের নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাখালী
  2. বেদের মেয়ে
  3. মাটির কান্না
  4. বোবা মেয়ে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জসীমউদ্দীনের নাটক – বেদের মেয়ে। তাঁর রচিত একমাত্র উপন্যাস ‘বোবাকহিনী’। ‘রাখালী’ ও ‘মাটির কান্না’ তাঁর কাব্যগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো 'বেদের মেয়ে'। এটি পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের রচিত একমাত্র নাটক।
পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের বিভিন্ন কাজের মধ্যে পার্থক্য জিজ্ঞাসা করা হয়। তাঁর অন্যান্য প্রধান কাজগুলো হলো:
১. নাটক: বেদের মেয়ে (১৯৩৩)।
২. উপন্যাস: বোবাকহিনী (এটিই তাঁর একমাত্র উপন্যাস)।
৩. কাব্যগ্রন্থ: 'রাখালী' এবং 'মাটির কান্না'—এই দুটিই তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। তাই এই অপশনগুলো ভুল।
78

‘শাহনামা’ কোন ভাষায় রচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. উর্দু
  4. ফরাসি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পারস্যের কবি ফেরদৌসী রচিত ‘শাহনামা’ ফারসি ভাষায় রচিত একটি দীর্ঘ মহাকাব্য। ফারসি ভাষায় রচিত এই মহাকাব্যে প্রায় ৬০ হাজার শ্লোক রয়েছে। ইরানের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে আনা হয়েছে এই মহাকাব্যে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ফারসি
‘শাহনামা’ (Shahnameh) হলো পারস্যের (বর্তমান ইরান) শ্রেষ্ঠ কবি আবুল কাসিম ফেরদৌসী কর্তৃক রচিত একটি সুবিশাল ও দীর্ঘ মহাকাব্য
এটি ফারসি (Persian) ভাষায় রচিত এবং প্রায় ৬০ হাজার শ্লোক সমন্বিত। শাহনামাকে ইরানের জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে গণ্য করা হয়, যা ইরানের পৌরাণিক ইতিহাস ও রাজাদের বর্ণনা করে।
79

‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যশোরাজ খান
  2. শাহ মুহম্মদ সগীর
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. বিজয় গুপ্ত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ইউসুফ জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীর কর্তৃক রচিত বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বিখ্যাত ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যটি পনেরো শতকের প্রথম দশকে রচিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। এ বিখ্যাত কাব্যের বিষয়বস্তু ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শাহ মুহম্মদ সগীর। ‘ইউসুফ জোলেখা’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান কাব্য।
শাহ মুহম্মদ সগীরকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তাঁর এই কাব্যটি পনেরো শতকের প্রথম দশকে রচিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলি মধ্যযুগের বা আধুনিক কালের অন্যান্য সাহিত্যিক। মীর মশাররফ হোসেন আধুনিক যুগের সাহিত্যিক এবং বিজয় গুপ্ত মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
80

“কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ ফজলল করিম
  2. মোজাম্মেল হক
  3. মোহিতলাল মজুমদার
  4. জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উক্ত কবিতাংশটুকু বিখ্যাত কবি শেখ ফজলল করিমের (১৮৮২ – ১৯৩৬) ‘স্বর্গ ও নরক’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। এই বিখ্যাত কবিকে নদীয়ার সাহিত্য সভা ‘সাহিত্যবিশারদ’ উপাধি দিয়েছিল।

ব্যাখ্যা

উদ্ধৃত বিখ্যাত পঙক্তিটি আধুনিক যুগের কবি শেখ ফজলল করিম রচিত।
এটি তাঁর 'স্বর্গ ও নরক' নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
কবিতাটির মূল ভাব হলো—স্বর্গ বা নরক বাইরে কোথাও নেই, তা মানুষের কর্ম ও স্বভাবের মাঝেই বিদ্যমান। মানুষই ভালো কাজের মাধ্যমে স্বর্গ এবং খারাপ কাজের মাধ্যমে নরক সৃষ্টি করে।
81

কোন নাটকটি সেলিম আল দীনের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. কবর
  3. সুবচন নির্বাসনে
  4. মুনতাসীর ফ্যান্টাসী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সেলিম আল দীন বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও গবেষক। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে→ জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, মুনতাসীর ফ্যান্টাসী, শুকুন্তলা, হরগজ, পুত্র ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
সেলিম আল দীন (Selim Al Deen) বাংলাদেশের আধুনিক নাট্যজগতের অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে মুনতাসীর ফ্যান্টাসী, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, কীত্তনখোলা এবং চাকা।
অন্যান্য অপশনগুলোর রচয়িতা:
১. ‘কবর’ লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। (১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত)
২. ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ লিখেছেন সৈয়দ শামসুল হক। (মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যনাট্য)
৩. ‘সুবচন নির্বাসনে’ লিখেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন
82

‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সত্যেন সেন
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. আবুল ফজল
  4. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ ঔপন্যাসিক আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস। ১৯৬০ সালে ‘পদক্ষেপ’ নামক একটি পত্রিকায় এই উপন্যাসটি প্রথম ছাপা হয়। এটি বেশ কয়েকটি ভাষাতে অনূদিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— আলাউদ্দিন আল আজাদ
‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান ঔপন্যাসিক আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি বিখ্যাত সৃষ্টি। এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা ১৯৬০ সালে প্রথম ছাপা হয়।
এটি মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা এবং নারী-পুরুষের সম্পর্কের গভীর বিশ্লেষণ নিয়ে রচিত হওয়ায় সাহিত্য মহলে এটি বেশ আলোচিত।
83

‘ছোটদের অভিনয়’ নাটকটি কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেলিম আল দীন
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. জিয়া হায়দার
  4. আল কামাল আবদুল ওহাব

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আল কামাল আবদুল ওহাব
‘ছোটদের অভিনয়’ নাটকটি আল কামাল আবদুল ওহাব রচিত একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ নাটকের সংকলন। তিনি মূলত শিশু-কিশোরদের জন্য সাহিত্য রচনায় বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।
অন্যান্য অপশনে থাকা সাহিত্যিকগণ—যেমন সেলিম আল দীন (আধুনিক নাট্যকার), আলাউদ্দিন আল আজাদ (কবি ও ঔপন্যাসিক) এবং জিয়া হায়দার (নাট্য সমালোচক ও নির্দেশক)— প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুপরিচিত, তবে আলোচ্য নাটকটির রচয়িতা নন।
84

‘জুলেখার মন’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ
  2. সমর সেন
  3. রজনীকান্ত সেন
  4. জাহানারা আরজু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কবি মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্র বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ ‘জুলেখার মন।’ তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ হচ্ছে- অন্ধকারে একা, রক্তিম হৃদয়, আপন ভুবনে, বৈরিতার হাতে বন্দী, মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহর কাব্যসম্ভার ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ
‘জুলেখার মন’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট কবি, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্র একটি বিখ্যাত সৃষ্টি।
তাঁর লেখায় রোমান্টিকতা, প্রেম ও দেশের প্রতি অনুরাগ প্রকাশ পায়। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
85

“বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান-বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এলো বান।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. কবি সুফিয়া কামাল
  4. গোলাম মোস্তফা

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
এই বিখ্যাত ও বহুল পরিচিত পঙক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। এটি তাঁর 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতার অংশ।
মূলত, কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'শিশু ভোলানাথ'-এর অন্তর্ভুক্ত।
এখানে 'বাদলা হাওয়া', 'টাপুর টুপুর বৃষ্টি' এবং 'নদেয় বান'-এর মতো প্রাকৃতিক দৃশ্যপটের মাধ্যমে কবি ছেলেবেলার স্মৃতিচারণ করেছেন, যা তাঁর কবিতার একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
86

পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাটক
  2. উপন্যাস
  3. গল্প
  4. প্রবন্ধ

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপন্যাস
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬–১৯৩৮) রচিত ‘পথের দাবী’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ উপন্যাস। এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
ঔপন্যাসিক হিসেবে শরৎচন্দ্রের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। তাঁর প্রধান রচনাগুলো প্রায় সবই উপন্যাস (যেমন—দেবদাস, চরিত্রহীন, শ্রীকান্ত, বড়দিদি)।
এটি নাটক, গল্প বা প্রবন্ধের শ্রেণিভুক্ত নয়।
87

গ্রিক ট্রাজেডি 'ইডিপাস' বাংলায় কে অনুবাদ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. কবীর চৌধুরী
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. লিলি চৌধুরী

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সৈয়দ আলী আহসান
গ্রিক ট্রাজেডি 'ইডিপাস' (মূল লেখক: সোফোক্লিস / Sophocles) বাংলায় অনুবাদ করেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক ড. সৈয়দ আলী আহসান
এটি সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে মুনীর চৌধুরী 'কবর' নাটকের জন্য বিখ্যাত এবং কবীর চৌধুরীও বিখ্যাত অনুবাদক হলেও, 'ইডিপাস'-এর অনুবাদক হিসেবে সৈয়দ আলী আহসান-ই সঠিক।
88

‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের লেখকের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী ইমদাদুল হক
  2. মীর মোশাররফ হোসেন
  3. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  4. মোজাম্মেল হক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যাঃ কাজী ইমদাদুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস আব্দুল্লাহ। উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে গ্রন্হাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসটির জন্য তিনি অধিক খ্যাত। তাঁর অন্যান্য গ্রন্হ গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- আঁখিজল, নবীকাহিনী, কামারের কাণ্ড, আলহামরা প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাজী ইমদাদুল হক
‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসটি কাজী ইমদাদুল হকের সাহিত্য জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফসল। এই উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসে তৎকালীন মুসলিম সমাজের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার এবং সামাজিক সমস্যাগুলো অত্যন্ত বাস্তবতার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে, যার জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।
অন্যান্য বিকল্পে থাকা সাহিত্যিকগণও গুরুত্বপূর্ণ, যেমন মীর মোশাররফ হোসেন (বিষাদ-সিন্ধু), কিন্তু ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা একমাত্র কাজী ইমদাদুল হক।
89

‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্যসংকলন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. জসীমউদ্দীন
  4. কাজী নজরুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘সঞ্চিতা’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যসংকলন। এটি ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্হে ৭৮টি কবিতা ও গান রয়েছে। নজরুল তাঁর এ গ্রন্হটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কাজী নজরুল ইসলাম। ‘সঞ্চিতা’ হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্য সংকলন, যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়।
এই সংকলনে তাঁর বিভিন্ন সময়ের লেখা প্রায় ৭৮টি কবিতা ও গান সংকলিত হয়েছে।
এই বইটি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ নজরুল এই সংকলনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।
90

‘বসন্তকুমারী’ নাটক কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  4. শহীদুল্লা কায়সার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

একটি রাজ পরিবারের করুণ পরিণতির কাহিনি অবলম্বনে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের নাটক: ‘বসন্তকুমারী’। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক: জমিদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয় ও টালা অভিনয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: মীর মশাররফ হোসেন
‘বসন্তকুমারী’ হলো মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এই নাটকে একটি রাজ পরিবারের করুণ পরিণতির কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্য ও নাট্যকার। তিনি ১৮৭৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন, যা বাংলা গদ্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।
91

“এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জসীমউদ্দীন
  2. সুফিয়া কামাল
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. আবদুল কাদির

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পঙক্তিটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতাতে গ্রামীণ এক চিরায়ত বৃদ্ধের কষ্টের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। কবি যখন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি এ ক্লাসের ছাত্র তখন এটি প্রকাশিত হয়। পরে ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্হে সংকলিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জসীমউদ্দীন
প্রদত্ত পঙক্তিটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা ‘কবর’ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতাটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচনা করেন।
‘কবর’ কবিতাটি একজন বৃদ্ধের করুণ জীবনের প্রতিচ্ছবি, যিনি নিজের হাতে কঠিন মাটির তলে তাঁর প্রিয়জনদের (সোনামুখ) সমাধিস্থ করেছেন এবং চোখের জলে তাদের বিদায় জানিয়েছেন।
জসীমউদ্দীন গ্রামীণ জীবনের চিরায়ত দুঃখ-কষ্ট ও প্রকৃতিকে সহজ সরল ভাষায় তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত।
92

‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ শওকত ওসমান রচিত একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ছোটগল্প
  2. উপন্যাস
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস ‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ যা ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম- ক্রীতদাসের হাসি, জননী, চৌরসন্ধি, নেকড়ে অরণ্য প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ হলো বরেণ্য সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস
এই উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এবং এটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়।
পরীক্ষায় যখন কোনো বিখ্যাত লেখকের প্রধান রচনার ধরণ জানতে চাওয়া হয়, তখন তা সাধারণত তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্মগুলোর তালিকা থেকে আসে। শওকত ওসমান প্রধানত ঔপন্যাসিক হিসেবেই পরিচিত।
93

মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উপন্যাস
  2. গল্প
  3. প্রবন্ধ
  4. অনুবাদ নাটক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুনীর চৌধুরী একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং বুদ্ধিজীবী। তিনি অসংখ্য গ্রন্হের রচয়িতা। যেমন রক্তাক্ত প্রান্তর, দন্ডকারণ্য, পলাশীর ব্যারাক ও অন্যান্য। তাঁর বিখ্যাত অনুবাদ নাটকের মধ্যে অন্যতম- কেউ কিছু বলতে পারে না, যা জর্জ বার্নার্ড শ-র “You never can tell” এর বাংলা অনুবাদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুবাদ নাটক
ড. মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ এটি তার মৌলিক রচনা নয়, এটি একটি অনুবাদ গ্রন্থ
এটি মূলত বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ'র (George Bernard Shaw) একটি নাটক।
বার্নার্ড শ'র ‘You Never Can Tell’ নাটকটির বাংলা অনুবাদ করেন মুনীর চৌধুরী এবং নাম দেন ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’
94

“ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান, আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. ফররুখ আহমেদ
  4. গোলাম মোস্তফা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আলোচ্য উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্হ ‘সর্বহারা’র ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবেও ভূষিত হয়েছেন।

ব্যাখ্যা

এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর লেখা। এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সর্বহারা’-এর অন্তর্গত ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং মুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
নজরুল ইসলামকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, তাই তাঁর কবিতায় বিদ্রোহ, আত্মত্যাগ ও বিপ্লবের সুর থাকে।
95

‘বিষের বাঁশি’ কাজী নজরুল রচিত একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গল্প
  2. উপন্যাস
  3. কাব্য
  4. প্রবন্ধ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘বিষের বাঁশি’ নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্হ। এতে ২৭টি কবিতা রয়েছে। নজরুলের বাজেয়াপ্ত হওয়া ৫টি গ্রন্হের মধ্যে এটি অন্যতম। ১৯২৪ সালে বইটি নিষিদ্ধ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কাব্য। ‘বিষের বাঁশি’ কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ
এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিষয়বস্তু ছিল মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও শোষণমুক্তির আহ্বান
এই বিপ্লবী চেতনার কারণে ব্রিটিশ সরকার ১৯২৪ সালেই এই গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত (নিষিদ্ধ) করে দেয়।
96

‘এইসব দিনরাত্রি’ নাটকটির লেখক-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. আবদুল্লাহ আল মামুন
  3. কল্যাণ মিত্র
  4. ইমদাদুল হক মিলন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘এইসব দিনরাত্রি’ হুমায়ূন আহমেদ এর একটি বিখ্যাত নাটক। এই নাটকটি বিটিভিতে প্রচারিত একটি জনপ্রিয় পারিবারিক নাটক। হুমায়ূন আহমেদ এক সময়ের জনপ্রিয় ও নন্দিত কথাসাহিত্যিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হুমায়ূন আহমেদ
‘এইসব দিনরাত্রি’ হলো বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি কালজয়ী টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক
এটি ১৯৮৫ সালে বিটিভিতে প্রচারিত হওয়ার পর পারিবারিক নাটক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং তাকে সর্বস্তরে পরিচিত করে তোলে।
এই নাটকের প্রধান চরিত্র টুনি, শাহেদ, জহির, আর মারিয়া সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিল।
97

‘লালসালু’ উপন্যাসের লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  2. শওকত আলী
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. শহীদুল্লাহ কায়সার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসটির জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। উপন্যাসটি ইংরেজি, ফরাসি, জার্মানসহ নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রভাব বা বিস্তার কালোত্তীর্ণ। এর ইংরেজি নাম ‘A Tree without roots’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
‘লালসালু’ (Lalsalu) উপন্যাসটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত কালজয়ী সাহিত্যকর্ম, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মীয় ভণ্ডামি, কুসংস্কার এবং মজিদ নামক এক ধর্ম ব্যবসায়ী চরিত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এটি ইংরেজি ভাষায় ‘A Tree without roots’ নামে অনূদিত হয়েছে।
98

‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ -পঙক্তিটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. অতুলপ্রসাদ সেন
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সুফিয়া কামাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উক্ত পঙক্তির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কবিতাংশটুকু তাঁর ‘মরণ’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উদ্ধৃত বিখ্যাত পঙক্তিটি — ‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ‘মরণ’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
এখানে কবি মৃত্যুকে শ্যাম (কৃষ্ণ বা ঈশ্বর)-এর সাথে তুলনা করেছেন, যা তার আধ্যাত্মিক ভাবনার বহিঃপ্রকাশ।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে অতুলপ্রসাদ সেন প্রধানত দেশাত্মবোধক গান ও সুফিয়া কামাল আধুনিক নারী কবি হিসেবে পরিচিত; তাদের লেখায় এমন আধ্যাত্মিকতা কম দেখা যায়।
99

‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মামুনুর রশীদ
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. আবুল হায়াত
  4. সেলিম আল দীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা বিখ্যাত বাংলাদেশি নাট্যকার ও গবেষক সেলিম আল দীন। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো-বাসন, হরগজ, ধাবমান, কেরামত মঙ্গল, হাত হদাই, কীত্তনখোলা যৈবতী কন্যার মন ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সেলিম আল দীন
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটি বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও গবেষক সেলিম আল দীন রচনা করেন।
তিনি তাঁর নাটকে গ্রাম বাংলার লোকজীবন, ঐতিহ্য এবং গ্রামীণ মানুষের দুঃখ-বেদনাকে শিল্পসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন।
অপশনগুলোতে থাকা হুমায়ূন আহমেদ প্রধানত উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত (যেমন: নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার)। অন্যান্য অপশনগুলো (মামুনুর রশীদ ও আবুল হায়াত) মঞ্চনাটক ও অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত হলেও, এই বিশেষ নাটকটির রচয়িতা সেলিম আল দীন।
100

কোন দু’জন আরাকান রাজসভার কবি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ সুলতান ও মুহাম্মদ কবির
  2. মহাকবি আলাওল ও দৌলত কাজী
  3. কাশীরাম দাস ও মহাকবি আলাওল
  4. মহাকবি আলাওল ও সৈয়দ সুলতান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে আরাকান রাজসভা কেন্দ্রিক সাহিত্যচর্চা। এ রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি দৌলত কাজী এবং শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন আলাওল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহাকবি আলাওল ও দৌলত কাজী
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের উন্নয়নে আরাকান রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আরাকান রাজসভাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে এই দু’জন কবি ছিলেন প্রধানতম।
দৌলত কাজী ছিলেন আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি। তিনি 'সতী ময়নামতি ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যটি রচনা শুরু করেন।
অন্যদিকে, মহাকবি আলাওল ছিলেন আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্য হলো 'পদ্মাবতী'
অন্যান্য অপশন যেমন সৈয়দ সুলতান, মুহাম্মদ কবির বা কাশীরাম দাস আরাকানের প্রধান কবি নন।
101

বাংলা সাহিত্যে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয় কাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. রাজশেখর বসু
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের ধারায় অন্যতম প্রধান কবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলে আখ্যায়িত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বিহারীলাল চক্রবর্তী
বাংলা সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের জনক বা পথিকৃৎ বলা হয়।
তাঁর রচিত কাব্যে প্রথম ব্যক্তিগত ভাবাবেগ ও অনুভূতি প্রধান হয়ে ওঠে। এই কারণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেন, যেন তিনি গীতিকাব্যের নতুন যুগের ‘ভোরের পাখি’ বা সূচনাকারী।
102

কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঝিলিমিলি
  2. মৃত্যুক্ষুধা
  3. মধুমালা
  4. অগ্নি-বীণা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কাজী নজরুলের উপন্যাস তিনটি। যথা- মৃত্যুক্ষুধা, বাঁধনহারা ও কুহেলিকা। ঝিলিমিলি ও মধুমালা নজরুল রচিত নাটক। এবং অগ্নি-বীণা তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৃত্যুক্ষুধা। এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
কাজী নজরুল ইসলামের রচিত মাত্র তিনটি উপন্যাস রয়েছে। সেগুলো হলো— বাঁধনহারা (এটি প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস), মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ঝিলিমিলিমধুমালা হলো নজরুল রচিত নাটক
আর অগ্নি-বীণা হলো নজরুলের বিখ্যাত ও প্রথম কাব্যগ্রন্হ (১৯২২)। তাই এগুলো উপন্যাস নয়।
103

‘দেখিনু সেদিন রেলে, কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে!’ পঙক্তিটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. আহসান হাবিব
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দ্ত্ত
  4. কবি সুফিয়া কামাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উল্লিখিত কবিতাংশটুকু কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত ‘কুলি-মজুর’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম
উল্লিখিত পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিখ্যাত ‘কুলি-মজুর’ কবিতার অংশ।
এই কবিতাটি তাঁর ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি সমাজের শ্রেণিবৈষম্য ও শ্রমজীবী মানুষের প্রতি অবিচারের চিত্র তুলে ধরেছে।
নজরুল ইসলামকে বিদ্রোহী কবি বলা হয় এবং তিনি সমাজের শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে সবসময় সোচ্চার ছিলেন, যা এই পঙক্তিটির মূলভাব।
104

‘অপরাহ্ন’ নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
  2. রাবেয়া খাতুন
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হুমায়ূন আহমেদ এর বিখ্যাত নাটক ‘অপরাহ্ণ’। হুমায়ূন আহমেদ একজন বিখ্যাত বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং নাট্যকার। তিনি বিংশ শতাব্দির জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হুমায়ূন আহমেদ
‘অপরাহ্ন’ নাটকটি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত। তিনি মূলত উপন্যাস, ছোটগল্প ও চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য বিখ্যাত হলেও, বাংলা নাটকের জগতেও তার অবদান অনস্বীকার্য।
তার রচিত নাটকগুলো হাস্যরস, সামাজিক বাস্তবতা এবং গভীর জীবনবোধের সংমিশ্রণে অনন্য ছিল। 'অপরাহ্ন' নাটকটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় সৃষ্টির মধ্যে একটি।
105

কোনটি শওকত ওসমান রচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চৌচির
  2. সত্য-মিথ্যা
  3. পদ্মা-মেঘনা-যমুনা
  4. ক্রীতদাসের হাসি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি। ক্রীতদাসের হাসি শওকত ওসমানের একটি প্রতীকাশ্রয়ী উপন্যাস। তার অন্যান্য উপন্যাস গুলো হল - জননী, বনী - আদম, চৌরসন্ধি, রাজা উপাখ্যান। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - জাহান্নাম হইতে বিদায়, নেকড়ে অরণ্য, দুই সৈনিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্রীতদাসের হাসি
শওকত ওসমান রচিত অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস হলো ক্রীতদাসের হাসি। এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত একটি প্রতীকাশ্রয়ী বা রূপকধর্মী উপন্যাস, যেখানে স্বৈরাচারী শাসক ও নির্যাতিত মানুষের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
শওকত ওসমানের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে রয়েছে— জননী, বনী আদম, চৌরসন্ধি, রাজা উপাখ্যান ইত্যাদি।
106

বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চর্যাপদ
  2. বৈষ্ণব পদাবী
  3. ঐতরেয় আরণ্যক
  4. দোহাকোষ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন - চর্যাপদ। বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন চর্যাপদ। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' নামক পুঁথি টি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার ইতিহাসে চর্যাপদ হলো প্রথম আবিষ্কৃত এবং স্বীকৃত সাহিত্য নিদর্শন।
এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান বা কবিতার সংকলন, যা খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
যেহেতু চর্যাপদ বাংলা ভাষার আদিমতম সাহিত্যের নিদর্শন এবং এটি কবিতার সংকলন, তাই এটিই বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন হিসেবে গণ্য করা হয়।
107

”নীল লোহিত” কার ছদ্মনাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমরেশ মজুমদার
  2. রাজ শেখর বসু
  3. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  4. সমর সেন

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় একাধিক ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল পরিচিত ছদ্মনাম হলো নীল লোহিত
তিনি এই ছদ্মনামে বিশেষ করে তার ভ্রমণমূলক রচনা এবং আত্মজীবনীমূলক লেখার জন্য পরিচিত ছিলেন। নীল লোহিত নামেই তার বিখ্যাত রচনা 'নীল লোহিতের ডায়েরি' প্রকাশিত হয়।
108

”ময়নামতি চর” কাব্যটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যতীন্দ্রমোহন বাগচী
  2. হুমায়ুন কবীর
  3. রওশন ইজদানী
  4. বন্দে আলী মিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বন্দে আলী মিয়া
তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও কবি। গ্রামবাংলার পটভূমিতে লেখা তার অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো “ময়নামতি চর”
এই কাব্যে পদ্মা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।
109

”পদ্মা নদীর মাঝি” কি ধরনের রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উপন্যাস
  2. ভ্রমণ কাহিনী
  3. রম্যরচনা
  4. নাটক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

”পদ্মা নদীর মাঝি” মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি উপন্যাস যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। তার অন্যান্য উপন্যাস গুলো হলো: জননী (১৯৩৫), দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), পদ্মানদীর মাঝি(১৯৩৬), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬), জীবনের জটিলতা (১৯৩৬), অমৃতস্য পুত্রাঃ (১৯৩৮), শহরতলি (প্রথম খণ্ড) (১৯৪০), শহরতলি (দ্বিতীয় খণ্ড) (১৯৪১), অহিংসা (১৯৪১), ধরাবাঁধা জীবন (১৯৪১), চতুষ্কোণ (১৯৪২), প্রতিবিম্ব (১৯৪৩), দর্পণ (১৯৪৫)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপন্যাস
“পদ্মা নদীর মাঝি” হলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (প্রকৃত নাম: প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়) রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস
এটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে পদ্মা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের জেলেদের জীবনযাত্রা, দুঃখ-দুর্দশা ও প্রেমের গভীর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেহেতু এটি চরিত্র ও ঘটনার বিস্তারিত বিবরণসহ একটি দীর্ঘ ফিকশনমূলক রচনা, তাই এর শ্রেণী হলো উপন্যাস
110

”ওয়ারিশ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শওকত ওসমান
  2. রফিক আজাদ
  3. শওকত আলী
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

”ওয়ারিশ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন - - শওকত আলী। তার অন্যান্য উপন্যাস গুলো হল: পিঙ্গল আকাশ (১৯৬৩), যাত্রা (১৯৭৬), প্রদোষে প্রাকৃতজন (১৯৮৪), অপেক্ষা (১৯৮৪), দক্ষিণায়নের দিন (১৯৮৫), কুলায় কালস্রোত (১৯৮৬), পূর্বরাত্রি পূর্বদিন (১৯৮৬), সম্বল (১৯৮৬), গন্তব্যে অতঃপর (১৯৮৭), ভালোবাসা কারে কয় (১৯৮৮), যেতে চাই (১৯৮৮), ওয়ারিশ (১৯৮৯), বাসর ও মধুচন্দ্রিমা (১৯৯০), উত্তরের খেপ (১৯৯১), প্রেম কাহিনী (১৯৯১)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শওকত আলী। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক ঔপন্যাসিক।
তাঁর রচিত 'ওয়ারিশ' (১৯৮৯) একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা সমাজের নানা দিক ও মানুষের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা।
পরীক্ষার হলে শওকত আলী এবং শওকত ওসমান (তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: ক্রীতদাসের হাসি) এই দুটি নাম নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে, তাই লেখকের সঠিক কর্ম সম্পর্কে নিশ্চিত থাকতে হবে।
111

সামাজিক নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডাকঘর
  2. সধবার একাদশী
  3. নূরজাহান
  4. রাবণ বধ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দীনবন্ধু মিত্রের অন্যতম নাটক সধবার একাদশী। ‘নীল-দর্পণ’ তাঁর অপর একটি নাটক যা তাকে খ্যাতি ও সম্মানের চূড়ান্ত শীর্ষে উন্নীত করে। ডাকঘর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সাংকেতিক নাটক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সধবার একাদশী
এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক নাটক। এই নাটকটি রচনা করেন দীনবন্ধু মিত্র (১৮৬৬)।
নাটকটিতে তৎকালীন নবশিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজের নৈতিক অবক্ষয়, বিশেষত মদ্যপানের কুফল ও বাবু সংস্কৃতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যা একে সামাজিক নাটকের মর্যাদা দিয়েছে।
অন্যদিকে, ডাকঘর হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি সাংকেতিক বা প্রতীকধর্মী নাটক। এটি কোনো সরাসরি সামাজিক সমস্যার উপর ভিত্তি করে রচিত নয়।
112

বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথম প্রচুর পরিমাণ আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. মোহিতলাল মজুমদার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মোহিতলাল মজুমদার বাংলা সাহিত্যে (বিশেষত কবিতায়) সর্বপ্রথম আরবি ও ফারসি শব্দের সার্থক প্রয়োগ/ব্যবহার করেন। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য কাব্য : বিস্মরণী, স্মরগরল ও হেমন্ত গোধূলি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মোহিতলাল মজুমদার
মোহিতলাল মজুমদার আধুনিক বাংলা সাহিত্যে (বিশেষত কবিতায়) আরবি ও ফারসি শব্দের সার্থক ও প্রচুর পরিমাণে প্রয়োগ শুরু করেন।
ঐতিহ্যবাহী বাংলা শব্দভাণ্ডারের বাইরে গিয়ে ভাষার স্বকীয়তা ও শক্তি বাড়াতে তিনি এই কাজ করেন, যা তাঁর কবিতাকে এক বিশেষ ধারায় পরিচিতি দেয়। তাঁর ভাষা দৃঢ়, গম্ভীর ও তেজস্বী ছিল।
113

‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুরেশ ও অচলা
  2. নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী
  3. মধুসূদন ও কুমুদিনী
  4. গোবিন্দলাল ও রোহিণী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র-সংবলিত উপন্যাস ‘গৃহদাহ’। এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- সুরেশ, অচলা ও মহিম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুরেশ ও অচলা
‘গৃহদাহ’ উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের দিকপাল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত।
এটি মূলত একটি ত্রিভুজ প্রেমের উপন্যাস, যার প্রধান তিনটি চরিত্র হলো— সুরেশ, অচলা, এবং মহিম। প্রশ্নানুসারে প্রধান দুটি চরিত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, যেখানে সুরেশ ও অচলা সঠিক জুটি।
অন্যান্য অপশনগুলো বিভিন্ন বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্র:
নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
গোবিন্দলাল ও রোহিণী: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
114

বাংলা সাহিত্যধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্যারীচাদ মিত্র
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় হলেন বাংলা সাহিত্যধারার প্রতিষ্ঠান পুরুষ। কৃষ্ণকান্তের উইল, বিষবৃক্ষ, দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫), আনন্দমঠ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস।

ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ বলতে আধুনিক গদ্য ও উপন্যাসের জনককে বোঝানো হয়।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (সাহিত্যসম্রাট) হলেন সেই পুরুষ।
তাঁর হাত ধরেই বাংলা উপন্যাস সাহিত্য এক নতুন ধারায় বিকশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের যাত্রা শুরু হয়।
যদিও প্যারীচাঁদ মিত্র (টেকচাঁদ ঠাকুর) আলালের ঘরের দুলাল লিখেছিলেন, তবুও কাঠামো ও শিল্পমূল্যের বিচারে বঙ্কিমচন্দ্রকেই সার্থক উপন্যাসের স্রষ্টা এবং সাহিত্যধারার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে গণ্য করা হয়।
115

শওকত ওসমানের রচনা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উত্তম পুরুষ
  2. শেষ রজনির চাঁদ
  3. জননী
  4. চৌচির

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- জননী, সমাগম, নেকড়ে অরন্য, জাহান্নম হইতে বিদায়, জলাংগী, ক্রীতদাসের হাসি প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জননী
এটি বিশ শতকের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক শওকত ওসমানের লেখা একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস। এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ ও মায়ের সংগ্রামময় জীবন চিত্রিত হয়েছে।
শওকত ওসমানের অন্যান্য বিখ্যাত রচনাগুলি (যেমন: ক্রীতদাসের হাসি, নেকড়ে অরণ্য) প্রাইমারি পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই এই নামটি মুখস্থ রাখা জরুরি।
116

‘নীলদর্পণ’ নাটকটি কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইব্রাহিম খাঁ
  2. ডি. এল. রায়
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. দীনবন্ধু মিত্র

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক হচ্ছে- ‘নীল-দর্পণ’। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ পরিচিত নাটক যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। নীল বিদ্রোহ ও সমসাময়িক বাংলার সমাজব্যবস্থার সাথে এই নাটকের গভীর ও ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: দীনবন্ধু মিত্র
‘নীলদর্পণ’ নাটকটি দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। এই নাটকের প্রধান উপজীব্য ছিল ১৮৫৯ সালের বাংলার নীল বিদ্রোহ
তিনি অত্যন্ত সাহসের সাথে ইংরেজ নীলকরদের অত্যাচার এবং বাংলার কৃষক সমাজের করুণ দুর্দশার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন। এটি বাংলা সাহিত্যের এক যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।
117

মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের উৎস কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রামায়ণ
  2. মহাভারত
  3. ভগবৎ
  4. কুমারসম্ভব

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ মেঘনাদবধ কাব্য যা হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত। কাব্যটিতে নয়টি সর্গ রয়েছে। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। এটি মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত হয়। কাব্যটি মাইকেলের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হল: রামায়ণ
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বিখ্যাত মহাকাব্য হলো ‘মেঘনাদবধ কাব্য’
এই কাব্যের মূল কাহিনি হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে রাবণপুত্র মেঘনাদ (ইন্দ্রজিত) ও লক্ষ্মণের যুদ্ধ এবং মেঘনাদের মৃত্যুর ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে।
এটি বাংলার প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত।
118

কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুক্তি
  2. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
  3. হেনা
  4. বিদ্রোহী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত লেখা। এটি কবির ‘রিক্তের বেদন’ গ্রন্হের অন্তর্গত গল্প।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা (গল্প)। এটি ১৯১৯ সালের মে মাসে সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
পরবর্তীকালে এই লেখাটি কবির প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘রিক্তের বেদন’-এর (১৯২৫) অন্তর্গত হয়।
119

‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ বইটির লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আর সি মজুমদার
  2. আবদুল করিম
  3. নীহাররঞ্জন রায়
  4. অধ্যাপক সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নীহররঞ্জন রায়ের গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ (১৯৪৯)। তিনি এই গ্রন্থের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা নদনদী, বাঙালি হিন্দুর বর্ণভেদ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নীহাররঞ্জন রায়
‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ হলো প্রখ্যাত বাঙালি ঐতিহাসিক ও শিল্পকলা গবেষক নীহাররঞ্জন রায় (Nihar Ranjan Ray) রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণামূলক গ্রন্থ।
এই বইটি বাঙালি জাতির সমাজ, সংস্কৃতি এবং জাতিসত্তার উপর একটি মৌলিক ও গভীর বিশ্লেষণমূলক কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি মূলত প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের প্রারম্ভ পর্যন্ত বাঙালির ইতিহাস তুলে ধরেছে।
120

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সারদা দেবী
  2. চন্দ্রাবতী
  3. স্বর্ণকুমারী দেবী
  4. সুফিয়া কামাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা/নারী কবি হলেন মনসামঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা চন্দ্রাবতী। তিনি ষোড়শ শতকের কবি। মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা ও রামায়ণ তাঁর রচিত কাব্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চন্দ্রাবতী
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁকে প্রথম মহিলা কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি মূলত ষোড়শ শতকের কবি ছিলেন।
তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা। তিনি তাঁর বাবার কাব্য রচনায় সাহায্য করতেন এবং নিজেই সম্পূর্ণ কাব্য রচনা করেছিলেন।
তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগুলো হলো মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা এবং তাঁর রচিত রামায়ণ পালা।
অন্যান্য অপশনের কবিগণ আধুনিক যুগের বা পরবর্তী সময়ের কবি।
121

‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বর্ণকুমারী দেবী
  2. জরাসন্ধ
  3. রশীদ করিম
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘জরাসন্ধ’ ‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি রচনা করেন। জরাসন্ধ চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে-তামসী, মসীরেখা, একুশ বছর, পরশমনি প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জরাসন্ধ
‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি রচনা করেন সাহিত্যিক জরাসন্ধ। এই উপন্যাসটিতে তিনি অপরাধ ও বিচার ব্যবস্থার চিত্র গভীর ও বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন।
মনে রাখবেন, জরাসন্ধ হলো সাহিত্যিক চারুচন্দ্র চক্রবর্তী-এর ছদ্মনাম। ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
122

‘মায়াবী প্রহর’ নাটকটি কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেলিম আল দীন
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রিক কবিতা ‘স্মৃতির মিনার’ এর লেখক আলাউদ্দিন আল আজাদ ছিলেন ভাষাসৈনিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক : মায়াবী প্রহর, ধন্যবাদ, নরকে লাল গোলাপ, সংবাদ শেষাংশ, হিজল কাঠের নৌকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আলাউদ্দিন আল আজাদ
‘মায়াবী প্রহর’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও ভাষাসৈনিক আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক।
তাঁর সাহিত্যে সমাজ, রাজনীতি এবং ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট প্রায়শই প্রতিফলিত হয়েছে। এই নাটকটিও তাঁর বাস্তব জীবনবোধের পরিচায়ক।
123

‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাযহারুল ইসলাম
  2. রফিকুল আজাদ
  3. হুমায়ুন কবির
  4. জাহানারা ইমাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মাযহারুল ইসলাম- এর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ ‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’। তিনি ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লোকসংস্কৃতির গবেষক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। তিনি বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাযহারুল ইসলাম। ‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি ও গবেষক মাযহারুল ইসলাম-এর রচনা।
তিনি একাধারে কবি, প্রবন্ধকার এবং লোকসংস্কৃতির গবেষক হিসেবে সুপরিচিত।
এই কাব্যগ্রন্থটি মুখস্থ রাখার কারণ হলো, মাযহারুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
124

‘আমার প্রেম আমার প্রতিনিধি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবুল হাসান
  2. আ.ন.ম বজলুর রশীদ
  3. আহমদ রফিক
  4. ফজল শাহাবুদ্দীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আবুল হাসানের কাব্যগ্রন্থ : আমার প্রেম আমার প্রতিনিধি, রাজা যায় রাজা আসে, যে তুমি হরণ করো, পৃথক পালঙ্ক। ‘ওরা কয়েকজন’ আবুল হাসানের কাব্যনাটক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আবুল হাসান। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম জনপ্রিয় ও স্বল্পায়ু কবি।
‘আমার প্রেম আমার প্রতিনিধি’ (১৯৭৪) কাব্যগ্রন্থটি আবুল হাসানের দ্বিতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
মাত্র ২৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা সত্ত্বেও তাঁর কবিতা বাংলা সাহিত্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তাঁর কবিতায় নিঃসঙ্গতা, প্রেম এবং মৃত্যুর উপলব্ধি বিশেষভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
125

‘ওরে বিহঙ্গ’ নাটকটি কার রচনা? 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মমতাজ উদ্দিন আহমদ
  2. মামুনুর রশীদ
  3. জোবায়দা খানম
  4. ইব্রাহীম খলিল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা একাডেমির ‘চরিতাভিধান’ অনুসারে ‘ওরে বিহঙ্গ’ নাটকটির রচয়িতা জোবেদা খানম। তিনি ১৯৮৩ সালে শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো জোবায়দা খানম
‘ওরে বিহঙ্গ’ নাটকটির রচয়িতা হলেন বরেণ্য সাহিত্যিক জোবায়দা খানম
তিনি একাধারে নাট্যকার, ঔপন্যাসিক এবং শিশুসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৯৮৩ সালে শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন।
নাটকটি তার বিখ্যাত নাট্যকর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম।
126

‘বৈতালিক’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  2. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
  3. গোলাম কুদ্দুস
  4. আকবর হোসেন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘বৈতালিক’ উপন্যাসের রচয়িতা নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়। বাংলাদেশের দিনাজপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে- উপনিবেশ, বৈতালিক, মহানন্দা, স্বর্ণসীতা, কৃষ্ণপক্ষ প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১৯১৮-১৯৭০) ছিলেন একজন বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি মূলত আধুনিক যুগের সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।
‘বৈতালিক’ তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস। এই উপন্যাসে যুদ্ধের পটভূমিকায় এক যুবকের আত্মানুসন্ধানের কাহিনী চিত্রিত হয়েছে।
তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো—উপনিবেশ, মহানন্দা, স্বর্ণসীতা এবং কৃষ্ণপক্ষ
127

বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. এনামুল হক
  4. সুকুমার সেন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিবর্তন নিয়ে লেখা তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ গবেষণামূলক গ্রন্থ হলো 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত'।

এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার ইতিহাস, তার প্রাচীনত্ব এবং বিভিন্ন ভাষার সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে গভীর আলোচনা করে, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
128

“আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়”! পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোজাম্মেল হক
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. সুফিয়া কামাল
  4. জসীমউদদীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পঙক্তিটি জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতার অংশবিশেষ। এই কবিতাটি কবির ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত কবিতাটিতে ১১৮টি লাইন রয়েছে।

ব্যাখ্যা

উদ্ধৃত পঙক্তিটি পল্লীকবি জসীমউদদীন রচিত অন্যতম বিখ্যাত কবিতা ‘কবর’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই কবিতায় দাদু তাঁর প্রিয় নাতনির প্রতি তীব্র ভালোবাসা ও হারানোর বেদনা প্রকাশ করেছেন। জসীমউদদীন তাঁর কবিতায় গ্রামীণ জীবনের সুখ-দুঃখ ও সরল আবেগ অত্যন্ত মর্মস্পর্শীভাবে ফুটিয়ে তোলেন, যা তাকে 'পল্লীকবি' উপাধি এনে দিয়েছে।
অন্যান্য অপশন যেমন সুফিয়া কামাল (নারী কবি), গোলাম মোস্তফা (কাব্য ও জীবনী সাহিত্য), অথবা মোজাম্মেল হক (উনিশ শতকের কবি) এদের কাব্যরীতি জসীমউদ্দীনের মতো গ্রামীণ জীবনের শোকগাথা নির্ভর নয়।
129

কোন উপন্যাসটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবদুল্লাহ্
  2. চিলেকোঠার সেপাই
  3. দেনাপাওনা
  4. কেরী সাহেবের মুনশী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত উপন্যাস চিলে কোঠার সেপাই। আখতারুজ্জামান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। দুইটি উপন্যাস, গোটা পাঁচেক গল্পগ্রন্হ এবং একটি প্রবন্ধ সংকলনের রচয়িতা তিনি। তাঁর অপর উপন্যাসটির নাম খোয়াবনামা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চিলেকোঠার সেপাই। এটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
এই উপন্যাসে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ঢাকাবাসী মধ্যবিত্ত মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং হতাশার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।
130

‘অয়োময়' নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. আবদুল্লাহ আল মামুন
  3. জহির রায়হান
  4. রশীদ হায়দার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অয়োময় হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত নাটক। হুমায়ূন আহমেদ স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, চলচ্চিত্রকার, গীতিকার, নাট্যকার হিসেবে জনপ্রিয়। তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো হুমায়ূন আহমেদ
‘অয়োময়’ হলো বরেণ্য সাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ রচিত অন্যতম জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক। এই নাটকে তিনি সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনাকে সহজ সরল ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
হুমায়ূন আহমেদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর রচিত অধিকাংশ নাটক ও উপন্যাস পরীক্ষার্থীদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ
131

‘শিবমন্দির’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  3. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  4. কায়কোবাদ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘শিবমন্দির’ কায়কোবাদ রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ। কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরায়শী। তিনি বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য কবি যাকে মহাকবিও বলা হয়। বিরহ বিলাপ, কুসুম কানন, অশ্রুমালা, প্রেমের বাণী প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কায়কোবাদ
‘শিবমন্দির’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন মহাকবি কায়কোবাদ
কায়কোবাদের প্রকৃত নাম ছিল কাজেম আল কোরায়শী। তিনি প্রধানত কবিতা ও মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত। তাঁর লেখা 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
132

‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. কাজী ইমদাদুল হক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল, রজনী, বিষবৃক্ষ, রাজসিংহ, মৃণালিনী, আনন্দমঠ, সীতারাম, ইন্দিরা, দেবী চৌধুরাণী, রাধারাণী, চন্দ্রশেখর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক।
‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাসটি হলো ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত তাঁর একটি অন্যতম প্রধান উপন্যাস। এটি ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।
133

‘তাসের দেশ’ নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. অমৃতলাল বসু
  4. আকবর উদ্দীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘তাসের দেশ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বিখ্যাত বাংলা নাটক। এটি তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেন। নাটকটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘তাসের দেশ’ (প্রকাশ: ১৯৩৩) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত রূপক-সাংকেতিক নাটক
এই নাটকের মূলভাব হলো গতানুগতিকতা ও জড়তার বন্ধন থেকে বেরিয়ে এসে প্রাণের মুক্তির জয়গান করা।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাটকটি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেছিলেন, যা চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
134

কোন আমলে বাংলা গজল সুফী সাহিত্য সৃষ্টি হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইলিয়াস শাহী
  2. হোসেন শাহী
  3. মোগল
  4. সুলতানি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের উন্নতি ও বিকাশে হুসেইন শাহ ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। তার শাসনামলে পুরাণ, মহাভারত, অনুদিত হয়। সুফি সাহিত্য, গজল সৃষ্টি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হোসেন শাহী আমল।
হোসেন শাহী আমলকে (১৪৯৩-১৫৩৮) বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণযুগ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আমলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটে।
এই সময়কালে রাজা আলাউদ্দীন হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় বহু সংস্কৃত গ্রন্থ, যেমন— পুরাণ ও মহাভারত বাংলায় অনূদিত হয়।
এছাড়াও, ইসলামি ভাবধারায় প্রভাবিত হয়ে বাংলায় গজল এবং সুফী সাহিত্য সৃষ্টি হতে শুরু করে, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে তোলে।
135

‘ওরা কদম আলী’ নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মামুনুর রশীদ
  2. জোবায়দা খানম
  3. ওবায়েদুল হক
  4. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ওরা কদম আলী’ নাটকটির নাট্যকার মামুনুর রশীদ। তাঁর রচিত নাটকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: মে দিবস, ইবলিশ, এখানে নোঙর, গিনিপিগ প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মামুনুর রশীদ
‘ওরা কদম আলী’ নাটকটি বাংলাদেশের আধুনিক নাটকের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল আলোচিত সৃষ্টি। এটি রচনা করেন খ্যাতিমান নাট্যকার, নির্দেশক ও অভিনেতা মামুনুর রশীদ
এই নাটকে তিনি গ্রামীণ সমাজের শ্রমজীবী মানুষের জীবন ও সংগ্রাম, বিশেষত কদম আলীর মতো চরিত্রদের মাধ্যমে, সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
136

‘শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ’ অনুবাদ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  2. কাজী আবদুল ওদুদ
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  4. ইব্রাহীম খাঁ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ; মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত দুটি অনুবাদগ্রন্হ। তিনি বাংলার প্রধান ভাষাতত্ত্ববিদদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণা গ্রন্হের মধ্যে অন্যতম → ভাষা ও সাহিত্য; বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত; বাংলা ব্যাকরণ; বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় অভিধান প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্। এটি আল্লামা ইকবালের বিখ্যাত উর্দু কাব্য ‘শিকওয়াহ’ (অভিযোগ) এবং ‘জওয়াব-ই-শিকওয়াহ’ (অভিযোগের জবাব)-এর বঙ্গানুবাদ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ শুধু এই অনুবাদ কাজের জন্যই নন, বাংলা ভাষার ইতিহাস, ব্যাকরণ ও আঞ্চলিক ভাষার ওপর গবেষণার জন্য কিংবদন্তী হয়ে আছেন।
তাঁর মতো ভাষাতত্ত্ববিদের কাজ প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
137

‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. কামিনী রায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. কাজী নজরুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘সর্বহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি জীবনীমূলক কাব্য। তাঁর রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ হচ্ছে-অগ্নি-বীণা, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, দোলন-চাঁপা প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাজী নজরুল ইসলাম
‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
এটি তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য জীবনীমূলক কাব্য। এই কাব্যগ্রন্থে তিনি শোষিত, বঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের কথা তুলে ধরেছেন, যা তাঁর বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় দেয়।
অন্যান্য অপশনে থাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গীতাঞ্জলি), কামিনী রায় (আলো ও ছায়া) এবং গোলাম মোতোফা (বনি আদম) তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য পরিচিত, কিন্তু ‘সর্বহারা’ কাব্যটির রচয়িতা শুধুমাত্র নজরুল ইসলাম
138

“খাঁচার পাখি ছিল 

সোনার খাঁচাটিতে 

বনের পাখি ছিল বনে। 

একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, 

কী ছিল বিধাতার মনে । ”-পঙক্তিটির রচয়িতা কে? 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. কবি সুফিয়া কামাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উক্ত পঙক্তিটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আলোচ্য অংশ রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্হের ‘দুই পাখি’ কবিতার অংশ। তিনি ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ song offerings এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

ব্যাখ্যা

এই বিখ্যাত পঙক্তিগুলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর লেখা।
এই অংশটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সোনার তরী' এর অন্তর্ভুক্ত 'দুই পাখি' কবিতার অংশ।
কবিতাটিতে খাঁচার পাখি (বন্ধন) এবং বনের পাখি (স্বাধীনতা) এর মধ্যে মিলন ও জীবনের মূল দ্বন্দ্বকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
139

‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জহির রায়হান
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. আবু ইসহাক
  4. অন্নদাশঙ্কর রায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসের রচয়িতা ঔপন্যাসিক আবু ইসহাক। উপন্যাসটির চলচ্চিত্ররূপ প্রদান করা হয় ১৯৭৯ সালে। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে। আবু ইসহাকের অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মার পলিদ্বীপ’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো আবু ইসহাক। ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ (১৯৫৫) তাঁর লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা বাংলাদেশের সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
এই উপন্যাসে ১৯৪৩ সালের মন্বন্তরের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের গ্রামীণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, কুসংস্কার এবং সামাজিক অসাম্যের চিত্র অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনে থাকা জহির রায়হান-এর বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’, এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’।
140

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
  4. কল্যাণ মিত্র

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে- কবর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মুনীর চৌধুরী
‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ হলো শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক।
এই নাটকের মূল উপজীব্য হলো পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১ খ্রিস্টাব্দ), যেখানে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানুষের মানবিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
141

‘মসনদের মোহ’ নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আকবর উদ্দিন
  2. ইব্রাহীম খাঁ
  3. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. শাহাদাৎ হোসেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শাহাদাৎ হোসেন ‘মসনদের মোহ’ নাটকটির নাট্যকার। তাঁর অন্য একটি বিখ্যাত নাটক হচ্ছে- আনারকলি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শাহাদাৎ হোসেন
‘মসনদের মোহ’ একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। নাট্যকার শাহাদাৎ হোসেন মোঘল আমলের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও রাজকীয় ষড়যন্ত্র এই নাটকে তুলে ধরেছেন।
এটি সাধারণত নাটক রচয়িতা সংক্রান্ত একটি সরাসরি তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন, যা প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। আপনাকে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের প্রধান কাজগুলো মুখস্থ রাখতে হবে।
142

‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. শামসুর রাহমান
  3. আহসান হাবীব
  4. ফররুখ আহমদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘ছায়া হরিণ’ আহসান হাবীব রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ যা ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হের মধ্যে অন্যতম-রাত্রিশেষ (১৯৪৭); সারা দুপুর (১৯৬৪); বিদীর্ণ দর্পণে মুখ (১৯৮৫) প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আহসান হাবীব
‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আহসান হাবীব রচনা করেন। এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
এই প্রশ্নের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, আধুনিক যুগের বিখ্যাত কবিদের প্রধান রচনাগুলো মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
143

‘সীমানা ছাড়িয়ে’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জহির রায়হান
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. আনিস চৌধুরী
  4. দাউদ হায়দার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সৈয়দ শামসুল হক বাংলাদেশি সাহিত্যিক যিনি সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় অবদান রেখেছেন। এ কারণে তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ বলা হয়। তাঁর কিছু বিখ্যাত উপন্যাস- অনুপম দিন, সীমানা ছাড়িয়ে, এক মহিলার ছবি প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ শামসুল হক
‘সীমানা ছাড়িয়ে’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক সৈয়দ শামসুল হক
সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় (কবিতা, নাটক, গল্প, উপন্যাস) সমান দক্ষতা দেখানোর জন্য তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ (Master of all trades) বলা হয়।
এই তথ্যটি প্রাইমারি ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
144

“আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস 

আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।”-পঙক্তিটির রিচয়িতা কে? 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. ফররুখ আহমদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আলোচ্য পঙক্তিটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। কবিতাংশটুকু তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ ‘অগ্নি-বীণা’র ‘বিদ্রোহী’ নামক কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘বিজলী’ পত্রিকায়। প্রকাশিত হওয়া মাত্রই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম
আলোচ্য বিখ্যাত পঙক্তি দুটি তাঁর কালজয়ী ‘বিদ্রোহী’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই কবিতায় নজরুল নিজেকে বিভিন্ন শক্তিমান ও ধ্বংসাত্মক ঐতিহাসিক/পৌরাণিক চরিত্রের (যেমন: বেদুঈন, চেঙ্গিস খান) সঙ্গে তুলনা করে বিদ্রোহী সত্তা, আত্মশক্তি এবং স্বাধিকারের ভাব তুলে ধরেছেন।
নজরুল একমাত্র স্রষ্টা (আপনারে = স্রষ্টা) ছাড়া অন্য কারও কাছে মাথা নত (কুর্নিশ) করতে রাজি নন, যা তাঁর আত্মমর্যাদাবোধের পরিচায়ক।
145

‘বরফ গলা নদী’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জহির রায়হান
  2. সৈয়দ এমদাদ আলী
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. প্রমথনাথ বিশী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জহির রায়হান (১৯৩৫ – ১৯৭২) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পাকার। ‘শেষ বিকালের মেয়ে’,‘বরফ গলা নদী’, ‘হাজার বছর ধরে’ ও ‘আরেক ফাল্গুন’ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলেন জহির রায়হান
জহির রায়হান (১৯৩৫ – ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, গল্পকার এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মে সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।
‘বরফ গলা নদী’ উপন্যাসটি মূলত শহুরে মধ্যবিত্ত জীবনের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা নিয়ে রচিত, যা তাঁর অন্যতম সেরা সৃষ্টি।
146

‘রক্তকরবী’ নাটকটি কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
  2. কায়কোবাদ
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সৈয়দ শামসুল হক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘রক্তকরবী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বিখ্যাত রূপক সাংকেতিক নাটক। গ্রন্হাকারে প্রথম এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে- রাজা, ডাকঘর, তাসের দেশ, বিসর্জন, অচলায়তন প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘রক্তকরবী’ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) রচিত একটি বিখ্যাত রূপক সাংকেতিক নাটক। এই নাটকের প্রধান চরিত্র হলো নন্দিনী ও বিশু।
এই নাটকে যক্ষপুরীর রাজা ও সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণা, বিশেষত পুঁজিবাদের শোষণ ও প্রকৃতির মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রতীকী অর্থে তুলে ধরা হয়েছে। এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে
147

কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ –এ উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. ফজলল করিম
  4. মোহিতলাল মজুমদার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আলোচ্য অংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘দারিদ্র’ কবিতার অংশ বিশেষ। নজরুলের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ – বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, অগ্নিবীণা প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাজী নজরুল ইসলাম
আলোচ্য উদ্ধৃতাংশটি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘দারিদ্র’ কবিতার অংশ।
নজরুল ইসলাম তাঁর কাব্যে প্রেম, বিদ্রোহ ও বেদনার গভীর চিত্রায়ণ করেছেন। এই অংশে তিনি জীবনের কঠোরতা এবং বেদনার টিকাকে তুলে ধরেছেন, যা তাঁর ‘বিদ্রোহী’ চেতনার প্রতিফলন।
148

‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গল্প
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। চোখের বালি, ঘরে-বাইরে, চতুরঙ্গ প্রভৃতি রবীন্দ্রনাথের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। ‘নৌকাডুবি’ লেখা হয়েছিল জটিল পারিবারিক সমস্যাগুলিকে কেন্দ্র করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপন্যাস
‘নৌকাডুবি’ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত অন্যতম আলোচিত একটি উপন্যাস। এটি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো ভুল করে বিবাহ এবং এর ফলস্বরূপ সৃষ্ট জটিল পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা। এর প্রধান চরিত্রগুলি হলো— রমেশ, হেমনলিনী, কমলা ও নলিনাক্ষ
149

‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ শামসুর হক
  2. আবদুল্লাহ আল মামুন
  3. সেলিম আল দীন
  4. কল্যাণ মিত্র

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘সুবচন নির্বাসনে’ আব্দল্লাহ আল মামুনের নাট্যগ্রন্হ। তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাটক: সেনাপতি, তোমরাই, কোকিলারা, এবার ধরা দাও প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আব্দুল্লাহ আল মামুন
‘সুবচন নির্বাসনে’ একটি বহুল পরিচিত নাটক, যা আধুনিক বাংলাদেশের নাট্য সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। নাট্যকার আব্দুল্লাহ আল মামুন তাঁর নাটকের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি ও নৈতিকতার অবক্ষয় তুলে ধরেছেন।
তাঁর নাটকগুলো সাধারণত সমসাময়িক জীবন ও সমস্যার ওপর ভিত্তি করে রচিত।
150

‘সাতনরী হার’ কাব্যগ্রন্হটি কোন কবির রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  2. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. বেলাল চৌধুরী
  4. নির্মলেন্দু গুন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘সাতনরী হার’ ছাড়াও আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর উল্লেখযোগ্য কাব্য: কখনো রং কখনো সুর, কমলের চোখ, আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা, আমার সময়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
‘সাতনরী হার’ কাব্যগ্রন্হটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর রচনা। তিনি মূলত তার ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কাব্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
এই প্রশ্নটি সরাসরি গ্রন্থ পরিচিতি থেকে এসেছে, যা প্রাইমারি ও বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ১৫০টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে (মোট ৪৩৬টির মধ্যে)। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

বাংলা (Primary)-এর অন্যান্য অধ্যায়

কেন Primary Assistant Teacher-এর জন্য “সাহিত্য” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা (Primary) অংশে “সাহিত্য” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"সাহিত্য" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলা (Primary) বিষয়ের "সাহিত্য" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।