সমাধান
সমাধান
💼
বাংলাদেশ বিষয়াবলি (Bangladesh Affairs)

বাংলার ইতিহাস (History of Bengal)

Subject-wise Preparation · বাংলাদেশ বিষয়াবলি (Bangladesh Affairs) — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে Subject-wise Preparation নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি (Bangladesh Affairs) বিষয়ের "বাংলার ইতিহাস (History of Bengal)" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ১৫০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

Ain-i-Akbori is written by - [Shahjalal Islami Bank Trainee Ass. Officer : 04]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Firdausi
  2. Abul Fazal
  3. Ghalib
  4. None of the above

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: Abul Fazal
আইন-ই-আকবরী (Ain-i-Akbari) হলো মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের একটি বিস্তারিত দলিল, যা তাঁর দরবারের নবরত্নদের একজন আবুল ফজল রচনা করেন। এটি মূলত 'আকবরনামা' গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ড।

ব্যাখ্যা

ফিরদাউসি 'শাহনামা' রচনা করেছেন।
মির্জা গালিব একজন বিখ্যাত উর্দু ও ফার্সি কবি ছিলেন, তিনি কোনো ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেননি।
2

দেশবাচক 'বাংলা' শব্দ সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয় কোন গ্রন্থে? [চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ডি ইউনিট) : ০৯-১০]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তারিখ-ই-হামিদিয়া
  2. আইন-ই-আকবরী
  3. অর্থশাস্ত্র
  4. মহাভারত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: আইন-ই-আকবরী
সম্রাট আকবরের সভাসদ আবুল ফজল কর্তৃক রচিত 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে সমগ্র বাংলাকে সুবাহ-ই-বাঙ্গালাহ বা 'বাংলা' নামে অভিহিত করা হয়। এর মাধ্যমে সর্বপ্রথম দেশবাচক শব্দ হিসেবে 'বাংলা' শব্দটির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

ব্যাখ্যা

'অর্থশাস্ত্র' কৌটিল্য বা চাণক্য রচিত একটি গ্রন্থ, যেখানে প্রাচীন ভারতের রাজনীতি ও অর্থনীতির কথা বলা হয়েছে।
'মহাভারত' প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য।
3

বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি কোন গ্রন্থে সর্বাধিক উল্লেখিত হয়েছে? [৩৮তম বিসিএস]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলমগীর নামা
  2. আইন-ই-আকবরী
  3. আকবর নামা
  4. তুজুক-ই-আকবরী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: আইন-ই-আকবরী
আবুল ফজল রচিত 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে বাংলা দেশ ও ভাষা নামের উৎপত্তির বিষয়টি সবচেয়ে বেশি এবং স্পষ্টভাবে আলোচিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, 'বঙ্গ' শব্দের সাথে 'আল' (বাঁধ) যুক্ত হয়ে 'বাঙাল' বা 'বাঙ্গালাহ' নামের উৎপত্তি হয়েছে।

ব্যাখ্যা

'আকবর নামা' তারই রচিত মূল গ্রন্থ যার একটি খণ্ড আইন-ই-আকবরী, তবে উৎপত্তির সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আইন-ই-আকবরী অংশে রয়েছে।
আলমগীর নামা সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইতিহাস নিয়ে রচিত।
4

চীন দেশীয় ইতিহাসের জনক সুমা-কিয়েন ভারতীয় ইতিহাসের গ্রন্থ রচনা করেন - [জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) : ১২-১৩]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খ্রি. পূর্ব ৩য় শতকে
  2. খ্রি. পূর্ব ৪র্থ শতকে
  3. খ্রি. পূর্ব ৫ম শতকে
  4. খ্রি. পূর্ব ১ম শতকে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: খ্রি. পূর্ব ১ম শতকে
সুমা-কিয়েন (Sima Qian) ছিলেন প্রাচীন চীনের হান রাজবংশের একজন বিখ্যাত ইতিহাসবিদ, যাঁকে চীনের ইতিহাসের জনক বলা হয়। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতকে (১৪৫-৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) জীবিত ছিলেন এবং তাঁর লেখায় প্রাচীন ভারতের অনেক ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সুমা-কিয়েন রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'Shiji' (Records of the Grand Historian)।
তাঁর জীবনকাল খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতক হওয়ায় অন্য অপশনগুলো সঠিক নয়।
5

“তবকাত-ই-নাসিরী” রচনা করেন - [জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (সি-৩ ইউনিট - সেট ১) : ১৫-১৬]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিনহাজ-ই-সিরাজ
  2. আবুল ফজল
  3. শাহ্-মুহাম্মদ সগীর
  4. মির্জা নাথান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: মিনহাজ-ই-সিরাজ
'তবকাত-ই-নাসিরী' (Tabaqat-i Nasiri) গ্রন্থটি রচনা করেছেন ত্রয়োদশ শতকের ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজ। এই গ্রন্থে ইসলামি বিশ্বের সাধারণ ইতিহাস এবং ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক উৎস এটি।

ব্যাখ্যা

আবুল ফজল - আইন-ই-আকবরী, আকবরনামা।
শাহ্-মুহাম্মদ সগীর - 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্যের রচয়িতা (প্রাচীনতম বাঙালি মুসলিম কবি)।
মির্জা নাথান - 'বাহারিস্তান-ই-গায়বী' গ্রন্থের রচয়িতা, যেখানে বাংলায় মুঘল বিজয়ের ইতিহাস আছে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

তাম্রলিপি কী? [কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট): ১৮-১৯]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তামার পাত্রে শাসনাদেশ
  2. প্রাচীন জনগণ
  3. প্রাচীন গ্রন্থ
  4. প্রাচীন ভাষা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: তামার পাত্রে শাসনাদেশ
প্রাচীনকালে রাজারা তাঁদের বিভিন্ন নির্দেশ, দানপত্র বা শাসনাদেশ তামার পাতে খোদাই করে রাখতেন। এই খোদাই করা তামার পাতকেই 'তাম্রশাসন' বা 'তাম্রলিপি' বলা হয়। এটি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস রচনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লিখিত উপাদান।

ব্যাখ্যা

এটি কোনো প্রাচীন ভাষা বা জনগণ নয়, বরং লিখিত দলিলের একটি মাধ্যম।
7

তামার পাত্রে খোদাই করা প্রাচীন কালের রাজাজ্ঞা হল - [ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ক ইউনিট): ১২-১৩]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাম্রশাসন
  2. তাম্রলিপি
  3. তাম্রফলক
  4. প্রত্নতত্ত্ব

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: তাম্রশাসন
প্রাচীনকালে রাজারা তামার পাতে খোদাই করে যে আজ্ঞা বা নির্দেশ প্রদান করতেন, তাকে তাম্রশাসন বলা হয়। 'শাসন' শব্দের অর্থ এখানে রাজার নির্দেশ বা ডিক্রি। ভূমিদান বা কোনো বিশেষ ঘোষণা প্রদানের জন্য এটি ব্যবহৃত হতো। তাম্রলিপি বা তাম্রফলক কাছাকাছি শব্দ হলেও, 'রাজাজ্ঞা' বা Royal Edict বোঝাতে 'তাম্রশাসন' পরিভাষাটিই ঐতিহাসিকভাবে সর্বাধিক যথাযথ।

ব্যাখ্যা

প্রত্নতত্ত্ব (Archaeology) হলো প্রাচীন নিদর্শন নিয়ে গবেষণার বিজ্ঞান।
8

ইতিহাসের উৎস নয় কোনটি? [বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (এ-ইউনিট; সিফট-১) : ১৭-১৮]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাঠ্যবই
  2. মুদ্রা
  3. শিলালিপি
  4. দলিল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: পাঠ্যবই
ইতিহাস রচনার জন্য দুই ধরনের উৎস ব্যবহৃত হয়: অলিখিত (যেমন: মুদ্রা, শিলালিপি, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন) এবং লিখিত (যেমন: প্রাচীন দলিল, সাহিত্য, পরিব্রাজকদের বিবরণ)। পাঠ্যবই কোনো প্রাথমিক বা মৌলিক উৎস নয়, এটি বরং বিভিন্ন ইতিহাসবিদের গবেষণালব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা মাধ্যমিক বা তৃতীয় স্তরের একটি মাধ্যম মাত্র।

ব্যাখ্যা

মুদ্রা: রাজার নাম, সাল ও অর্থনৈতিক অবস্থার প্রমাণ দেয় (অলিখিত উৎস)।
শিলালিপি: প্রাচীন রাজার শাসনকাল ও রাজ্যের বিস্তৃতির প্রমাণ (অলিখিত উৎস)।
দলিল: লিখিত চুক্তিনামা বা নির্দেশিকা (লিখিত উৎস)।
9

পরিব্রাজক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পর্যটক
  2. পরিদর্শক
  3. পরিচালক
  4. কোনোটাই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পরিব্রাজক শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পর্যটক, ভ্রমণকারী বা দেশভ্রমণকারী। প্রাচীনকালে যাঁরা জ্ঞান অর্জন বা ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করতেন, তাঁদের পরিব্রাজক বলা হতো।

ব্যাখ্যা

পরিব্রাজক বলতে সাধারণত পর্যটক বা ভ্রমণকারীকে বোঝায়।
পরিদর্শক বা পরিচালক ভিন্ন অর্থ বহন করে।
10

মেগাস্থিনিস ছিলেন একজন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শাসক
  2. অর্থনীতিবিদ
  3. জাদুকর
  4. রাষ্ট্রদূত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: রাষ্ট্রদূত
মেগাস্থিনিস ছিলেন একজন গ্রিক রাষ্ট্রদূত। তিনি গ্রিক সেনাপতি সেলুকাসের দূত হিসেবে ভারতবর্ষে এসেছিলেন।

ব্যাখ্যা

মেগাস্থিনিস শাসক, অর্থনীতিবিদ বা জাদুকর ছিলেন না। তিনি ছিলেন গ্রিসের একজন ইতিহাসবিদ এবং রাষ্ট্রদূত।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

মেগাস্থিনিস কার রাজসভার গ্রিক দূত ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. অশোক
  3. ধর্মপাল
  4. সমুদ্রগুপ্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মেগাস্থিনিস চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য-এর রাজসভায় গ্রিক দূত হিসেবে আগমন করেন। আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাস তাঁকে দূত হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় মেগাস্থিনিস এসেছিলেন।
অশোক, ধর্মপাল বা সমুদ্রগুপ্তের সময়ে তিনি আসেননি।
12
‘রাজতরঙ্গিনী’ ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতা কে? [জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (সি-৬ ইউনিট : সেট-১) : ১৫-১৬]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিরোডোটাস
  2. কলহন
  3. আবুল ফজল
  4. জিয়াউদ্দিন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: কলহন

ব্যাখ্যা

কাশ্মীরি ঐতিহাসিক কলহন সংস্কৃত ভাষায় 'রাজতরঙ্গিনী' গ্রন্থটি রচনা করেন। এই গ্রন্থে প্রাচীন কাশ্মীরের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে।
13
সর্বপ্রথম ‘বঙ্গ’র উল্লেখ পাওয়া যায়- [ষোড়শ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল ২) : ১৯]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রামচরিত
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. ঐতরেয় আরণ্যক
  4. করতোয়া মাহাত্ম্য

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ঐতরেয় আরণ্যক

ব্যাখ্যা

প্রাচীন বৈদিক সাহিত্য 'ঐতরেয় আরণ্যক' গ্রন্থে সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়। মহিদাস ঐতরেয় এই গ্রন্থের রচয়িতা।
14
"আকবর নামা" গ্রন্থের লেখক কে? [চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বি ১ ইউনিট - সেট ২) : ১২-১৩]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবুল ফজল
  2. জিয়াউদ্দীন বারানী
  3. আল বেরুনী
  4. মিনহাজ সিরাজ
  5. ইবনে খালদুন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: আবুল ফজল

ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবরের সভার নবরত্নের অন্যতম এবং সভাসদ আবুল ফজল 'আকবর নামা' গ্রন্থ রচনা করেন। এই গ্রন্থে সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের ইতিহাস লিপিবদ্ধ আছে।
15
‘রিয়াজ আস সালাতিন’ এটা কি ধরনের গ্রন্থ? [কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স কার্যালয়ের জুনিয়র অডিটর : ১৪]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উপন্যাস
  2. মহাকাব্য
  3. ঐতিহাসিক
  4. প্রবন্ধ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ঐতিহাসিক

ব্যাখ্যা

'রিয়াজ আস সালাতিন' (Riyaz-us-Salatin) গোলাম হোসেন সলিম জাইদপুরী রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ। এটি ফারসি ভাষায় রচিত বাংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

কোন বাঙালি ৭ম শতাব্দীতে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাধ্যক্ষের পদ অলংকৃত করেন? [ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঘ ইউনিট): ১৮-১৯]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শীলভদ্র
  2. অতীশ দীপঙ্কর
  3. কাহ্নপা
  4. জীমূতবাহন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শীলভদ্র ৭ম শতাব্দীতে বিখ্যাত নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি তৎকালীন সমতটের (বর্তমান কুমিল্লা অঞ্চল) এক রাজবংশে জন্মগ্রহণ করেন। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং তাঁর অন্যতম বিখ্যাত ছাত্র ছিলেন।

ব্যাখ্যা

শীলভদ্র ছিলেন প্রাচীন বাংলার একজন প্রখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য।
অতীশ দীপঙ্কর ছিলেন বিক্রমপুরের সন্তান এবং বিক্রমশীলা বিহারের অধ্যক্ষ।
17

Famous tourist Ibne Batuta was the citizen of- [Bangladesh Krishi Bank Senior Officer: 12]
Or,
ইবনে বতুতা কোন দেশের পর্যটক? [রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (এ ইউনিট): ১৮-১৯/চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট): ১৯-২০]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Italy
  2. Tibet
  3. Morocco
  4. Greece

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ১৩০৪ খ্রিষ্টাব্দে মরক্কোর তাঞ্জিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তাঁর দীর্ঘ ভ্রমণজীবনে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ভারত ও বাংলাসহ বিশ্বের বহু দেশ ভ্রমণ করেন।

ব্যাখ্যা

তিনি মরক্কোর অধিবাসী ছিলেন বলে তাঁকে 'মরক্কান পর্যটক' বলা হয়।
18

কার রাজত্বকালে ইবনে বতুতা ভারতে এসেছিলেন? [চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ডি ইউনিট): ০৯-১০]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুহম্মদ বিন কাসিম
  2. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  3. সম্রাট হুমায়ুন
  4. সম্রাট আকবর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইবনে বতুতা ১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ভারতে আসেন। সুলতান তাঁর পাণ্ডিত্যে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে দিল্লির কাজী (বিচারক) হিসেবে নিয়োগ দেন।

ব্যাখ্যা

মুহম্মদ বিন তুঘলক ছিলেন দিল্লির তুঘলক বংশের শাসক, যাঁর রাজত্বকালে ইবনে বতুতা দীর্ঘ সময় ভারতে অতিবাহিত করেন।
19

ইবনে বতুতা কার শাসনামলে বাংলায় আসেন? [জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (খ ইউনিট): ০৬-০৭]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  2. হাজী ইলিয়াস শাহ
  3. হুসাইন শাহ
  4. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন। তিনি সোনারগাঁও পরিভ্রমণ করেন এবং এখানকার সস্তা দ্রব্যমূল্যের কথা তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেন।

ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ছিলেন সোনারগাঁওয়ের প্রথম স্বাধীন সুলতান (১৩৩৮ খ্রি.)।
20

ইবনে বতুতা কোন শতকে বাংলাদেশে আসেন? [প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী): ১২]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুর্দশ
  2. সপ্তদশ
  3. অষ্টাদশ
  4. ত্রয়োদশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় আসেন। ১৩০১ থেকে ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে চতুর্দশ শতাব্দী বলা হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর: চতুর্দশ।

ব্যাখ্যা

যেহেতু ১৩৪৬ সাল ১৩০০ এর বেশি, তাই এটি চতুর্দশ (১৪শ) শতাব্দীর অন্তর্ভুক্ত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা কত সালে বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন? [প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ): ০৫]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬০৫ সালে
  2. ১১৪৫ সালে
  3. ১৩৪৫ সালে
  4. ১২৪৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইতিহাসবিদদের মতে ইবনে বতুতা ১৩৪৫-১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের দিকে বাংলায় আসেন। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১৩৪৫ সাল সবচেয়ে যৌক্তিক ও সঠিক উত্তর।

ব্যাখ্যা

অধিকাংশ ঐতিহাসিক গ্রন্থে তাঁর বাংলা ভ্রমণের সাল ১৩৪৬ উল্লেখ থাকলেও, পরীক্ষার বিকল্পে ১৩৪৫ থাকায় সেটিই গ্রহণীয়।
22

নিম্নের কোন পর্যটক সোনারগাঁও এসেছিলেন? [২৫তম বিসিএস/চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট : বিকাল): ১৮-১৯]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফা-হিয়েন
  2. ইবনে বতুতা
  3. মার্কো পোলো
  4. হিউয়েন সাং

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মরক্কোর পরিব্রাজক ইবনে বতুতা বাংলার তৎকালীন রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন। তিনি সোনারগাঁও থেকে জাহাজে করে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

ফা-হিয়েন ও হিউয়েন সাং ছিলেন প্রাচীন যুগের চীনা পরিব্রাজক। মার্কো পোলো ছিলেন ভেনিসীয় পর্যটক যিনি বাংলার বিষয়ে বর্ণনা দিলেও নিজে সোনারগাঁও আসেননি।
23

মধ্যযুগে কোন বিদেশি পরিব্রাজক প্রথম "বাঙ্গালা" শব্দ ব্যবহার করেন? [মেডিকেল অফিসার: ০৩]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কলম্বাস
  2. ইবনে বতুতা
  3. কালিদাস
  4. বখতিয়ার খলজি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মধ্যযুগে প্রথম বিদেশি হিসেবে ইবনে বতুতা তাঁর গ্রন্থে এই অঞ্চলকে বোঝাতে "বাঙ্গালা" (Bangala) শব্দটি ব্যবহার করেন।

ব্যাখ্যা

সুলতানি আমলে 'বাঙ্গালাহ' শব্দটি ব্যাপকতা লাভ করে, যা ইবনে বতুতার লেখায় বিদেশি হিসেবে প্রথম প্রতিফলিত হয়।
24

ইবনে বতুতার গ্রন্থের নাম - [জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (ইতিহাস): ১৩-১৪]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্ডিকা
  2. অর্থশাস্ত্র
  3. রেহেলা
  4. তারিখ-ই-মুবারক শাহী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইবনে বতুতার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনির নাম 'কিতাব-উল-রেহলা' (Rehla)। আরবি ভাষায় রচিত এই গ্রন্থে তিনি তাঁর দীর্ঘ ৩০ বছরের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করেছেন।

ব্যাখ্যা

'ইন্ডিকা' মেগাস্থিনিসের লেখা।
'অর্থশাস্ত্র' কৌটিল্য বা চাণক্যের লেখা।
25

'সফরনামা' গ্রন্থের রচয়িতা - [রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (এ-১ ইউনিট): ১১-১২]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মালিক কাফুর
  2. খসরু খান
  3. ইবনে বতুতা
  4. সাদি খান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

'সফরনামা' বা 'কিতাব-উল-রেহলা' বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা রচিত ভ্রমণবৃত্তান্ত। এই গ্রন্থ থেকে ১৪শ শতকের ভারত ও বাংলার আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সফরনামা মূলত আরবি ভাষায় রচিত একটি আত্মজৈবনিক ভ্রমণকাহিনি।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

কে বাংলাকে 'দোজখপুর নিয়ামত' বলে অভিহিত করেন? [রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (এ-৩ ইউনিট): ১০-১১]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইবনে বতুতা
  2. কলন্দর শাহ
  3. হিউয়েন সাং
  4. মা-হুয়ান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলাকে 'দোজখপুর নিয়ামত' বা 'নিয়ামতপূর্ণ দোজখ' বলে অভিহিত করেন। বাংলার অফুরন্ত সম্পদ ও সস্তা দ্রব্যমূল্যে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন, কিন্তু এর স্যাঁতসেঁতে ও অস্বাস্থ্যকর আবহাওয়ার কারণে একে দোজখ বা নরক বলেছিলেন।

ব্যাখ্যা

ফারসি 'দোজখ' মানে নরক এবং 'নিয়ামত' মানে প্রাচুর্য।
27

কোন ব্যক্তি বাংলাদেশকে 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' বলে অভিহিত করেন? [সহকারী জজ: ০৯]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফা হিয়েন
  2. ইবনে বতুতা
  3. হিউয়েন সাং
  4. ইবনে খলদুন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফারসি বাক্য 'দোজখপুর নিয়ামত' এর বাংলা অর্থ হলো 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' বা 'প্রাচুর্যময় নরক'। মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলাকে এই নামে অভিহিত করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

বাংলার গরম ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার জন্য তিনি একে নরকের সাথে তুলনা করেন, আবার এর প্রাচুর্যের জন্য একে ধনসম্পদপূর্ণ বলেন।
28

ইবনে বতুতা বাংলায় কার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হযরত শাহ মখদুম
  2. হযরত শাহ পরাণ
  3. হযরত শাহ সুলতান মাহিসওয়ার
  4. হযরত শাহ জালাল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: হযরত শাহ জালাল। ১৩৪৬ সালে মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন মূলত সুফি সাধক হযরত শাহ জালালের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে।

ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা ছিলেন একজন বিখ্যাত আরব পর্যটক। তিনি ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের রাজত্বকালে বাংলায় আসেন। তার বাংলা সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিখ্যাত সুফি সাধক হযরত শাহ জালালের সাথে সাক্ষাৎ করা। তিনি সিলেটে গিয়ে তাঁর সাথে দেখা করেন।
29

মা-হুয়ান কোন দেশি পর্যটক ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পারস্য
  2. কোরিয়া
  3. চীন
  4. তাইওয়ান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: চীন। মা-হুয়ান ছিলেন একজন চীনা পর্যটক ও দোভাষী।

ব্যাখ্যা

মা-হুয়ান ১৫শ শতকের একজন চৈনিক পর্যটক। তিনি মিং রাজবংশের নৌ-সেনাপতি চেং হো-এর সাথে দোভাষী হিসেবে বাংলায় এসেছিলেন। তার বর্ণনায় তৎকালীন বাংলার সমাজ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
30

চীনের পরিব্রাজক মা-হুয়ান সোনারগাঁও সফর করেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩৪৬
  2. ১৪০৬
  3. ১৪৪৬
  4. ১৫০৬

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ১৪০৬। চীনা পরিব্রাজক মা-হুয়ান ১৪০৬ সালে সোনারগাঁও সফর করেন।

ব্যাখ্যা

চীনা পর্যটক মা-হুয়ান সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে ১৪০৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় আসেন। তিনি সোনারগাঁও ও পণ্ডুয়া ভ্রমণ করেন এবং সে সময়ের বাংলার সমৃদ্ধি ও রেশম শিল্পের বর্ণনা দিয়েছেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

মেগাস্থিনিস তার কোন গ্রন্থে ভারতীয় উপমহাদেশ সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য লিপিবদ্ধ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্ডিয়া
  2. ইন্ডিকা
  3. ইন্ডিয়ানা
  4. ইন্ডাস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ইন্ডিকা

ব্যাখ্যা

গ্রিক দূত মেগাস্থিনিস চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় অবস্থানকালে ইন্ডিকা নামক গ্রন্থ রচনা করেন, যাতে তৎকালীন ভারতবর্ষের মূল্যবান ইতিহাস লিপিবদ্ধ রয়েছে।
32

ফা-হিয়েন ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সম্রাট
  2. সেনাপতি
  3. পরিব্রাজক
  4. মন্ত্রী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: পরিব্রাজক

ব্যাখ্যা

ফা-হিয়েন ছিলেন একজন বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক বা ভ্রমণকারী যিনি গুপ্ত যুগে বাংলায় এসেছিলেন।
33

বাংলায় প্রথম চৈনিক পরিব্রাজক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ই-সিং
  2. ফা হিয়েন
  3. ইউয়েন সাং
  4. জেন ডং

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ফা হিয়েন

ব্যাখ্যা

বাংলায় আগমনকারী প্রথম চৈনিক পরিব্রাজক হলেন ফা-হিয়েন। তিনি দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনামলে আসেন।
34

চীনা পরিব্রাজক ফা হিয়েন কখন ভারতবর্ষে অবস্থান করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১-২১০ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ৪০১-৪১০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ৭০২-৭০৮ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ৯০৫-৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ৪০১-৪১০ খ্রিষ্টাব্দ

ব্যাখ্যা

ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে ৪০১ থেকে ৪১০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভারতবর্ষে অবস্থান করেছিলেন।
35

চীন দেশের কোন ভ্রমণকারী গুপ্তযুগে বাংলাদেশ আগমন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিউয়েন সাং
  2. ফা হিয়েন
  3. আইসিং
  4. উপরের সবগুলোই

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ফা হিয়েন

ব্যাখ্যা

চীনা পরিব্রাজকদের মধ্যে ফা-হিয়েন সর্বপ্রথম গুপ্তযুগে ভারতবর্ষে (ও বাংলায়) আগমন করেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

চৈনিক পরিব্রাজক ফা-হিয়েন কার শাসনামলে বাংলায় আসেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  3. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  4. হর্ষবর্ধন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত

ব্যাখ্যা

ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের (বিক্রমাদিত্য) শাসনামলে ভারতবর্ষে এসেছিলেন।
37

হিউয়েন সাং কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মঙ্গোলীয় পরিব্রাজক
  2. চীনা ব্যবসায়ী
  3. মঙ্গোলীয় লেখক
  4. চীনা পরিব্রাজক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: চীনা পরিব্রাজক

ব্যাখ্যা

হিউয়েন সাং ছিলেন একজন বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক, যিনি ভারতবর্ষে ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক তথ্য সংগ্রহের জন্য এসেছিলেন।
38

হিউয়েন সাং বাংলায় (ভারতবর্ষে) এসেছিলেন যার আমলে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সম্রাট অশোক
  2. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  3. শশাঙ্ক
  4. হর্ষবর্ধন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: হর্ষবর্ধন

ব্যাখ্যা

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং সম্রাট হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে ভারতবর্ষে আসেন এবং তার দরবারে অবস্থান করেন।
39

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কত সালে বাংলায় আসেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫৩৪ সালে
  2. ৬৩৮ সালে
  3. ৫৫০ সালে
  4. ৬৫৮ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ৬৩৮ সালে

ব্যাখ্যা

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং ৬৩৮ সালে বাংলায় আসেন। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
40

হিউয়েন সাং বাংলার যে অঞ্চলে ভ্রমণ করেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কামরূপ
  2. সমতট
  3. তাম্রলিপ্ত
  4. উপরের সবগুলো

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: উপরের সবগুলো

ব্যাখ্যা

হিউয়েন সাং তাঁর ভ্রমণকালে বাংলার কামরূপ, সমতট, তাম্রলিপ্ত, পুণ্ড্রবর্ধন ইত্যাদি অঞ্চলে ভ্রমণ করেছিলেন।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর দীক্ষাগুরু কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অতীশ দীপঙ্কর
  2. শীলভদ্র
  3. মাহুয়ান
  4. মেগাস্থিনিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: শীলভদ্র

ব্যাখ্যা

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং নালন্দা বিহারে অবস্থানকালে বাঙালি পণ্ডিত শীলভদ্রের নিকট বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষা লাভ করেন।
42

মহাবীর শীলভদ্র কোন মহাবিহারের আচার্য ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আনন্দ বিহার
  2. নালন্দা বিহার
  3. গোসিপো বিহার
  4. সোমপুর বিহার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: নালন্দা বিহার

ব্যাখ্যা

বাঙালি পণ্ডিত শীলভদ্র প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত শিক্ষাকেন্দ্র নালন্দা বিহারের মহা-আচার্য ছিলেন।
43
কোন গোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে? [৩৬তম বিসিএস/ ২৮তম বিসিএস]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেগ্রিটো
  2. ভোটচীন
  3. দ্রাবিড়
  4. অস্ট্রিক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: অস্ট্রিক। বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক গোষ্ঠী থেকে।

ব্যাখ্যা

বাঙালি সংকর জাতি। তবে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ বা ভিত্তি হলো অস্ট্রিক জাতি। এরা প্রায় ৫ হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে আসাম হয়ে বাংলায় প্রবেশ করে।
44
বাংলাদেশের প্রাচীন জাতি কোনটি? [প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক : ০১]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আর্য
  2. মোগল
  3. পুণ্ড্র
  4. দ্রাবিড়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: দ্রাবিড়। বাংলাদেশের প্রাচীন জাতি হলো দ্রাবিড়

ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিকদের মতে, আর্যদের আগমনের পূর্বে ভারতবর্ষে যে উন্নত সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল তা ছিল দ্রাবিড়দের। সিন্ধু সভ্যতা দ্রাবিড়দেরই সৃষ্টি বলে অনুমান করা হয়।
45
বাংলার আদি জনপদের অধিবাসীরা কোন জাতির অন্তর্ভুক্ত? [চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চ ইউনিট) : ০৩-০৪]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাঙালি
  2. আর্য
  3. নিষাদ
  4. অ্যালপাইন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: নিষাদ। বাংলার আদি জনপদের অধিবাসীরা নিষাদ জাতির অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

বাংলার আদিম অধিবাসীগণ অস্ট্রিক ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এদেরকে নিষাদ জাতিও বলা হতো।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46
আর্য এটি কীসের নাম? [জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (আই ইউনিট) : ১৯-২০]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভাষার নাম
  2. জাতিগোষ্ঠীর নাম
  3. গ্রহপুঞ্জের নাম
  4. স্থানের নাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: জাতিগোষ্ঠীর নাম। আর্য একটি জাতিগোষ্ঠীর নাম, যারা প্রাচীনকালে ভারতে প্রবেশ করেছিল।

ব্যাখ্যা

আর্য একটি প্রাচীন জাতিগোষ্ঠীর নাম। এরা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং প্রায় ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এরা ভারতবর্ষে আগমন করে।
47
আর্য জাতি কোন দেশ থেকে এসেছিল? [শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল অফিসার : ০৩]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাহরাইন
  2. ইরাক
  3. মেক্সিকো
  4. ইরান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ইরান। আর্য জাতি ইরান থেকে ভারতবর্ষে এসেছিল।

ব্যাখ্যা

বেশিরভাগ ঐতিহাসিকের মতে, আর্যদের আদি বাসস্থান ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলে। সেখান থেকে তারা ইরান হয়ে ভারতে প্রবেশ করে।
48
আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী? [বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (খ ইউনিট) : ১৬-১৭/ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (খ-ইউনিট) : ০৮-০৯]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ত্রিপিটক
  2. উপনিষদ
  3. বেদ
  4. ভগবদ্ গীতা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বেদ। আর্যদের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের নাম বেদ

ব্যাখ্যা

বেদ হিন্দুধর্মের প্রাচীনতম ও প্রধান ধর্মগ্রন্থ। আর্যরা এই বেদের রচয়িতা বলে ধারণা করা হয়।
49
আর্যদের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল? [শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল অফিসার : ০৩]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলে
  2. হিমালয়ের পাদদেশে নেপালের দক্ষিণে
  3. ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে
  4. আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্ব পাহাড়ি এলাকায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলে। আর্যদের আদি বাসস্থান ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলে

ব্যাখ্যা

বেশিরভাগ ঐতিহাসিকের মতে, আর্যদের আদি বাসস্থান ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে কিরঘিজ তৃণভূমি অঞ্চলে। সেখান থেকে তারা বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে ইউরোপ ও এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
50
বাংলা আদি অধিবাসীগণ কোন ভাষাভাষী ছিল? [৪২তম বিসিএস (বিশেষ)/ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র স্টাফ নার্স (বাতিল) : ১৭]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংস্কৃত
  2. বাংলা
  3. অস্ট্রিক
  4. হিন্দি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: অস্ট্রিক। বাংলার আদি অধিবাসীগণ অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

ব্যাখ্যা

বাঙালি জাতির প্রধান অংশ অস্ট্রিক গোষ্ঠীর অন্তর্গত। তাই বাংলার আদি অধিবাসীগণ অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল বলে ধারণা করা হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51
দক্ষিণ ভারতের আদি অধিবাসীদের কী নামে অভিহিত করা হয়? [সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা : ১৬]
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টোডা
  2. দ্রাবিড়
  3. সুর
  4. আফ্রিদি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: দ্রাবিড়। দক্ষিণ ভারতের আদি অধিবাসীদের দ্রাবিড় নামে অভিহিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

দ্রাবিড়রা মূলত দক্ষিণ ভারতের অধিবাসী। তামিল, তেলেগু, কানাড়ী ও মালায়ালম ভাষাভাষী মানুষেরা দ্রাবিড় জাতির অন্তর্গত।
52

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. গৌড়
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলো 'পুণ্ড্র'। বর্তমানে বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে পুণ্ড্র জনপদ গঠিত ছিল। এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড়

ব্যাখ্যা

প্রাচীনকালে বাংলা অনেকগুলো ছোট ছোট খণ্ডে বিভক্ত ছিল, যেগুলোকে জনপদ বলা হতো। এর মধ্যে পুণ্ড্র হচ্ছে প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ।
53

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়নামতি
  2. পুণ্ড্রবর্ধন
  3. পাহাড়পুর
  4. সোনারগাঁ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি বা জনপদ হলো পুণ্ড্রবর্ধন। মহাস্থানগড় এর প্রাচীন নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন। এটি বগুড়া জেলায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

ময়নামতি, পাহাড়পুর এবং সোনারগাঁ প্রাচীন হলেও, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে পুণ্ড্রবর্ধন (মহাস্থানগড়) বাংলার প্রাচীনতম জনবসতি হিসেবে স্বীকৃত।
54

বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনপদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাস্থানগড়
  2. পাহাড়পুর
  3. ময়নামতি
  4. উয়ারীবটেশ্বর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনপদ বা নগরী হলো মহাস্থানগড়। এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী ছিল।

ব্যাখ্যা

মহাস্থানগড় মূলত প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ। পুণ্ড্রই বাংলার প্রাচীনতম জনপদ। উয়ারী-বটেশ্বরও অত্যন্ত প্রাচীন (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ অব্দ), তবে জনপদ হিসেবে পুণ্ড্রের স্বীকৃতি সর্বাগ্রে।
55

প্রাচীন বাংলায় পুণ্ড্র নামটি ছিল একটি -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জনপদের
  2. প্রদেশের
  3. গ্রামের
  4. নগরের

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রাচীন বাংলায় 'পুণ্ড্র' ছিল একটি জনপদের নাম। এটি বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ।

ব্যাখ্যা

প্রাচীন যুগে বাংলা অনেকগুলো ছোট ছোট খণ্ডে বিভক্ত ছিল, যেগুলোকে জনপদ বলা হতো। পুণ্ড্র, বঙ্গ, সমতট, গৌড়, রাঢ়, হরিকেল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য জনপদ।
56

বগুড়া প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. বরেন্দ্রী
  3. হরিকেল
  4. গৌড়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের সীমানা ছিল বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে। তাই বগুড়া পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যার বর্তমান নাম মহাস্থানগড়, যা বগুড়া জেলায় অবস্থিত। হরিকেল ছিল সিলেট ও চট্টগ্রামে এবং গৌড় ছিল মালদহ, মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে।
57

কোন নদীটি বঙ্গ জনপদের উত্তরাঞ্চলের সীমানা ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. সুরমা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের উত্তরাঞ্চলের সীমানা ছিল পদ্মা নদী

ব্যাখ্যা

বঙ্গ জনপদ মূলত বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, নদীয়া নিয়ে গঠিত ছিল। এই সুবিশাল বদ্বীপ অঞ্চলের উত্তরে ছিল পদ্মা নদী এবং পূর্বে মেঘনা নদী।
58

গঙ্গারিডাই রাজ্যের অস্তিত্বকাল -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খ্রিষ্টপূর্ব ৯ম শতক
  2. খ্রিষ্টপূর্ব ৮ম শতক
  3. খ্রিষ্টপূর্ব ৪র্থ শতক
  4. খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গ্রিক লেখকদের বিবরণীতে খ্রিষ্টপূর্ব ৪র্থ শতকে গঙ্গা নদীর মোহনায় 'গঙ্গারিডাই' বা 'গঙ্গারিডয়' নামক একটি শক্তিশালী রাজ্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় (খ্রি.পূ. ৩২৭-৩২৬) এই রাজ্যের অস্তিত্ব ছিল।

ব্যাখ্যা

টলেমি, মেগাস্থিনিস প্রমুখ গ্রিক লেখকদের বিবরণে গঙ্গা নদীর বদ্বীপ অঞ্চলে এই রাজ্যের অবস্থান নির্দেশ করা হয়েছে। খ্রিষ্টপূর্ব ৪র্থ শতকে এই রাজ্য তার সামরিক শক্তির জন্য বিখ্যাত ছিল।
59

গঙ্গারিডি সম্পর্কে জানার উৎস -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিন্দু ধর্মগ্রন্থ
  2. বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ
  3. চৈনিক পরিব্রাজকদের বিবরণ
  4. গ্রিক লেখকদের বিবরণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রাচীন বাংলার 'গঙ্গারিডাই' রাজ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় গ্রিক ও ল্যাটিন লেখকদের বিবরণ থেকে। মেগাস্থিনিস, ডিওডোরাস, টলেমি, প্লুটার্ক প্রমুখের রচনায় এর উল্লেখ আছে।

ব্যাখ্যা

আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় তাঁর সঙ্গীয় লেখকরা এবং পরবর্তীতে আগত গ্রিক দূতরা এই শক্তিশালী রাজ্য সম্পর্কে তথ্য লিপিবদ্ধ করেন। দেশীয় সাহিত্যে এর সরাসরি উল্লেখ তেমন নেই।
60

গঙ্গারিডাই রাজ্যের অবস্থান ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কনৌজ
  2. কাশ্মীরে
  3. উড়িষ্যায়
  4. বাংলায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রাচীন গ্রিক লেখকদের মতে গঙ্গা নদীর নিম্ন অববাহিকা বা মোহনা অঞ্চলে গঙ্গারিডাই রাজ্যের অবস্থান ছিল, যা মূলত প্রাচীন বাংলাকে নির্দেশ করে।

ব্যাখ্যা

ইতিহাসবিদদের মতে, বৃহত্তর বঙ্গ বা গঙ্গা-ভাগীরথী নদীর বদ্বীপ অঞ্চলই ছিল এই রাজ্যের মূল ভূখণ্ড।
61

গঙ্গারিডাই রাজ্যের অস্তিত্বকালে গ্রিক সেনাপতি ছিলেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিলিপ
  2. নেপোলিয়ন
  3. আলেকজান্ডার
  4. সিজার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গঙ্গারিডাই রাজ্যের অস্তিত্বকাল অর্থাৎ খ্রিষ্টপূর্ব ৪র্থ শতকে গ্রিক সেনাপতি ও সম্রাট ছিলেন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট। তাঁর ভারত আক্রমণের সময় (খ্রি.পূ. ৩২৭-৩২৬) এই পরাক্রমশালী রাজ্যের কথা শুনে তাঁর সৈন্যরা আর পূর্বদিকে অগ্রসর হতে অস্বীকৃতি জানায়।

ব্যাখ্যা

আলেকজান্ডার যখন পাঞ্জাব পর্যন্ত অগ্রসর হন, তখন তিনি জানতে পারেন যে গঙ্গার ওপারে গঙ্গারিডাই ও প্রাসি (Prasii) নামে দুটি শক্তিশালী রাজ্য রয়েছে। এই ভয়েই গ্রিক বাহিনী পশ্চাদপসরণ করে।
62

বাংলাদেশের একটি প্রাচীন জনপদের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঢ়
  2. চট্টলা
  3. শ্রীহট্ট
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: রাঢ়। প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে রাঢ় অন্যতম। ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীর হতে গঙ্গা নদীর দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত রাঢ় জনপদ বিস্তৃত ছিল।

ব্যাখ্যা

রাঢ় একটি প্রাচীন জনপদ।
চট্টলা (চট্টগ্রাম) এবং শ্রীহট্ট (সিলেট) প্রাচীন জনপদ সমতট বা হরিকেল এর অংশ ছিল, তবে সরাসরি প্রাচীন জনপদ হিসেবে মূল তালিকায় রাঢ় বেশি পরিচিত। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রাঢ়ই সুনির্দিষ্ট প্রাচীন জনপদের নাম।
63

প্রাচীন রাঢ় জনপদ অবস্থিত -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বগুড়া
  2. কুমিল্লা
  3. বর্ধমান
  4. বরিশাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বর্ধমান। প্রাচীন রাঢ় জনপদ বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর ও বীরভূম জেলা নিয়ে গঠিত ছিল।

ব্যাখ্যা

বগুড়া প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের অংশ ছিল।
কুমিল্লা প্রাচীন সমতট জনপদের অংশ ছিল।
বরিশাল প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ জনপদের অংশ ছিল।
বর্ধমান প্রাচীন রাঢ় জনপদের অংশ।
64

তাম্রলিপ্ত কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রাচীন জনপদ
  2. তামার পাতে শাসনদেশ
  3. প্রাচীন গ্রন্থ
  4. প্রাচীন ভাষা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: প্রাচীন জনপদ। তাম্রলিপ্ত প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত জনপদ ও সমুদ্রবন্দর ছিল। এর বর্তমান নাম তমলুক, যা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

তাম্রলিপ্ত মূলত একটি প্রাচীন বন্দর নগরী ও জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
তামার পাতে উৎকীর্ণ লিপিকে তাম্রলিপি বলা হয়, তাম্রলিপ্ত নয়।
65

বাংলার প্রাচীনতম বন্দরের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাম্রলিপ্তি
  2. চন্দ্রকেতুগড়
  3. গঙ্গারডাই
  4. সমন্দর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: তাম্রলিপ্তি। প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত ও প্রাচীনতম সমুদ্রবন্দর ছিল তাম্রলিপ্তি। রূপনারায়ণ নদীর তীরে অবস্থিত এই বন্দরটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দূরপ্রাচ্যের সাথে বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র ছিল।

ব্যাখ্যা

তাম্রলিপ্তি বা তাম্রলিপ্ত ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান এবং প্রাচীনতম সমুদ্রবন্দর।
সমন্দর (চট্টগ্রাম) প্রাচীন বন্দর হলেও তাম্রলিপ্তি তার চেয়েও প্রাচীন।
66

কোনটি বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৌর্য
  2. পুণ্ড্র
  3. গৌড়
  4. রাঢ়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: মৌর্য। মৌর্য একটি প্রাচীন সাম্রাজ্যের বা রাজবংশের নাম (যেমন: মৌর্য সাম্রাজ্য), যা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি কোনো জনপদের নাম নয়। অন্যদিকে পুণ্ড্র, গৌড়, রাঢ় হলো প্রাচীন বাংলার জনপদ।

ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র: উত্তরবঙ্গের (বগুড়া, রাজশাহী ইত্যাদি) প্রাচীন জনপদ।
গৌড়: মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ।
রাঢ়: পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের প্রাচীন জনপদ।
মৌর্য: প্রাচীন ভারতের একটি সুবিশাল সাম্রাজ্য।
67
বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীন কালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমতট
  2. পুন্ড্র
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বঙ্গ। বর্তমান ঢাকা, ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) ও পটুয়াখালী জেলার অংশবিশেষ নিয়ে প্রাচীন বঙ্গ জনপদ গঠিত ছিল।

ব্যাখ্যা

বর্তমান ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলসমূহ প্রাচীনকালে 'বঙ্গ' জনপদের অধীনে ছিল।
সমতট ছিল মূলত কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলে।
পুন্ড্র ছিল বগুড়া ও মহাস্থানগড় অঞ্চলে।
হরিকেল ছিল সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
68
কুষ্টিয়া জেলা কোন জনপদে অবস্থিত
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গ
  2. সমতট
  3. রাঢ়
  4. পুণ্ড্র

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: বঙ্গ। কুষ্টিয়া জেলা প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ব্যাখ্যা

বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর ও পটুয়াখালী জেলার অংশবিশেষ নিয়ে 'বঙ্গ' জনপদ গঠিত ছিল।
69
বর্তমান বৃহৎ বরিশাল ও ফরিদপুর এলাকা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমতট
  2. পুন্ড্রবর্ধন
  3. বঙ্গ
  4. রাঢ়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বঙ্গ। বৃহৎ বরিশাল ও ফরিদপুর এলাকা প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল।

ব্যাখ্যা

বরিশাল (বাকেরগঞ্জ), ফরিদপুর, বিক্রমপুর ও পটুয়াখালীর অংশবিশেষ বঙ্গ জনপদের অন্তর্গত ছিল।
70
প্রাচীনকালে 'সমতট' বলতে বাংলাদেশের কোন অংশকে বুঝানো হতো?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল
  2. কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল
  3. ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল
  4. বৃহত্তম সিলেট অঞ্চল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল। প্রাচীনকালে গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী অঞ্চলকে সমতট বলা হতো, যা মূলত বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল।

ব্যাখ্যা

বগুড়া ও দিনাজপুর ছিল পুণ্ড্র জনপদের অংশ।
ঢাকা ও ময়মনসিংহ ছিল বঙ্গ জনপদের অংশ।
সিলেট অঞ্চল ছিল হরিকেল জনপদের অংশ।
71
পিরোজপুর জেলা কোন প্রাচীন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. হরিকেল
  3. বঙ্গ
  4. সমতট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: চন্দ্রদ্বীপ। পিরোজপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, বরগুনা ও ভোলা জেলা নিয়ে প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ জনপদ গঠিত ছিল।

ব্যাখ্যা

চন্দ্রদ্বীপ জনপদটি মূলত দক্ষিণ বাংলার মেঘনা ও বলেশ্বর নদীর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
72
গোপালগঞ্জ জেলা কোন প্রাচীন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমতট
  2. বরেন্দ্র
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: চন্দ্রদ্বীপ। বৃহত্তর বরিশাল জেলার পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও বাগেরহাটের কিছু অংশ নিয়ে চন্দ্রদ্বীপ জনপদ বিস্তৃত ছিল।

ব্যাখ্যা

যদিও গোপালগঞ্জ বৃহত্তর ফরিদপুরের অংশ, তবে ভৌগোলিকভাবে এটি চন্দ্রদ্বীপ জনপদের সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল প্রাচীনকালে।
73
বাংলাদেশের একটি প্রাচীন জনপদ -
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোনারগাঁও
  2. হরিকেল
  3. ভুলুয়া
  4. পঞ্চগড়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: হরিকেল। প্রাচীন বাংলার ১৬টি জনপদের মধ্যে হরিকেল অন্যতম। এটি বর্তমান সিলেট, চট্টগ্রাম ও ত্রিপুরা অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।

ব্যাখ্যা

সোনারগাঁও প্রাচীন বাংলার রাজধানী হলেও এটি কোনো জনপদ নয়।
ভুলুয়া ও পঞ্চগড় আধুনিক নাম বা অঞ্চল।
74
প্রাচীন বাংলার কোন অঞ্চলটি পূর্বাংশে অবস্থিত ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. বরেন্দ্র
  4. রাঢ়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: হরিকেল। প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পূর্ব দিকের জনপদ ছিল হরিকেল, যা মূলত সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত ছিল।

ব্যাখ্যা

সপ্তম শতকের লেখকদের বর্ণনায় হরিকেলকে পূর্ব ভারতের শেষ সীমায় বলা হয়েছে।
75
প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদ অঞ্চলভুক্ত এলাকা-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: চট্টগ্রাম। সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন হরিকেল জনপদ গঠিত ছিল।

ব্যাখ্যা

রাজশাহী ও দিনাজপুর ছিল পুণ্ড্র জনপদের অংশ।
খুলনা ছিল বঙ্গ বা চন্দ্রদ্বীপের নিকটবর্তী।
76
সিলেট জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বরেন্দ্র
  2. পুণ্ড্র
  3. হরিকেল
  4. গৌড়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: হরিকেল। প্রাচীন বাংলার সর্বপূর্বের জনপদ হরিকেল-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান সিলেট অঞ্চল।

ব্যাখ্যা

সিলেট, চট্টগ্রাম ও ত্রিপুরা হরিকেল জনপদের অংশ ছিল।
77
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে গঙ্গা ও করতোয়া নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলের জনপদকে কী বলা হতো?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমতট
  2. হরিকেল
  3. বরেন্দ্র
  4. পুণ্ড্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বরেন্দ্র। প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে গঙ্গা ও করতোয়া নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী বলা হতো।

ব্যাখ্যা

বর্তমান বৃহত্তর রাজশাহী, দিনাজপুর ও বগুড়া জেলার কিছু অংশ নিয়ে বরেন্দ্র জনপদ গঠিত ছিল। এটি পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির একটি অংশ ছিল।
78

Who is the author of the Book 'Arthasastra' (অর্থশাস্ত্র)?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Kautilya
  2. Confucious
  3. Max Weber
  4. Talcott Parsons

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: Kautilya। কৌটিল্য (চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত) প্রাচীন ভারতীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির বিখ্যাত গ্রন্থ 'অর্থশাস্ত্র'-এর রচয়িতা।

ব্যাখ্যা

অর্থশাস্ত্র প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি এবং সামরিক রণকৌশল সংক্রান্ত একটি বিখ্যাত সংস্কৃত গ্রন্থ। এর রচয়িতা কৌটিল্য, যিনি মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
79

অশোক কোন বংশের সম্রাট ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৌর্য
  2. গুপ্ত
  3. পুষ্যভূতি
  4. কুষাণ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: মৌর্য। সম্রাট অশোক ছিলেন মৌর্য বংশের তৃতীয় এবং শ্রেষ্ঠ সম্রাট।

ব্যাখ্যা

মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। তাঁর পুত্র বিন্দুসার এবং বিন্দুসারের পুত্র হলেন সম্রাট অশোক। অশোক প্রাচীন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবে পরিচিত।
80

কোন যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণাম প্রত্যক্ষ করে মহারাজ অশোক বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিদাস্পিসের যুদ্ধ
  2. কলিঙ্গের যুদ্ধ
  3. মেবারের যুদ্ধ
  4. পানিপথের যুদ্ধ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: কলিঙ্গের যুদ্ধ। কলিঙ্গ যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে সম্রাট অশোক অনুতপ্ত হন এবং বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে সম্রাট অশোক কলিঙ্গ (বর্তমান ওড়িশা) আক্রমণ করেন। এই যুদ্ধে লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়। এই ভয়াবহ দৃশ্য অশোকের মনে গভীর রেখাপাত করে এবং তিনি চণ্ডাশোক থেকে ধর্মাশোকে পরিণত হন।
81

কোন সম্রাটের আমলে এদেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. সম্রাট অশোক
  3. সমুদ্রগুপ্ত
  4. ধর্মপাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: সম্রাট অশোক। সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে ভারতবর্ষে, বিশেষ করে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে।

ব্যাখ্যা

সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের পর বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে এই ধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বৌদ্ধ ধর্ম একটি বিশ্বধর্মে পরিণত হওয়ার সুযোগ পায়।
82

বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন কাকে বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অশোক
  2. চন্দ্রগুপ্ত
  3. মহাবীর
  4. গৌতম বুদ্ধ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: অশোক। রোমান সম্রাট কনস্ট্যানটাইন যেমন খ্রিস্টান ধর্মের প্রসার ঘটিয়েছিলেন, তেমনি সম্রাট অশোক বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটানোয় তাঁকে 'বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন' বলা হয়।

ব্যাখ্যা

খ্রিস্টধর্ম প্রচারে রোমান সম্রাট কনস্ট্যানটাইনের যে ভূমিকা ছিল, বৌদ্ধধর্ম প্রচারে সম্রাট অশোকের ভূমিকাও অনুরূপ ছিল। তাই ঐতিহাসিকরা অশোককে বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন হিসেবে অভিহিত করেন।
83

রাজা 'কনিষ্ক' কোন বংশের শাসক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গুপ্ত
  2. মৌর্য
  3. কুষাণ
  4. দেব

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: কুষাণ। রাজা কনিষ্ক প্রাচীন ভারতের কুষাণ রাজবংশের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন।

ব্যাখ্যা

কুষাণ সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ শাসক কনিষ্ক। তাঁর রাজধানী ছিল পুরুষপুর (বর্তমান পেশোয়ার)। তিনি 'শকাব্দ' প্রবর্তন করেন।
84

চরক ছিলেন –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গণিতবিদ
  2. জ্যোতির্বিদ
  3. চিকিৎসাবিদ
  4. আয়ুর্বেদশাস্ত্ৰবিশারদ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: আয়ুর্বেদশাস্ত্রবিশারদ। চরক প্রাচীন ভারতের একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক এবং আয়ুর্বেদশাস্ত্রের অন্যতম প্রধান প্রণেতা।

ব্যাখ্যা

চরক প্রাচীন ভারতের চিকিৎসা বিজ্ঞান বা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের একজন বিখ্যাত পণ্ডিত। তাঁর রচিত 'চরক সংহিতা' আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের একটি মৌলিক গ্রন্থ।
85

কোন যুগ প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৌর্যযুগ
  2. শৃঙ্গযুগ
  3. কুষাণযুগ
  4. গুপ্তযুগ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গুপ্তযুগ। প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে গুপ্ত সাম্রাজ্যের শাসনকালকে (আনুমানিক ৩২০-৫৫০ খ্রিস্টাব্দ) সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির অভূতপূর্ব বিকাশের কারণে 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়।

ব্যাখ্যা

গুপ্তযুগে আর্যভট্ট, বরাহমিহির, কালিদাস প্রমুখ মনিষীর আবির্ভাব ঘটে। এই যুগে বিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা এবং সাহিত্যে ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয় বলে একে প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
86

ভারতবর্ষের কোন যুগের ভাস্কর্যকে ধ্রুপদী ভাস্কর্য বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৌর্য যুগের
  2. গুপ্ত যুগের
  3. পাল যুগের
  4. সুঙ্গ যুগের

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গুপ্ত যুগের। গুপ্ত যুগে শিল্পের চরম বিকাশ ঘটেছিল। এ যুগের ভাস্কর্যগুলো পরিশীলিত এবং সুষমামণ্ডিত হওয়ায় একে ভারতবর্ষের ধ্রুপদী (Classical) ভাস্কর্য বলা হয়।

ব্যাখ্যা

গুপ্তযুগকে প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ বলা হয়। এ যুগে শিল্প, সাহিত্য ও ভাস্কর্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়। গুপ্তযুগের ভাস্কর্য এর নান্দনিক সৌন্দর্য এবং সুষম গঠনের জন্য ধ্রুপদী বা ক্লাসিক্যাল ভাস্কর্য হিসেবে স্বীকৃত।
87

কোনটি প্রাচীন নগরী নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্ণসুবর্ণ
  2. উজ্জয়িনী
  3. বিশাখাপট্টম
  4. পাটলিপুত্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বিশাখাপট্টম। বিশাখাপট্টম ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের একটি আধুনিক বন্দর নগরী ও জেলা শহর। এটি প্রাচীন ভারতের কোনো বিখ্যাত নগরী নয়।

ব্যাখ্যা

বিকল্পগুলোর মধ্যে কর্ণসুবর্ণ (শশাঙ্কের রাজধানী), উজ্জয়িনী (অবন্তীর রাজধানী) এবং পাটলিপুত্র (মগধের রাজধানী) প্রাচীন ভারতের সুপরিচিত নগরী। অন্যদিকে, বিশাখাপট্টম তুলনামূলকভাবে আধুনিক।
88

ভারতের নেপোলিয়ন কাকে বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কনিষ্ক
  2. অশোক
  3. সমুদ্রগুপ্ত
  4. হর্ষবর্ধন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: সমুদ্রগুপ্ত। গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের অসামান্য সামরিক সাফল্য এবং রাজ্যজয়ের কারণে ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ তাঁকে 'ভারতের নেপোলিয়ন' (Napoleon of India) আখ্যা দিয়েছেন।

ব্যাখ্যা

ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের মতো সমুদ্রগুপ্তও ছিলেন একজন মহান বিজেতা। তিনি তাঁর সাম্রাজ্যকে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন।
89

প্রাচীন ভারতের কোন শাসকের অপর নাম বিক্রমাদিত্য ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. অশোক
  3. সমুদ্রগুপ্ত
  4. হর্ষবর্ধন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত। গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত শকদের পরাজিত করার পর 'বিক্রমাদিত্য' বা 'শকারি' উপাধি গ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক। তাঁর রাজত্বকালেই গুপ্ত সাম্রাজ্য তার ক্ষমতার শিখরে পৌঁছায়। তাঁর সাহসিকতা ও শৌর্যবীর্যের জন্য তাঁকে বিক্রমাদিত্য বলা হতো।
90

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সাম্রাজ্যের নাম -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  2. চন্দ্র সাম্রাজ্য
  3. মৌর্য সাম্রাজ্য
  4. কুষাণ সাম্রাজ্য

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম বৃহৎ ও সংগঠিত সাম্রাজ্য হলো মৌর্য সাম্রাজ্য। ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

ব্যাখ্যা

মৌর্য সাম্রাজ্য প্রাচীন ভারতের অন্যতম বৃহৎ একটি সাম্রাজ্য।
এটিই উপমহাদেশের প্রথম রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
91

প্রাচীন বাংলা মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অশোক মৌর্য
  2. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  3. সমুদ্র গুপ্ত
  4. এর কোনটিই না

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। তিনি ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে নন্দ বংশের শেষ রাজা ধননন্দকে পরাজিত করে এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

ব্যাখ্যা

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য চাণক্যের সহায়তায় মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
অশোক ছিলেন মৌর্য সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ শাসক, প্রতিষ্ঠাতা নন।
92

পাটালিপুত্র রাজধানী ছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গুপ্তদের
  2. সেনদের
  3. পালদের
  4. মৌর্যদের

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রাচীন ভারতে মৌর্য এবং গুপ্ত উভয় সাম্রাজ্যেরই রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র। তাই এখানে 'ক' এবং 'ঘ' উভয়ই সঠিক উত্তর হতে পারে।

ব্যাখ্যা

মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
পরবর্তীতে গুপ্ত সাম্রাজ্যেরও প্রধান রাজধানী হিসেবে পাটালিপুত্র ব্যবহৃত হতো।
93

চাণক্য কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  4. সমুদ্রগুপ্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিখ্যাত কূটনীতিবিদ ও অর্থশাস্ত্রবিদ চাণক্য মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য-এর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ব্যাখ্যা

চাণক্যের বুদ্ধি ও কূটনীতির অসামান্য প্রয়োগেই চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য নন্দ বংশকে পরাজিত করতে সক্ষম হন।
94

চাণক্য ছিলেন প্রাচীন ভারতে একজন বিখ্যাত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃষিবিদ
  2. অর্থনীতিবিদ
  3. কূটনীতিক
  4. রাজা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চাণক্য প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং কূটনীতিক ছিলেন। বইটির উত্তরমালায় 'খ' এবং 'গ' উভয়কেই সঠিক বলা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

চাণক্য তার 'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থের জন্য অর্থনীতিবিদ হিসেবে বিখ্যাত।
একই সাথে তার বিচক্ষণ রাজনৈতিক বুদ্ধির জন্য তিনি একজন শ্রেষ্ঠ কূটনীতিক।
95

কৌটিল্য কার নাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রাচীন রাজনীতিবিদ
  2. প্রাচীন অর্থশাস্ত্রবিদ
  3. পণ্ডিত
  4. রাজ কবি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্নের অপশন অনুযায়ী কৌটিল্য মূলত একজন প্রাচীন অর্থশাস্ত্রবিদ হিসেবে পরিচিত। তাঁর আসল নাম চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত।

ব্যাখ্যা

কৌটিল্য বা চাণক্যের সবচেয়ে বিখ্যাত রচনা হলো 'অর্থশাস্ত্র', যা রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি এবং সামরিক কৌশল বিষয়ক একটি প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থ।
96

'মহারাজাধিরাজ' পদবী কারা গ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আকবর, হুমায়ুন ও জাহাঙ্গীর
  2. ইলিয়াস শাহ, তুঘলক ও জালালউদ্দিন
  3. ধর্মপাল ও গোপাল
  4. গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব

গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর ৬ষ্ঠ শতকে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় একটি স্বাধীন রাজ্য গড়ে ওঠে যা স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য নামে পরিচিত। এই রাজ্যের রাজারা 'মহারাজাধিরাজ' উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। এদের মধ্যে গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেবের নাম তাম্রশাসন থেকে জানা যায়।

ব্যাখ্যা

আকবর, হুমায়ুন মুঘল সম্রাট। ইলিয়াস শাহ সুলতানি আমলের শাসক। ধর্মপাল ও গোপাল পাল বংশের রাজা। তাই সঠিক উত্তর অপশন (ঘ)।
97

গুপ্তোত্তর বঙ্গের স্বাধীন রাজা ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোপচন্দ্র
  2. শশাঙ্ক
  3. শ্রীচন্দ্র
  4. লড়হচন্দ্র

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: গোপচন্দ্র

গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে ৬ষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের উদ্ভব হয়। এই স্বাধীন রাজ্যের প্রথম দিকের শক্তিশালী রাজা ছিলেন গোপচন্দ্র।

ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক ছিলেন স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা (৭ম শতক)। শ্রীচন্দ্র এবং লড়হচন্দ্র চন্দ্র বংশের রাজা। তাই গুপ্তোত্তর স্বাধীন বঙ্গের রাজা হিসেবে গোপচন্দ্রই সঠিক।
98

প্রাচীন জনপদগুলোকে একত্রিত করে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধর্মপাল
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. শশাঙ্ক
  4. ইলিয়াস শাহ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: শশাঙ্ক

প্রাচীন বাংলার খণ্ডিত জনপদগুলোকে সর্বপ্রথম একত্রিত করে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন রাজা শশাঙ্ক। তিনি ৭ম শতকের শুরুতে এই রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

ব্যাখ্যা

ধর্মপাল পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা, লক্ষ্মণ সেন সেন বংশের শেষ হিন্দু রাজা এবং ইলিয়াস শাহ ছিলেন বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা।
99

ধারণা করা হয়, প্রাচীন গৌড় জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. যশোর
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: মুর্শিদাবাদ

বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কিছু অংশ প্রাচীন গৌড় জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ব্যাখ্যা

যশোর প্রাচীন সমতট বা বঙ্গ জনপদের কাছাকাছি, ময়মনসিংহ প্রাচীন কামরূপ বা পুণ্ড্রের একাংশ হতে পারে, চট্টগ্রাম হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিল।
100

"মহাসামন্ত" কার উপাধি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোপাল
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. হর্ষবর্ধন
  4. শশাঙ্ক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: শশাঙ্ক

রাজা শশাঙ্ক প্রথম জীবনে গুপ্ত রাজাদের অধীনে একজন সামন্ত বা 'মহাসামন্ত' ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

ব্যাখ্যা

রোতাসগড় দুর্গে প্রাপ্ত শীলমোহর থেকে শশাঙ্কের 'মহাসামন্ত' উপাধি সম্পর্কে জানা যায়।
101

কে গৌড়ের স্বাধীন নরপতি ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শশাঙ্ক
  2. বর্মন
  3. ভাস্কর
  4. দেবগুপ্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: শশাঙ্ক

শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন গৌড় রাজ্যের প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম নরপতি। তিনি ৬০৬ খ্রিস্টাব্দে গৌড়ের সিংহাসনে বসেন।

ব্যাখ্যা

ভাস্করবর্মন ছিলেন কামরূপের রাজা, দেবগুপ্ত ছিলেন মালবের রাজা যারা শশাঙ্কের সমসাময়িক ছিলেন।
102

বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা (নরপতি) হলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধর্মপাল
  2. গোপাল
  3. শশাঙ্ক
  4. দ্বিতীয় চন্দ্র গুপ্ত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: শশাঙ্ক

ইতিহাসে শশাঙ্ক-কে বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি ৭ম শতাব্দীর প্রথমার্ধে সমগ্র গৌড় অঞ্চল একত্রিত করে এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন।

ব্যাখ্যা

গোপাল ছিলেন বাংলার প্রথম নির্বাচিত রাজা (পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা)।
103

অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অশোক
  2. শশাঙ্ক
  3. মেগদা
  4. ধর্মপাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: শশাঙ্ক

শশাঙ্ক বাংলার খণ্ডিত জনপদগুলোকে একত্রিত করেছিলেন, তাই তাকে অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম স্বাধীন রাজা বলা হয়।

ব্যাখ্যা

অশোক ছিলেন মৌর্য সম্রাট যিনি প্রাচীন বাংলার কিছু অংশ জয় করেছিলেন, কিন্তু তিনি বাংলার নিজস্ব রাজা ছিলেন না।
104

প্রাচীন গৌড়ের রাজধানী ছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্রনগর
  2. কনৌজ
  3. কর্ণাটক
  4. কর্ণসুবর্ণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: কর্ণসুবর্ণ

প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্যের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। এটি রাজা শশাঙ্ক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

ব্যাখ্যা

পুণ্ড্রনগর ছিল প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী (বর্তমান মহাস্থানগড়)। কনৌজ উত্তর ভারতের একটি বিখ্যাত শহর।
105

শশাঙ্কের রাজধানী ছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্ণসুবর্ণ
  2. গৌড়
  3. নদীয়া
  4. ঢাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: কর্ণসুবর্ণ

রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। এটি ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত ছিল।

ব্যাখ্যা

গৌড় ছিল রাজ্যের নাম, কিন্তু নির্দিষ্ট রাজধানীর নাম ছিল কর্ণসুবর্ণ।
106

বাংলার প্রাচীন নগর 'কর্ণসুবর্ণ'-এর অবস্থান ছিল -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুমিল্লায়
  2. মুর্শিদাবাদে
  3. বগুড়ায়
  4. রাজশাহীতে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: মুর্শিদাবাদে

শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণের বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলায়।

ব্যাখ্যা

কুমিল্লা প্রাচীন সমতটের অন্তর্ভুক্ত, বগুড়া প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের (মহাস্থানগড়) অন্তর্ভুক্ত ছিল।
107

শশাঙ্ক প্রথম জীবনে ছিলেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃষক
  2. সামন্ত
  3. রাজা
  4. সম্রাট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: সামন্ত

ইতিহাসবিদদের মতে, শশাঙ্ক প্রথম জীবনে গুপ্ত রাজাদের অধীনে একজন মহাসামন্ত বা সামন্ত ছিলেন। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

ব্যাখ্যা

সামন্ত বলতে বোঝায় কোনো শক্তিশালী সম্রাটের অধীনস্থ আঞ্চলিক শাসক।
108

হর্ষবর্ধনের সভাকবি -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কালিদাস
  2. বানভট্ট
  3. মেগাস্থিনিস
  4. সন্ধ্যাকর নন্দী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বানভট্ট

প্রাচীন ভারতের প্রখ্যাত সম্রাট হর্ষবর্ধনের সভাকবি ছিলেন বানভট্ট। তিনি হর্ষবর্ধনের জীবনী নিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ 'হর্ষচরিত' রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

বানভট্ট ছিলেন হর্ষবর্ধনের সভাকবি এবং জীবনীকার।
কালিদাস ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের নবরত্ন সভার অন্যতম সদস্য।
মেগাস্থিনিস ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের দরবারে গ্রিক দূত।
109

'হর্ষচরিত' গ্রন্থটি রচনা করেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হর্ষবর্ধন
  2. কলহন
  3. বানভট্ট
  4. কৌটিল্য

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বানভট্ট

'হর্ষচরিত' একটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত ঐতিহাসিক কাব্য, যার রচয়িতা সম্রাট হর্ষবর্ধনের সভাকবি বানভট্ট। এতে হর্ষবর্ধনের শাসনকাল ও জীবনীর বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

ব্যাখ্যা

হর্ষবর্ধন নিজে 'রত্নাবলী', 'নাগানন্দ' ও 'প্রিয়দর্শিকা' নামক নাটক রচনা করেছিলেন।
কলহন রচনা করেন 'রাজতরঙ্গিণী', যাতে কাশ্মীরের ইতিহাস বর্ণিত আছে।
কৌটিল্য রচনা করেন 'অর্থশাস্ত্র'।
110

'মাৎস্যন্যায়' বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
  2. ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
  3. ৭ম-৮ম শতক
  4. ৮ম-৯ম শতক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ৭ম-৮ম শতক

রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের ক্ষমতা গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত (৬৩৭-৭৫০ খ্রিঃ) প্রায় ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলায় যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, তাকে 'মাৎস্যন্যায়' বলা হয়। এটি মূলত ৭ম থেকে ৮ম শতকের ঘটনা।

ব্যাখ্যা

শশাঙ্কের মৃত্যু হয় ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে (৭ম শতক)।
গোপাল পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে (৮ম শতক)।
এই মধ্যবর্তী সময়কালটিই মাৎস্যন্যায় নামে পরিচিত।
111

'মাৎস্যন্যায়' ধারণাটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাছবাজার
  2. ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
  3. মাছ ধরার নৌকা
  4. আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা

পুকুরে বড় মাছগুলো শক্তির দাপটে ছোট মাছ ধরে ধরে খেয়ে ফেলার বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বলে 'মাৎস্যন্যায়'। প্রাচীন বাংলায় শক্তিশালী সামন্ত রাজাদের দুর্বলদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের এই নৈরাজ্যকর ও আইন-শৃঙ্খলাহীন অবস্থাকেই রূপকার্থে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।

ব্যাখ্যা

'মাৎস্যন্যায়' শব্দটি কোনো আক্ষরিক মাছের বাজার বা নৌকা বোঝায় না, বরং এটি একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক অরাজকতার প্রতিশব্দ।
112

মাৎস্যন্যায়ম নির্দেশ করে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৎস্যময় বাংলাদেশ
  2. রাজনৈতিক পরিস্থিতি
  3. মৎস্যময় ভারত
  4. প্রাকৃতিক পরিস্থিতি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: রাজনৈতিক পরিস্থিতি

মাৎস্যন্যায় বলতে প্রাচীন বাংলার একটি বিশেষ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বা অরাজক পরিস্থিতিকে বোঝায়। এ সময় কোনো শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসক ছিল না, ফলে সামন্ত রাজারা নিজেদের মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে লিপ্ত ছিল।

ব্যাখ্যা

এটি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আক্ষরিক অর্থে মাছের আধিক্য বোঝায় না।
এটি সম্পূর্ণভাবে শশাঙ্ক পরবর্তী সময়ের একটি রাজনৈতিক শূন্যতা ও বিশৃঙ্খলা নির্দেশ করে।
113

মাৎস্যন্যায় নির্দেশ করে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাল পরবর্তীকাল
  2. সেন পরবর্তীকাল
  3. ব্রিটিশ শাসনামল
  4. শশাঙ্ক পরবর্তীকাল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: শশাঙ্ক পরবর্তীকাল

গৌড়ের স্বাধীন নরপতি রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর (৬৩৭ খ্রিঃ) পর বাংলায় কোনো যোগ্য ও শক্তিশালী শাসক না থাকায় যে দীর্ঘস্থায়ী অরাজকতার সৃষ্টি হয়, তাকেই মাৎস্যন্যায় বলা হয়। সুতরাং এটি শশাঙ্ক পরবর্তীকালের অবস্থা নির্দেশ করে।

ব্যাখ্যা

পাল বা সেন পরবর্তীকালে মাৎস্যন্যায় ঘটেনি।
এটি মূলত শশাঙ্কের মৃত্যু এবং গোপালের ক্ষমতা গ্রহণের মধ্যবর্তী সময়।
114

মাৎস্যন্যায় নির্দেশ করে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলেকজান্ডারের আগমন
  2. বখতিয়ারের আগমন
  3. রামপালের আগমন
  4. গোপালের আগমন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গোপালের আগমন

মাৎস্যন্যায় বা অরাজকতার অবসান ঘটে গোপালের ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে। ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে গোপাল বাংলার সিংহাসনে বসেন এবং পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন, যার ফলে দীর্ঘ এক শতাব্দীর নৈরাজ্যের সমাপ্তি ঘটে। তাই এই নৈরাজ্যকর অবস্থাটি গোপালের আগমনের পূর্ববর্তী পরিস্থিতিকে নির্দেশ করে এবং তাঁর আগমনের মাধ্যমে এর সমাপ্তি হয়।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি কিছুটা রূপক অর্থে ব্যবহৃত। মাৎস্যন্যায়ের অবসান ও সুশাসনের সূচনা ঘটে গোপালের আগমনের মাধ্যমে।
115

'মাৎস্যন্যায়' কোন শাসন আমলে দেখা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খলজি শাসন আমলে
  2. সেন শাসন আমলে
  3. মুঘল শাসন আমলে
  4. পাল তাম্র শাসন আমলে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: পাল তাম্র শাসন আমলে

মাৎস্যন্যায় নামক অরাজকতার সময়কালটি মূলত পাল বংশের পূর্ববর্তী। তবে এই অরাজক অবস্থার বর্ণনা এবং 'মাৎস্যন্যায়' শব্দটি স্পষ্টভাবে প্রথম পাওয়া যায় পাল সম্রাট ধর্মপালের 'খালিমপুর তাম্রশাসনে'। তাই উৎস বা প্রমাণের দিক থেকে এটি পাল তাম্র শাসনের সাথে সরাসরি যুক্ত।

ব্যাখ্যা

খলজি, সেন বা মুঘল আমলে মাৎস্যন্যায়ের কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
খালিমপুর তাম্রশাসনে উল্লেখ আছে যে, মাৎস্যন্যায় দূর করার জন্যই প্রকৃতিপুঞ্জ গোপালকে সিংহাসনে বসিয়েছিল।
116

মাৎস্যন্যায় সম্পর্কে জানার উৎস -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তারনাথের বিবরণ
  2. সন্ধ্যাকর নন্দীর বিবরণ
  3. হর্ষচরিত
  4. আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্প

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: সন্ধ্যাকর নন্দীর বিবরণ

সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত 'রামচরিতম' কাব্যে পাল বংশের অব্যবহিত পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে 'মাৎস্যন্যায়ম' বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি মাৎস্যন্যায় সম্পর্কে জানার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক উৎস।

ব্যাখ্যা

তিব্বতি লামা তারনাথও পাল বংশের ইতিহাস লিখেছেন, তবে সন্ধ্যাকর নন্দীর কাব্যে মাৎস্যন্যায়ের সুস্পষ্ট রূপক উল্লেখ রয়েছে।
হর্ষচরিত বানভট্ট রচিত হর্ষবর্ধনের জীবনী।
117

মহাকবি কালিদাস যে যুগের কবি ছিলেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাল
  2. সেন
  3. মৌর্য
  4. গুপ্ত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গুপ্ত। মহাকবি কালিদাস ছিলেন প্রাচীন ভারতের গুপ্ত সাম্রাজ্যের বিক্রমাদিত্যের (দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত) সভার নবরত্নদের অন্যতম। তিনি সংস্কৃত ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

কালিদাস গুপ্ত যুগের কবি ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলির মধ্যে অভিজ্ঞানশকুন্তলম, মেঘদূতম, রঘুবংশম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
118

'মেঘদূত কাব্য' কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাকবি কালিদাস
  2. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. ছন্দের কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. পল্লিকবি জসীমউদ্দীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: মহাকবি কালিদাস। 'মেঘদূত' (মেঘদূতম্) সংস্কৃত ভাষায় রচিত মহাকবি কালিদাসের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য।

ব্যাখ্যা

কালিদাস রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থ: অভিজ্ঞানশকুন্তলম, কুমারসম্ভবম, রঘুবংশম, মালবিকাগ্নিমিত্রম।
119

'অমরকোষ' কি জাতীয় গ্রন্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাকাব্য
  2. নাটক
  3. অভিধান
  4. উপন্যাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: অভিধান। 'অমরকোষ' হলো সংস্কৃত ভাষার একটি প্রাচীন ও বিখ্যাত অভিধান গ্রন্থ, যা অমরসিংহ রচনা করেছেন।

ব্যাখ্যা

অমরসিংহ ছিলেন প্রাচীন ভারতের গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সভার নবরত্নদের একজন। তাঁর রচিত অমরকোষ সংস্কৃত পদ্যে রচিত একটি শব্দকোষ বা অভিধান।
120

প্রাচীন বাংলায় কতটি রাজ্য ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ২টি। গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে বাংলায় দুটি স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব হয়। এগুলো হলো- ১) বঙ্গ রাজ্য এবং ২) গৌড় রাজ্য

ব্যাখ্যা

দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে বঙ্গ রাজ্য এবং পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চল নিয়ে গৌড় রাজ্য গঠিত হয়েছিল।
121

বঙ্গ ও গৌড় দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে কত শতকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষষ্ঠ
  2. অষ্টম
  3. দশম
  4. একাদশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ষষ্ঠ। গুপ্তবংশের পতনের পর খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে বাংলায় দুটি স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব হয়- বঙ্গ ও গৌড় রাজ্য।

ব্যাখ্যা

৬ষ্ঠ শতকে গুপ্ত সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়লে বাংলায় স্বাধীন সত্তার বিকাশ ঘটে।
122

প্রাচীনকালে এদেশের নাম ছিল -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশ
  2. বঙ্গ
  3. বাংলা
  4. বাঙ্গালা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বঙ্গ। প্রাচীনকালে বাংলাদেশ অবিভক্ত ছিল না, এটি ছোট ছোট জনপদে বিভক্ত ছিল। এগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান জনপদের নাম ছিল বঙ্গ, যার নামানুসারে পরবর্তীতে এদেশের নামকরণ হয়।

ব্যাখ্যা

ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। সুলতানি আমলে ইলিয়াছ শাহ সমগ্র বাংলাকে একত্র করে 'বাঙ্গালাহ' নামকরণ করেন।
123

বাংলার প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোপাল
  2. রামপাল
  3. বিজয় সেন
  4. লক্ষ্মণ সেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: গোপাল
পাল রাজত্বের উত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলার অরাজক পরিস্থিতির (মাৎস্যন্যায়) অবসান ঘটে এবং বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু হয়। গোপাল ছিলেন পাল বংশের প্রথম রাজা।

ব্যাখ্যা

৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দে গোপাল বাংলার ক্ষমতায় বসেন এবং এর মাধ্যমে বাংলায় পাল বংশের এবং প্রথম বংশানুক্রমিক শাসনের সূচনা হয়।
124

বরেন্দ্র যে রাজাদের পিতৃভূমি -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাল রাজা
  2. সেন রাজা
  3. চন্দ্র রাজা
  4. খড়গ রাজা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: পাল রাজা
ইতিহাস থেকে জানা যায়, পাল রাজাদের পিতৃভূমি (জনকভূ) ছিল বরেন্দ্র

ব্যাখ্যা

রামচরিতম কাব্য থেকে জানা যায় যে পালদের আদি বাসস্থান বা পিতৃভূমি ছিল বরেন্দ্রভূমি (বর্তমান বৃহত্তর রাজশাহী, দিনাজপুর ও বগুড়া অঞ্চল)।
125

বাংলার প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাল বংশ
  2. সেন বংশ
  3. ভুইয়া বংশ
  4. গুপ্ত বংশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: পাল বংশ
পাল বংশের রাজারা একটানা প্রায় চারশত বছর এদেশ শাসন করেন। এত দীর্ঘ সময় আর কোন রাজবংশ এদেশ শাসন করেনি।

ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশ ৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১১৬২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় ৪০০ বছর বাংলা শাসন করে, যা প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে দীর্ঘতম।
126

নিম্নের কোন বংশ প্রায় চারশো বছরের মতো বাংলা শাসন করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৌর্য বংশ
  2. গুপ্ত বংশ
  3. পাল বংশ
  4. সেন বংশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: পাল বংশ
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল বংশ সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ। তারা প্রায় ৪০০ বছর (৭৫৬-১১৬২ খ্রি.) বাংলা শাসন করেছে।

ব্যাখ্যা

অন্যান্য বংশের শাসনকাল পালদের মত এতটা দীর্ঘ ছিল না। মৌর্য বা গুপ্ত বংশের শাসন বাংলার কিছু অংশে থাকলেও তা ৪০০ বছরের মত এত দীর্ঘ ও নিরবচ্ছিন্ন ছিল না।
127

বঙ্গে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধর্মপাল
  2. দেবপাল
  3. গোপাল
  4. মহীপাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গোপাল
মাৎস্যন্যায় নামক অরাজকতার অবসান ঘটিয়ে বাংলার সামন্ত রাজারা গোপালকে রাজা নির্বাচিত করেন। গোপাল-ই হলেন পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।

ব্যাখ্যা

ধর্মপাল হলেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা, আর গোপাল হলেন পাল বংশের প্রথম রাজা বা প্রতিষ্ঠাতা।
128

পালদের পর কোন বংশ বাংলা শাসন করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খিলজি
  2. তুঘলক
  3. সেন
  4. তুর্কী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: সেন

একাদশ শতকের শেষদিকে পাল রাজবংশের দুর্বলতার সুযোগে সেনরা বাংলায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে। সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা সামন্ত সেন এবং প্রথম স্বাধীন রাজা বিজয় সেন।

ব্যাখ্যা

পাল বংশের পতনের পর সেন বংশ বাংলায় ক্ষমতা দখল করে। সেন বংশ প্রায় ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা শাসন করে।
129

সেন বংশের আদি নিবাস -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিক্রমপুর
  2. নদীয়া
  3. দাক্ষিণাত্য
  4. কামরূপ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: দাক্ষিণাত্য

সেন বংশের আদি নিবাস ছিল ভারতের কর্ণাটক বা দাক্ষিণাত্য। তারা পাল রাজাদের সেনাবাহিনীতে চাকরি নিয়ে বাংলায় এসেছিল বলে ধারণা করা হয়।

ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিকদের মতে, সেনরা কর্ণাট দেশীয় অর্থাৎ দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা ছিলেন।
130

সামন্ত রাজা থেকে স্বাধীন রাজা -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেমন্ত সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. বিজয় সেন
  4. লক্ষণ সেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বিজয় সেন

সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা সামন্ত সেন এবং তাঁর পুত্র হেমন্ত সেন পাল রাজাদের অধীনস্থ সামন্ত রাজা ছিলেন। হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন (১০৯৮-১১৬০ খ্রি.) সেন বংশের প্রথম স্বাধীন রাজা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

ব্যাখ্যা

বিজয় সেন সমগ্র রাঢ়, বরেন্দ্র ও বঙ্গ অধিকার করে সেন সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটান।
131

বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হুগলীতে
  2. নদীয়ায়
  3. মুন্সীগঞ্জে
  4. বিক্রমপুরে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: হুগলীতে

বিজয় সেনের দুটি রাজধানী ছিল। প্রথম রাজধানী ছিল হুগলি জেলার ত্রিবেণীতে অবস্থিত বিজয়পুরে এবং দ্বিতীয় রাজধানী ছিল বিক্রমপুরে।

ব্যাখ্যা

বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী বিজয়পুর বর্তমান হুগলি জেলায় অবস্থিত।
132

কৌলিন্য প্রথা বাংলায় প্রবর্তন করেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. বিজয় সেন
  4. শ্রী চৈতন্য দেব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বল্লাল সেন

বল্লাল সেন (১১৬০-১১৭৮ খ্রি.) বাংলায় সামাজিক সংস্কার বিশেষ করে কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। তিনি বর্ণপ্রথাকে কঠোর করার জন্য এই প্রথা চালু করেন।

ব্যাখ্যা

সমাজে ব্রাহ্মণ, কায়স্থ ও বৈদ্যদের মধ্যে উচ্চবংশীয় বা কুলীনদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য বল্লাল সেন কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন।
133

‘দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থটির রচয়িতা -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বল্লাল সেন
  2. বিজয় সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. হেমন্ত সেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: বল্লাল সেন

বল্লাল সেন শুধু একজন সুশাসকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন বড় পণ্ডিত। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য দুটি গ্রন্থ হলো 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর'।

ব্যাখ্যা

'দানসাগর' স্মৃতিশাস্ত্র এবং 'অদ্ভুতসাগর' জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ।
134

অসমাপ্ত ‘অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থটি কে সমাপ্ত করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লক্ষণ সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. আলাউদ্দিন খলজি
  4. সম্রাট আকবর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: লক্ষণ সেন

রাজা বল্লাল সেন 'অদ্ভুতসাগর' গ্রন্থটি রচনা শুরু করলেও তিনি তা সমাপ্ত করে যেতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র রাজা লক্ষ্মণ সেন গ্রন্থটির অসমাপ্ত কাজ শেষ করেন।

ব্যাখ্যা

লক্ষ্মণ সেন পিতার শুরু করা গ্রন্থটি সমাপ্ত করে তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
135

সেন রাজাদের ধর্ম ছিল -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রাহ্ম
  2. বৌদ্ধ
  3. জৈন
  4. হিন্দু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: হিন্দু

সেন রাজারা ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী। বিশেষ করে তারা ছিলেন শৈব বা শিবের উপাসক। তবে লক্ষ্মণ সেন ছিলেন বৈষ্ণব। সেনদের রাজত্বকালে বাংলায় হিন্দু ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে এবং বৌদ্ধ ধর্মের পতন তরান্বিত হয়।

ব্যাখ্যা

পাল রাজারা বৌদ্ধ হলেও সেন রাজারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন এবং তাঁরা বর্ণপ্রথাকে কঠোর করেছিলেন।
136

বাংলার প্রাচীন পাল-রাজবংশ কোন ধর্মাবলম্বী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিন্দু
  2. জৈন
  3. বৌদ্ধ
  4. খ্রিষ্টান
  5. ইহুদী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বৌদ্ধ। বাংলার দীর্ঘস্থায়ী পাল রাজারা ছিলেন মূলত মহাযান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।

ব্যাখ্যা

পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁদের শাসনামলে অনেক বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার নির্মিত হয়, যেমন: সোমপুর বিহার ও বিক্রমশীল বিহার।
137

পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. রামপাল
  4. দেবপাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ধর্মপাল। তিনি পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন।

ব্যাখ্যা

গোপালের মৃত্যুর পর তার পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি উত্তর ভারতে পাল সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তার ঘটান এবং 'পরমেশ্বর পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ' উপাধি ধারণ করেন।
138

পালযুগের পুঁথিচিত্র কোন বস্তুর উপর আঁকা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাগজের উপর
  2. টিনের উপর
  3. পাথরের উপর
  4. তালপাতার উপর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: তালপাতার উপর। প্রাচীন বাংলায় তালপাতার উপর ছবি এঁকে পুঁথি তৈরি করা হতো।

ব্যাখ্যা

পাল যুগে কাগজ সহজলভ্য ছিল না। তাই সেসময়কার বৌদ্ধ ভিক্ষু ও শিল্পীরা তালপাতা শুকিয়ে তার ওপর প্রাকৃতিক রং দিয়ে বুদ্ধের জীবনী ও বৌদ্ধ ধর্মের নানা বিষয় চিত্রিত করতেন।
139

তালপাতার পুঁথিচিত্র কোন যুগের নিদর্শন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাল যুগ
  2. সেন যুগ
  3. গুপ্ত যুগ
  4. কুষাণ যুগ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: পাল যুগ

ব্যাখ্যা

পাল রাজারা শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাদের শাসনামলে তালপাতার উপর অসংখ্য সচিত্র বৌদ্ধ পুঁথি রচিত হয়, যা প্রাচীন বাংলার চিত্রকলার অমূল্য নিদর্শন।
140

'অষ্টাসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা' কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিন্দু ধর্মগ্রন্থ
  2. কালিদাসের কাব্যগ্রন্থ
  3. বৌদ্ধ পুঁথি
  4. জৈন ধর্মগ্রন্থ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বৌদ্ধ পুঁথি। এটি পাল যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সচিত্র বৌদ্ধ পুঁথি।

ব্যাখ্যা

অষ্টাসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা হলো মহাযান বৌদ্ধদের একটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। পাল রাজাদের আমলে এটি তালপাতার উপর লেখা এবং বুদ্ধের নানা জীবনের ছবি দিয়ে চিত্রিত করা হয়েছিল।
141

'কৈবর্ত বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল কার সময়ে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বল্লাল সেন
  2. দ্বিতীয় মহীপালের
  3. ধর্মপালের
  4. হেমন্ত সেনের

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: দ্বিতীয় মহীপালের। পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালে (আনুমানিক ১০৭৫-১০৮০ খ্রি.) বরেন্দ্র অঞ্চলে এই বিদ্রোহ ঘটে।

ব্যাখ্যা

কৈবর্তরা ছিল মূলত জেলে সম্প্রদায়। দ্বিতীয় মহীপালের দুর্বল শাসন ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তারা বিদ্রোহ করে এবং বরেন্দ্র অঞ্চল দখল করে নেয়।
142

কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৈবর্ত
  2. অশোক
  3. দিব্য
  4. কানু কৈবর্ত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: দিব্য। কৈবর্ত বিদ্রোহের মূল নেতা ছিলেন দিব্য বা দিব্যক।

ব্যাখ্যা

দিব্য ছিলেন পালদের একজন সামন্ত বা সেনাপতি। তিনি কৈবর্তদের সংগঠিত করে দ্বিতীয় মহীপালকে পরাজিত ও নিহত করে বরেন্দ্র অঞ্চলে স্বাধীন কৈবর্ত শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
143

পাল শাসনামলে রচিত একটি কাব্য হলো -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গীতগোবিন্দ
  2. মনসামঙ্গল
  3. চণ্ডীমঙ্গল
  4. রামচরিতম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: রামচরিতম। এটি পাল যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক কাব্য।

ব্যাখ্যা

'রামচরিতম' বা 'রামচরিত' পাল যুগের অবসানকালে রচিত। এই কাব্যে দ্ব্যর্থবোধক শব্দের মাধ্যমে একই সাথে রামায়ণের রাম এবং পাল রাজা রামপালের কীর্তি বর্ণনা করা হয়েছে।
144

'রামচরিত' কাব্য কে লিখেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হর্ষবর্ধন
  2. সন্ধ্যাকর নন্দী
  3. কালিদাস
  4. ধোয়ী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: সন্ধ্যাকর নন্দী। তিনি ছিলেন পাল রাজা রামপালের সভাকবি।

ব্যাখ্যা

সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত 'রামচরিত' কাব্য থেকে কৈবর্ত বিদ্রোহ এবং রাজা রামপালের বরেন্দ্র উদ্ধারের বিস্তারিত ইতিহাস জানা যায়।
145

ভারতে প্রথম মুসলিম অভিযান পরিচালনা করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
  2. মুহম্মদ বিন কাসিম
  3. মুহম্মদ ঘুরী
  4. বখতিয়ার খলজি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: মুহম্মদ বিন কাসিম
৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধু অভিযানের মাধ্যমে ভারতে প্রথম মুসলিম অভিযান পরিচালনা করেন।

ব্যাখ্যা

হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ছিলেন উমাইয়া খলিফার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশসমূহের শাসনকর্তা। তাঁর আদেশে মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধু অভিযান করেন।
মুহম্মদ ঘুরী ১১৯২ সালে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
146

আরবরা সিন্ধু আক্রমণ করে কত খ্রিষ্টাব্দে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭১০ খ্রি.
  2. ৭১২ খ্রি.
  3. ৭১৪ খ্রি.
  4. ৭১৬ খ্রি.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ৭১২ খ্রি.
উমাইয়া খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিকের রাজত্বকালে ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে আরবরা (মুহম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে) সিন্ধু আক্রমণ করে।

ব্যাখ্যা

৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর দেবল শহরে উপস্থিত হন এবং রাজা দাহিরকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেন।
147

প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. মুহাম্মদ ঘুরী
  4. মুহম্মদ বিন কাসিম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: মুহম্মদ বিন কাসিম
প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহম্মদ বিন কাসিম। তিনি ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে সিন্ধু জয় করেন।

ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ছিলেন বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনাকারী।
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার অধিপতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
মুহাম্মদ ঘুরী ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
148

সিন্ধু বিজয়ের মাধ্যমে কে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ
  2. মুহম্মদ-বিন-কাসিম
  3. মুহম্মদ ঘুরী
  4. ইখতিয়ারউদ্দিন-মুহম্মদ-বিন বখতিয়ার খলজি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: মুহম্মদ-বিন-কাসিম
৭১২ খ্রিস্টাব্দে মুহম্মদ-বিন-কাসিম সিন্ধু বিজয়ের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেন। তিনি ছিলেন উমাইয়া খলিফা আল ওয়ালিদের সেনাপতি।

ব্যাখ্যা

হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ ছিলেন ইরাকের শাসনকর্তা, যিনি মুহম্মদ-বিন-কাসিমকে সিন্ধু অভিযানে পাঠান।
মুহম্মদ ঘুরী ছিলেন ঘুরি বংশের শাসক, যিনি ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
149

মুহম্মদ বিন কাসিম সর্বপ্রথম সিন্ধুর কোন শহরে উপস্থিত হন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুলতান
  2. রাওয়ার
  3. দেবল
  4. অমৃতসর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: দেবল
৭১২ খ্রিস্টাব্দে মুহম্মদ বিন কাসিম সর্বপ্রথম সিন্ধুর দেবল বন্দরে আক্রমণ করেন এবং তা দখল করে নেন।

ব্যাখ্যা

মুলতান এবং রাওয়ার ছিল সিন্ধুর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহর, তবে প্রথম আক্রমণ দেবলেই হয়।
150

আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধু দেশের রাজা ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানসিংহ
  2. জয়পাল
  3. দাহির
  4. দাউদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: দাহির
৭১২ খ্রিস্টাব্দে মুহম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে আরবরা যখন সিন্ধু আক্রমণ করে, তখন সিন্ধুর রাজা ছিলেন ব্রাহ্মণ রাজবংশের রাজা দাহির।

ব্যাখ্যা

রাওয়ারের যুদ্ধে রাজা দাহির মুহম্মদ বিন কাসিমের কাছে পরাজিত ও নিহত হন।

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ১৫০টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে (মোট ২৭২টির মধ্যে)। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

কেন Subject-wise Preparation-এর জন্য “বাংলার ইতিহাস (History of Bengal)” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

Subject-wise Preparation নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি (Bangladesh Affairs) অংশে “বাংলার ইতিহাস (History of Bengal)” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"বাংলার ইতিহাস (History of Bengal)" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

Subject-wise Preparation নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলি (Bangladesh Affairs) বিষয়ের "বাংলার ইতিহাস (History of Bengal)" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।