🎯সমাধান
রাহুল কুষ্টিয়ার পাহাড়পুর এলাকায় পরিদর্শনে গিয়েছিল। সেখানে তিনি বিশাল ইটের মহাবিহারের অবশিষ্টাংশ, মৃৎশিল্প, স্তূপ ও চৌক-নকশার ভিত্তি দেখতে পায়। প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানগুলো নির্দেশ করে যে এটি পাল যুগের সময়কার একটি বড় বৌদ্ধ শিক্ষা ও ধর্মীয় কেন্দ্র। উল্লেখ্য, এই ধাঁচের স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডগুলো প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো।
ক. পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন? সংক্ষেপে পরিচয় দাও।
খ. পাল শাসকরা কেন বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করেছিল? কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।
গ. রাহুল যে স্থাপত্য সাইটটি দেখেছে সেটি কোথায় অবস্থিত? সাইটটির প্রধান বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব বর্ণনা কর।
ঘ. মহাবিহারের ধরনের আরেকটি প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্র বাংলাদেশে কোথায় পাওয়া যায়? সেটির সাথে পাহাড়পুরকে সংক্ষেপে তুলনা কর।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন