🎯সমাধান
শিরীন আপা সম্প্রতি পদে যোগদান করার পর নিয়মিত নামায আদায়ে অনভ্যস্ত ছিলেন। কর্মস্থলের ব্যস্ততা, মাঝে মাঝে বিপর্যয়জনিত ভ্রমণ ও অসুস্থতার কারণে তিনি কখন কখন নামায যোগ করা যায়, কখন নামায ছেড়ে দেওয়া গোনাহ এবং কোন সময়সূচিতে স্বেচ্ছা নামায পড়া থেকে বিরত থাকা উচিত—এইসব নিয়ে বিভ্রান্তি অনুভব করতেন। মসজিদের ইমাম সাহেব তাকে কয়েকটি মাসায়িল ব্যাখ্যা করে সাহায্য করছেন।
ক. কোন কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তি দুই নামায জোড়া (জাম') করে পড়তে পারেন? জোড়া করার শর্ত ও সীমা কী কী?
খ. যদি কেউ কোনো কারণে নিয়মিত নামায সময়মতো পড়তে না পারে বা নামায পড়া ভুল করে (যেমন নামাযের মাজমবে কথা বলা বা ওয়ূদু নষ্ট হওয়া), তাহলে কী করতে হবে? ক্বাযা (পূরণ) ও তাওবাহ সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশ দিন।
গ. নামায আদায়ের সময় কোন কোন কাজগুলো মাকরুহ বা এড়িয়ে চলার মতো বিবেচিত এবং কেন এগুলোকে এড়ানো উচিত? কয়েকটি উদাহরণ বলুন।
ঘ. নামায ব্যক্তি ও সমাজের জন্য কী ধরনের উপকার নিয়ে আসে? সংস্কৃতিগত এবং আধ্যাত্মিক দিক থেকে সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ করুন।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন