🎯সমাধান
খলিফা হারুন-অর-রশীদের শাসনকালে বাগদাদে আলী কোজাই নামে এক বণিক বাস করত। সে হজব্রত পালনের জন্য মক্কায় যাওয়ার সময় তার সারাজীবনের সঞ্চয় একটি কলসিতে লুকিয়ে তার বন্ধু নাজিমের কাছে রেখে যায়। কলসির নিচে মোহর লুকিয়ে উপরে জলপাই দিয়ে তা ঢেকে রাখে এবং বন্ধুকে জলপাই কলসি বলেই উল্লেখ করে। অনেকদিন হয় বন্ধু ফিরে না আসায় নাজিম খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে। এর মধ্যে একদিন তার স্ত্রী জলপাই খেতে চাইলে সে বন্ধুর কলসি থেকে জলপাই এনে দিতে যায় এবং ভাবে পরে নতুন জলপাই কিনে কলসিতে রেখে দিবে। জলপাই আনতে গিয়ে সে দেখে কলসির নিচে সোনার মোহর। তার মাথায় দুষ্টুবুদ্ধি আসল। সে সব সোনার মোহর নিয়ে সিন্দুকে লুকিয়ে রাখল এবং কলসি নতুন জলপাই দিয়ে ভরে রাখল। কয়েকদিন পর আলী কোজাই ফিরে এসে নাজিমের কাছ থেকে কলসি নিয়ে গেল। বাড়িতে গিয়ে সে দেখে সোনার মোহর নেই। সে নাজিমকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে যে মোহরের ব্যাপারে কিছুই জানে না।
ক. টাকওয়ালা ফেরেশতার কাছে কী চাইল?
খ. ফেরেশতা ধবলরোগীর কাছে উট চাইলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের নাজিমের সাথে 'সততার পুরস্কার' গল্পের ধবলরোগীর সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘সততার পুরস্কার’ গল্পের একটি বিশেষ দিকের প্রতি ইঙ্গিত করেছে, সম্পূর্ণ ভাবের ধারক হতে পারেনি।” — মন্তব্যটি বিচার কর।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন