নুরগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতাসীন থেকে আসেন। তিনি নিজের নিকটদের অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি তহবিল ও উন্নয়ন কর্মসুচি আত্মসাৎ করেন, প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী হেয় করার জন্য পুলিশের সহায়তা নেন এবং মতবিরোধ দমন করতে গ্রামবাসীর ওপর হাত খাটান। দীর্ঘ কোনো অবহেলার ফলে গ্রামের সাধারন মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে প্রাথমিক প্রতিবাদ ও ধর্মঘট শুরু করে। চেয়ারম্যান কর্তৃক পুলিশের গুলিতে কয়েকজন আহত হলেও জনগণের ঐক্য বজায় থাকে, বয়স্ক-নাগরিকরা সভা-সমাবেশে এসে অংশ নেন এবং অবশেষে চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।
ক. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান কোন মৌলিক কারণগুলো ও ঘটনাবলীর সম্মিলিত ফলাফল ছিল? সংক্ষেপে উল্লেখ করো।
খ. ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ের মধ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক কোন কারণগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছিল? বিশ্লেষণ করো।
গ. উপরোক্ত নুরগঞ্জ আন্দোলনের কোন বৈশিষ্ট্যগুলো ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো: 'নুরগঞ্জের চেয়ারম্যানের পতন ও জেনারেল আইয়ুব খানের পদত্যাগ—দুটিই জনগনের ঐক্য ও ন্যায়বিচারের জয়; তাই উভয়ের ফলাফল একটি প্রতিচ্ছবি'—এই বক্তব্যে আপনি কতটুকু সহমত পোষণ করো? সঙ্গতিপূর্ণ দিক ও মৌলিক পার্থক্য উল্লেখ করে ব্যাখ্যা করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন