রাফি বলছে—গ্রামে বর্ষা এলে সবজির মাঠ জেগে ওঠে, গাছপালা লতা-লতা হয়ে যায়, আর শীতে সকাল-সন্ধ্যা কুয়াশা নামলে মানুষ ঘরের ভেতরেই বেশি থাকে। তাঁর বড় বোন বলে, ক্লান্ত হওয়ার কোনো অর্থ নেই, কারণ প্রতিটি ঋতুরই কিছু সুবিধা-অসুবিধা আছে। যদিও অঞ্চলভেদে আবহাওয়া ভিন্নতা দেখা যায়, তবু পুরো বাংলাদেশকে যদি দেখো, বেশিরভাগ সময় আবহাওয়া উজ্জ্বলভাবে চরম নয়।
ক. বাংলাদেশে বর্ষাকালে গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা (relative humidity) সাধারণত কত শতাংশের আশেপাশে থাকে?
খ. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি (global warming) কিভাবে স্থানীয় মৌসুমি বৃষ্টিচক্র ও বন্যার প্রবণতাকে প্রভাবিত করতে পারে? সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
গ. রাফির বর্ণনায় বাংলাদেশের কোন ভৌগোলিক বা কৃষি-সংবলিত বৈশিষ্ট্যটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. রাফির বোনের মন্তব্য—'ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই, প্রতিটি ঋতুরই সুবিধা-অসুবিধা আছে'—এটিকে বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপর ভিত্তি করে বিশ্লেষণ করে বলে দাও এটি বাস্তবসম্মত নাকি অতিরঞ্জিত।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন