🎯সমাধান
একটি বিজ্ঞান ক্লাবে ধ্বনির বিভিন্ন উৎস রাখা হয়েছে: একটি ভারী মেশিনের কম্পন যা প্রতি সেকেন্ডে ১২ কম্পন বাজে, একটি ছোট অল্ট্রাসনিক ক্লিনারের তরঙ্গ ৩০,০০০ কম্পন/সেকেন্ড, একটি সাধারণ কথোপকথনের মধ্যম শব্দ ~১,৫০০ কম্পন/সেকেন্ড এবং একটি ট্রেনের দূরবর্তী গুঞ্জন ১৫ কম্পন/সেকেন্ড। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন।
ক. উক্ত উৎসগুলোর মধ্যে কোন শব্দগুলোকে শ্রুতি-পূর্ব শব্দ বলা হবে?
খ. মানবের স্বাভাবিক শ্রবণ সীমা কী এবং সেটি ফ্রিকোয়েন্সিতে কীভাবে প্রকাশ করা হয়?
গ. ৩০,০০০ কম্পন/সেকেন্ডের শব্দকে কোন শ্রেণীতে রাখা হবে এবং মানুষ কেন তা শুনতে পারে না?
ঘ. শ্রুতি-পূর্ব ও শ্রুতি-উত্তর শব্দের বাস্তব জীবনের দুটি উপযোগী উদাহরণ লিখুন (প্রতিটি শ্রেণীর জন্য একটি করে)।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন