একটি দূরন্ত ব্যবসায়ী সমুদ্রপথে বহুদিন অনাহারে-অনিদ্রায় বন্দি থেকে সম্প্রতি বেঁচে বাড়িতে ফিরলেন। তিনি অবহেলার, কৃত্রিম উপায়ে শাসিত ও মানুষ হওয়ার মর্যাদা বঞ্চিত থাকার সব বর্ণনা বললেন। স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেব বলেন—এ দুনিয়ার কষ্টের চেয়েও একধরনের আরও গভীর ও স্থায়ী কষ্ট আছে, সেটি কেবল শাস্তিই হবে; সেখানে সময়ের কোনো শেষ হবে না। লোকজন জানতে চাইল, ঐ স্থায়ী কষ্টকে ইমাম সাহেব কী হিসেবে বর্ণনা করছেন? কেউ কি তাওবা করে মুক্তি পাবে? ইমাম সাহেব বললেন—এ থেকে বাঁচার পথ হলো জান্নাতের জন্য প্রস্তুতি, আল্লাহর কাছে মিলনযোগ্য করণীয় ও সন্তানদের ইলম ও হিফজে গড়ে তোলা।
ক. আসমানি কিতাব এবং 'সহিফা'—দুটি শব্দের অর্থ ও পার্থক্য ব্যাখ্যা করো।
খ. 'আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হও'—এই উক্তির ব্যাখ্যা করো; এর আধ্যাত্মিক ও নৈতিক প্রভাব কী?
গ. ইমাম সাহেব যখন বললেন 'এ দুনিয়ার চেয়ে স্থায়ী কষ্ট আছে, সেখানে সময়ের কোনো শেষ হবে না', তিনি কোন বাস্তব ধারনাটিকে নির্দেশ করেছেন? বিশ্লেষণ করো।
ঘ. ইমাম সাহেব যে মুক্তির পথের কথা উল্লেখ করেছেন—তাওবা, নেক আমল ও সন্তানকে আলিম/হাফিজ হিসেবে গড়ে তোলা—এসব কিভাবে কার্যকর হবে? প্রতিটি উপায় আলাদা করে বিশ্লেষণ করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন