জামাল ও রাশিদা দম্পতি সদ্য দুইটি নবজাতক ছেলের জন্ম উপলক্ষে শোকরিয়া ও আদব অনুযায়ী কিছু কার্যসম্পাদন করেন। নবজাতকের প্রথমটির নাম রাখেন ‘আব্বাস’ এবং দ্বিতীয়টির নাম রাখেন ‘ওয়ালা’। তারা জন্মের সপ্তম দিনে প্রতিটি ছেলে-ছেলের জন্য আলাদা আলাদা একটি করে ছাগল জবাই করেন; প্রতিটি শিশুর মাথা মুণ্ডন করে চুলের ওজন সমপরিমাণ সোনা গরিবদের দান করেন এবং মাংসের একটি অংশ আত্মীয়-স্বজন ও গরিবদের মাঝে বিতরণ করেন। একই সঙ্গে জিলহজের দশ তারিখে জামাল বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আগে থেকে কাটা বকরি জবাই করেন; পরে মসজিদের ইমাম তাঁকে স্মরণ করিয়ে দেন যে কুরবানি ঈদের নামাজের পরে করা উত্তম এবং কুরবানির পশুর বয়স ও শর্ত সম্পর্কে সতর্ক হতে হবে। উদ্দীপক-৮২১ দि. বো. ১০/
ক. আকিকা কী এবং জামাল-রাশিদার কর্মকাণ্ডে আকিকার কোন কোন অনুষঙ্গ লক্ষণীয়? সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
খ. শিশুদের মাথা মুণ্ডন করে চুলের ওজন সমপরিমাণ সোনা দান করা কীভাবে বিবেচিত হবে? এর ফযিলত ও শর্ত কী—ব্যাখ্যা কর।
গ. জামাল আগে থেকেই কাটা বকরি ঈদের নামাজের আগেই জবাই করেছেন—এই কুরবানি কি বৈধ এবং অর্থপূরণী? কোন শর্তভঙ্গ হয়েছে এবং তার বিচার কী হবে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. এই ঘটনায় ইমাম সাহेबের ইঙ্গিতে ইসলাম কোন মৌলিক শিক্ষা বা নীতি প্রদর্শিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন