মহেশ দরিদ্র বর্গাচাষি গফুরের অতি আদরের একমাত্র ষাঁড়। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে ওকে ঠিকমতো খড়-বিচুলি খেতে দিতে পারে না। জমিদারের কাছে সামান্য খড় ধার চেয়েও পায় না। নিজে না খেয়ে থাকলেও গফুরের দুঃখ নেই। কিন্তু মহেশকে খাবার দিতে না পেরে তার বুক ফেটে যায়। তাই সে মহেশের গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলে— মহেশ, তুই আমার ছেলে। তুই আমাদের আট সন প্রতিপালন করে বুড়ো হয়েছিস। তোকে আমি পেট ভরে খেতে দিতে পারি নে, কিন্তু তুই তো জানিস আমি তোকে কত ভালোবাসি। মহেশ প্রত্যুত্তরে গলা বাড়িয়ে আরামে চোখ বুজে থাকে।
ক. 'অতিথির স্মৃতি' গল্পে একটু দেরি করে আসত কোন পাখি?
খ. 'আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের সাথে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের যে দিকটির মিল রয়েছে, তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের গফুরের মানসিকতা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের মানসিকতারই প্রতিরূপ”— মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন