জুম'আর খুত্বায় ইমাম সাহেব আলোচনা করলেন যে নবী-রাসুলরা মানুষকে আল্লাহর পথ দেখানোর পাশাপাশি তাদের কাছে আল্লাহর বাণী, আইন ও নৈতিকতার নির্দেশনাও পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি কোরআনের এমন একটি বক্তব্যের উল্লেখ করলেন যে আল্লাহ মানুষকে তাদের অবস্থান ও ভাষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণভাবে দিশা দিয়েছেন। আলোচনা চলাকালে উপস্থিত মুসল্লিরা নবুয়ত, রিসালাত ও খত্মে নবুয়ত সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন।
ক. রিসালাত ও নবুয়তের মধ্যে পার্থক্য কী? সংক্ষেপে উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
খ. কুরআনে যে বাণীটি তুলে ধরা হয়েছে—'প্রত্যেক উম্মতকে তাদের ভাষায়/অবস্থায় রসুল পাঠানো হয়েছে'—এটির মর্মার্থ কী? এতে কী শিক্ষা নিহিত? ব্যাখ্যা করো।
গ. নবি-রাসুলদের পরিবেশনায় 'মু'জিজাহ' বা অলৌকিক নিদর্শন কেন জরুরি ছিল? কমপক্ষে দুটি উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. কী কারণে ইসলামের দৃষ্টিতে বলা যায় যে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমে নবুয়তের ধারায় সমাপ্তি (খতমে নবুয়ত) এসেছে? কোরআনিক ও প্রামাণ্য হাদীসের আলোকেও ব্যাখ্যা করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন