সম্প্রতি কিছু এলাকায় চরমপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সমাজে বিভাজন ও সহিংসতার ঝুঁকি বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি সমাজকে রক্ষা করতে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও বাস্তবিক পদক্ষেপ সম্পর্কে ধারাবাহিক নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
ক. ইসলামের কোন মূল নীতিগুলো সন্ত্রাস বা অপ্রয়োজনীয় সহিংসতা প্রতিরোধে প্রযোজ্য বলা যাবে? উল্লেখ করুন প্রধান কিছু নীতি।
খ. ইসলাম কীভাবে যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষা সীমাবদ্ধ করে রেখেছে — যুদ্ধের সময় কোন কোন নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক? কিছুমাত্র উৎস উদাহরণ দিন।
গ. স্থানীয় মুসলিম নেতৃত্ব ও প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে সন্ত্রাসবাদের জন্ম প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে? তিনটি বাস্তব কর্মপরিকল্পনা লিখুন।
ঘ. একটি কমিউনিটি‑ভিত্তিক প্রোগ্রাম হিসেবে কিভাবে রেডিক্যালাইজেশন রোধ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালানো যায়? বাস্তবধর্মী তিনটি ধাপ বর্ণনা করুন।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন