করিম সাহেব ছিলেন একটি জেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক। কয়েকজন আত্মীয়শত্রু ও প্রতিদ্বন্দ্বী শিক্ষক ষড়যন্ত্র করে করিম সাহেবকে বদনাম করে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেয়। তাঁর স্ত্রী লায়লা বেগম ছিলেন ইসলামি জ্ঞান ও আচার-ব্যবহারে দক্ষ একজন সুশিক্ষিত মহিলা। লায়লা বেগম স্বামীর মনোবল বাড়িয়ে তাঁকে ধৈর্য ধরতে ও ইসলামের নীতিমালা মেনে ধীরে ধীরে নিজেকে গড়ে তুলতে উৎসাহ দেন। করিম সাহেব পরবর্তী সময়ে কঠোর অধ্যবসায়ের ফলে উচ্চতর সরকারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পুনরায় শিক্ষা দফতরে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। কয়েক বছর পরে জেলা পর্যায়ের একটি পরিদর্শনে এসে ষড়যন্ত্রকারীরা তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। করিম সাহেব তাদেরকে বলেন—“আমার উপর তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই; আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিলাম।”
ক. হযরত উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (র.) কোন বংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন? সংক্ষেপে লিখুন।
খ. বিদায় হজ বলতে কী বোঝায়? সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেয়া হোক।
গ. লায়লা বেগমের স্বামীকে ধর্মীয় ও নৈতিক পরামর্শ প্রদানে যে কৌশল ও জ্ঞানের প্রকাশ ঘটল তা হযরত আয়েশা (রা.)-র কোন গুণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করুন।
ঘ. "করিম সাহেবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমা করে দেওয়া মহানবি (স.)-এর আদর্শের প্রতিফলন"— উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করুন এবং যুক্তিসহ ব্যাখ্যা দিন।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন