জনাব আসলাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি সব সময় বিচার-শালিস নিজেই করেন। তার ছেলে ময়নুল বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে থাকেন। একদিন বাবার বিচারিক সিদ্ধান্ত ময়নুলের মনঃপূত না হওয়ায় তিনি নিজে পুনরায় সিদ্ধান্ত দেওয়ার অনুমতি চাইলেন। বাবা অনুমতি দিলে ময়নুল নতুন সিদ্ধান্ত দেন। ফলে বাদী ও বিবাদী দু'পক্ষই খুশি হন। আসলাম সাহেবের বাড়িতে সাদিকা নামক এক মহিলা কাজ করেন। তিনি সারাদিন কাজ করার পরও রাতে নির্জনে ইবাদত-বন্দেগী করেন। শত অভাবের মাঝেও তিনি কারও নিকট কিছু চান না ।
ক. বারযাখ কী?
খ. ‘অহংকার আমার ভূষণ'— এ হাদিসখানা ব্যাখ্যা করো।
গ. ময়নুলের বিচারিক সিদ্ধান্তটি কোন নবির বিচারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো ।
ঘ. সাদিকার চরিত্রটির সাথে যে মহীয়সী নারীর চরিত্রের মিল রয়েছে তা চিহ্নিতপূর্বক তার চরিত্র থেকে শিক্ষামূলক বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন