সালাহ একজন সমাজকর্মী। তিনি দেখলেন, তার এলাকার অনেক পরিবারে কন্যা সন্তানদের স্কুলে পাঠানো হয় না; বিবাহে কনে পরিচয়ে (মোহর) ও যৌতুক নিয়ে অনিয়ম বিরাজমান; নারীদের ঘরে ও কাজে অবহেলা ও নির্যাতন করা হচ্ছে। এই অবস্থা পরিবর্তনের জন্য সালাহ এলাকার যুবক-যুবতীদের একত্রিত করে ইসলামের কিছু ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় বক্তব্য পাঠ করেন এবং তাতে সবাই অনুপ্রাণিত হয়ে আচরণ পরিবর্তন করে; নারী-শিশুদের প্রতি সহানুভূতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। একজন পণ্ডিত এ ঘটনার প্রশংসা করে বলেন, এই বক্তৃতাটি যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।
ক. প্রশ্ন করো — ইসলামী ইতিহাসে কোন খলিফা শিক্ষাব্যবস্থা বা শিক্ষকদের অনুদান/ভাতা দেওয়ার বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন? সংক্ষেপে উল্লেখ করো।
খ. নিম্নোক্ত কোরআনের আয়াতটি উল্লেখ করো এবং ব্যাখ্যা করো যে এটি কীভাবে নারী-পুরুষের সমতার প্রমাণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়: “হে মানুষগণ! তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো, যে তিনি তোমাদের এক জন থেকে সৃষ্টি করেছেন…” (সূরা অন-নিসা, আয়াত ১)।
গ. সালাহর এলাকার সমস্যাটি ইসলামী কোন নৈতিক ও সামাজিক অধিকারের লঙ্ঘন? বিশ্লেষণসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. যে ধর্মীয় বক্তৃতার প্রভাব এলাকায় বদল এনেছে, সেটি কী ধরনের শিক্ষার প্রতিফলন বলে চিহ্নিত করা যায়? ঐতিহাসিক/শাস্ত্রীয় কোন ভাষণ বা শিক্ষা এই ধরনের পরিবর্তন আনার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে—চিহ্নিত করো এবং সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ দাও।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন