সানজিদ ও মাহমুদ দুই বন্ধু রমযান মাসে ইবাদত-বন্দেগী বাড়াতে মনস্থির করল। সানজিদ রমযানের ২১ তারিখ থেকে মসজিদে ইতিকাফ করে দিনরাত ইবাদত শুরু করল ও মসজিদ থেকে বের হয়ে অপ্রয়োজনীয় কাজে নিজেকে বাঁধা করল না। অপরদিকে মাহমুদ বাড়িতেই তাহাজ্জুদ ও তরিকোয়াত আদায় করত, কিন্তু প্রতি রাতে তিনি ইমামের তিলাওয়াত শুনার সময় প্রায়ই ফোন দেখে বা কথা বলে ভাঙত এবং কিছু কিছু রাতে ইমামের তিলাওয়াতের প্রতি মনোযোগী হত না।
ক. ইতিকাফের অর্থ ও শরীয়তগত মূলনীতি কী? সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা কর।
খ. লাইলাতুল কদরের ফজিলত কী এবং এটি কখন ঘটার সম্ভাবনা বেশি—সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
গ. মাহমুদের মসজিদে ইমামের তিলাওয়াত শুনতে অনাগ্রহ বা গোছখাপ ছাড়া ফোন দেখার আচরণ—এতে কোন ধরনের শরীয়ত বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে? যদি লঙ্ঘিত হয়ে থাকে তবে তার শাস্তি বা পরিনতি কী হতে পারে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. সানজিদের মসজিদে ইতিকাফ করে রাত-দিন ইবাদত করার ফলে কি সে নিশ্চিন্তে কাদরের রাত পেয়ে হাজার মাসের ইবাদতের সাওয়াব নিশ্চিতভাবে পাবে—এই বক্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন