🎯সমাধান
ট্রেন দেখার শখ সজীবের বহুদিনের। বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে অনেক দিনই সজীব ট্রেনের শব্দ শুনতে পেয়েছে। কিন্তু দেখা হয়নি। একদিন সেই শখ পূরণের সময় এলো। গ্রীষ্মের ছুটিতে সজীব ট্রেনে চড়ে যাবে মামার বাড়ি। যথারীতি মা-বাবার সঙ্গে ট্রেনে উঠল সজীব। প্রথমে একটু ভয় পেলেও ট্রেন চলতে শুরু করলে সজীবের খুবই আনন্দ হলো। সজীব দেখতে পেল অসংখ্য গাছপালা, ঘরবাড়ি, মাঠ দ্রুত অতিক্রম করে ট্রেন এগিয়ে চলছে। মাঝে মাঝে ট্রেনটি থামছে, তখন অনেক মানুষ নামছে আবার ট্রেনে উঠছে। তারপর ট্রেনটি আবার চলতে শুরু করে। বড় হয়ে সজীব অনেকবারই ট্রেনে চড়েছে, কিন্তু প্রথম ট্রেনে চড়ার স্মৃতি সজীব কোনোদিনই ভুলতে পারেনি।
ক. কার বকুনি মাঝিকে খেতে হবে না?
খ. “এই ফাঁকে মোরে— আর ছোকানুরে— নৌকোয় নাও তুলে।” কোন ফাঁকে? ব্যাখ্যা কর।
গ. ‘নদীর স্বপ্ন' কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকের কী পার্থক্য রয়েছে, তা চিহ্নিত কর।
ঘ. “নদীর স্বপ্ন' কবিতা ও উদ্দীপকে 'প্রকাশ পেয়েছে শৈশবের সোনালি স্বপ্ন।” — মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন