🎯সমাধান
পুন্ড্রনগরে প্রাপ্ত শিলালিপির ভাষাকে আমরা প্রথমত বলব পৌণ্ড্র প্রাকৃত ভাষা, দ্বিতীয়ত বলব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা। কারণ পুন্ড্র দেশেই এ ভাষার প্রাচীন প্রত্ন নিদর্শনটি আবিষ্কৃত হয়েছে। তাই আদি থেকে বাংলা ভাষার ধারাকে এভাবে চিহ্নিত করা যায়; পৌণ্ড্র প্রাকৃত— বঙ্গ প্রাকৃত, গৌড় প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষা।
ক. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে কোন অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব?
খ. ভারতীয় আর্যভাষার স্তরগুলো ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপক এবং 'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধের মধ্যকার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে উদ্দীপক এবং 'বাংলা ভাষার জন্মকথা' প্রবন্ধের আলোকে তা বিশ্লেষণ করো।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন