🎯সমাধান
একটি দেশ তার জরুরি প্রয়োজনে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে খাদ্য, ওষুধ, প্রকল্প, দান, অনুদান, ঋণ, আর্থিক ও কারিগরি যেকোনো ধরনের সাহায্য গ্রহণ করতে পারে। যাকে বৈদেশিক সাহায্য বলে। তবে এ ধরনের সাহায্য কঠিন শর্তযুক্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে সুদের হার উচ্চ হয়, যাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দাতার স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যবহার হয় এবং গ্রহীতা দেশকে পরনির্ভরশীল করে রাখে। অন্যদিকে বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সম্পদের কাম্য ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, স্বাধীনভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায় এবং বৈদেশিক নির্ভরশীলতা হ্রাসের মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করা যায় ।
ক. বাণিজ্য কী? খ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে ভোক্তারা কীভাবে উপকৃত হয়? ব্যাখ্যা করো। গ. বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণের পূর্বে কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. “বৈদেশিক সাহায্য নয়; বৈদেশিক বাণিজ্যই একটি দেশকে আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করে।”—উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন