🎯সমাধান
বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্য দেশীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সাহায্য করে। তবে বেশিরভাগ ঋণ ও সাহায্যের সাথে কঠিন। শর্ত থাকে। দাতা দেশসমূহ বিভিন্ন অজুহাতে দেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপ করে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রচুর বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্য এসেছে যার বেশিরভাগই অপচয় ও দুর্নীতি হয়েছে। তাই আমাদের উচিত বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্যের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিত্যনতুন রপ্তানিমুখী দ্রব্যসমূহ উৎপাদন করা। ফলে এদেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জনের পথে এগিয়ে যাবে।
ক. বিশ্বায়ন কী? খ. অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকের আলোকে বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্যের ক্ষতিকর দিক উল্লেখ করো। ঘ. আমাদের দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের দিকসমূহ আলোচনা করো।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন