ড. মোঃ সামছুল আলম সম্প্রতি ইলিশ মাছের জিনোম রহস্য উন্মোচন করেছেন। তিনি জেনারেশন সিকুয়েন্সিং পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ডিএনএ খণ্ড হিসেবে প্রাথমিক সিকুয়েন্স ডেটা উৎপন্ন করেন। এই ডেটাগুলো বায়োলজিক্যাল ডেটা এনালাইসিস করার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ডি-নোভা জিনোম এসেম্বল করা হয়। এর মাধ্যমে উচ্চবর্ধনশীল ও রোগ প্রতিরোধী ইলিশ উৎপাদন সম্ভব ।
ক. অ্যাকচুয়েটর (Actuator) কী?
খ. তথ্য প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবণতায় ডায়াবেটিস রোগীরা উপকৃত হচ্ছে – ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকে জিনোম রহস্য উন্মোচনে কোন প্রযুক্তি সহায়ক ভূমিকা পালন করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করলে উদ্দীপকের উল্লিখিত মাছ উৎপাদন সম্ভব? বিশ্লেষণ কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন