🎯সমাধান
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান রচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা-আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের। মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই মিলিটারিরা। অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।
ক. শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
খ. 'বেশি জোরে চালাবেন না, কারণ বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়।'- উক্তিটিতে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ. উদ্দীপকের ঘটনার সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন ঘটনার মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
ঘ. "উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার লেখকের ব্যক্তিজীবনের ঘটনাগুলোর প্রতিচ্ছবি নেই।"- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন