মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি গতানুগতিক কোনো সেবা সংস্থা নয়।
ক. আমাদের প্রচলিত ধারণা আর চলতি কথায় মানব-কল্যাণ কথাটা অনেকখানি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
খ. 'রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক।'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? 'ব্যাখ্যা করো।
ঘ. 'তাঁর চ্যারিটি গতানুগতিক কোনো সেবা সংস্থা নয়।'- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন