ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল পরমাণু পদার্থের ক্ষুদ্রতম অবস্থা। ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে স্বল্প চাপে গ্যাসের মধ্য দিয়ে তড়িৎ ক্ষরণের ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণের সময় জানা গেল যে, ক্ষরণ নলে গ্যাসের চাপ যখন বা তারও কম থাকে তখন ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত এক প্রকার বস্তুকণা ক্যাথোড হতে নির্গত হয়ে প্রচণ্ড বেগে অ্যানোডের দিকে ধাবিত হয়। ক্যাথোডের প্রকৃতি যাই হোক না কেন বা ক্ষরণ নলে যে গ্যাসই নেয়া হোক না কেন, ক্যাথোড রশ্মির এই প্রকৃতি সব সময় একই থাকে। পরে প্রমাণিত হয়, ক্যাথোড রশ্মির কণাগুলো প্রকৃতপক্ষে ইলেকট্রন। স্বাভাবিকভাবে একটি পরমাণু তড়িৎ নিরপেক্ষ। তাহলে নিশ্চয়ই পরমাণুর কোথাও সমপরিমাণ ধনাত্মক আধান থাকতে হবে। এ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণিকা কোথায় ও কীভাবে আছে তা জানার জন্য বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন এবং পরমাণুর মডেল উপস্থাপন করেছেন।
ঘ. রাদারফোর্ড কীভাবে অনুমান করেন যে, পরমাণুর অভ্যন্তরে ধনাত্মক চার্জবাহী অংশটি এর কেন্দ্রস্থলে একটি ক্ষুদ্র জায়গার মধ্যে নিবদ্ধ থাকে?
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন