🎯সমাধান
  \boxed{\mathbf{~ক~}}
চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা: পরমাণুর কেন্দ্রে ধনাত্মক চার্জবাহী নিউক্লিয়াস ও কক্ষপথে ঋণাত্মক চার্জবাহী ইলেকট্রন থাকায় পরমাণুর অভ্যন্তরে বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও তার প্রভাবে চৌম্বকক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে ইলেকট্রনের কক্ষপথের ত্রিমাত্রিক দিক বিন্যাস ঘটে। এ বিন্যাস প্রকরণসমূহ প্রকাশ করার জন্য যে কোয়ান্টাম সংখ্যা ব্যবহৃত হয়, তাকে চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে ।
\\
  \boxed{\mathbf{~খ~}}
ক্রোমিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হলো 24 । ইলেকট্রন বিন্যাসে শেষ ইলেকট্রন d অরবিটালে প্রবেশ করে। Cr-এর আগের মৌলের ইলেকট্রন
বিন্যাস,
1s22s22p63s23p63d34s21 s^{2} 2 s^{2} 2 p^{6} 3 s^{2} 3 p^{6} 3 d^{3} 4 s^{2}
তাহলে নিয়ম অনুযায়ী Cr এর 3 d43 \mathrm{~d}^{4} হওয়ার কথা । কিন্তু আমরা জানি অর্ধপূর্ণ ও পূর্ণ অরবিটালগুলো অধিক স্থিতিশীল হয়। এই স্থিতিশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে তাই Cr ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে 3d43 d^{4} কনফিগারেশন না হয়ে 3d53 d^{5} হয় ও 4s কনফিগারেশন 4s14 s^{1} হয়ে যায় 24Cr1 s22 s22p63 s23p63 d54 s1{ }_{24} \mathrm{Cr} \longrightarrow 1 \mathrm{~s}^{2} 2 \mathrm{~s}^{2} 2 \mathrm{p}^{6} 3 \mathrm{~s}^{2} 3 \mathrm{p}^{6} 3 \mathrm{~d}^{5} 4 \mathrm{~s}^{1}
তাই, ক্রোমিয়াম ব্যতিক্রমধর্মী ইলেকট্রন বিন্যাস দেখায় । \\
  \boxed{\mathbf{~গ~}}
উদ্দীপকে X ও Y দ্বারা যথাক্রমে সোডিয়াম (Na) ও কপার (Cu) কে বোঝানো হয়েছে। সুতরাং XC1 ও YCl যথাক্রমে NaCl ও CuCl।
CuCl যৌগে অধিক পোলারায়ন হবার কারণে এটি NaCl এর চেয়ে পানিতে কম দ্রবণীয়। কোনো আয়নিক যৌগের সমযোজী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় পোলারায়ন ধর্মের কারণে। যখন কোনো ক্যাটায়ন একটি অ্যানায়নের খুব নিকটে আসে, তখন নিউক্লিয়াস তথা সামগ্রিক ধনাত্মক অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে । আয়নিক যৌগে অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘকে ক্যাটায়ন কর্তৃক নিজের দিকে টেনে নেয়ার ক্ষমতাকে ক্যাটায়নের পোলারায়ন ক্ষমতা বলে ।
NaCl ও CuCl এর ক্ষেত্রে অ্যানায়ন একই এবং ক্যাটায়নের চার্জ অভিন্ন । কিন্তু তা সত্ত্বেও CuCl এর পোলারায়ন, NaCl এর চেয়ে বেশি হয়। এর কারণ Cu+\mathrm{Cu}^{+} আয়নের চার্জ ঘনত্ব Na+\mathrm{Na}^{+} আয়নের চেয়ে বেশি। কেননা Cu+\mathrm{Cu}^{+} আয়নের আকার Na+\mathrm{Na}^{+} আয়নের চেয়ে ছোট। ফলে Cu+\mathrm{Cu}^{+} আয়ন ক্লোরিন আয়নের ইলেকট্রন মেঘকে অধিক বিকৃত করতে পারে এবং পোলারায়ন বেশি হয় । উপরোক্ত কারণে NaCl, CuCl এর চেয়ে আয়নিক ও পানিতে বেশি দ্রবণীয় \\
  \boxed{\mathbf{~ঘ~}}
উদ্দীপকের A ও B দ্বারা যথাক্রমে ফসফরাস (P) ও সালফার (S) কে বোঝানো হয়েছে। গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল বিচ্ছিন্ন পরমাণু থেকে একটি করে ইলেকট্রন সরিয়ে একে গ্যাসীয় বিচ্ছিন্ন এক মোল একক ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকে সেই মৌলের আয়নীকরণ শক্তি বা বিভব বলা হয় । একে Ei দ্বারা প্রকাশ করা হয়। Ei এর মান সব সময় ধনাত্মক।
ফসফরাস (15P)\left({ }_{15} \mathrm{P}\right) ও সালফার (16S)\left({ }_{16} S\right) এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ—
15P1 s22 s22p63 s23p316 S1 s22 s22p63 s23p4\begin{array}{l} { }_{15} \mathrm{P} 1 \mathrm{~s}^{2} 2 \mathrm{~s}^{2} 2 \mathrm{p}^{6} 3 \mathrm{~s}^{2} 3 \mathrm{p}^{3} \\ { }_{16} \mathrm{~S} 1 \mathrm{~s}^{2} 2 \mathrm{~s}^{2} 2 \mathrm{p}^{6} 3 \mathrm{~s}^{2} 3 \mathrm{p}^{4} \end{array}
প্রথম আয়নিকরণ বিভবের ক্ষেত্রে, ফসফরাস থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করার জন্য অধিক স্থিতিশীল অর্ধপূর্ণ P-অরবিটাল ভাঙতে হয়। এতে শক্তি বেশি লাগে। কিন্তু 16S{ }_{16} S থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণে অর্ধপূর্ণ অরবিটাল নেই বলে শক্তি কম লাগে। এজন্য ফসফরাসের প্রথম আয়নিকরণ শক্তি সালফার প্রথম আয়নিকরণ শক্তি থেকে বেশি । দ্বিতীয় আয়নিকরণ শক্তির ক্ষেত্রে, ফসফরাসের 3p33 p^{3} অরবিটাল থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করা হয়। এতে শক্তি কম লাগে। কিন্তু সালফারের অধিক সুস্থিত 3p23 \mathrm{p}^{2} অরবিটাল থেকে ইলেকট্রন অপসারণ করতে অধিক শক্তি লাগে। তাই ফসফরাসের দ্বিতীয় আয়নিকরণ শক্তি সালফারের দ্বিতীয় আয়নিকরণ শক্তি হতে কম ।
\\

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন