জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনার জন্য মোট সদস্য সংখ্যার মধ্যে কমপক্ষে ৬০ জন উপস্থিত থাকলে কোরাম হয়।
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন আদালত হলো গ্রাম আদালত। গ্রাম আদালত ইউনিয়ন পর্যায়ে অবস্থিত। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিবদমান দুই পক্ষের দুজন করে মোট পাঁচজন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয়। যেসব মামলা স্থানীয় পর্যায়ে বিচার করা সম্ভব, মূলত সেগুলোর বিচার গ্রাম আদালতে করা হয়। ছোটখাটো ফৌজদারি মামলার বিচার এ আদালতে করা হয়ে থাকে।
মি. 'A' ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। আর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। যে নির্বাচন পদ্ধতিতে জনপ্রতিনিধিরা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত না হয়ে মধ্যবর্তী সংস্থার মাধ্যমে নির্বাচিত হন তাকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে। এ ব্যবস্থায় জনগণ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন। এই জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচন করেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। যেহেতু সংসদ সদস্যগণ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং তাদের ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, সেহেতু বলা যায় মি. 'A' ব্যক্তি পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।
উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী, মি. 'A' ও মি. 'B' রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অলংকার ও সম্মানজনক অধিষ্ঠিত পদ। তবে সরকারের সকল নির্বাহী ক্ষমতা পরিচালিত। হয় মি. 'A' এর নামে এবং তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজে পরামর্শও প্রদান করেন। কিন্তু রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদে নিয়োগপ্রদানসহ সকল কাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তাঁকে মি. 'B' এর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়। উদ্দীপকের মি. 'A' সম্পর্কিত এসব তথ্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির অনুরূপ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মি. 'A' বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, যিনি পরোক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।
উদ্দীপকের মি. 'B' অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কাজের পরিধি ব্যাপক। উদ্দীপকে মি. 'A'-কে মি. 'B'-এর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে হয়। এখানে মি. 'B'-এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ শাসিত শাসন ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু এবং সরকারপ্রধান। তাকে কেন্দ্র করেই দেশ, জাতি ও সরকার পরিচালিত হয়। তিনিই প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সব দায়িত্ব পালন করেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিপরিষদ গঠিত ও এর কাজ পরিচালিত হয়। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণয়ন করা হয়। তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন। পররাষ্ট্র বিষয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া, যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থের রক্ষক। জাতীয় স্বার্থে তিনি বিভিন্ন সময়ে বক্তৃতা ও বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করেন ও জনগণের মধ্যে সংহতি রক্ষায় কাজ করেন। উল্লিখিত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, বাংলাদেশ তথা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করেন। অর্থাৎ তার কাজের পরিধি ব্যাপক।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন