🎯সমাধান
দৃশ্যপট-১: প্রাচীনকালের চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল হোয়াংহো নদীর তীরে। বর্ষার সময় নদীটি প্রায় শত শত কি. মি. পর্যন্ত এলাকা জুড়ে প্লাবিত হতো। গ্রামের পর গ্রাম ও জনপদ নদীগর্তে বিলীন হয়ে যেত। চীনারা তাই একে ডাকতো নানা নামে। কখনও ডাকতো ‘ভ্রাম্যমাণ নদী’ বলে, কখনও বা ‘চীনের দুঃখ’ আবার কখনও ‘সর্বনাশী’ বলে।
দৃশ্যপট-২: মেসোপটেমিয়া সভ্যতার রাজধানী ছিল ব্যাবিলন। বাণিজ্য শহ নগরী হওয়ায় এর কেন্দ্রস্থলে থাকতো চারদিকে ঘেরা বাজার। তার মধ্যে মালপত্র মজুদ করার আড়ত থাকত। বাজারের চারিপাশে থাকত কারিগর, মাঝিমাল্লা ও মুটেদের কুঁড়ে ঘর— এগুলো তৈরি করা হতো মাটি ও খড় বিচালি দিয়ে। কখনও বা ছোট ছোট হালকা পাথর দিয়ে।
ক. সক্রেটিসের শিক্ষার মূল দিক কী ছিল?
খ. বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদানটি ব্যাখ্যা করো।
গ. দৃশ্যপট-১-এর চৈনিক সভ্যতার বিপরীত চিত্র তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন সভ্যতায় লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যপট-২-এর ব্যাবিলন শহরটির সাথে সিন্ধুসভ্যতার আবিষ্কৃত শহরের তুলনামূলক আলোচনা করা।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন