🎯সমাধান
রাকিব দীর্ঘদিন ধরে 'ক' দেশে অবস্থান করে ঐ দেশের নাগরিক মার্থাকে বিয়ে করেন। আবার তিনি ঐ দেশের ভাষা শিখে সে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করেন। অন্যদিকে রাকিবের ভাই সাকিব তার পুত্র তাওসিফকে নিয়ে 'খ' দেশে গমন করেন। যেখানে তার কন্যা সন্তান মাইশার জন্ম হয়। মাইশা জন্মের সাথে সাথেই সে দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্ত হয়। কিন্তু স্কুলে ভর্তি, চিকিৎসা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে তাওসিফ মাইশার মতো সুবিধা পায়নি। বয়স আঠারো বছর হলে মাইশা 'খ' দেশের ভোটার হলেও তাওসিফ হতে পারেনি।
ক. কর্তব্য কাকে বলে?
খ. সুনাগরিক হওয়ার জন্য বুদ্ধির প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. রাকিবের ঘটনাটি নাগরিকতা অর্জনের কোন পদ্ধতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. "মাইশা ও তাওসিফের প্রেক্ষাপট নাগরিকতা অর্জনের একাধিক পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত"- বিশ্লেষণ করো।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন