শপথ নেওয়ার পরপরই রাজা রাধারমণকান্ত সরকারি কাজকে কতকগুলো বিভাগে ভাগ করেন এবং প্রত্যেক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয় একজন মন্ত্রীকে। অপর রাজ্যের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়। বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য নিয়োগ করা হয় রাষ্ট্রদূত। তার কাজে সাহায্যের জন্য তিনি একজন প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। তবে তিনি সামরিক বাহিনী গঠনে মনোযোগী ছিলেন না।
ক. শ্রী শান্তিদেব কোন রাজবংশের রাজা ছিলেন?
খ. শশাংকের সময় উত্তর ভারতের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের গতি-প্রকৃতি কেমন ছিল?
গ. উদ্দীপকটি প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থার সাথে যে দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটিতে প্রাচীন বাংলার শাসন ব্যবস্থার পূর্ণ প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠেনি- বিশ্লেষণ করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন