প্রেক্ষাপট-১ : শিক্ষক মহোদয় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন, 'যে ব্যক্তি আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হওয়ার ভয় করবে ও কুপ্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকবে তার স্থান হবে জান্নাত।' এ আয়াতটি অনুধাবন করে আব্দুর রহিম হালাল-হারাম মেনে জীবনের প্রত্যেকটি কাজ সম্পাদন করে। পরকালে যাতে কোন শাস্তি পেতে না হয় সে জন্য সে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকে।
প্রেক্ষাপট-২ : ফাতেমা জানতে চাইল শালীনতা কী? উত্তরে শিক্ষক মহোদয় বলেন, “শালীনতা হলো ইসলামি সমাজ ব্যবস্থার মূলভিত্তি। পোশাক-পরিচ্ছদ ও চলাফেরায় শালীনতার অভাব অনেক সময় সমাজে অশ্লীলতার প্রসার ঘটায়। আর অশালীন ও অশ্লীল কাজ মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ বিনষ্ট করে দেয়। আচার-আচরণ, কথা-বার্তা, পোশাক পরিচ্ছদ ও চলাফেরায় ভদ্র ও মার্জিত হওয়াকে শালীনতা বলে।
ক. আখলাকে হামিদাহ কাকে বলে?
খ. আমানত রক্ষার গুরুত্ব বুঝিয়ে লেখো।
গ. প্রেক্ষাপট-১ এ আব্দুর রহিমের কাজের গুরুত্ব কুরআন ও হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. প্রেক্ষাপট-২ এ ফাতেমা যে বিষয়টি জানতে চেয়েছে তার গুরুত্ব ও মানবজীবনের এর প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন