আষাঢ় আর শ্রাবণে এক এক সময় দিনের পর দিন বর্ষণ চলতে থাকে। অনেক দিন সূর্যের চেহারা পর্যন্ত চোখে পড়ে না। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড প্রতাপশালী সূর্য ঘুমিয়ে পড়ে কালো মেঘের আড়ালে। আকাশ ভেঙে নামে অঝোর বৃষ্টি। বৃষ্টির ঝাপসা আচ্ছাদনে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে চারদিক। দূর বনানীর গা ঘেঁষে সন্ধ্যার অনেক আগেই জমাট অন্ধকার নেমে আসে। আর বৃষ্টির জলে মাঠ-ঘাট থইথই করে। চারদিকে কেবল পানি আর পানি। মাঝখানে ছোট ছোট গ্রাম দ্বীপের মতো ভাসে। নৌকা ছাড়া যাতায়াতের কোনো উপায় থাকে না। মাঝির কণ্ঠে শোনা যায় সারিগানের সুর। বর্ষার প্রতীক কদমফুলে ছেয়ে যায় গাছ। কেয়া বনে চলে ফুল ফোটার প্রতিযোগিতা। সব মিলিয়ে যেন এক মোহনীয় পরিবেশ। প্রকৃতি কৈবল সেজেই চলেছে।
ক. টেলিগ্রাফের থামগুলোকে বাতাস কী করে?
খ. বাতাসের ধ্বংসাত্মক রূপকে কবি ধিক্কার জানিয়েছেন কেন? ব্যাখ্যা কর ।
গ. উদ্দীপকের প্রকৃতির সঙ্গে 'বোশেখ' কবিতার প্রকৃতির বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর ।
ঘ. “উদ্দীপকটি 'বোশেখ' কবিতার বিপরীত রূপ”— মূল্যায়ন কর ।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন