🎯সমাধান
ইসমাইল সাহেব একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। সুরম্য অট্টালিকায় বাস করেন। একমাত্র আদরের মেয়ে ডলির কোনো ইচ্ছা তিনি অপূর্ণ রাখেন না। হঠাৎ ডলি অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েন। দেশে-বিদেশে চিকিৎসা করিয়েও কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। রোগমুক্তির আশায় প্রচুর দান-খয়রাত করার পাশাপাশি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছেন, তিনি যেন ডলিকে দ্রুত সুস্থ করে দেন।
ক. 'পল্লিজননী' কবিতায় ছেলের কোঁচভরা কী ছিল?
খ. "বালাই বালাই, ভালো হবে যাদু মনে মনে জাল বোনে।"- পঙক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
গ. উদ্দীপকের ডলিদের অবস্থার সঙ্গে 'পল্লিজননী' কবিভার রুগণ ছেলেটির পরিবারের যে বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায় তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. "উদ্দীপকের ইসমাইল সাহেবের অনুভূতির মাঝে 'পল্লিজননী' কবিতার মায়ের অপত্য স্নেহের দিকটিই যেন প্রকাশিত।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন