একজন ব্যক্তি আনন্দে আত্মহারা হয়ে 'ইউরেকা, ইউরেকা, বলে চিৎকার করছে আর দৌড়াচ্ছে। উপস্থিত সকলে হকচকিয়ে গেল। পরে জানা গেল রাজা স্বর্ণকারকে দিয়ে একটি সোনার মুকুট গড়ান। কিন্তু তার সন্দেহ হয় ওটি খাঁটি সোনায় তৈরি করা হয়নি। এদিকে মুকুটটি না ভেঙে সোনার খাঁটিত্ব পরীক্ষা করাও সম্ভব নয়। রাজার প্রথম ও শেষ কথা তার এ প্রিয় জিনিসটি না ভেঙেই পরীক্ষাটি করতে হবে। দায়িত্ব পড়ে বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের ওপর। তিনি চিন্তায় মগ্ন হন। এমন সময় গোসলের চৌবাচ্চায় নামার সাথেই সাথেই পেয়ে যান সমস্যার সমাধান। ঐ অবস্থাতেই রাজ দরবারের দিকে দৌড়াচ্ছেন তিনি। তাই বলা যায় 'প্রয়োজনই উদ্ভাবনের জনক।'
(ক) ধুলা পরিষ্কার করার জন্য কত ঝাঁটা কেনা হলো?
(খ) 'মাটির ভয়ে রাজ্য হবে মাটি'-রাজার এ কথার কারণ কী?
(গ) উদ্দীপকটি 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতাটিকে কোনদিক থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছে? বর্ণনা করো।
(ঘ) “প্রয়োজনই উদ্ভাবনের জনক”-উক্তিটি উদ্দীপক ও 'জুতা-আবিষ্কার' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন