ছেলেটার বয়স হবে বছর দশেক, পরের ঘরে মানুষ। যেমন ভাঙা বেড়ার ধারে আগাছা, মালীর যত্ন নেই ঠিক তেমনি। ছেলেটা ফুল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে হাড় ভাঙে, বুনো বিষফল খেয়ে ওর ভিরমি লাগে। কিছুতেই কিছু হয় না, আধমরা হয়েও বাঁচে। গেরস্ত ঘরে ঢুকলেই সবাই তাকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়। কেবল তাকে ডেকে এনে দুধ খাওয়ায় সিধু গোয়ালিনি। ছেলেটার উপদ্রবে গোয়ালিনির স্নেহ যেন আরও ঢেউ খেলিয়ে ওঠে। কেউ শাসন করতে এলে, গোয়ালিনি পক্ষ নেয় ওই ছেলেটির।
ক. বাঁশবনে ডাকে কে?
খ. মায়ের প্রাণ শঙ্কায় ভরে উঠেছে কেন?
গ. তুমি কি মনে কর, সিধু গোয়ালিনি পল্লিজননীরই প্রতিরূপ? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
ঘ. উদ্দীপকের ছেলেটার সাথে 'পল্লিজননী' কবিতার ছেলেটার পার্থক্য কোথায়? ব্যাখ্যা কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন