🎯সমাধান
ছেলের অসুস্থতার খবর পেয়ে বাড়িতে ছুটে আ আসেন পাগলপ্রায় ফারহানা ব্যস্ত উদ্বিগ্ন অবস্থায় স্বামীকেও খবর পাঠান। ঘরে ফিরে দেখেন জ্বরে ছেলের গা পুড়ে যাচ্ছে। ঝাড়ফুঁকের জন্য তার শাশুড়ি গ্রামের ইদ্রিস ইদ্রিস মোল্লাকে নিয়ে এসেছেন। এসব বাদ দিয়ে ফারহানা ছেলেকে নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন; ডেল্ড আশঙ্কা করে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র দিলেন। পরদিন পরীক্ষার রিপোর্ট ডেঙ্গু শনাক্ত হয় এবং ছেলের প্লাটিলেট দ্রুত কমতে থাকে। ফারহানা ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে নাওয়া-খাওয়া ভুলে সারাক্ষণ ছেলের সেবা করে তাকে সারিয়ে তোলেন। এদিকে তার শাশুড়ি নাতির রোগমুক্তি কামনা করে মসজিদে দান করার মানত করেন।
ক. জসীমউদ্দীনের কোন গ্রন্থটি বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়?
খ. 'যে কথা ভাবিতে পরাণ শিহরে তাই ভাসে হিয়া কোণে'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের শাশুড়ির মধ্যে 'পল্লিজননী' কবিতার যে বিশেষ দিকের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও ফারহানা ও পল্লিজননী একসূত্রে গাঁথা- বিশ্লেষণ কর।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন