🎯সমাধান
বৈকুণ্ঠ সাহার গদিতে ডাকাতি করিতে গিয়া তাহাদের দলকে-দল ধরা পড়িয়া যায়। এগারজনের মধ্যে কেবল ভিখুই কাঁধে একটা বর্শার খোঁচা খাইয়া পলাইতে পারিয়াছিল। [...] বন কাছেই ছিল মাইল পাঁচেক উত্তরে। ভিখু অগত্যা বনেই আশ্রয় লইল। [...] রাত্রে ভিখুর জ্বর আসিল। [...] সবুজ রঙের একটা সাপকে একবার মাথার কাছে সিজুরি গাছের পাতার ফাঁকে উঁকি দিতে দেখিয়া পুরা দুঘন্টা লাঠি হাতে সেদিকে চাহিয়া বসিয়া রহিল এবং [...] যথাসাধ্য শব্দ করিয়া সাপ তাড়াইতে লাগিল। মরিবে না। সে কিছুতেই মরিবে না। বনের পশু যে অবস্থায় বাঁচে না, সেই অবস্থায়, মানুষ সে বাঁচিবেই।
ক. কোথায় প্রাণের খেলা চিরতরঙ্গিত?
খ. কবি জীবন্ত হৃদয়ে স্থান পেতে চান কেন?
গ. ভিখুর কিছুতেই মরতে না চাওয়ার মধ্যে ‘প্রাণ' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর ।
ঘ. “সামান্য সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে পারেনি।” — মন্তব্যটি যাচাই কর।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন