মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পায়নি বলে সুইটি নাওয়া-খাওয়া সব বাদ দিয়েছে; যোগাযোগ বন্ধ করেছে বন্ধু-বান্ধবের সাথেও। তার সেই এক কথা "আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।" সে আর পড়াশুনাও করতে চায় না। মেয়ের কথা শুনে বাবা হাসেন- বলেন, "মানবজীবনই হলো সংগ্রামের। মেডিকেলে পড়াই জীবনের সব নয়। তুমি তোমার মেধা যেকোনো কাজে লাগিয়ে সফল হতে পার। কোনো সাধারণ বিষয়ে পড়াশুনা করে তুমি 'অসাধারণ' হয়ে উঠতে পার। প্রতিটি দায়িত্বশীল ও সময়ানুবর্তী মানুষ পৃথিবীতে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন।” বাবার কথা মেনে সুইটি আজ একজন সফল বিসিএস কর্মকর্তা। অনেকের আদর্শ-অনুকরণীয়।
ক. ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতায় আয়ুকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
খ. ‘সংসারে সংসারী সাজ’-কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. সুইটির মেডিকেলে পড়ার সুযোগ না পাওয়ার মনোবেদনা ‘জীবন-সঙ্গীত’ কবিতার সাথে যে দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘সাধনা ও পরম ধৈর্য মানুষকে পৌঁছে দিতে পারে সফলতার উচ্চ শিখরে’-উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা দেখাও।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন