শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ভারতীয় সমাজ সংস্কারক কৈলাস সত্যার্থী। ব্যক্তিগত জীবনে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। একসময় তিনি মহাত্মা গান্ধীর দেখানো শান্তিপূর্ণ পথে দীক্ষিত হয়ে চাকরি ছেড়ে 'গ্লোবাল মার্চ এগেনস্ট চাইল্ড লেবার' নামক এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তৈরি করে শিশুশ্রম বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হন। অবহেলিত শিশুদের রক্ষাকর্তা রূপে তিনি তাদের পাশে দাঁড়ান। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ হাজার শিশুশ্রমিক স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে, আক্রান্ত হয়েছেন, রক্ত ঝরেছে, কিন্তু দমে যাননি কৈলাস সত্যার্থী। সমাজের মুখোশধারী মানুষ যারা কোমলমতি শিশুদের ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করে শিশুদের সুরক্ষিত করার মধ্যেই তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন।
(ক) মুসাফির কতদিন ভুখা ছিল?
(খ) 'ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!' চরণটি ব্যাখ্যা কর।
(গ) উদ্দীপকের কৈলাস সত্যার্থী 'মানুষ' কবিতার কোন চরিত্রের বিপরীত তা আলোচনা করো।
(ঘ) উদ্দীপকের 'সমাজের মুখোশধারী মানুষদের মুখোশ উন্মোচন করার জন্য কৈশাল সত্যার্থীর মতো মানুষ প্রয়োজন'- মূল্যায়ন করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন