১৯৪৭ সালে ইংরেজ শাসনের অবসানের পর পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের ওপর বৈষম্যনীতি শুরু করে। তারা পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। কিন্তু এদেশের ছাত্র-শিক্ষকসহ আপামর জনতা এর বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ করে এবং বুকের তাজা রক্ত বিসর্জন দেয়।
ক. শূন্য থালা হাতে পথের ধারে কে বসেছিল?
খ. 'আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
গ. উদ্দীপকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আচরণে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. "উদ্দীপকের ছাত্র-শিক্ষকসহ আপামর জনতার ভূমিকাই 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার কবির মনে আশা জাগিয়েছে"-মূল্যায়ন করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন