🎯সমাধান
"অনেকে মনে করেন যে, পুরুষের উপার্জিত ধন ভোগ করে বলিয়া নারী তাহার প্রকৃত্ব সহ্য করে। কথাটি অনেক পরিমাণে ঠিক। বোধ হয়. স্ত্রীজাতি প্রথমে শারীরিক শ্রমে অক্ষম হইয়া পরের উপার্জিত ধনভোগে। বাধা হয় এবং সেই জন্য তাহাকে মন্ত্রক নত করিতে হয়। কিন্তু এখন স্ত্রী জাতির মন পর্যন্ত দাস হওয়ায় দেখা যায়, যে স্থলে দরিদ্র স্ত্রীলোকেরা সুচিকর্ম বা দাসীবৃত্তি দ্বারা অর্থ উপার্জন করিয়া পতিপুত্র প্রতিপালন করে, সেখানেও ঐ অকর্মণ্য পুরুষেরাই 'স্বামী' যাকে। আবার যেন যিনি স্বয়ং উপার্জন না করিয়া প্রকৃত সম্পত্তির উত্তরাধিকারীনীগণকে বিবাহ করেন, তিনিও তার স্ত্রীর ওপর প্রভুত্ব করেন এবং স্ত্রী তাহার প্রভুত্বে আপত্তি করে না। ইহার কারণ এই যে, বহুকাল হইতে নারীহৃদয়ের উচ্চ বৃত্তিগুলো অঙ্কুরে বিনষ্ট হওয়ায় , নারী অন্তর , বাহির, মস্কিস্ক হৃদয় সবই দাসী হইয়া পড়িয়াছে।
(ক) কার সঙ্গে চলে যেতে ইচ্ছে হলো নিমগাছের?
(খ) নিমগাছ না কাটলেও কেউই তার যত্ন করে না কেন?
(গ) উদ্দীপকে নিমগাছ' গল্পের যে বিশেষ দিকটি উঠে এসেছে তা বর্ণনা কর।
(ঘ ) 'উদ্দীপক ও 'নিমগাছ' গল্পের আকাঙ্ক্ষিত বিষয় মানুষের বিবেককে জাগ্রত করা।" উক্তিটি বিশ্লেষণ কর

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন