আমি একা নই, অসংখ্য মানুষ পিঁপড়ের মতো ছুটছিল। মাথায় সুটকেস, বগলে কাপড়ের গাঁটরি। হাতে হারিকেন। কোমরে বাচ্চা। চোখে মুখে কী এক অস্থির আতঙ্ক! কথা নেই। মৌন সবাই। সহসা কে যেন বলল, ওদিকে যাবেন না। মিলিটারি। নৌকায় করে করে লোকজন সব ওপারে পালাচ্ছিল। মিলিটারি ওদের ওপরে গুলি করেছে। দু-তিনশ লোক মারা গেছে ওখানে। যাবেন না। মনে হলো পায়ের সঙ্গে যেন কয়েক মণ পাথর বেঁধে দিয়েছে কেউ। সামনে এগিয়ে যাব ভরসা পাচ্ছি না। পর মুহূর্তে একটা হেলিকপ্টরের শব্দ শুনতে পেলাম। তারপর মনে হলো একসঙ্গে যেন অনেকগুলো বাজ পড়লো। মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে গেলাম। কিছু দেখতে পাচ্ছি না। শুধু অনেকগুলো শব্দের তান্ডব। মেশিনগানের শব্দ। বাচ্চাদের কান্না। কতগুলো মানুষের আর্তনাদ। কাতরোক্তি। কয়েকটা কুকুরের চিৎকার। মানুষের বিলাপ। একটি কিশোরের কণ্ঠস্বর। বা'জান। বা'জান। তারপর শশ্মশানের নীরবতা।
ক. ১৯৭১ সালের ১৩ই এপ্রিল কী বার ছিল?
খ. 'ধরণী দ্বিধা হও' কেন এ কথাটি বলা হয়েছে?
গ. উদ্দীপকটিতে 'একাত্তরের দিনগুলি' রচনার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে- ব্যাখ্যা কর।
ঘ. 'উদ্দীপকটি 'একাত্তরের দিনগুলি' রচনার খন্ডাংশ মাত্র"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন