জাতির জীবনধারা গঙ্গা-যমুনার মতো দুই ধারায় প্রবাহিত। এক ধারার নাম আত্মরক্ষা বা স্বার্থ প্রসার, আরেক ধারার নাম আত্মপ্রকাশ বা পরার্থ বৃদ্ধি। একদিকে যুদ্ধবিগ্রহ, মামলা ফ্যাসাদ প্রভৃতি কদৰ্য দিক, অপরদিকে সাহিত্যশিল্প, ধর্ম প্রভৃতি কল্যাণপ্রদ দিক। একদিকে শুধু কাজের জন্য কাজ, অপরদিকে আনন্দের জন্য কাজ। একদিকে সংগ্রহ, আরেকদিকে সৃষ্টি। যে জাতি দ্বিতীয় দিকটির প্রতি উদাসীন থেকে শুধু প্রথম দিকটির সাধনা করে, সে জাতি কখনো উঁচু জীবনের অধিকারী হতে পারে না। জীবনে শ্রী ফোটাতে হলে দ্বিতীয় দিকটির সাধনা প্রয়োজন।
ক. লেফাফাদুরস্তি কী?
খ. 'অর্থচিন্তার নিগড়ে সকলে বন্দি'- কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের উল্লিখিত বক্তব্যটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের কোন দিকটির ইঙ্গিত প্রদান করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের দ্বিতীয় দিকটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের আংশিক না সামগ্রিক ভাব বহন করে? এ সম্পর্কে তোমার নিজস্ব মত প্রদান করো।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন