নন্দীপুর এলাকার চেয়ারম্যান মানিক সরকার। সম্প্রতি তার বাবার মৃত্যুর পর কুলখানিতে দশ গ্রামের মানুষকে দাওয়াত করে খাওয়ালেন। সবাই প্রাণভরে দোয়া করে গেল। কদিন পরেই মারা গেলেন ঐ এলাকার দরিদ্র বর্গাচাষি হরিপদ বিশ্বাস। বাবার মৃত্যুশোক এবং সৎকারের চিন্তায় তার একমাত্র মেয়ে দীপালী কান্নায় ভেঙে পড়ল। পিতৃহারা অসহায় কিশোরীর শোকের মাতমে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠল। খবর পেয়ে হরিপদের বাড়িতে ছুটে গেলেন মানিক সরকার। মেয়েকে বুকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিলেন এবং তাদের ধর্মীয় বিধি-বিধান অনুসারে হরিপদের সৎকারের সুব্যবস্থা করলেন।
(ক) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে কোন পদক প্রদান করেছিল?
(খ) 'অভাগীর জীবননাট্যের শেষ অঙ্ক' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
(গ) উদ্দীপকের বক্তব্য 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের যে ভাবের সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা কর।
( ঘ) ঠাকুরদাস মুখুয্যে ও অধর রায় যদি চেয়ারম্যান সাহেবের মানসিকতা ধারণ করতেন, তাহলে 'অভাগীর স্বর্গ গল্পের পরিণতি অন্যরকম হতো-তুমি কি এর সাথে একমত? তোমার মতামতের পক্ষে যুক্তি দাও।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন