নিজের ২০ শতক জমি চাষ করে সংসার চলত না তাঁর। স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে কষ্টেসৃষ্টে দিন কাটত। বাধ্য হয়ে শুরু করেন দিনমজুরের কাজ। তাতেও দুঃখের দুয়ার বন্ধ হলো না। শেষমেশ গ্রাম ছেড়ে কাজ নেন ঢাকার পোশাক কারখানায়। তবে এখন তিনি একটি বোতাম কারখানার মালিক। তাঁর কারখানায় কর্মসংস্থান হয়েছে ১৬টি পরিবারের। জীবনসংগ্রামে সফল এই ব্যক্তি হলেন মজিবর রহমান (৫৮)।
[তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো-১৩.০৬.২০১৫]
(ক) গল্পে ব্রাহ্মণদিদির সংক্ষিপ্ত রূপ কী?
(খ) মমতাদি কেন অনাবশ্যক জোর দিয়ে বলল যে সে রাঁধুনী?
(গ) মজিবর রহমানের জীবনের কোন সময়ের সঙ্গে মমতাদির মিল রয়েছে তা চিহ্নিত করো।
(ঘ) "উক্ত সময়ের মিল থাকলেও পরিণতিতে গল্পের মমতাদি ও উদ্দীপকের মজিবর রহমান আলাদা।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন