🎯সমাধান
বিকেল বেলা লাল গোরুটা ছুটতে ছুটতে এসে হাজির। নিধিরাম উঠানের ধারে বসে বেড়া বাঁধছিল। আর এদিক ওদিক নয়, লাল গোরুটা সোজা গিয়ে লম্বা মুখটা তার কাঁধের উপর তুলে দিল। ঠাণ্ডা নাকটা গায়ে লাগতেই নিধিরাম চমকে উঠল, এটা আবার কী? ওমা, এ যে লাল গোরুটা। অ্যাঁ, কেমন করে এসে পড়লো? লাল গোরুটা তার ডাগর চোখ দুটি ওর মুখের দিকে তুলে ধরলো। ওর চোখ দুটো যেন কথা বলছে। যেন বলছে, তোমার এ কেমন আক্কেল বলতো? আমাকে একা কোথায় পাঠিয়ে দিয়েছিলে? আমি কি তোমাদের ছেড়ে থাকতে পারি? গোরুতো মুখ ফুটে কথা বলতে পারে না। কিন্তু মনে মনে সে এ কথাই বলছিল। তারপর তাকে নিয়ে বাড়িসুদ্ধ হৈ হৈ পড়ে গেল। ছেলে-মেয়েরা চেঁচামেচি মাতামাতি, নাচানাচি শুরু করে দিল। নিধিরাম লাল গোরুর গলা জড়িয়ে ধরে বলল, আমার গোরু।
(ক) "খাবার দেবার পর মুখে বলতে হয়-খাও।" কাকে?
(খ) 'নিয়তি' গল্পে 'মুক্তির মহানন্দ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
(গ) উদ্দীপকের লাল গোরুটা 'নিয়তি' গল্পের যে চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তা ব্যাখ্যা কর।
(ঘ) উদ্দীপকের নিধিরাম ও 'নিয়তি' গল্পের লেখক একই সূত্রে গাঁথা? যুক্তিসহ বুঝিয়ে দাও।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন