রাহাত বহুদিন পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরে ময়মনসিংহের নিজ গ্রামে কিছুদিন কাটিয়ে বুঝতে পারে পল্লিগ্রামের আনাচেকানাচে কত আনন্দের খোরাক রয়েছে। এখানে সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ রয়েছে। সে সিদ্ধান্ত নেয় তার ছেলেমেয়েদের বিদেশি সংস্কৃতিতে শিক্ষা না দিয়ে নিজের দেশের সংস্কৃতিতেই বড় করবে। রাহাত নিজের উদ্যোগেই লোকসাহিত্য সংরক্ষণ ও গবেষণার কাজে আত্মনিয়োগ করে। কিন্তু রাহাতের ছোট ভাই পল্লিগ্রামের ভাটিয়ালি গান, জারি, সারি কিংবা রাখালি গানকে বর্বর চাষার গান বলে উপহাস করে। সে ইউরোপীয় সংস্কৃতিকেই অধিকতর গ্রহণযোগ্য মনে করে।
ক. প্রবাদ বাক্য কী?
খ. "পল্লিগ্রামে শহরের মতো গায়ক, বাদক, নর্তক না থাকলেও তার অভাব নেই"- লেখক এই উক্তিটিতে কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকে রাহাত এবং তার ছোট ভাইয়ের মধ্যে চেতনাগত কী পার্থক্য রয়েছে? 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. 'পল্লিসাহিত্য আমাদের অমূল্য সম্পদ'- 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধ এবং উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন