লেখক সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে অবলম্বন করে কিছু জানানোর উদ্দেশ্যে কিংবা সে বিষয়ে নিজস্ব মতামত জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে এ সাহিত্য রচনা করেন। সেক্ষেত্রে ভাবের অনুগামী ভাষা ব্যবহার করেন, মত প্রকাশের জন্য কখনো যুক্তি উপস্থাপন করেন, কখনো তত্ত্ব ও তথ্যের সমাবেশ ঘটান। এ রচনায় ভাব, ভাষা, যুক্তি ও বর্ণনার একটা আঁটসাঁট বন্ধন থাকা অতি জরুরি- তবেই তা সার্থক রচনা।
ক. নাটক সচরাচর কয়টি অঙ্কে বিভক্ত থাকে?
খ. নাটককে দৃশ্যকাব্য ও শ্রব্যকাব্য বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের বক্তব্যে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' রচনার সাহিত্যের কোন শাখার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান? বিশ্লেষণ কর।
ঘ. উদ্দীপকটিতে বর্ণিত দিকটিই সাহিত্যের একমাত্র দিক নয় বরং এর শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত- মন্তব্যটির প্রতিচ্ছবি 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধে দেখতে পাওয়া যায়- ব্যাখ্যা কর।
সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন
প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
লগইন করুন